Opsora
this my page .please visite my page..
22/02/2023
17/09/2022
"যৌবনের তাড়নায় গুনাহ করিও না।
কারণ, একদিন যৌবন চলে যাবে কিন্তু
গুনাহ থেকে যাবে"।😔
হযরত আলী রা .
26/07/2022
13/07/2022
আজ ৬বছর পরও ঠিক ওই জায়গাটায় এসে দাঁড়িয়ে আছি! এটাই সেই জায়গা যেখানে আমি ৬বছর আগে আমার স্যার-কে ভালোবাসি বলে প্রপোস করে ছিলাম!
কিন্তু স্যার আমার ভালোবাসা প্রত্যাক্ষণ করে চলে গিয়ে ছিলো যাওয়ার আগে কিছু কথা বলে গিয়েছিল!
আমি ভাবতাম স্যারও আমাকে ভালোবাসে শুধু বলতে পারছে না। তাই আমিই সাহস করে বলে ছিলামএকদম পুরাই ফিদা, টোটাল ফিল্মি স্টাইলে প্রপোস করে ছিলাম। আমাদের শহরে সন্ধ্যার পরের দৃশ্যটা অনেক সুন্দর। আমি মনে মনে ঠিক করে ছিলাম এমন এক সন্ধ্যে বিকেলে তাকে আমার মনের কথা জানাবো।
আজ যে করেই হোক প্রাইভেট পড়ানো শেষ হলেই স্যারকে বাহিরে আমার সাথে ঘুরতে নিয়ে যাবো
তাই আজকে একটা গোলাপি রাঙা শাড়ি পরেছি।
দুই হাত ভর্তি চুড়ি, চোখে গাড় করে কাজল!
ঠোঁটে হালকা গোলাপি লিপস্টিক!
আর চুল গুলো খুব সুন্দর ভাবে ফুলিয়ে খোঁপা করে বেধে নিয়েছি!
আর সামনে দিয়ে কয়েকটা চুল বের করে রেখেছি!
কানে (স্যারের দেওয়া) ঝুমকো ঝোড়া পরেছি!
এর আগে একবার স্যারকে নিয়ে বাহিরে ঘুরতে গিয়েছিলাম তখন আমার এই কানের ঝুমকো জোড়া অনেক পছন্দ হয়েছিল।
বাড়ি ফিরার পর বাড়িতে ঢুকতে যাবো তখন স্যার পিছন থেকে আওয়াজ দেয় আমাকে আমি পেছনে ঘুরে তাকাই উনি চোখের ইশারায় উনার সামনে যেতে বলেন।
আমি উনার সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে বলি,
- জি স্যার।
- তোমার হাতটা দাও তো!
- কিন্তু কেনো?
- দাও বলছি।
- হুম দিলাম। (স্যারের দিকে এক হাত বাড়িয়ে)
স্যার উনার হাত আমার হাতের উপর রেখে বললেন!
এটা তোমার জন্য ভাবতে পারো ছোটো একটা গিফট!
কিন্তু এখন খুলবে না সোজা রুমে গিয়ে দেখবে!
ওকে এখন আমি যাই!
-যা চলে গেলো যাই রুমে গিয়ে দেখি এই প্যাকেট এর মধ্যে কি আছে
রুমে গিয়ে প্যাকেট টা খুলতেই আমি অবাক
এটা তো ওই ঝুমকো দুই জোড়া যেটা আমি পছন্দ করে ছিলাম শুধু স্যার সাথে ছিলো বলে লজ্জায় নিতে পারিনি,, তার মানে স্যার লক্ষ করেছিলো আমার যে ঝুমকো জুড়ো পছন্দ হয়েছিল
ভাবতে ভাবতে অনেক খুশি হয়ে গেলাম,,,
ভেবেছিলাম একদিন স্যারকে পরে দেখাবো তাই আজকেই পরলাম!
