Baking By Fouzia
Welcome to Baking by Fouzia! Discover fun, creative, and easy baking & cooking ideas. Follow for tips, tutorials, and delicious inspiration.
Learn something new every day right from your kitchen!
15/05/2026
প্রাচ্যের অক্সফোর্ড এবং বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলের ডাইনিংয়ের পানির রিপোর্ট শুধু “খারাপ” বললে ভুল হবে, রীতিমতো এইটা একটা মৃত্যু উপত্যকা যারা মৃত্যু ব্যাধি উৎপাদন করে। যেখানে প্রতি মিলিলিটারে ব্যাকটেরিয়ার গ্রহণযোগ্য মাত্রা ৫০০-এর নিচে থাকার কথা সেখানের বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলের ডাইনিং-এর পানিতে পাওয়া গেছে ৩২,০০০ থেকে ৪৮,৩০০। অর্থাৎ স্বাভাবিক সীমার চেয়ে প্রায় ৬৫ থেকে ৯৫ গুণ বেশি জীবাণু।
এর মানে এই পানি দীর্ঘদিন ধরে দূষিত এবং পানির উৎস, পাইপলাইন বা সংরক্ষণ ব্যবস্থাসহ সকল সিস্টেম দুষিত।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো টোটাল কলিফর্ম ও ফিকাল কলিফর্মের উপস্থিতি।
হটাৎ হেপাটাইটিস হয়ে মাল্টিপাল অর্গান ফেইলিউর হওয়া কারিনা কায়সারের কথা মনেই আছে নিশ্চয়ই আপনাদের। কলিফর্ম হলো একটি সতর্কতা সংকেত যে পানিতে বা খাবারে ফিকাল কলিফর্ম আছে, সেটি মল দ্বারা দূষিত এবং সেখানে হেপাটাইটিস A বা E ভাইরাসও থাকার সম্ভাবনা অনেক বেশি ।
“ফিকাল কলিফর্ম” সাধারণত মানুষ বা প্রাণীর মল থেকে আসে। অর্থাৎ এই পানিতে কোনো না কোনোভাবে মলজাতীয় দূষণ মিশেছে। এটা শুধু নোংরা পানি না বরং এমন পানি যা সরাসরি অন্ত্রে সংক্রমণ ঘটাতে পারে। এই ধরনের দূষিত পানির মাধ্যমে ই. কোলাই (E. coli), সালমোনেলা (Salmonella), শিগেলা (Shigella), ভিব্রিও কলেরা (Vibrio cholerae) এর মতো ব্যাকটেরিয়া ছড়াতে পারে।
যখন কেউ ফিকাল কলিফর্ম-দূষিত পানি বা খাবার খায় তখন E. coli-এর মতো ব্যাকটেরিয়া প্রথমে অন্ত্রে আক্রমণ করে ডায়রিয়া ও প্রদাহ তৈরি করে। কিন্তু অন্ত্রের প্রতিরোধ ভেদ করে যখন এই ব্যাকটেরিয়া সরাসরি রক্তে ঢুকে যায় তখন শুরু হয় সেপসিস, অর্থাৎ রক্তে বিষক্রিয়ার মতো অবস্থা। এই পরিস্থিতিতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শত্রু ধ্বংস করতে গিয়ে এতটাই অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়ে যে সে নিজের সুস্থ কোষ ও অঙ্গকেও আক্রমণ করতে থাকে, ঠিক যেন একটি সেনাবাহিনী শত্রু ঠেকাতে গিয়ে নিজের শহরেই আগুন লাগিয়ে দেয়। এতে পর্যায়ক্রমে লিভার, কিডনি, ফুসফুস ও হার্ট একের পর এক বিকল হয়ে পড়ে, যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে বলা হয় Multi-Organ Dysfunction Syndrome (MODS)। এই অবস্থায় সময়মতো ICU-সহ নিবিড় চিকিৎসা না পেলে মৃত্যু প্রায় অনিবার্য।
এগুলো ডায়রিয়া, টাইফয়েড, আমাশয়, কলেরা, বমি, তীব্র পেটব্যথা, জ্বর এমনকি কিডনি জটিলতাও তৈরি করতে পারে।
