Health tips
স্বাস্থ্যই সুখের চাবিকাঠি
26/11/2025
05/06/2025
🦠 আবার করোনা: এবার জ্বর নেই, কাশি নেই--সোজা ফুসফুসে আঘাত করছে XBB!
নতুন করে শুরু হয়েছে করোনার আরেকটি ঢেউ।
নতুন রূপ -- XBB -আগের মতো নয়।
এই ভাইরাসে সাধারণভাবে জ্বর বা কাশি হয় না,
তবে শরীরের ভেতরে নীরবে চলতে থাকে ভয়াবহ সংক্রমণ।
রোগীরা মাথাব্যথা, গলা ব্যথা, জয়েন্টে ব্যথা, ক্ষুধামান্দ্য, পিঠে অস্বস্তি--এসব উপসর্গ নিয়ে আসেন।
অনেক সময় নাকের সোয়াব পরীক্ষায় রিপোর্ট নেগেটিভ আসে,
কিন্তু এক্স-রেতে ধরা পড়ে নিউমোনিয়া।
XBB ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের তুলনায় অন্তত ৫ গুণ বেশি সংক্রামক এবং
সরাসরি ফুসফুসে আঘাত করে--তাই উপসর্গ হালকা হলেও ঝুঁকি অনেক বেশি।
🔍 লক্ষণ যেগুলো দেখা যাচ্ছে:
• মাথা ব্যথা
• গলা ও জয়েন্টে ব্যথা
• পিঠে চাপ
• ক্ষুধা হ্রাস
• ক্লান্তি
• এক্স-রেতে নিউমোনিয়া
শরীরের বাইরে থেকে ধরা না পড়লেও ভিতরে আক্রান্ত হচ্ছে শ্বাসতন্ত্র।
⚠️ এই রূপ আরও ছলনাময়, আরও নীরব।
তাই সময় থাকতে সতর্ক হওয়া জরুরি।
✅ করণীয়:
• মাস্ক ব্যবহার করা
• জনসমাগম এড়িয়ে চলা
• ১.৫ মিটার দূরত্ব বজায় রাখা
• নিয়মিত হাত ধোয়া
• উপসর্গ থাকলে প্রয়োজনে এক্স-রে বা HRCT করানো
📢 ব্যক্তিগত অনুরোধ:
এই বার্তাটি ছড়িয়ে দিন।
পরিবার, সহকর্মী, বন্ধুবান্ধব -- সবার সঙ্গে শেয়ার করুন।
সতর্ক থাকলে সুরক্ষা সম্ভব। ডা. তোফায়েল আহমেদ।
04/06/2025
সকালের নাস্তা দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবার। এটি সারাদিনের কাজের শক্তি যোগায় এবং শরীরকে সুস্থ রাখে। স্বাস্থ্যসম্মত সকালের নাস্তার জন্য কিছু জনপ্রিয় এবং পুষ্টিকর খাবার নিচে দেওয়া হলো:
১. ডিম:
* ডিমকে "সুপারফুড" বলা হয়। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, ফোলেট, আয়রন, ক্যালসিয়াম এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় খনিজ ও মিনারেল থাকে।
* ডিম প্রোটিনের ভালো উৎস, যা পেশীর বৃদ্ধি ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য অপরিহার্য।
* ডিমের কুসুমে থাকা লুটেইন এবং জেক্সানথিন চোখ, ত্বক ও কার্ডিওভাসকুলার স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
* একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষ প্রতিদিন ১-২টি ডিম খেতে পারেন। ডিম সিদ্ধ, ভাজি, অমলেট বা পোচ করে খাওয়া যায়।
২. ওটস:
* ওটস সারাদিনের জন্য দারুন একটি এনার্জি বুস্টার।
* এতে প্রচুর আঁশ থাকে যা হজমে সাহায্য করে এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে।
* দুধ বা দই দিয়ে ওটস, ফল এবং বাদাম মিশিয়ে খেতে পারেন।
৩. ফল:
* সকালের নাস্তার জন্য সব চাইতে ভালো খাবার হচ্ছে ফল। কলা, আপেল, পেয়ারা, কমলা, বেরি জাতীয় ফল (স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি, জাম) অথবা মৌসুমি ফল দিয়ে সকালের নাস্তা করা সব চাইতে ভালো।
* ফলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম এবং আঁশ থাকে।
* তাজা ও কাঁচা ফল খোসাসহ খাওয়াই ভালো।