এখনো পুরোনো সৃতির কথা মনে করলে কত খুশি হয়ে যাই। আজও আছে স্যারের দেওয়া ঝুমকো জোড়া আমি আজও খুব যতন করে রেখে দিয়েছি আমার স্যারের দেওয়া প্রথম ও শেষ উপহারটা।
সেই দিনের কথা মনে পরলে আজও অন্ততর কেঁপে কান্না আসে!
জানি না স্যার কোথায় আছে? কেমন আছে?
কি করছে? কিচ্ছু জানি না সে দিন সন্ধ্যার পর আর স্যারকে দেখতে পাইনি অনেক খুঁজে ছিলাম স্যারের বাড়িতেও গিয়েছিলাম কিন্তু যেতে অনেক টা দেরি করে ফেলেছিলাম!
গিয়ে দেখি স্যার উনার মা-কে নিয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন!
আশে পাশের প্রতিবেশীদের জিজ্ঞেস করে জানতে পারি স্যার শহর ছেড়ে চলে গেছেন!
সেই রাস্তায় বসে চিৎকার করে কেঁদেছিলাম!
কি দোষ ছিল আমার ভালোবাসায় স্যার
কি ভুল ছিলো, কি অপরাধ ছিলো আমার
যে এইভাবে চলে গেলেন আমাকে ছেড়ে
ভালোবাসেন না ঠিক আছে শহর ছেড়ে কেনো চলে গেলেন, একটা বার দেখার সু্যোগ ও দিলেন না
স্যারররররররররর, আমি আপনাকে ভালোবাসি স্যার!
তারপর আমার আর কিচ্ছু মনে ছিলো না!
দুইদিন পর জ্ঞান ফিরলে দেখি আমি হসপিটালে
আম্মু পাশে বসে কান্না করছে! নার্স আমাকে দেখে ডাক্তার কে ডাকতে থাকে
ডাক্তার রোগীর জ্ঞান ফিরেছে!
ডাক্তার আমাকে দেখে বাবাকে বাহিরে নিয়ে কি যেনো বলে চলে যায়!
“ আম্মু আমার কি হয়েছে আমি হাসপাতালে কেনো? ”
আম্মু কান্না করার জন্য কথা বলতে পারছে না চোখ মুখ দেখেই বুঝা যাচ্ছে অনেক কান্না করেছে আর হয়তো কিছু খায়ওনি।
-“ মা'রে তোর যে এক্সিডেন্ট হয়েছিল মা, আজ দুইদিন পর তোর জ্ঞান ফিরেছে মা! ডাক্তার বলেছিলো তুই কোমায় চলে গেছিস! কিন্তু আমার আল্লাহর উপর ভরসা ছিলো উনি আমার মেয়েকে আমার বুকে আমার ফিরিয়ে দিয়েছেন! ”
(আম্মু কথা গুলো কান্না করতে করতে বললো)
“ আম্মু দুইদিন আমি অজ্ঞান ছিলাম! ”
“ ইতি মামনি এখন তুমি বেশি কথা বলো না তুমি পুরো পুরি সুস্থ হওনি! তুমি সুস্থ হয়ে উঠু আগে, তারপর আমরা বাড়ি গিয়ে অর কথা বলবো। ওকে মামনি! ”
“ কিন্তু আব্বু? ”
আব্বু আমাকে আর কিছু বলতে দিল না আম্মুকে নিয়ে কেবিনের বাহিরে চলে গেলো?
আমি শুয়ে শুয়ে স্যারের কথাই ভাবছিলাম!
ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে পড়ি!
