Organic World
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Organic World, Health/Beauty, Dhaka.
Nature is Life
Life is Nature
Nature is Your Best Medicine.
আমেরিকান শতভাগ প্রাকৃতিক সাপ্লিমেন্ট 💊🌿
আপনার সুস্থ জীবন শুরু হোক আজই!:💥বিস্তারিত
জানতে WhatsApp এ ম্যাসেজ করুন।
✍️
WhatsApp - 01733535263
সরাসরি অফিসে এসে প্রোডাক্ট সংগ্রহ করতে পারবেন। যদি উদ্যোক্তা হতে চান..? ➤ অামাদের সাথে জয়েন করুন।
➤খালি হাতে বিজনেস করুন আমাদের কোম্পানিতে..! ➤ প্লাটফর্ম আমরা দিব। ➤ প্রোডাক্ট আমরা দিব। ➤ ট্রেনি
24/09/2025
আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ সম্মানিত কো-ফাউন্ডার আকরাম আলানি স্যারের আগমন ও মেগা সেলিব্রেশনের প্রোগ্রাম উপলক্ষে টিকেট ওপেনিং ডে পালিত হলো। আজ থেকে প্রোগ্রামের টিকেট বিক্রি শুরু হল। আসন সীমিত। আসন অনুযায়ী টিকেট শেষ হলে টিকেট বিক্রি বন্ধ ঘোষণা হবে। সকলে তার নিজ নিজ আসন টিকেট সংগ্রহের মাধ্যমে নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ করা হলো। 🎉🎉👏👏
বিস্তারিত জানতে :
WhatsApp:-01881175060
11/06/2025
20/05/2025
ওর স্যালাইনকে শরবত বা জুস ভাবা বন্ধ করুন এবং অবশ্যই ঔষধ মনে করুন।
আজকে ২১ বছর বয়সের একজন ছেলের রক্তে সোডিয়াম লবণ পেয়েছি ১৬০ (স্বাভাবিক হল ১৩৫ -১৪৫ )। তার ইতিহাস থেকে জানলাম পরশুদিন গরম বেশি লাগায় সে ৩ টি স্যালাইন একসাথে মিশিয়ে এক গ্লাসে খেয়েছে। এরপর থেকে তার অস্থিরতা, মাংস ব্যথা, মাথা ঘুরানো এবং তীব্র বমি ভাব হচ্ছে।
জটিলতায় চরম পর্যায়ে ব্রেইন কোমায় যেতে পারে , অতঃপর মৃ'ত্যু । মৃ'ত্যুর কারণ কেউ জানবেনা , বলবে কিভাবে কিভাবে যেন মরে গেল!!!!
কী করতে হবে ?
স্যালাইন খেতে হলে অবশ্যই ৫০০ মিলি পানিতে একটি স্যালাইন মিশিয়ে খেতে হবে।
চেম্বারে এমনও মায়েরা আসে বাচ্চা এক প্যাকেট খাওয়াতে পারবে না বলে অল্প অল্প করে স্যালাইন অল্প অল্প পানিতে বারবার বানায়। এটাও কিন্তু ক্ষতিকর, প্যাকেটের গায়ে যেভাবে বানানোর নিয়ম ঠিক সেভাবে বানাতে হবে।
- ডাঃ মেহেদী হাসান
20/05/2025
আমি যেহেতু জার্মানি থেকে বাংলাদেশে ধীরে ধীরে মাইগ্রেট করছি, তাই আমি সরাসরি কম্পারিজনের সুযোগ পাই।
