Shoptom
Blush It Up
22/06/2021
05/03/2021
Lady Paintings
picture from : https: pixels.com
02/03/2021
Online Shopping PlatformComing Soon in Bangladesh
17/02/2021
১। চিত্র(১), যদি বিভাজিত, মাঝে মাঝে কাটা কাটা সাদা দাগ থাকে তাহলে বুঝবেন আপনি ওভারটেক করতে পারবেন।
২। চিত্র(২), যদি দাগ এক টানা হয়ে থাকে তাহলে বুঝবেন ওভার টেক করা ঝুঁকিপূর্ণ।
৩। চিত্র(৩), যদি দাগ ডাবল ভাবে দেওয়া থাকে তাহলে ভুলেও ওভারটেক করার চেষ্টা করবেন না। এটা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, বিপদজনক এবং আইনত দণ্ডনীয়।
ধন্যবাদ,♥️♥️💜💜
11/02/2021
কোন উচ্চতায় কতো ওজন
সুস্থতার জন্য শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখাটা খুবই জরুরি। ওজন অতিরিক্ত বেড়ে গেলে শরীরের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়। বিগড়ে যায় শরীরের নমনীয়তাও। আবার ওজন অস্বাভাবিক ভাবে কমে গেলেও শরীরে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। কিন্তু শরীরের ওজন কতটা বেশি বা কম তা না জানলে ঠিক কতটা ওজন বাড়ানো বা কমানো জরুরি সেটা আন্দাজ করা মুসকিল। উচ্চতা অনুযায়ী শরীরের ওজনের একটা মাপকাঠি রয়েছে। এ বিষয়ে সঠিক ধারণা থাকলে উচ্চতা অনুযায়ী আপনার ওজন কত হওয়া উচিত, তা জেনে নিয়ে সহজেই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
আদর্শ ওজন নির্ণয় পদ্ধতি
আদর্শ ওজন নির্ণয়ের পদ্ধতিতে একজন ব্যক্তির ওজন কিলোগ্রামে মাপা হয় আর উচ্চতা মাপা হয় মিটারে। ওজনকে উচ্চতার বর্গফল দিয়ে ভাগ করা হয়। এই ভাগফলকেই বডি ম্যাস ইনডেক্স (বিএমআই) বলা হয়। বিএমআই ১৮ থেকে ২৪ এর মধ্যে হলে তা স্বাভাবিক বলে মনে করা হয়। এবার বিএমআই এর তালিকা মতে আপনার উচ্চতা অনুযায়ী ওজন কত হওয়া উচিত জেনে নিন।
09/02/2021
১। ঘর ঝাড়ু দিতে হলেও এতো ভালো করে ঝাড়ু দিবে যাতে তোমার চেয়ে ঐ কাজ বেটার কেউ করতে না পারে।
২। নিজের জীবনটা এমন ভাবে গড় যাতে তুমি ইতিহাস গড়তে পারো। ইতিহাস পড়া আর গড়া এক না।
৩। জীবনে ডিসিপ্লিনের চেয়ে বড় আর কিছু নাই। ডিসিপ্লিনের বাইরে গেলেই জীবন যুদ্ধ ও জীবন যাত্রা থেকে ছিটকে পড়ে যেতে হবে।
৪। আর ১০ জনের মতো হতে যেও না, নিজের মতো থেকো, অনুসরন করো, অনুকরন করো না।
৫। কথা কম বলো, কম লিখে সব কিছু বুঝানোর চেষ্টা করো। কোটি টাকার প্রস্তাবনাও ১ পেজে লিখো, বুলেট করে লিখো। কারো সময় নাই, দুই পেজ পড়ার।
৬। প্রত্যেকদিন পড়াশুনা করবে, নিজের ক্ষেত্রে নতুন কিছু শিখবে। নিজের সাথে কম্পিটিশন করবে।
৭। চাকরি করা মানেই দাসত্ব না, চাকরি তোমার নিজের সাথে প্রতিষ্ঠানের একটা ডিল। তুমি চুক্তিমতো কাজ করবে, নিজের সেরাটা দিবে। কেউ তোমাকে মনিটর করবে না, ফাকি দিলে নিজেই ঠকবে।
৮। চাকরি করবো না, চাকরি দিবো, বিষয়টা অহংকারের নয়, কারন চাকরি যেমন দিতে পারতে হবে, তেমনি ভালোভাবে চাকরি করতেও পারতে হবে। এগুলো নিয়ে উদ্ধত কথা বলা কেউ সফল হতে পারে না। পরস্পর পরস্পরকে সম্মান করতে হবে।
৯। বিনয় মানুষকে বড় করে, অহংকার ছোট করে। সব সময় মাটির দিকে তাকিয়ে হাটবে।
১০। লিখুন, ছোট বড় প্রতিটা জিনিস লিখুন, এতে অনেক কাজ যথাসময়ে করতে পারবেন।
- Rubana Huq
31/01/2021
স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ সেইম হলে কি কোনো সমস্যা?
