Global Collection
আমরা শুধুমাত্র মেছতার সমস্যা নিয়েই ক?
14/02/2020
মেছতার সমাধান কি?
উত্তর : ত্বকের উজ্জ্বলতার বিষয় নিয়ে যদি কোনো রোগী আসে, এখানে ৮০ ভাগ রোগীই আসে মেছতা নিয়ে। কারণ, এ কালো দাগটি সৌন্দর্যহানিকর। এ ক্ষেত্রে অন্যান্য কারণের মধ্যে রয়েছে হরমোন। মেয়েদের প্রজনন বয়সে মেছতা বেশি হয়, গর্ভাবস্থায় বেশি হয়। শিশুর জন্মের এক থেকে দুই মাসের মধ্যে চলে যায়। এরপর রয়েছে কিছু ওষুধ। ওরাল কনট্রাসেপটিভ পিলের কারণেও মেছতা হয়ে থাকে। মেছতা যখন হয়, আমরা চিকিৎসা ব্যব্স্থায় প্রথম রোগীকে কাউন্সেলিং করি। এটি চলে যেতেও পারে। তবে গভীর লেয়ারে হলে না চলে যাওয়ার আশঙ্কা বেশি। তবে সুপার ফেসিয়াল বা মধ্যম লেয়ারে হলে পুরোপুরি চলে যায়। সে ক্ষেত্রে একটু লম্বা সময় ধরে চিকিৎসা করতে দওয়া হয়।
প্রথম চিকিৎসা হলো সানস্ক্রিন। সেই সানস্ক্রিন শুধু ট্রপিক্যাল সানস্ক্রিন নয়। ক্রিম বা লোশন নয়। ওরাল সানস্ক্রিনও কিন্তু এখন একটি বিষয় চলছে। এটি আধুনিক চিকিৎসা। আমরা নানা ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থেরাপি দিই। ত্বক উজ্জ্বল করি, সেখানে মেলাজমাকে প্রশমন করে সে ধরনের কিছু অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দিই। সেখানে আলফালেকয়েড এসিড, ভিটামিন সি, গ্লুটাথায়ন ও কো এনজাইম টেন ইত্যাদি আমরা দিয়ে থাকি। এখন কিন্তু অনেকে ওভার দ্য কাউন্টারে, এমনকি পার্লারেও এগুলো ব্যবহার করছে। আমার দর্শকদের কাছে অনুরোধ থাকবে, এ ধরনের চিকিৎসায় আপনারা একজন ত্বক বিশেষজ্ঞের কাছে যান। তিনি আপনার ত্বকের অবস্থা থেকে উপযুক্ত চিকিৎসাটি দিতে পারবেন।
13/02/2020
মেছতা কেন হয়?
অনেকের মুখের দুপাশে অথবা নাকের ওপরে একটি বাদামি বা ধূসর বাদামি রঙের প্যাচ দেখা যায়। একে মেছতা বলা হয়। মেছতা কেন হয়?
উত্তর : মেছতা হওয়ার আসলে অনেক কারণ রয়েছে। আমাদের দেশে আমাদের যে ত্বকের ধরন, সেখানে মেছতা হওয়ার মূল কারণ সূর্যের আলোর সংস্পর্শে আসা। সূর্যের আলোর সংস্পর্শে এলে মেলানিন উৎপাদনটা বেড়ে যায়। এ থেকে মেছতা হয়। এটা হলো, প্রধান ও মূল কারণ আমাদের দেশে, আমাদের ত্বকে।
এ ছাড়া মেছতার জন্য আরো কিছু কারণ রয়েছে। এর মধ্যে হরমোনের কিছু বিষয় রয়েছে। যেমন : গর্ভবতী একজন নারীর হরমোনের কিছু পরিবর্তন আসছে, গর্ভাবস্থায় তার মেছতা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে কেউ ওরাল কন্ট্রাসেপটিভ পিল খাচ্ছে, তখন হরমোনের একটি ভারসাম্যহীনতা বা পরিবর্তন আসছে তার শরীরে, তখন মেছতা হচ্ছে।
থাইরয়েডের রোগ যাদের রয়েছে, তাদের হরমোনের অনেক তারতম্য হয়ে থাকে। তখন মেছতা হচ্ছে। মানসিক চাপ আমাদের এখনকার সময়ে খুবই প্রচলিত। রাতে হয়তো ঘুম হচ্ছে না। তখনো আমাদের হরমোনের ভারসাম্যহীনতা হয়ে থাকে। এই ধরনের হরমোনের যেসব কারণ রয়েছে, সেগুলোর জন্য মেছতা হচ্ছে।
Global Collection
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Shah-ali Plaza, 9th Floor, Mirpur-10
Dhaka
1216