এতে একটা বিষয় লক্ষ্য করছি যে বাংলাদেশের জিনিস বিশেষত ওষুধ জার্মানির থেকে একটু বেশি ভালো এবং সেইটা আপনার জন্যে ভালো না।
লেটস সে, ঘুমের ওষুধ। আমার ঘুমে তেমন কোনো সমস্যা নেই কিন্তু প্রায়ই গভীর রাতে ঘুম ভেঙে যায়, সেই সময়ে মোবাইল হাতে নেই, দেখতে দেখতে এক
ঘণ্টা চলে যায়, তারপর আবার ঘুম আসে না। এই সমস্যাটা বিগত কয়েক বছর ধরে, বিশেষত জার্মানি যাওয়ার পর হয়েছে। আমি টানা ঘুমের জন্য জার্মানিতে মাঝে মাঝে মেলাটোনিন নামের একটা ঘুমের ওষুধ খেতাম। এটা গ্রোসারি দোকানেই পাওয়া যায়।
তো আমি মেলাটোনিন জার্মানিতে সেলফ প্রেস্ক্রাইব করেছি, ০.৫ এমজি থেকে। যখন দরকার পড়ে, সেইটা আজকে পাঁচ বছর ধরেই খাই। কোনো সময় বেশি খারাপ লাগলে, ১ এমজি পর্যন্ত গিয়েছি। কিন্তু সেটাও রেয়ারলি।
তো বাংলাদেশেও আমি গতকাল একই সমস্যা হওয়ার কারণে, ওষুধের দোকানে গিয়ে বললাম, মেলাটোনিন দেন। বি ফ্রেশ নামের একটা ব্র্যান্ড আছে। আর কিছু পাইনি।
স্টার্টিং এমজি ৩ এমজি। আই সেইড হোয়াট দা...৩ এমজি বাদে নেই। তিন-চারটা দোকানে দেখলাম, ৩ এমজির নিচে নেই। অথচ জার্মানিতে ওভার দা কাউন্টারে ৩ এমজির মেলাটোনিন পাওয়াই যায় না। এটার সর্বোচ্চ আমি পেয়েছি, ১.৮ এমজি। তো কেয়ারফুল ভাইডি।
আমি এখন যে কোনো ওষুধ খেলে, সেটার চ্যাটজিপিটি দিয়ে পুরো ঠিকুজি ও তার বিকল্প স্টাডি করি। সেটা করতে গিয়ে দেখলাম, আমার মাঝে মাঝে কোলেস্টেরল কমাতে বা ইউরিক এসিড বেড়ে গেলে যে
ওষুধ মাঝে মাঝে খাই, সেটার বাংলাদেশের বহুল প্রচলিত ভার্সনটা প্রচণ্ড পাওয়ারফুল অথবা তার বিভিন্ন সাইড ইফেক্ট আছে। কিন্তু জার্মানিতে ডাক্তাররা যেটা দেন, সেটা অনেক হালকা ডোজের, অথবা এমন একটা ব্র্যান্ড যার কার্যকারিতা কম কিন্তু শরীরে সাইড ইফেক্ট কম হয়।
তো আমি দেখছি যে বাংলাদেশের জিনিসগুলো জার্মানি থেকে একটু বেশি পাওয়ারফুল, যেটা উল্টো হওয়ার কথা। ফলে ওভার দা কাউন্টার মেডিসিনকেও , অতিরিক্ত শক্তিশালি প্রডাক্ট আমাদেরকে কোনো ক্ষতি করছে কিনা তা ভাবতে হবে।
- Zia Hassan
19/05/2025
♦️ কালিজিরা – প্রকৃতির এক বিস্ময়কর উপহার!”
ছোট একটি বীজ। কিন্তু শক্তিতে অপরিসীম!
কালিজিরা (Nigella sativa)—একটি এমন উপাদান যা রাসূল (স.) বলেছেন:
“এতে মৃত্যু ব্যতীত সব রোগের জন্য আরোগ্য আছে।” (বুখারী)
কি আছে এই কালো বীজে?