আজ ২২ আগষ্ট ঠিক সন্ধ্যে ৭:৪৫ মিনিট সেই দিনটায় সেই টাইমে ৬ বছর আগে স্যারকে প্রপোস করি ব্রীজটার উপরে দাঁড়িয়ে, হাতে ছিলো এক গুচ্ছ সাদা গোলাপ। স্যার সাদা গোলাপ অনেক পছন্দ করতেন তাই সেটা দিয়েই প্রপোস করি।
স্যার আমার সামনে দাঁড়িয়ে ছিল, আমি স্যারের সামনে দাঁড়িয়ে এক পা হাঁটু গেঁড়ে বসে স্যারের দিকে তাকিয়ে দুই হাত দিয়ে ফুলগুলো স্যারের দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বলি!
“ স্যার I Love You ”
৬বছর পর আজও আমি স্যারকে সে-রকমই ভালোবাসি সময়ের সাথে সাথে আমার ভালোবাসাও বেড়েই চলেছে!
প্রতি সপ্তাহে এক বারের জন্য হলেও আমি এই জায়গাটায় আসি, কিছুক্ষণ দাড়িয়ে থাকার পর একা একাই হাঁটি!
আজও হাঁটছি এখানে আসলে মনে হয়, স্যার আমার সাথেই আমার হাত ধরে আছেন।
আর বলছেন, “ আর কত অনেক তো হলে চলো তোমাকে বাড়ি পৌঁছে দেই! ”
জানেন তো স্যার এখন আর কেউ বলে না, অনেক তো হলে চলো তোমাকে বাড়ি পৌঁছে দেই।
আজও অনেক ভালোবাসি স্যার আপনাকে অনেক মিস করি আপনাকে নিজের থেকেও বেশি!
আপনার কসম!
ব্রীজের নিচে বসেই কেঁদে কেঁদে বললাম আর কত কষ্ট করবো? আমি যে আর পারছি না স্যার আপনাকে ছাড়া থাকতে।
চলবে?
#স্যার_i_love_you
#শারমিন_আক্তার_বর্ষা
#সূচনা_পর্ব
(কার্টেসী ছাড়া কপি করা নিষেধ)
লিংকে যান
https://www.facebook.com/groups/2204377519869966/permalink/2858047384502973/
12/07/2022
#শখের_সাদা_শাড়ি
২.
আকাশে মেঘ করেছে। বৃষ্টি হবে নয় হয়েই গেল। এই ঝামেলা টা না এলে কি এমন যায় এসে যেতো! ছাতা মাথায় হাঁটা দেয় উর্মি। টেউ খেলানো এই জীবন টা গাছের পাতার মতো। সময়ে অসময়ে ঝরা যেন বিশেষ কোনো দায়িত্ব। দশ মিনিট হাঁটার পর রিক্সা পেল। ভাড়া আশি টাকা। অথচ বাস দিয়ে গেলে লাগতো বিশ টাকা। এখন টাকার মায়া করলে হবে না। আশি টাকা ভাড়া তেই রিক্সায় উঠে পরলো। এই তুমুল বৃষ্টি তে রিক্সার বাঁকানো হুডে মাথা তো বেঁচে গেল তবে দুই হাঁটু তে ঠিক ই পানি পরছে। উর্মি রিক্সা ওয়ালা মামা কে জিজ্ঞাসা করলো পলিথিন হবে কি না। মামা বললো নেই। চরম বিরক্তি নিয়ে বসে রইলো উর্মি। ছাতা টা আধ ফুটো করে ধরলো হাঁটুর বরাবর। এতে কিছুটা রক্ষা হলো। রিক্সা থেকে নেমে ভাড়া দিতেই মামা বললেন--
" আপা আর বিশ টাকা দেন। "