দীর্ঘদিন এই পানি খেলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। বারবার পেটের সংক্রমণ হলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, অপুষ্টি দেখা দেয়, লিভার ও কিডনির ওপর চাপ পড়ে। অনেকে দীর্ঘমেয়াদি গ্যাস্ট্রিক, অন্ত্রের প্রদাহ, হজমের সমস্যা এবং ক্রনিক দুর্বলতায় ভুগতে পারে। যাদের ইমিউনিটি কম, বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থী, অসুস্থ ব্যক্তি বা অ্যানিমিয়ায় ভোগা কেউ তাদের জন্য এই ঝুঁকি আরও বেশি।
সবচেয়ে ভয়ংকর তথ্য হলো ট্যাংক পরিষ্কারের পরও ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা কমেনি বরং ৩২,০০০ থেকে বেড়ে ৪৮,৩০০ হয়েছে। এর মানে সমস্যা শুধু ট্যাংকে সীমাবদ্ধ না। পুরো পানি সরবরাহ ব্যবস্থা, পাইপলাইন, রিজার্ভার, সংযোগব্যবস্থা কিংবা পানির উৎস সবকিছুতেই দূষণ থাকতে পারে। অর্থাৎ প্রশাসন হয় সমস্যার গভীরতা বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে নয়তো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি।
একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে নিরাপদ পানি নিশ্চিত করা কোনো বিলাসিতা না, এটা মৌলিক অধিকার। বড় বড় আলাপ, সংস্কারের চণ্ডীপাঠ, ইন্সটিটিউশনাল প্রাইড না মারিয়ে আগে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের বাচার মৌলিক।অধিকার নিশ্চিত করেন।
আর জবাব আদায় করেন ভিসি, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন থেকে তারা ঠিক কি করছে কোটি কোটি বরাদ্দ দিয়ে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি ডাকসু কি কি কাজ ও চেষ্টা করছে এতোবড় সমস্যা সমাধানে সেইটার জবাব চান।
গরমে অতিষ্ঠ জ্বালায়, বৃষ্টি গত দুইদিন স্পর্শ করে গেছে আমাকে।রাতে বলছিলাম আমার বাসায় থাকা দুই জ্বালাতনকারী কে।কাল বৃষ্টি হলে খিচুড়ি রান্না করবো।বাকী দুইটা দাঁত কেলিয়ে বলা বানী না হলেও ল্যাটকা খিচুড়ি চাই,আহা সকাল হলেও দেখি সূর্য্যি মামার দেখা মেলা ভার,ব্যস আর কি চাই?যেমন কথা তেমন ই কাজ। খিচুড়ি হতে হতে ই গত দুইদিন আগে একটা পেইজে পোষ্ট দিলো কে তাঁদের পেইজ থেকে ঘি নেয় নি,,, আলহামদুলিল্লাহ কি সৌভাগ্য তাঁদের ২০জন লাকী মানুষ এর মাঝে আমার নামটা ও যে পড়বে বুঝি নি।ঘি হাতে পেয়ে তার ঘ্রান নিয়ে আমি ছোট্ট বেলায় হারিয়ে গেছি।মুড়ি আর নারিকেল দিয়ে মায়ের হাতে মাখা সেই সাথে ঘি, উফফফফ নষ্টালজি হয়ে যাচ্ছিলাম।ওই সময় ওটা তো সম্ভব নাহ।তাই বলে কি ঘি খাওয়া হবে নাহ? তাই প্রথম এক্সপেরিমেন্ট টা করেই ফেললাম খিচুড়ির সাথে।
ধন্যবাদ King's Baking 2 পেইজের কর্নধার কে।
সামনে অবশ্যই অবশ্যই এই ঘি কিনে ই নিবো।
Weather demand বলে কথা,শোন শোন নজর দিয়ে লাভ নেই হজম করে ই পোষ্ট দিয়েছি।😋
Baking By Fouzia
শুভ সকাল গাইস,আমি ইট্টু এট্টু নিম খাই,চাইতে আসলে সব গুলোলে মালমু।
Baking By Fouzia
টিভির টম এন্ড জেরী তো সবাই দেখেছে।আমি দেখেছি বাস্তব জীবনের এক টম এন্ড জেরীর জুটি,তাই তাদের খুনসুটির একসাথে পথ চলার অনেক বছর পূর্ন হলো,
তাঁর ই সঙ্গী হয়েছে আমার এই ভ্যানিলা ও চকলেট এর মিশ্রনে কেক।
কিছু গল্প বাস্তবে দেখতে ভালো ই লাগে।অনন্তকাল বেঁচে থাকুক এই টম এন্ড জেরীর ভালোবাসা।
Baking By Fouzia
এক পশলা বৃষ্টির মাঝে আমাদের বৃষ্টি বিলাস......