এর মধ্যে রয়েছে:
✔ থাইমোকুইনন – ক্যানসার বিরোধী
✔ নাইজেলোন – শ্বাসতন্ত্রের উপকারী উপাদান
✔ ফ্যাটি অ্যাসিড (ওমেগা ৬ ও ৯) – হৃদযন্ত্রের বন্ধু
✔ ভিটামিন B, আয়রন, ক্যালসিয়াম – দেহ গঠনে সহায়ক
✔ সাপোনিন ও অ্যালকালয়েডস – রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
⸻
কালিজিরার ৭টি চমৎকার উপকারিতা
1. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
2. গ্যাস্ট্রিক ও হজমের সমস্যা কমায়
3. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
4. হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে
5. কাশি ও হাঁপানির উপশমে কার্যকর
6. ত্বক ও চুলের সৌন্দর্য বাড়ায়
7. ক্যানসার প্রতিরোধে সম্ভাব্য ভূমিকা রাখে
ব্যবহারবিধি (সাধারণভাবে):
• ১ চা চামচ কালিজিরা চিবিয়ে খাওয়া বা গুঁড়া করে মধুর সঙ্গে
• কালিজিরার তেল চুলে ও ত্বকে ব্যবহার
• গরম পানিতে দিয়ে ভাপ নেওয়া হাঁপানির জন্য উপকারী
সতর্কতা: নিয়মিত বা চিকিৎসামূলক প্রয়োগের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
⸻
#কালিজিরা #প্রাকৃতিক_ঔষধ #স্বাস্থ্যসচেতনতা #প্রাকৃতিকচিকিৎসা
19/05/2025
কাচা রসুন খাওয়ার উপকারীতা
18/05/2025
লবঙ্গের উপকারিতা কি কি ?
✅ লবঙ্গের উপকারিতা:
১. দাঁতের ব্যথা ও মুখের সমস্যা কমায় 🦷
২. হজমে সাহায্য করে 🍽️
৩. সর্দি-কাশি ও গলা ব্যথায় উপকারী 🤧
৪. ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করে 🛡️
৫. জীবাণুনাশক হিসেবে কাজ করে 🦠
৬. লিভার সুরক্ষা দেয় 🫀
৭. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক 🩸
৮. মুখের দুর্গন্ধ দূর করে 😮💨
৯. পিরিয়ডের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে 🩸
🕰️ কীভাবে ও কখন খাবেন লবঙ্গ
✅ খাওয়ার পদ্ধতি:
সকালে খালি পেটে (১টি) চা’র সঙ্গে ফুটিয়ে
১টি লবঙ্গ মুখে রেখে চুষে খাওয়া
লবঙ্গ গুঁড়া করে মধুর সঙ্গে খাওয়া (সর্দি-কাশিতে)
✅ খাবার সময়:
সকালে খালি পেটে (১টি)
রাতে শোবার আগে (সর্দি, গলা ব্যথায় উপকারী)
⚠️ সতর্কতা:
অতিরিক্ত খেলে লিভারের ক্ষতি হতে পারে।
দিনে ২–৩টির বেশি না খাওয়াই ভালো।
17/05/2025
কাজুবাদাম খেলে শরীরের কী কী উপকার হয়?
❤️ হৃদযন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখে
🧠 মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে
🦴 হাড় মজবুত করে
🩸 রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ করে
💇♀️ ত্বক ও চুলের জন্য ভালো
🛡️ ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করে
17/05/2025
বিয়ের অনেক ভালো দিক আছে, বিশেষ করে যদি সম্পর্কটা সুস্থ আর সম্মানের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে। নিচে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভালো দিক দেওয়া হলো:
1. সহযোগিতা ও সঙ্গী পাওয়া: জীবনের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার একজন নির্ভরযোগ্য মানুষ থাকে। মানসিকভাবে অনেক শক্তি পাওয়া যায়।
2. দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়া: সংসার, পরিবার, আর ভবিষ্যৎ গঠনের দায়িত্ব ভাগাভাগি করে নেওয়া যায়, ফলে চাপ কমে।