৪. দই/গ্রিক দই:
* দই দেহের জন্য অনেক কার্যকরী একটি খাবার। গ্রিক দই সাধারণ দইয়ের চেয়ে তিন গুণ বেশি প্রোটিন সমৃদ্ধ।
* এতে প্রোবায়োটিক থাকে যা অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
* দইয়ের সাথে ফল, বাদাম বা চিয়া সিড মিশিয়ে খেতে পারেন।
৫. চিয়া সিড:
* চিয়া সিড একটি সুপারফুড যা শরীরের অনেক উপকার করে। এতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, আঁশ এবং প্রোটিন থাকে।
* দই, স্মুদি বা ওটসের সাথে চিয়া সিড মিশিয়ে খাওয়া যায়।
৬. বাদাম:
* ভিটামিন ও খনিজে ভরা কাঠবাদাম (বাদাম, আখরোট, পেকান ইত্যাদি) পানিতে ভিজিয়ে রাখলে পুষ্টিগুণ অনেক বেড়ে যায়।
* সকালে ৫-১০টি কাঠবাদাম খেলে পুষ্টি যোগানোর পাশাপাশি সারাদিন রুচিও বাড়ায়।
* বাদামের মাখনও (চিনি ছাড়া) রুটি বা ফলের সাথে খাওয়া যেতে পারে।
৭. আটার রুটি/পরোটা:
* সাদা পাউরুটির পরিবর্তে আটার রুটি স্বাস্থ্যকর।
* আটার রুটি, ডিম, সবজি অথবা ঝোলের তরকারির সাথে খাওয়া যায়। তবে তেলে ভাজা পরোটা এড়িয়ে চলা উচিত।
৮. স্মুদি:
* বিভিন্ন রঙিন ফল-সবজি, বাদাম, দই, দুধ মিশিয়ে স্মুদি তৈরি করে নিতে পারেন। এতে প্রচুর ভিটামিন, খনিজ, আঁশ এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট পাওয়া যায়।
৯. গ্রিন টি:
* সকালের নাস্তার সাথে এক কাপ গ্রিন টি পান করলে শরীর সতেজ থাকে।
কিছু টিপস:
* সকালের নাস্তা বাদ দেবেন না: এটি শরীরের মেটাবলিজম সক্রিয় করে এবং সারাদিন শক্তি যোগায়।
* সঠিক সময়: ঘুম থেকে ওঠার ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টার মধ্যে সকালে নাস্তা খাওয়া উচিত। সাধারণত সকাল ৭টা থেকে ৮টা ৩০ মিনিটের মধ্যে নাস্তা খাওয়ার উপযুক্ত সময়।
* ভারি নাস্তা: দিনের তিন বেলার খাবারের মধ্যে সকালের নাস্তা অপেক্ষাকৃত ভারি হওয়া শরীরের পক্ষে ভালো।
* পর্যাপ্ত প্রোটিন ও আঁশ: নাস্তায় প্রোটিন এবং আঁশযুক্ত খাবার অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করুন, যা আপনাকে দীর্ঘক্ষণ তৃপ্ত রাখবে।
এই খাবারগুলো থেকে আপনার পছন্দ অনুযায়ী বেছে নিয়ে স্বাস্থ্যসম্মত সকালের নাস্তা তৈরি করতে পারেন।
03/06/2025
পেয়ারা একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর এবং সহজলভ্য ফল, যা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। নিচে পেয়ারার কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপকারিতা তুলে ধরা হলো:
* রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: পেয়ারা ভিটামিন সি-এর একটি চমৎকার উৎস। কমলার চেয়েও এতে চারগুণ বেশি ভিটামিন সি থাকে। এই ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং সংক্রমণ ও অসুস্থতার বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে।
* হজমশক্তি উন্নত করে: পেয়ারাতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সাহায্য করে। এটি অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
* ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক: পেয়ারার গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম এবং এতে প্রচুর ফাইবার থাকে, যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি উপকারী।
* হৃদপিণ্ডের স্বাস্থ্য ভালো রাখে: পেয়ারায় পটাশিয়াম, ভিটামিন সি এবং ফাইবার থাকে, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) কমাতে সাহায্য করে। এটি ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রাও কমিয়ে হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
* ক্যান্সার প্রতিরোধ: পেয়ারায় লাইকোপিন, ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে এবং ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধি রোধ করতে সাহায্য করে। বিশেষ করে প্রোস্টেট ক্যান্সার এবং স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে এটি কার্যকর।
* ওজন কমাতে সাহায্য করে: পেয়ারায় ক্যালোরি কম এবং ফাইবার বেশি থাকে, যা পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে এবং ক্ষুধা কমায়। এতে করে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়।
* দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি: পেয়ারায় ভিটামিন এ থাকে, যা চোখের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এটি দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে এবং রাতকানা রোগ থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।
* ত্বক ও চুলের যত্ন: পেয়ারায় থাকা ভিটামিন সি, এ, বি, এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বক ও চুলের পুষ্টি জোগায়। এটি ত্বককে সতেজ রাখতে এবং চুলের বৃদ্ধি ও মজবুত করতে সাহায্য করে। পেয়ারা পাতা চুলের জন্য উপকারী।
* স্ট্রেস কমায়: পেয়ারা পেশি ও স্নায়ুর কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে এবং চাপ কমাতে সাহায্য করে।
পেয়ারার পাতা এবং ফল উভয়ই উপকারী। পেয়ারা পাতার রস রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে, কোলেস্টেরল কমাতে এবং ডায়রিয়া নিরাময়েও সাহায্য করতে পারে।
03/06/2025
মিলিয়ে নিন থাইরয়েডের লক্ষ্মণ।
থাইরয়েড নিয়ে বিস্তারিত।
থাইরয়েড – ছোট্ট একটি গ্রন্থি, কিন্তু বিশাল তার প্রভাব!
একবার কি ভেবে দেখেছেন—শরীরের সমস্ত শক্তি, হজম, ঘাম, ঘুম, ওজন, এমনকি মনের ওঠানামার সঙ্গেও যুক্ত একটা ছোট্ট গ্রন্থির নাম থাইরয়েড?
এই গ্রন্থিটি গলার সামনের অংশে থাকে এবং এর মূল কাজ হলো T3 ও T4 নামক হরমোন নিঃসরণ করে দেহের মেটাবলিজম, শরীরের তাপমাত্রা, হৃদস্পন্দন, ওজন, মানসিক স্থিতি ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা।
থাইরয়েড বেড়ে গেলে (Hyperthyroidism) কী হয়?
ঘন ঘন ঘাম
ওজন কমে যাওয়া
দ্রুত হৃদস্পন্দন
দুশ্চিন্তা, ঘুম না আসা
অস্থিরতা ও রাগ
থাইরয়েড কমে গেলে (Hypothyroidism) কী হয়?
ওজন বেড়ে যাওয়া
ক্লান্তি, অলসতা
ঠাণ্ডা বেশি লাগা
মন খারাপ, বিষণ্নতা
চুল পড়া, ত্বক শুষ্ক হওয়া
তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে – কে এই থাইরয়েডকে নিয়ন্ত্রণ করে?
