Puran Dhaka Blood Bank
অসহায় রোগীর রক্তের প্রয়োজনে পাশে দাঁ? সমস্যা
রক্তের গ্রুপ
রক্তের পরিমান
রক্তদানের সময়
রক্তদানের তারিখ
রক্তদানের স্থান
যোগাযোগ নাম্বার
রেফারেন্স
31/05/2026
19/05/2026
আমাদের সসম্মানীত এডমিন Sk Imran Kobir Emu ভাই এর আম্মা ইন্তেকাল করিয়াছেন ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজিয়ুন তার আত্নার মাগফিরাত কামনা করছি। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন, আল্লাহ যেন তার যে কোন ভাল কাজ কে উদ্দেশ্য করে হলেও তাকে জান্নত নসিব করুক আমিন এবং তার ছেলে-মেয়েদের কে ধৈয্য ধরার তৌফিক দান করুক আমিন।
22/02/2026
আসসালামু আলাইকুম
আমাদের গ্রুপের বর্তমান অবস্থা অন লাইনে তেমন কোন কাজ হয় না যা হয় যতটুকু হয় সব অফলাইনে হয়। আমাদের অনেকের ব্যস্ততার কারনে আবার অনেকের আইডি সমস্যা ছিল বলে অফলাইনে কাজ করেছে এখন থেকে অনলাইন গ্রুপ ভিত্তিক কাজ করার চেষ্টা করবো। আপনারা দালাল হইতে সাবধান
থাকবেন। উমুক নাম্বারে কল দেন ইত্যাদি ইত্যাদি থেকে দূরে থাকবেন যদি স্বয়ং ডোনার আপনার সাথে যোগাযোগ করে তাহলে তাকে রেসপন্স করবেন কিন্তু অগ্রীম কোন টাকা প্রদান করবেন নাহ। সবার সহযোগিতা কামনা করছি ধন্যবাদ
11/02/2026
নেতার পিছনে সময় শ্রম টাকা করার চেয়ে উওম অসহায় রোগীর জন্য সময় শ্রম ও টাকা খরচ করার
Merry Matter Magnet এর ৩১ তম ও পজেটিভ রক্তদান। রোগী অনেক অসুস্থ তার জন্য সকলে দোয়া করি আল্লাহ যেন তাকে সুস্থতা দান করেন আমিন
27/11/2025
আসসালামু আলাইকুম
আমাদের এক সময়ের এক্টিভ ভলেন্টিয়ার Sohel Rana এর বাবা ইন্তেকাল করেছে ইন্না-লিল্লাহ ওয়া ইন্না-লিল্লাহ রজিয়ুন । আপনারা সবাই মরহুমের জন্য দোয়া করবেন আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করে আমিন এবং তার পরিবার কে ধৈয্য ধরার তৌফিক দান করেন আমিন।
আমরা আমাদের পক্ষ থেকে (মুসলমান) যারা আছি তারা মহহুমকে উদ্দেশ্য করে সূরা ফাতেহা একবার, সূরা এখলাস তিন বার পাঠ করি এবং যাদের পক্ষে সম্ভব তারা দোয়া করি।
16/07/2025
এ'লার্জি স'র্দি কা'শি না'ক দিয়ে পানি পরা চোখ চু'লকানি মুহূর্তেই ভালো করে। ০+০+১
প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন।
ঘুমের অভাবে ক্ষুধার হরমোন বেড়ে যায়। এতে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়।
09/06/2025
নেহারি কি সত্যিই ক্যালসিয়ামের উৎস? 🤔 আপনার ভুল ধারণা ভাঙুন!
আমাদের সমাজে একটা প্রচলিত ধারণা আছে যে গরু বা ছাগলের পায়া বা নেহারি খেলে ক্যালসিয়ামের অভাব পূরণ হয়। কিন্তু পুষ্টিবিজ্ঞানীরা বলছেন এর উল্টো কথা! 😱 আসুন জেনে নিই আসল সত্যটা কী:
১. ক্যালসিয়াম থাকে না বললেই চলে! 🦴অনেকের ধারণা, পায়া খেলে হাড়ের ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। কিন্তু আসলে, হাড়ের শক্ত অংশ যা ক্যালসিয়াম দিয়ে তৈরি, তা আমরা ফেলে দিই বা খুব কম পরিমাণে খাই। আর যে অংশটা নেহারিতে থাকে, তা মূলত চর্বি!