3. সামাজিক স্বীকৃতি: সমাজে একটি স্থিতিশীল সম্পর্ক হিসেবে বিয়ে স্বীকৃত, তাই অনেক সুবিধা পাওয়া যায়—আইনি ও সামাজিক দিক থেকে।
4. আর্থিক স্থিতিশীলতা: দুইজন একসঙ্গে কাজ করলে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা বাড়ে, পরিকল্পনা করে ভবিষ্যৎ গঠন করা সহজ হয়।
5. সন্তান জন্ম ও লালন-পালন: পরিবার গঠনের জন্য একটি নিরাপদ ও কাঠামোগত পরিবেশ পাওয়া যায়।
6. একাকীত্ব কমে: জীবনের নানা পর্যায়ে যখন একা অনুভব করা হয়, তখন একজন জীবনসঙ্গী থাকা মানে নির্ভরতা ও ভালোবাসার আশ্রয়।
7. ব্যক্তিত্বের বিকাশ: একজন ভালো সঙ্গী জীবন ও চিন্তা-ভাবনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সাহায্য করতে পারে।
তবে, এই সব ভালো দিকগুলো তখনই বাস্তবায়িত হয়, যখন সম্পর্কটা পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও বোঝাপড়ার উপর গড়ে ওঠে। চাইলে খারাপ দিকগুলো নিয়েও আলোচনা করতে পারি।
-collected
15/05/2025
এন্টিবায়োটিক আবিষ্কার করার সময় আলেকজান্ডার ফ্লেমিং বলেছিলেন, "এই এন্টিবায়োটিকের কারণে আজ কোটি কোটি মানুষের প্রাণ বেঁচে যাবে। কিন্তু অনেক বছর পর এগুলো আর কাজ করবে না! তুচ্ছ কারণে কোটি কোটি লোক মারা যাবে আবার।"
এন্টিবায়োটিক খাওয়ার কিছু নিয়ম আছে। একটা নির্দিষ্ট ডোজে, একটা নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত এন্টিবায়োটিক খেতে হয়। না খেলে যেটা হতে পারে সেটাকে বলা হয় "এন্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স''।
ধরুন, আমার দেহে এক লক্ষ ব্যাকটেরিয়া আছে। এগুলোকে মারার জন্য আমার ১০টা এম্পিসিলিন খাওয়া দরকার। এম্পিসিলিন এক প্রকার এন্টিবায়োটিক। আপনি খেলেন ৭ টা। ব্যাকটেরিয়া মরলো ৭০ হাজার এবং আপনি সুস্থ হয়ে গেলেন। ৩০ হাজার ব্যাকটেরিয়া কিন্তু রয়েই গেল। এগুলো শরীরে ঘাপটি মেরে বসে জটিল এক কান্ড করল নিজেরা নিজেরা।
তারা ভাবল, যেহেতু এম্পিসিলিন দিয়ে আমাদের ৭০ হাজার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে, আমাদেরকে এম্পিসিলিন প্রুফ জ্যাকেট পরতে হবে এবার। প্ল্যান করে থেমে থাকে না এরা, বরং সত্যি সত্যি জ্যাকেট
তৈরি করে ফেলে ওই ব্যাকটেরিয়াগুলো। এরা বাচ্চা-কাচ্চাও পয়দা করে একই সময়ে। বাচ্চাদেরকেও সেই জ্যাকেট পরিয়ে দেয়।
এর ফলে যেটা হয়, পরের বার এম্পিসিলিন নামক এন্টিবায়োটিকটা আর কাজ করে না!
সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হচ্ছে, জ্যাকেট পরা ব্যাকটেরিয়াগুলো কেবল ঐ ব্যাক্তির শরীরেই বসে থাকে না। তিনি যখন হাঁচি দেন, কাশি দেন, ব্যাকটেরিয়া গুলো ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়। এক সময় পুরো এলাকায়ই আর ওই এন্টিবায়োটিক কাজ করে না। যারা খুব নিয়ম করে ওষুধ খান তারাও বিপদে পড়ে যান সবার সাথে।
আমরা খুব ভয়ংকর একটা সময়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি দ্রুত। ব্যাকটেরিয়া আর তাদের বিভিন্ন 'জ্যাকেট'এর তুলনায় এন্টিবায়োটিকের সংখ্যা খুব
বেশি না। অনেক এন্টিবায়োটিক এখন আর কাজ করে না, বাকিগুলোর ক্ষমতাও কমে আসছে। আমাদের বড় বড় হাসপাতাল থাকবে, সেখানে এফসিপিএস, এমডি, পিএইচডি করা ডাক্তাররা থাকবেন কিন্তু কারোরই কিছু করার থাকবে না। সামান্য সর্দিতেই রোগী মরে সাফ হয়ে যাবে।
