Shabnur Suriya
HASBIALLAH WAA NIMAL WAKIL.❤️❤️❤️
Creative content on Decor, Food & Inspiration🍽️🥣🍸Recipes & Styling tips. PR & Collabs:DM📩
31/05/2026
Eid-Ul-Adha 2026
27/05/2026
কখনো কোনো কিছুর জন্য কারো উপর চেয়ে বসে থাকবেন না। নিজের টা নিজেই পুরণ করুন। নইতো নিজেই দিনশেষে ডিপ্রেসড হয়ে যাবেন অন্যের উপর ভরসা করে বসে থাকলে। যাই হোক আমি আমাকে এই ঈদে এই গিফট টা দিলাম। কেমন হয়েছে? ছবি তে বোঝা যাচ্ছে না। কিন্তু অরিজিনাল অনেক বেশি সুন্দর।
27/05/2026
দশম হিজরীতে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার সাহাবির সামনে জিলহজ মাসের ৯ তারিখ বিকালে আরাফাতের ময়দানে যে বক্তব্য পেশ করেন এবং পরদিন ১০ জিলহজ ঈদের দিন ও কোরবানির দিন প্রদান করেছিলেন। এই দুইদিনে দেওয়া তাঁর বক্তব্য বিদায় হজ্জের ঐতিহাসিক ভাষণ হিসেবে পরিচিত।
তাই তিনি হজরত মুয়াজ ইবনে জাবাল (রা)-কে ইয়েমেনের গভর্নর নিযুক্ত করে প্রেরণকালে বলেছিলেন, ‘হে মুয়াজ, সম্ভবত এ বছরের পর আমার সঙ্গে তোমার আর সাক্ষাৎ হবে না। হয়তো তুমি আমার মসজিদ ও আমার কবরের পাশ দিয়ে গমন করবে।’
আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর ঐতিহাসিক বিদায় হজ্জের ভাষণ :
১. হে আমার উম্মাহ, আমার কথাগুলো গভীর মনোযোগ দিয়ে শোনো, আমি জানি না, এবারের পর তোমাদের সঙ্গে এ জায়গায় আর একত্র হতে পারব কি না।
২. হে মানবমণ্ডলী, স্মরণ রাখো, তোমাদের আল্লাহ এক, তাঁর কোনো শরিক নেই। তোমাদের আদি পিতা একজন, অনারবদের ওপর আরবদের কোনো শ্রেষ্ঠত্ব নেই। তদ্রূপ সাদার ওপর কালোর কোনো প্রাধান্য নেই। আল্লাহ ভীতিই শুধু শ্রেষ্ঠত্ব ও মর্যাদার মানদণ্ড।
৩. তোমাদের পরস্পরের রক্ত ও ধন-সম্পদ আজকের দিন, এ মাস এবং এ শহরের মতো পবিত্র।
৪. শোনো, জা*//হেলিয়াতের সব কিছু আমার পদতলে পিষ্ট করা হয়েছে। জা/*হেলিয়াতের র*/ক্তের দাবিও রহিত করা হলো।
৫. জাহেলি যুগের সুদ রহিত করা হলো। আমাদের মধ্যকার প্রথম যে সুদ আমি রহিত করছি তা হলো, আব্বাস ইবন আবদুল মুত্তালিবের সুদ। এখন থেকে সব ধরনের সুদ হারাম করা হলো।
৬. স্ত্রীদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করো। কেননা আল্লাহর আমানতস্বরূপ তোমরা তাদের গ্রহণ করেছ এবং আল্লাহর কলেমার মাধ্যমে হালাল করা হয়েছে। তাদের ওপর তোমাদের অধিকার রয়েছে যে তারা তোমাদের বিছানায় এমন কাউকে স্থান দেবে না, যাদের তোমরা পছন্দ করো না।
তারা এরূপ করলে প্রহার করতে পারো। তবে কঠোর প্রহার করবে না। তোমাদের ওপর তাদের অধিকার হলো, তোমরা যথাযথ অন্ন-বস্ত্র প্রদান করবে।
৭. আমি তোমাদের কাছে এমন দুটি জিনিস রেখে যাচ্ছি, যা দৃঢ়ভাবে ধারণ করলে পথভ্রষ্ট হবে না। একটি হলো আল্লাহর কিতাব আর অন্যটি হলো আমার সুন্নাহ।
৮. হে জনতা, মনে রেখো, আমার পরে কোনো নবী নেই। তোমাদের পরে কোনো উম্মত নেই। ফলে তোমাদের প্রতিপালকের ইবাদত করবে। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবে, রমজানের রোজা রাখবে, স্বেচ্ছায় ধন-সম্পদের জাকাত দেবে, আল্লাহর ঘরে হজ করবে, শাসকের আনুগত্য করবে। যদি তোমরা এসব পালন করো, তাহলে তোমাদের রবের জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে (ইবনে মাজাহ)।
৯. হে মানবমণ্ডলী, পিতার অপরাধে পুত্র দায়ী হবে না এবং পুত্রের অপরাধে কোনো পিতাকে দায়ী করা হবে না।
১০. তোমাদের সঙ্গে আমার সম্পর্কের প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করা হবে। তোমরা তখন কী বলবে? সাহাবায়ে কেরাম প্রত্যুত্তরে বলেন, আমরা সাক্ষ্য দেব যে আপনি দ্বিনের দাওয়াত দিয়েছেন, আল্লাহর বাণী পৌঁছিয়ে দিয়েছেন, ন্যস্ত দায়িত্ব পালন করেছেন।