" কি বলেন মামা। এই টুকু পথের ভাড়া তো পঞ্চাশ টাকা। সেখানে আশি টাকা নিলেন। এখন আরো বিশ টাকা চান। "
লোক টা কিছু বললো না। একটা হাসি দিয়ে চুপচাপ চলে গেল। উর্মি কে দেখে ভেবেছিলো খুব বড়লোক গোছের কেউ। তাই সুযোগ বুঝে বিশ টাকা আরো বেশি চাইলো। উর্মি হা করে তাকিয়ে থেকে ছাতা খুলে। এই যুগে সবাই সুযোগ বুঝে। আর মধ্যবিত্ত দের পরতে হয় বিপাকে।
সৌমেন ছুটোছুটি করছে। উর্মি কে দেখে ও না দেখার ভান করে চলতে লাগলো। উর্মি বুঝলো যে জয়েনের আগেই ভুল করে বসেছে। কোম্পানি নিশ্চয়ই নিজের স্বার্থ দেখবে। ইমপ্লয়ির অভাব নেই যেখানে, সেখানে কেন ই বা অধিক সুযোগ দেওয়া হবে উর্মি কে। ছাতা গুটিয়ে এক সাইটে রাখলো। তারপর ব্যাগ থেকে ছোট একটা রুমাল বের করে হাঁটুর দিক টা মুছে ফেললো। সৌমেন এক টা মেয়ে কে পাঠিয়েছে। সম্ভবত তার পি এ। সব সময় পেছন পেছন ঘুর ঘুর করতে দেখা যায়।
" আপনি আমার সাথে আসুন। "
" জী। "
" উম্মে উর্মি রাইট? "
" ইয়েস ম্যাম। "
" আপনার কাজ হচ্ছে প্রজেক্ট এর সকল সিডিউল তৈরি করা। তাছাড়া আরো কিছু কাজ আছে সেটা ও জানানো হবে। "
" আচ্ছা ম্যাম। "
" জামা বদলে ফেলুন। বিদেশী দের মাঝে স্মার্ট দেখাতে হবে। এই যে আপনার ড্রেস কোড। তিন স্যুট পাবেন। একদিন পর পর বদলে আসবেন। আর প্রতি সপ্তাহে লন্ড্রি থেকে ড্রাই ওয়াস করাবেন। "
" আচ্ছা। "
অগোচরে মুখ বাকায় উর্মি। কোন ঠেকা লন্ড্রি থেকে ড্রাই ওয়াস করার। উর্মির হাতের জাদু তে লন্ড্রি পাত্তা পাবে না। অফিসের কোড ড্রেস পরে নিয়ে আয়নায় তাকালো উর্মি। কেমন কেমন যেন লাগে। পোশাক যদি ও শালীন তবু ও আনইজি লাগছে। চুলে বেনী করা ছিলো সেটা খুলে নিয়ে উচু করে ঝুটি বাঁধলো। মন্দ লাগছে না।
সৌমেন কে বেশ ব্যস্ত দেখাচ্ছে। মুখের অভিব্যক্তি বলে দেয় কতো টা গুরুত্বপূর্ণ এই কাজ। হাতের সাহায্যে শব্দ করে এক একজন কে জড়ো করলো।
" লিসেন এভরিওয়ান। মিটিং টা আর্জেন্ট ভাবে এরেঞ্জ করা হয়েছে। এতে হয়তো আপনাদের সবাই কে প্যারা নিতে হলো। বাট কোম্পানির প্রফিট মানে আপনাদের সবার প্রফিট। এই টাকাতে আমি যেমন খাই আপনারা ও ঠিক তেমনি। আই হোপ সবাই নিজেদের বেস্ট দিয়ে চেষ্টা করবেন। আর আমরা সফল হবো। "
সৌমেনের কল এলো। ফোন রিসিভ করে কিছু কথা বলল। তারপর ই ডাকলো ওর পি এ মাইশা কে। মাইশা হন্তদন্ত হয়ে ছুটে এলো। সৌমেন কিছু নির্দেশনা দিয়ে বলল