Baking By Fouzia
জীবনে টেনশন যতই থাকুক এক প্লেট বিরিয়ানী সব কিছু শান্ত করে দেয়,কারন পেট ঠান্ডা তো দুনিয়ার সব কিছু ই ভালো লাগে।
যদিও আমি বিরিয়ানী লাভার না।তবে ছানাপোনাদের জন্য করতে ভালো ই লাগে,কারন আমি রান্না করতে অনেক বেশি ই ভালোবাসি!
#কাচ্চি
Baking By Fouzia
07/10/2025
একটু টক আর,অনেকটা ঝালে,সঙ্গী হয়েছে কাসুন্দির সাথে।দোষটা আমার না, ফ্রিজ থেকে যেনো চিৎকার দিয়ে বলছে জেগে ই যখন আছিস আমাকে নিয়ে খেলে ই তো পারিস! মনের সাথে অনেক কথার পরে মন পাগলে রাজী হয়েছে।তাই দেরী না করে ই একটু বানিয়ে নিলাম এই আর কি🤧😋
Baking By Fouzia
চুলে লুকানো আমার গল্প,যত্নে গড়া প্রতিটি ইঞ্চি ভালোবাসা।"
Just my hair, no filter, no fake shine — just care
“My hair is my crown
When ur hair tells ur story better than words...
Hair hold memories...
"আল্লাহ হুম্মা বারিক লাহু"
Baking By Fouzia
Sunsilk
28/07/2025
জুলাই টা আমার কাছে এক আতঙ্কের নাম,এই জুলাই তে আজ থেকে ৪বছর আগে আমি আমার সব থেকে কাছের মানুষ,আমার সব থেকে শান্তির স্থান আমার মা কে হারিয়ে ফেলি,
গত বছরের এই সময়ের জুলাই এ আপন মানুষ হারানোর ভয়ে নির্ঘুম রাত পার করেছি।আর আজকের জুলাই কত মা এর বুক খালি করে পাখি গুলোকে দূর আকাশে জান্নাতের পাখি বানিয়ে দিয়েছে।মা ছাড়া এই পৃথিবীতে থাকার যন্ত্রণা কতোটা ভয়াবহ সেটা কেবল জানে যার নেই।সব শূন্যতা পুরন হলেও মা এর শূন্য স্থান কেউ কখনও পূরন করতে পারে না।
মাইলস্টোন কলেজ বিমান ট্র্যাজেডি মা হারিয়ে ফেলেছে তাঁদের কলিজার টুকরা যাদের অনেক সাধনা, অনেক কষ্ট আর ত্যাগের পরে পেয়েছিলো।
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সবাই কে হারানোর যন্ত্রণা সহ্য করার তৌফিক দান করুন।
Milestone School and College
২৬ জুলাই ২০২৫ পর্যন্ত নি’হতদের তালিকা:
24/07/2025
মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ দুর্ঘটনায় দগ্ধ অসংখ্য শিক্ষার্থীর জন্য এখন স্কিন ডোনেশন অত্যন্ত জরুরি হয়ে উঠেছে।
Unit-এর দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ডা. মাহবুব হাসান (Room No: 345) জানিয়েছেন—
🔹স্কিন ডোনেশন এখনই প্রয়োজন।
🔹যাদের শরীরের বেশিরভাগ অংশ পুড়ে গেছে, তাদের বাঁচাতে স্কিন গ্রাফটিং একমাত্র উপায়।
🔹সাধারণত উরুর (thigh) অংশ থেকে স্কিন নেয়া হয়।
🔹১৪ দিনের মধ্যে ডোনারের সেই অংশে রিকভারি হয়ে যায়।
🔹সামান্য স্কার (দাগ) থাকতে পারে, তবে কোনো বড় শারীরিক ক্ষতি হয় না।
📋সংক্ষেপে:
1. প্রথম দিন শুধু রক্ত পরীক্ষা (screening) করে বাড়ি ফিরে যাবেন।
2. রিপোর্ট ঠিক থাকলে ২ দিনের মধ্যে কল করে আপনাকে ডেকে ডোনেশন নেওয়া হবে।
3. সেদিনই ডে কেয়ারে পর্যবেক্ষণে রেখে রাতে ছেড়ে দেওয়া হবে।
আপনার দেওয়া স্কিন একটি প্রাণ বাঁচাতে পারে।
📞 দয়া করে আগ্রহী হলে দ্রুত যোগাযোগ করুন সংশ্লিষ্ট ইউনিটে। সময় খুবই সংকটাপন্ন।
আসুন, একসাথে দাঁড়াই এই মানবিক বিপর্যয়ের সময়ে।
আমাদের ছোট্ট এক পদক্ষেপ,কারো জন্য নতুন জীবন।
Milestone School and College
Baking By Fouzia
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Address
Dhaka