২. নেহারি = প্রচুর চর্বি! 🐷নেহারির প্রধান উপাদান হলো অস্থিসন্ধি, মাংসপেশি, কোলাজেন এবং প্রচুর পরিমাণে চর্বি। এতে ক্যালসিয়ামের ছিঁটেফোঁটাও নেই, থাকলেও খুবই নগণ্য। কিছু ভিটামিন বা অন্য পুষ্টি উপাদান থাকলেও চর্বির তুলনায় সেগুলো খুবই সামান্য।
৩. হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়! ❤️🩹নেহারিতে থাকা উচ্চমাত্রার স্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং কোলেস্টেরল হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ এবং ওজন বৃদ্ধির ঝুঁকি বাড়ায়। ক্যালসিয়ামের দোহাই দিয়ে এটি অতিরিক্ত খাওয়া, বিশেষ করে বয়স্কদের জন্য, একদমই উচিত নয়।
৪. ক্যালসিয়ামের জন্য অন্য বিকল্প খুঁজুন! 🥛🥬ক্যালসিয়ামের অভাব পূরণের জন্য নেহারি মোটেও সঠিক সমাধান নয়। বরং দুধ, দই, পনির, সবুজ শাক-সবজি (যেমন পালং শাক, ব্রোকলি), তিল, বাদাম ইত্যাদি খেতে পারেন।
৫. সুস্থ থাকুন, সচেতন হোন! ✅সুস্বাদু হলেও নেহারি পরিমিত পরিমাণে গ্রহণ করুন। ক্যালসিয়ামের জন্য ভুল তথ্যের উপর ভরসা না করে সঠিক খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন এবং সুস্থ থাকুন!
নেহারি খেতে ভালো লাগলেও, এর পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। আপনার পরিচিতদের সাথে এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটি শেয়ার করুন!
02/05/2025
🟢যারা শিশুকে ঘনঘন এ্যান্টিবায়োটিক দিচ্ছেন🤷♀️,পোস্ট টা তাদের জন্য।
⛔এ্যান্টিবায়োটিক শিশুদের জন্য খুব ক্ষ*তিকর হতে পারে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণে:
1. গাট ফ্লোরা নষ্ট করে😞: এ্যান্টিবায়োটিক শুধু খা*রাপ ব্যাকটেরিয়া নয়, উপকারী ব্যাকটেরিয়াও মেরে ফেলে। বাচ্চাদের অন্ত্রে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়া তাদের হজম ও ইমিউন সিস্টেম গঠনে সাহায্য করে।
2. ইমিউন সিস্টেম দুর্বল করে😞: ঘন ঘন এ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ালে শিশুর শরীর নিজে থেকে জীবাণুর সঙ্গে লড়ার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। ফলে যেকোনো স্বাভাবিক অসুখ ও বাচ্চার সহজে ঠিক হয়না।
3. ড্রাগ রেজিস্ট্যান্স তৈরি হয়😞: অপ্রয়োজনে বা অসম্পূর্ণ ডোজে এ্যান্টিবায়োটিক দিলে ব্যাকটেরিয়া ধীরে ধীরে ওই ওষুধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। পরবর্তীতে সিরিয়াস সংক্রমণ হলেও ওষুধ কাজ না-ও করতে পারে। ইদানিং অনেক শিশু পাওয়া গিয়েছে, যাদের শরীরে ৬-৭ ধরনের এ্যান্টিবায়োটিক এখন আর রেসপন্স করে না।যার ভয়া*বহতা আপনারা কিছুটা হলেও বুঝতে পারছেন।
4. পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে😞: যেমন ডায়রিয়া, বমি, অ্যালার্জি, স্কিন র্যাশ ইত্যাদি। কিছু শিশুদের ক্ষেত্রে মারাত্মক রিঅ্যাকশনও দেখা যায়।
5. ব্রেইন ডেভেলপমেন্টে প্রভাব😞: গবেষণায় দেখা গেছে, জীবনের শুরুতে অপ্রয়োজনীয় এ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে নিউরোডেভেলপমেন্টাল ইস্যু (যেমন মনোযোগের ঘাটতি, আচরণগত সমস্যা) বাড়ার সম্ভাবনা থাকে।
✅তাই কী করণীয়?💁♀️
👶শুধুমাত্র যখন ডাক্তার পরামর্শ দেন তখনই এ্যান্টিবায়োটিক দিন।( ডাক্তারদের কাছে অনুরোধ হুটহাট এ্যান্টিবায়োটিক ধরিয়ে দেবেন না, আপনারা সচেতন হলে সমস্যা সমাধান খুব ভালো ভাবে সম্ভব)
👶ভাইরাল ইনফেকশনে (যেমন সর্দি, কাশি, জ্বর) সাধারণত এ্যান্টিবায়োটিক দরকার হয় না।
👶পুরো কোর্স শেষ করুন – মাঝপথে বন্ধ করলে সমস্যা।
দয়াকরে সচেতন হবেন।
আপনার সচেতনতা, আপনার সন্তানের জন্য আশীর্বাদ সরূপ ধন্যবাদ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Address
Dhaka