" দ্রুত কাজ করবে। "
" ওকে স্যার। উর্মি কে পাঠাই? "
" পাঠাও। "
" উর্মি শুনেন। "
কাপড় দেখছিলো উর্মি। ফ্যাশন হাউজ মানেই চোখ ধাঁধানো সব জামা কাপড়। এক একটার দাম হাজার থেকে লাখ টাকা।
" ইয়েস ম্যাম। "
" বাহিরে গিয়ে দাড়াবেন। অনেক গুলো কস্টিউম আসবে। সব গুলো চেইক করে নিয়ে আসবেন। "
" আচ্ছা। "
" যে নিয়ে আসবেন অর্থাৎ ডিজাইনার এর নাম হচ্ছে সমীর শাহ। "
" ঠিক আছে ম্যাম। আমি এক্ষুনি যাচ্ছি। "
কাগজ আর কলম নিয়ে বাইরে এলো উর্মি। বৃষ্টি থেমে গেছে। তবে গাছের কচি পাতা গুলো তে এখনো পানি। টপটপ করে ঝরছে হালকা বাতাসে। মিনিট পাঁচেক পর একটা বড় গাড়ি এসে থামলো। ড্রাইভার সহ আরেক টা ছেলে বের হয়ে এলো। লম্বা দেহের রোগা পাতলা ছিম ছাম চেহারা। উর্মি এগিয়ে গেল। ছেলেটা শার্টের হাতা ফোল্ড করছে।
" সমীর শাহ? "
" ইয়েস। আপনি কি উম্মে উর্মি। "
" হুম। "
" ও আচ্ছা। আপনি আসুন আমার সাথে। আমি কস্টিউম গুলো চেইক করে দেই।"
সমীর কস্টিউম চেইক করে দিলো। পুরো আটত্রিশ টা কস্টিউম। আধ ঘন্টা লাগলো সব মিল করতে। এদিকে সময় সাড়ে আট টা। উর্মি একজন লোক কে বললো সব গুলো কাপড় সাবধানে ভেতরে নিয়ে যেতে। সমীর চাচ্ছিলো না ভেতরে যেতে। তবে পেমেন্ট নেওয়ার জন্য যেতেই হলো। সৌমেন এর সাথে বেশ ভালোই সম্পর্ক। সমীর হেসে এগিয়ে গিয়ে সৌমেন কে জড়িয়ে ধরলো।সৌমেন বলল--
" সব ঠিক ঠাক হয়েছে তো? "
" অলমোস্ট ডান। তাছাড়া মিস উর্মি তো চেইক করেছেই। "
উর্মির দিকে তাকালো সৌমেন। উর্মি কাজ করছে। যাক ভালোই তবে। সমীর এর একটু তাড়াহুড়ো তাই সৌমেন ও ধরে রাখলো না। পেমেন্ট বুঝিয়ে দিলো।
অফিস থেকে বের হওয়ার সময় সমীরের সাথে আর একবার দেখা হলো উর্মির। মেয়েটি তাকে দেখে মৃদু হাসলো। গড়গড় করে বলল--
" আপনার হাতের কাজের প্রশংসা করতেই হয়। যা সুন্দর হয়েছে। আমি তো ড্যাব ড্যাব করে তাকিয়েই ছিলাম। ভারী সুন্দর। "
" এগুলো আমি করি নি। আমি ডিজাইন করেছি শুধু। "
" সেটার কথাই বলছি। দারুন হয়েছে। "
" থ্যাংকস। আপনাদের পছন্দেই আমার পেট চলে। "
হালকা হাসলো উর্মি। সমীর বলল--
" আজ আসি। আবার দেখা হবে। "
উর্মি ও সম্মতি জানায়। সমীর চলে যাওয়ার পর পর ই সৌমেন এর কল আসে, ঝটপট রিসিভ করে সে।
" হ্যালো স্যার। "
" দ্রুত আসো উর্মি। মিটিং এখনি শুরু হবে। "
" আমি এখনি আসছি। "
মিটিং রুমের অবস্থা দেখে হা হয়ে গেল উর্মির মুখ। দুই ঠোঁটের মাঝ খানে তৈরি হলো মৃদু ফাঁক। এতো সব মডেল দাঁড়িয়ে আছে যে সে বুঝতে পারছে না কিছুই। মাইশা এসেই এক টা খাতা কলম ধরিয়ে দিলো। এই নাম অনুযায়ীই মডেল ডাকা হবে। সৌমেন যেন একটু পর পর ই দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলে। এতোক্ষণ পর একটা পজিশন পেলো। অবশেষে অনলাইন মিটিং শুরু হলো। উর্মি একে একে মডেল ডেকে যাচ্ছে। আধ ঘন্টার মাঝেই মিটিং শেষ। ক্লাইন্ড এর হাফ ভাব দেখে যা মনে হলো তাঁরা বেশ খুশি। সৌমেন কে অনেক টাই রিফ্রেশ দেখাচ্ছে। তবে উর্মি আবার ব্যস্ত। সে কালকের জন্য সিডিউল তৈরি করছে। মাইশার চোখ টা তখন উজ্জ্বল। সে শতভাগ নিশ্চিত হয়ে বলল--
" দেখে নিবেন স্যার আজকের সেশন টা সফল হবেই। ওনাদের চোখ মুখ দেখেই বুঝে ফেলেছি আমি। "
" এতো নিশ্চিত হইয়ো না। লাস্ট সেশন এর কথা মনে আছে তো? "
মাইশার মুখ টা মলিন হলো। গত বারের সেশন টা খুব ভালো ছিলো। তবু ও বিফল হয়েছে। সৌমেন এর মতে অন্য কোম্পানি থেকে কারসাজি করা হয়েছে।
" উর্মি কে পাঠাও। আমি সিডিউল চেইক করবো। "
" ওকে স্যার। "
মিনিটের মাঝেই উর্মি উপস্থিত। সৌমেন ক্লান্ত দেহ টা এলিয়ে বসলো। চোখের ইশারায় বসতে বললো উর্মি কে। উর্মি কে চিন্তিত দেখাচ্ছে। মাথা টা উঁচু করে সৌমেন বলল--
" তোমার কাজ ভালোই ছিলো। তবে সব থেকে বেশি যেটা ছিলো সেটা হচ্ছে আগ্রহ। আমি খুব ই খুশি তোমার উপর।"
" ধন্যবাদ স্যার। "
" ডিনার করতে পারো নি নিশ্চয়ই? "
" না মানে বসে ছিলাম মাত্র। তখনি কল আসলো। আর ঝটপট তৈরি হয়ে এসে গেছি। "
" হুম বুঝেছি। এখন ফ্রি টাইম আছে। ডিনার করে যাবে। "
" না না সমস্যা নেই। আমি বাসায় গিয়েই করবো। "
" ইটস অর্ডার। "
নুইয়ে গেল উর্মি। সকলের জন্য ই ডিনার আনা হয়েছে। অল্প করে খাচ্ছে উর্মি। অথচ ওর ই অপর প্রান্তে বসে গপ গপ করে খেয়ে চলেছে সৌমেন। এতো টাই ক্ষুধার্ত! বয়সের কিংবা অন্য কোনো কাজের এক টা রেখা নেই মুখে। এই ত্রিশ বছর বয়সেও কতো টা সতেজ।
চলবে....
কলমে ~ ফাতেমা তুজ
05/07/2022
#অবশেষে_তোমাকে_পাওয়া
#পর্ব_তেরো
#তারা ইসলাম
---------------------------------------------------------------------
দেখো ভালো হবে যদি তুমি রুদ্রর জীবন থেকে চলে যাও।আমি রুদ্রকে ভালোবাসি আর রুদ্রও আমাকে ভালোবাসে!