উন্নত বিশ্বের চিকিৎসা ব্যবস্থা আলাদা। তারা নিয়ম মেনে ডাক্তারের পরামর্শ মতো ওষুধ খায়। বিপদে আছি আমরা। "মেডিসিনের বাইবেল" নামে পরিচিত ডেভিডসের বইয়েও আমাদের এই উপমহাদেশের উল্লেখ আছে আলাদা করে। অনেক ট্রিটমেন্টে বলা হয়েছে,
"This organism is registant against this Drugs in the subcontinent'' অর্থাৎ এই জীবাণুটি উপমহাদেশের এই ওষুধগুলোকে প্রতিরোধ করতে সক্ষম।
টিভি পত্রিকায় নানান বিষয়ে মানুষকে সচেতন করা হয়। বাথরুম করে হাত ধুতে হবে, কাশি হলে ডাক্তার দেখাতে হবে, নিরাপদ পানি খেতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু এন্টিবায়োটিক নিয়ে কোনো কিছু আজও চোখে পড়েনি। অথচ এটা অন্যগুলোর চেয়ে বেশি জরুরি। এন্টিবায়োটিক কাজ না করলে এত সচেতনতা দিয়েও আর লাভ হবেনা। আগুন নিয়ে খেলছে ফার্মেসিওয়ালারা।
রোগী ফার্মেসীতে গিয়ে একটু জ্বরের কথা বললেই ফার্মেসিতে বসে থাকা সেই লোকটি দিয়ে দিচ্ছে Azithromycin, Cefixime, Cefuroxime অথবা Levofloxacin নামক কিছু নামকরা দামী
এন্টিবায়োটিক, কিন্তুু কত দিন খেতে হবে সেটা না জানিয়ে সুন্দর করে বলে দেয় এই ওষুধটি ১ ডোজ খাবেন, সব রোগ ভালো হয়ে যাবে আর এই ভাবেই আস্তে আস্তে Resistance হচ্ছে সব এন্টিবায়োটিক।
চিকিৎসা ব্যবস্থার সাথে যারা জড়িত তাদেরকে এখনই ব্যাপারটা নিয়ে ভাবা উচিত। সবাইকে এন্টিবায়োটিকের সঠিক ব্যবহার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। না হলে আমাদের ভবিষ্যত অন্ধকার।
collected
14/05/2025
কিডনি নষ্ট হওয়ার ১০টি কারণ।
পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি না খাওয়া।
প্রস্রাব চেপে রাখা।
ব্যথানাশক ওষুধের অতিরিক্ত সেবন।
কোমল পানীয় পান করা।
বেশি মাত্রায় লবণ খাওয়া।
খাওয়ার পর ঘুমানোর অভ্যাস।
খুব বেশি প্রোটিন খাওয়া।
রাত জেগে থাকা।
অতিরিক্ত চিনি এবং মিষ্টিজাতীয় খাদ্যদ্রব্য।
ধূমপান ও মাদক পান করা।
বয়স ৪০ হলে নিয়মিত যে টেস্ট গুলো করবেন।
14/05/2025
সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে যেই খাবারগুলো খাওয়ার ফলে আপনি অনেক উপকার পাবেন ?
➡️সকালে খালি পেটে কিসমিস ভেজানো পানি খাবেন, প্রতিদিন সকালে খালি পেটে কিসমিস ভেজানো পানি খেলে শরীরের রক্তশূন্যতা দূর হয়।
➡️সকালে খালি পেটে কয়েক কোয়া কাঁচা রসুন চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করুন, কারণ সকালে খালি পেটে কাঁচা রসুন চিবিয়ে খেলে লিভারের কার্যক্ষমতা বাড়ে।
➡️সকালে খালি পেটে হালকা গরম পানিতে মধু মিশিয়ে খাবেন,খালি পেটে মধু মিশিয়ে খেলে পাকস্থলীর কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
➡️প্রতিদিন খালি পেটে কাঠবাদাম খাবেন, কারণ কাঠবাদাম খেলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়।
➡️প্রতিদিন খালি পেটে কাঁচা বা পাকা পেঁপে খাওয়ার চেষ্টা করুন ,খালি পেটে পেঁপে খেলে ওজন দ্রুত কমে যায়।
➡️প্রতিদিন খালি পেটে নিয়ম করে খেজুর খাবেন, খালি পেটে খেজুর খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka
