HMSafrina
HMSafrina is Biggest thing in BD
04/02/2025
Made by me .....
Je nijeke sudra te chay Mohan Allah pak sai rasta thiki deakhea day
28/10/2024
18/04/2024
ছেলে-মেয়ে কিভাবে তার দাদাবাড়ি ও নানাবাড়ির আত্মীয়দের দেখবে সেটা ছোটবেলায় শিক্ষাতেই ঠিক হয়ে যায়৷ মা যেভাবে প্রেজেন্ট করে ছেলে-মেয়ে সেটাই শিখে৷
পরিবার যদি খারাপও হয় তারপরও সেটাকে প্রেজেন্ট করা ঠিক নয়৷ অনেক মায়েরা সন্তানের দাদার বাড়ির সবাইকে ছোট করে আনন্দ পায়, আবার অনেক দাদাবাড়ির আত্মীয়রা নানাবাড়িকে ছোট করে আনন্দ পায়। কিন্তু উভয়টাই ক্ষতিকারক৷ যে পক্ষই ছোট হোক আদতে কিন্তু নিজেই ছোট হচ্ছে কারণ দু'টো পরিবারই তার অংশ।
একটা পক্ষকে ছোট করে, দোষত্রুটি প্রকাশ করে দূরে ঠেলে দিয়ে বস্তুত সন্তানকে একা বানিয়ে দেয়া হয়। একটা মানুষের সবাইকে প্রয়োজন। আর এটা বুঝতে তার অনেক বেশি বড় হতে হয়। ততদিনে অনেকের সাথেই দূরত্ব তৈরী হয়ে যায়। যারা বুদ্ধিমান তারা বড় হয়ে এই দূরত্বটা কাটাতে পারে।
বাকিরা বস্তুত একা হয়েই, একটা পক্ষকে দূরে রেখেই জীবন পার করে। আর এখানে মায়ের ভূমিকাই বেশি। কারন সারাজীবন তোর দাদি এই করছে, দাদা,চাচা-ফুফুরা এই করছে বলে বলে কচি মনগুলোকে বিষিয়ে তুলে। কোন মানুষ শতভাগ খারাপ নয়। তারপরও তাদের ভাল অংশগুলো কখনোই সন্তানদের সামনে আনে না।
আর এই অশিক্ষিত মায়েদের ভুল প্যারেন্টিং এর জন্য, বেশি পাকনা বাপেদের তোর মামারা এমন, খালারা এমন এসব বুলশীটের কারনে কচি মনগুলো দ্বিধায় বড় হয়! তারা মন থেকেই গীবত, অন্যের সমালোচনা করা জায়েজ মনে করেই বড় হয়! আর তা তাদের চরিত্র গঠনে কি ভূমিলা রাখে তা বলার অপেক্ষা রাখে না!
এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখতে পারে বাবা-মায়েরা। অন্যের সমালোচনা বাচ্চাদের সামনে না করা, কারো দোষ-ত্রুটি নিয়ে রসালো গল্প না করে ওদেরকে শাসন করা। এটা শিখানো যে কারো অগোচরে এমন সত্য কিছু বলাও গীবত যা শুনলে সে কষ্ট পাবে৷
নিজেরাও সচেতন থাকা।
05/05/2023
Post By:_
#ফাইজা_আরুশা
"বিয়ের পর চাকরী করতে না দিলে বিয়ে করবো না" বলা মেয়েটাও বিয়ের পর স্বেচ্ছায় চাকরিটা ছেড়ে দিল। কারণ তার ছোট্ট শিশুটিকে রাখার কেউ নেই। আসলে ব্যাপারটা কিন্তু এমন না যে চাকরী করতে দিলেই আপনি করতে পারবেন, মূল প্রশ্ন হল চাকরীর পরিবেশ আপনি পাবেন কি না?
আমাদের মায়েদের যুগ ছিল বাচ্চারা যৌথ পরিবারে সবার হাতে হাতে বড় হয়ে যাওয়াটাকেই বাচ্চা মানুষ করা ভাবা হত। তখনকার মায়েদের মূল চিন্তা ছিল সংসার আর বাচ্চার ঠিকঠাক মত স্কুলে যাওয়া নিশ্চিত করা।আবার সে যুগে কাজের লোক পাওয়া খুব কঠিন কিছু ছিল না, আর আমাদের সময় যেন সোনার হরিণ। এটাও একটা বড় সমস্যা ফলে নিওক্লিয়ার পরিবারে ঘরে ঘরে পোস্ট পার্টেম ডিপ্রেশন কারণ মায়েদের দুটা মিনিট দম ফেলার সময় নেই। নিজের জন্য সময় বের করা তো রীতিমত বিলাসিতা।
যুগ বদলেছে, প্যারেন্টিং এর ধরণ বদলেছে। এখনকার মায়েরা বাচ্চার পটি ট্রেইনিং, ব্রেন ডেভেলপমেন্ট, পর্যাপ্ত নিউট্রিশন, স্ক্রিন টাইমিং এসবের ব্যাপারে সচেতন হচ্ছেন। আপনি চাইলেও এই দায়িত্ব অন্যের উপর দিয়ে নিশ্চিন্তে থাকতে পারবেন না। আপনার মায়ের বাসা কাছে, আপনার শ্বশুর শ্বাশুড়ি আপনার সাথে থাকে তাতেও কিন্তু আপনি উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারবেন না। আপনি একদিন বাসায় ফিরে দেখবেন বাচ্চার দাদা দাদী বাচ্চাকে মন মত খেলনা দিয়ে রুম ভরিয়ে রেখেছে। আপনি জানেন এতে আপনার বাচ্চা দিনদিন জেদী হবে কিন্তু আপনি কিছু বলতে পারবেন না। আবার নানীর কাছে দিলেন নানীরোও তো বিশ্রাম দরকার ফলস্বরুপ আপনার বাচ্চার স্ক্রিনটাইমিং বেশী হয়ে যাচ্ছে। আপনি জানেন আপনার সন্তানের ব্রেন ডেভেলপমেন্টের জন্য এটা ক্ষতিকর কিন্তু আপনি কিছু করতে পারবেন না। নিজেদের বাচ্চা বড় করার পর ছেলেমেয়েদের বাচ্চা যে পেলে দিচ্ছে এটা নিয়েই আপনার সন্তুষ্ট থাকা উচিত। অনেকেই আছে মায়ের, শ্বাশুড়ির এই অবদানকে নিজের জন্মগত অধিকার হিসেবে ধরে নেয় অথচ যে যতটুকু পাচ্ছে ততটুকু নিয়েই সন্তুষ্ট থাকা উচিত।
সুতরাং মূল সমস্যাটা এখানেই আপনাকে করতে দিলেও, উপযুক্ত চাকরীর পরিবেশ পরিস্থিতি না থাকার জন্য আপনি চাকরী করতে পারবেন না। আপনার সার্টিফিকেট আপনার ভিতর আফসোস জন্ম দিতে পারে, আপনার বান্ধবীদের ক্যারিয়ার আপনার মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করতে পারে, কিন্তু আপনাকে চাকরীটা ছাড়তে হচ্ছে। মা হিসেবে এটাই আপনার সবচেয়ে বড় স্যাক্রিফাইস আর আপনার সন্তানের সঠিক পরিচর্যা আপনার প্রাপ্তি। তার জন্য আপনি জীবনযুদ্ধে হেরে যাবেন ভেবে মন ছোট করবেন না। আর যেসব মায়েরা দুটার মধ্যে ব্যালেন্স করার যুদ্ধ প্রতিদিন নিজের সাথে করে যাচ্ছেন। তাদের স্যালুট চাকরিজীবী মা হওয়াও চাট্টিখানি কথা না, নিজের বাচ্চাকে নিজের চোখের সামনে বেড়ে উঠতে না দেখা কম কষ্টের না। তাই দ্বিতীয়বার কেও বলতে আসলে "সবাই তো করে তুমি পারলা না কেন?এত কষ্ট করে পড়াশোনার কি দরকার ছিল ঘরেই যদি বসে থাকা লাগে" এসব কানে তুলবেন না। সবাই পারলেই সব সহজ হয়ে যায় না।
যারা বলেন আরে বাচ্চাটা দেখি দেখতে দেখতেই বড় হয়ে গেলো- জী না। দেখতে দেখতে কোন বাচ্চাই বড় হয়ে যায় না। এই বড় হওয়ার পেছনে থাকে মেয়েদের শরীর থেকে শুরু করে ঘুম, ক্লান্তি, মানসিক অবস্থা সবকিছু বিসর্জন দেওয়ার দীর্ঘ ইতিহাস। নিজের শরীরকে ৯০% নিংড়ে তবেই এই জানকে সুস্থভাবে পৃথিবীতে আনা হয়। এত সহজ না!!! ❣️
07/09/2021
এখনকার পোলাপানরে মারলেই সুইসাইড করে বসে 😡😡😡
আর আমাদের সময়ে মারতো তো মারতোই, মারার পরে কান্না থামানোর জন্যেও আলাদা করে মারতো! 😒
এখনকার পোলাপান টাকা চাইলেই ১০০-৫০০ টাকা অনায়াসে পেয়ে যায়।
আর আমাদের সময় মাটিতে নাগিন ডান্স না করা পর্যন্ত দুই টাকা দিতো না।
আমরা গর্বিত নব্বই দশকের সন্তান হতে পেরে😊🙃
আমরা খুবই অল্পতেই সন্তুষ্ট হয়ে যেতাম
আমরা পাড়ার বড় বোন ছোট বোন, বড় ভাই, ছোট ভাই মিলে খেলাধুলা করতাম❤
আমাদের সময় টুকটাক ছিলো বাট টিকটক ছিলো না,পাবজি,ফ্রিফায়ার,ছিলো না।😨
আমাদের সময়টা খুবই রোমাঞ্চকর ছিলো যা এই প্রজন্মের সন্তানেরা কখনই উপলব্ধি করতে পারবেনা...
সংগ্রহীত।।।
HMSafrina
31/07/2021
https://youtube.com/channel/UCpAzMHUpUb_BpZjuDncLRSQ
HMSafrina - YouTube Allow all-new content
31/07/2021
পালঙ্ক_সাজাইলাম_গো....... সিলেটি ঐতিহ্যের গান। পালঙ্ক_সাজাইলাম_গো....... সিলেটি ঐতিহ্যের গানঃ #সিলেট #নতুন_বাংলা_গান #পালঙ্ক_সাজাইলাম_গো_তসিবা__Tosiba_ ্যাদি_.....
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
Dhaka
1216