"সামনে বসা অতী-সুন্দরী রমণীটার কথা শুনে মৃদু হেসে বললাম- দুঃখিত আপু!আমি না রুদ্রর জীবন থেকে যাচ্ছি"না উনি আমাকে যেতে দিবেন।তাই আমাকে অহেতুক কথা বলে কোনো লাফ আপনার হবে না।
"মেয়েটা আমার কথা শুনে রেগে বললেন- রুদ্র শুধু আমাকেই ভালোবাসে।ওতো ভালো মনের মানুষ তাই তোমাকে ডি*ভো'র্স দিয়ে তোমার জীবনটা ন*ষ্ট করতে চাচ্ছে না।কিন্তু প্লিজ তুমি ওর জীবন থেকে সরে যাও!আর আমাদের দুইজনকে মুক্তি দাও।
"উনার কথায় এবার রাগে সারা-শরীর আমার রি-রি করতে লাগলো তাই এক-প্রকার রেগেই বললাম- আপু আপনার মাথা ঠিক আছে?আপনি আমার হাসবেন্ডের নামে যা-তা বলবেন আর আমি বিশ্বাস করে নিবো?স্যরি আপু ওতটুক বোকা আমি নয়।আর শুনেন আমরা একে-ওপরকে প্রচণ্ড ভালোবাসি তাই আপনি আমাদের মাঝে না আসলে ভালো হবে।বলেই আমি ভার্সিটি থেকে বের হয়ে আসলাম।মারিয়া অসুস্থ তাই সে আসতে পারে'নি আমি একাই এসেছি।
"নূর চলে যেতেই ফারিয়া সে দিকে রা*গি চোখে তাকালো আর মনে মনে বললো- অনেক বড় ভুল করেছো মেয়ে!আমি তোমাকে শান্ত ভাবে বুঝাতে চেয়েছিলাম কিন্তু তুমি নিজের বিপদ নিজে ডেকে আনলে।
-----------------------------
কি সমস্যা কথা বলছো না কেন?আর এভাবে কান্না করার মানে কি বলবে?
"রুদ্রর কথা শুনে উনার দিকে ছলছল চোখে তাকালাম আর মুখ কালো করে বললাম- আপনার পিছনে যে এত আশিকা আছে আমার জানা ছিলো না।
"উনি ভ্রু কুঁচকে বললেন- আশিকা মানে?
"আমি বিরক্তি নিয়ে বললাম- ছেলে মানে আশিক,আর মেয়ে মানে আশিকা।
"আমার কথা শুনে উনি কয়েক-সেকেন্ড আমার দিকে তাকালেন তারপর হু-হা করে হেসে উঠলেন আর বললেন- এসব অদ্ভুত কথা শুধু তুমিই বলতে পারো।বলেই হাসতে লাগলেন।
"উনার হাসি দেখে বিরক্ত লাগলো আমি ম'রি আমার জ্বালায়!আর উনি আছেন হাসির তালে তাই এক-প্রকার রেগেই বললাম- একদম হাসবেন না।আমার মুটেও ভালো লাগছে না আপনার হাসি।
"উনি আমার গাল টেনে দিয়ে বললেন- ভী'তুরানীর আজকে আবার কি হলো?
"আমি নাক ফুলিয়ে সকালের সব ঘটনা উনাকে খুলে বললাম।
"আমার কথা শুনে উনার চো'য়াল শ*ক্ত হয়ে এলো তারপর রাগ নিয়ে বললো- মেয়েটার কথা আবার বিশ্বাস করে নিয়েছো নাকি?
"আমি বিরক্তি নিয়ে বললাম- দূর বিশ্বাস করতে যাবো কেন?কিন্তু মেয়েটা আপনাকে মনে হয় আসলেই ভালোবাসে,তাই আমার খারাপ লাগছে ইচ্ছা হচ্ছে মেয়েটার মাথা ফাটিয়ে দিতে আর কাউকে পাই'নি একজন বিয়াইত্তা ব্যাটাকেই পেলো"বলেই মন খারাপ করলাম!