উত্তর: পিটুইটারি গ্রন্থি (Pituitary Gland) — যাকে বলা হয় “মাস্টার কন্ট্রোলার”। এটি TSH হরমোন নিঃসরণ করে থাইরয়েডকে বলে দেয় কবে কাজ করতে হবে, কবে বিশ্রাম নিতে হবে।
মানসিক চাপ ও হরমোনের ক্ষয়ক্ষতি
চিন্তা, কষ্ট, মানসিক চাপ—এসব শুধু মনকে নয়, শরীরের হরমোন ব্যালেন্সকেও ধ্বংস করে। দীর্ঘমেয়াদে মানসিক অস্থিরতা Hypothalamus-Pituitary-Thyroid (HPT) axis-এর ভারসাম্য নষ্ট করে।
ফলাফল?
থাইরয়েড ডিসঅর্ডার
মাসিক চক্রের গোলমাল
গর্ভধারণে সমস্যা
ত্বকে পরিবর্তন
এমনকি হৃদযন্ত্রের ঝুঁকি
পরামর্শ:
নিজেকে বোঝার চেষ্টা করুন। আপনার মনকে সুস্থ রাখার জন্য প্রতিদিন কিছু সময় নিজের জন্য রাখুন। কারণ মন ভালো থাকলে, হরমোন ভালো থাকে। আর হরমোন ভালো থাকলে, শরীর ও জীবন—দুটোই সুন্দর চলে।
Courtesy
ডাঃ তানভীর আহমেদ
(ডিএইচএমএস ঢাকা)
03/06/2025
শরীরচর্চায় ব্যস্ত একজন ভারতীয় পুরুষ। এখানে মুগুরগুলোর মাঝে সবচেয়ে হালকা মুগুরের ওজনই ছিল ৭৩ কেজি, আর সবচেয়ে ভারী ২৯০ কেজি। ছবিটি ১৯০৩ সালের দিকে তোলা।
#
01/06/2025
গরু ছাগল এর মাংস খাওয়া নিয়ে ভয়
প্রাসঙ্গিক কিছু কথা !!
💢💢💢💢💢💢💢
অনেকেরই এলার্জীর সমস্যা আছে ! তাদের আবার অনেকেরই ধারনা, এলার্জীর কারন, শুধু -----
গরু- ছাগলের মাংস, ইলিশ মাছ, চিংড়ি মাছ, বোয়াল মাছ ও বেগুন !!
আর এজন্য,
ভয়ে তাঁরা এগুলো পুরোপুরিই এড়িয়ে চলেন !! ভালকথা !!
কিন্ত, আসলে এলার্জী কি শুধুমাত্র এগুলিতেই হয় ? উত্তর হলো- না !!
এলার্জীর রোঁগীদের যদি জিজ্ঞেস করা যায়, এগুলি বাদ দিলেই কি আপনি, পুরোপুরি এলার্জী মুক্ত
থাকেন ?
অধিকাংশ ক্ষেত্রেই---- উত্তর আসবে- "না" !!
যদি জিজ্ঞেস করা হয়, তাহলে কেন এগুলো খান না, উত্তর আসবে--- "তাতো জানিনা,
লোকে বলে তাই" !!!
আসলে----যে কোনো খাদ্যদ্রব্য, বাতাসে থাকা ধুলি কণা, ধোঁয়া সহ পরিবেশের বিভিন্ন বিষয়, পোষাক পরিচ্ছদ এবং ব্যক্তিগত ব্যাবহার্য সকল বস্তু, বিছানার লেপ তোশক ও ব্যাবহার্য কাপড়, এমনকি, অনেক ওষুধেও অনেকের এলার্জী হতে পারে !!
কাজেই, কার কিসে এলার্জী, সেটা নিশ্চিত না হয়ে, শুধু গরু ছাগল এর মাংস ও নির্দিষ্ট কিছু
খাদ্যদ্রব্যকে সবসময় কারন হিসাবে ধরে নেয়া যুক্তিযুক্ত নয় !!
তবে, কারো যদি হৃদরোগ, এলার্জী, হজমজনিত সমস্যা অথবা অন্য কোনো রোগের কারনে, এগুলির কোনোটি খাওয়া, নির্দিষ্ট ভাবে পুরোপুরি নিষেধ করা থাকে,
তাহলে ভিন্ন কথা !! সেক্ষেত্রে
সেটি খাওয়া বাদ দেওয়াই উচিত!! (অবশ্য, শুধু এলার্জীর কারনে নিষেধ হলে, এলার্জীর পর্যাপ্ত ওষুধ খেয়ে, ওটা অল্প কিছুদিন অল্প মাত্রায় খাওয়া যেতে পারে) !!
এখানে উল্লেখ্য যে,
গরু ছাগল এর মধ্যে, মাংস বাদ দিয়ে, ৪টি ব্যতিক্রমী স্বাদের জিনিস রয়েছে, যা খেতে খুবই
মজা !!
সেগুলি হলো-- মগজ, কলিজা, ভুড়ি এবং
হাড্ডির ভেতরে থাকা নলি বা মজজা !!
কিন্ত, খেতে মজা হলেও ,এই ৪ টির সবগুলোই উচ্চ
মাত্রায় কোলেস্টেরল এ ভরা !!
তাই যাদের রক্তে, কোলেস্টেরল অনেক বেশী এবং উচ্চ রক্তচাপ বা হৃদরোগ আছে, তাদের অবশ্য এগুলি এড়িয়ে চলাই উচিত !!
সাধারণ ভাবে--
একটি কথা বলা যায়, "Excess of everything is bad" . অতিরিক্ত
সব কিছুই খারাপ ! যেমন- ভাত বা
পানিও যদি অতিরিক্ত খাওয়া হয়, তাও শরীরের জন্য ক্ষতিকর !!
কিন্তু, মাঝে মধ্যে পরিমিত পরিমানে কোনো খাবার খেলে, সেটা
সাধারণত শরীরের জন্য, খুব
একটা বড় ক্ষতির কারন হয় না !!
এখানে উল্লেখ্য যে, বয়সের সাথে
সাথে "রেডমিট" বলে পরিচিত
গরু এবং ছাগলের মাংস ভক্ষণ তুলনামূলকভাবে সবারই কমিয়ে
দেওয়া উচিত !! তবে, গরু
ছাগলের মাংসে, প্রথম শ্রেণীর
প্রোটিন সহ, শরীরের জন্য
অনেক উপকারী ও প্রয়োজনীয় উপাদান আছে !! তাই, বড় কোন সমস্যার কারণে, এগুলো খাওয়া পুরোপুরি নিষেধ না থাকলে,
পরিমিত মাত্রায় খাওয়া
যেতেই পারে !!
সবশেষ কথা হলো,
ইদানিং কালে, অন্যান্য খাদ্যদ্রব্যর মতো গরু ছাগল এর বেলায়ও ভেজাল এর খবর শোনা যাচ্ছে, বিশেষ
করে, কোরবানীর গরুতে মোটাতাজাকরনের জন্য
বিভিন্ন ওষুধ ও হরমোন প্রয়োগ !! শুধুমাত্র গরুকে
মোটা তাজা করার জন্য, আমাদেরকে বিষাক্ত এবং
শরীরের জন্য প্রচন্ড ক্ষতিকর মাংস খেতে বাধ্য করা হচ্ছে !!
এটা প্রতিরোধে এখনই উদ্যোগ গ্রহন জরুরী !! আর এজন্য প্রয়োজন ব্যাপক জনসচেতনতা
এবং সরকারী নজরদারী !!!
💢
"দৈনিক মানবজমিন" পত্রিকায় প্রকাশিত !!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
712103

05/06/2025
01/06/2025