(ছবির চার্টটি সেইভ করে রাখুন... প্রয়োজনে কাজে লাগবে)
"হাজব্যান্ড ও ওয়াইফের রক্তের গ্রুপ একই হলে নাকি বাচ্চার জন্মগত সমস্যা হয়??" প্রায় প্রতিদিন এই একি প্রশ্নটা ফেস করতে হচ্ছে ।।
উত্তরটা খুবি সহজ - "কোনো সমস্যাই হয় না।। হওয়ার কোনো কারনও নাই"।
আমরা জানি - সারা দুনিয়ায় ৩৬% "ও" গ্রুপ, ২৮ ভাগ "এ" গ্রুপ, ২০% "বি" গ্রুপ। কিন্তু এশিয়াতে প্রায় ৪৬% মানুষের রক্তের গ্রুপ "বি"। এশিয়ায় নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপ ৫%, সেখানে ইউরোপ আমেরিকাতে প্রায় ১৫%.
যেখানে সিংহভাগ রক্তের গ্রুপ বি আমাদের দেশে। সেখানে জামাই বউয়ের গ্রুপ মিল হবে সেটাই স্বাভাবিক। এতে কোনো প্রকার সমস্যা হয় না।
কিন্তু যদি ওয়াইফের নেগেটিভ রক্তের গ্রুপ থাকে এবং হাজব্যান্ডের পজিটিভ গ্রুপ থাকে। তাহলে সমস্যা হয়ে থাকে।। যাকে Rh Isoimmunization বলে।
পজিটিভ স্বামী ও নেগেটিভ স্ত্রীর প্রথম সন্তান যদি নেগেটিভ গ্রূপের হয় তাহলে কোনও প্রকার সমস্যা হয় না। বিপত্তি হয় তখন যদি প্রথম সন্তান বাবার রক্তের গ্রূপ পায় অর্থাৎ যদি পজিটিভ হয়। এই পজিটিভ রক্তের গ্রূপের গর্ভাবস্থায় সাধারণত কোন ঝামেলা হয় না। তবে এই সন্তান জন্মের সময় বাচ্চার পজিটিভ রক্ত নেগেটিভ মায়ের রক্তের সাথে মিশে যায় যা গর্ভাবস্থায় দুরুহ, যদিও ০.১% ক্ষেত্রে রক্তের এই মিশ্রণ গর্ভাবস্থায়ও হতে পারে। মায়ের নেগেটিভ রক্তের সহিত বাচ্চার পজিটিভ রক্তের এই মিশ্রণের কারণে মায়ের রক্তে এক ধরণের Antibody তৈরি হয়ে থাকে যা পরবর্তী গর্ভাবস্থাকে ঝুঁকিতে ফেলে। পরবর্তী গর্ভাবস্থার বাচ্চাটি যদি আবার ও পজিটিভ গ্রূপের হয় তবে এই Antibody দ্বিতীয় বাচ্চাটিকে নষ্ট করে দেয়। এ কারনেই প্রথম পসিটিভ সন্তান জন্মের পর পরই ৭২ ঘণ্টার মধ্যে Rh Anti-D antibody নামক একটি প্রতিরোধক ইঞ্জেকশান মাকে দিতে হবে। এই প্রতিরোধক ইঞ্জেকশান মায়ের শরীরে বিদ্যমান বাচ্চার লোহিত রক্তকণিকাকে ধ্বংস করে দেয় এবং কোনও ধরণের Antibody তৈরি হতে দেয় না। ফলে পরবর্তী বাচ্চা পজিটিভ হলেও কোনও সমস্যা হয় না।
তবে নেগেটিভ মায়ের পজিটিভ বাচ্চা ডেলিভারির পর যদি Rh Anti-D antibody নামক একটি প্রতিরোধক ইঞ্জেকশান মাকে না দেয়া হয় তবে পরবর্তী পজিটিভ বাচ্চা জন্মগতভাবে রক্তশূন্যতা, জন্ডিস নিয়ে জন্মগ্রহণ করতে পারে, এমন কি গর্ভে সন্তান মারাও যেতে পারে।
---------------
অনেকের ভ্রান্ত ধারনা - বাবা মায়ের রক্তের গ্রুপ এক হলে বাচ্চার থ্যালাসেমিয়া হয়। এটাও সম্পূর্ণ ভুল ধারনা।।। কারন থ্যালাসেমিয়া রোগ ক্রোমোজোম এবনরমালিটি থেকে হয়।।
---------------
তথ্যসূত্রঃ ডাঃ Sayed Sujon ভাই এবং ডাঃ Nazia Binte Alamgir আপু...
Copy
27/01/2021
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