মহানবী (সাঃ) এ কথা শুনে শাহাদাত আঙুল আকাশের দিকে উত্তোলন করে লোকদের দিকে ঝুঁকিয়ে তিনবার বলেন, হে রব, আপনি সাক্ষী থাকুন (সহিহ মুসলিম)।
১১. প্রত্যেক মুসলমান ভাই ভাই। তোমরা তোমাদের দাস-দাসী সম্পর্কে সতর্ক থাকবে। তোমরা যা খাবে তাদেরও তা খেতে দেবে। তোমরা যা পরিধান করবে তাদেরও তা পরতে দেবে। তাদের অপরাধ ক্ষমা করে দেবে। শাস্তি দেবে না।
১২. হে মানবজাতি, ধর্মের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করবে না। কেননা অতীতের অনেক জাতি এ বাড়াবাড়ির কারণে ধ্বংস হয়েছে। উপস্থিত ব্যক্তিদের দায়িত্ব হবে আমার এ কথাগুলো অনুপস্থিত লোকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া।
হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)
মহানবী (সাঃ) ভাষণ শেষ করলেন। এবং তাঁর চেহারা মোবারক উজ্জ্বল হয়ে উঠল। তিনি করুণ স্বরে করুণভাবে আকাশ পানে তাকালেন এবং তিনি বললেন, ‘হে মহান প্রভু! হে পরওয়ার দিগার! আমি কি তোমার দীনের দাওয়াত পরিপূর্ণভাবে মানুষের কাছে পৌঁছাতে পেরেছি। তখন উপস্থিত জনতা সবাই সম্মিলিতভাবে বললেন, নিশ্চয়ই আপনি আপনার দীন পরিপূর্ণভাবে পৌঁছাতে পেরেছেন।‘ তখন তিনি আবার বললেন যে, ‘হে প্রভু! আপনি শুনুন, আপনি সাক্ষী থাকুন, এরা বলেছে আমি আপনার দীনকে লোকদের নিকট পৌঁছাতে পেরেছি। আমি আমার কর্তব্য পালন করতে পেরেছি।‘
ভাবের আতিশয্যে নবী নীরব হলেন। জান্নাতি নূরে তাঁর চেহারা আলোকদীপ্ত হয়ে উঠল। এই মুহূর্তে কুরআনের শেষ আয়াতটি নাজিল হয়। ‘আজকের এই দিনে তোমাদের দীনকে পূর্ণ করে দিলাম। তোমাদের ওপর আমার নিয়ামত পূর্ণ করে দিলাম। ইসলামকেই তোমাদের ওপর দীন হিসেবে মনোনীত করলাম।’
হযরত রাসূল (সাঃ) কিছুক্ষণ চুপ রইলেন। জনতাও নীরব। কিছুক্ষণ পর হযরত (সাঃ) জনতার দিকে তাকালেন এবং করুণ গম্ভীর কণ্ঠে বললেন বিদায় বন্ধুগণ, বিদায়।
হজরত রাবিয়া ইবনে উমাইয়া ইবনে খালফ জনতার কাছে উচ্চকণ্ঠে বিদায় হজ্জের ভাষণ এর বাণী পৌঁছে দেন (ইবনে হিশাম)।
লিখেছেন : মোহাম্মদ আমীর হোসাইন (হাফি.)
- মুফতি ও মুহাদ্দীস, শাইখ আবু সাঈদ ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, মোহাম্মাদপুর।
রেফারেন্স : (আল-কোরআন, পারা: ৬, সূরা-৫ মায়িদাহ, আয়াত: ৩)। (বিশ্বনবী, গোলাম মোস্তফা; সীরাতুন নবী (সা.), ইবনে হিশাম (র.), খণ্ড: ৪, পৃষ্ঠা: ২৭৩-২৭৭; আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ইবনে কাসীর (র.), খণ্ড: ৫, পৃষ্ঠা: ১৯৮ ও ৩২০-৩৪২, ই. ফা. বা.)।
26/05/2026
আর মাত্র এক দিন পর সবার ফ্রিজের অবস্থা।
রেডি তো ....... 🤣🤣
একেকটা একট্রিম লেভেলের জঘন্য মানুষ।
ঘৃণা ছাড়া কিছুই নাই তাদের জন্য। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এক আকাশ পরিমাণ ঘৃণা নিয়েই আল্লাহর কাছে পৌছাবো। ইনশাআল্লাহ
কিছু অপরাধ শুধু আইন ভঙ্গ করে না, মানবতাকেও নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করে। একটি কন্যা শিশুর নির্মম বিদায় আজ পুরো দেশকে স্তব্ধ করে দিয়েছে! যার বিচার শুধু আইনের নয়, গোটা মানবতার দাবি। ভবিষ্যতের শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই নির্মমতার দ্রুত বিচার ও কঠোরতম শাস্তি এখন সময়েরও দাবি। কেবলমাত্র আল্লাহর আইনই পারে এসব বর্বরতা নির্মূল করতে।
20/05/2026
লোভ সামলানো টাই কঠিন।।
Clear??
Got it..
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka
1207
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 23:00 |
| Tuesday | 09:00 - 23:00 |
| Wednesday | 09:00 - 23:00 |
| Thursday | 09:00 - 23:00 |
| Friday | 09:00 - 23:00 |
| Saturday | 09:00 - 23:00 |
| Sunday | 09:00 - 23:00 |