"আমার কথা শুনে উনি উচ্চস্বরে হেসে উঠলেন আর বললেন- অহহহ আচ্ছা মিসেসের তাহলে এই জন্যই রাগ হয়েছে।আরে বাবা কাউকে ভালোবাসা তো পাপ না সে ভালোবাসতেই পারে তাতে সমস্যা কি আমি শুধু তোমাকেই ভালোবাসি।
"উনার কথা শুনেও আমি মুখ কালো করে বললাম- দাদি ঠিকি বলেছেন সুন্দর জামাই পে'লে কপাল ঝাল'পালা হয়।তাই তাড়াতাড়ি বা*চ্চা নিয়ে পেলাই উত্তম।
"উনি আমার কথা শুনে আমার পাশে বসে,আমার একহাত উনার হাতের মাঝে নিয়ে বললেন- আরে বোকা মেয়ে দাদি তো এমনে মজা করেই বলেছে কথা গুলা।আর শুনো বা*চ্ছা আল্লাহ যখন দেন আমার তাতে কোনো সমস্যা নেই।তারপর আমার হাত উনার বুকে রেখে বললেন- এই হৃদয়ে শুধু তোমার বসবাস নূর।
"আমি কিছু না বলে উনাকে শ*ক্ত করে জড়িয়ে ধরে বসে রইলাম।আচ্ছা এত ভালোবাসা,এত সুখ,আমার কপালে সই'বে তো।
~~~~~~~~~~~~~~~~~
রেয়ান চৌধুরি বসে বসে ল্যাপটপে কাজ করছে।কিন্তু তার মন শুধু নূরময়ীর মধ্যে।আর তার চোখের সামনে ভেসে উঠছে নূর আর রুদ্রর জড়িয়ে ধরে থাকার দৃর্শ্যটি।সেদিন সে কোনো কাজের জন্য গাড়ি নিয়ে বের হয়েছিলো কিন্তু মাঝ-রাস্তায় রুদ্র আর নূরকে জড়িয়ে ধরে আনন্দ করতে দেখে তার মন একদম বি*ষে গিয়েছিলো।মনে মনে সে রুদ্র হিং'সা করতে লেগেছিলো
কিন্তু পরে নিজেকে সামলে নিলো।তারা হাসবেন্ড,ওয়াইফ পবিএ বন্ধনে আবদ্ধ আছে তাই হয়তো একে-অপরকে ভালোবেসে ফেলেছে।এসব স্বাভাবিক"কিন্তু তাও রেয়ানের মন মানছে না বার বার নূরময়ীকে নিজের করে রাখতে ইচ্ছে হচ্ছে।কিন্তু সেটা তার চরিএ এর সাথে যাবে না।এসব ভাবতেই রেয়ানের ফোন বেজে উঠলো।রেয়ান তাকিয়ে দেখলো তার বাবার সে প্রিয় পুরণো বন্ধু।আহান চৌধুরি"উনিই সে যে তাদের অসহায় অবস্থায় সাহায্য করেছিলেন।তাই'তো এত গুলা বছর চলে যাওয়ার পরও রেয়ান উনার খুঁজ-খবর নেন।
"রেয়ান ফোন রিসিভ করে সালাম দিলো তারপর খুঁজ কবর নিতে লাগলো।
"ফোনের ওপাশে থাকা আহান চৌধুরি সালামের জবাব দিয়ে কিছুক্ষণ নরমাল কথা বলে বললেন- মাই বা*চ্ছা আমি দেশে ফিরছি কাল!তো আমাকে নিতে আসবে না।
"রেয়ান হেসে বললো- বাবাই(ছোট বেলা থেকেই রেয়ান উনাকে বাবাই বলে সম্মোধন করে) তুমি আসবে আর আমি নিতে যাবো না তা'কি করে হয়।
"আহান চৌধুরি বললেন- আমি দশ'টার মধ্যে পোঁছে যাবো।
"রেয়ান বললো- ঠিক আছে বাবাই।
"তারপর তারা কিছুক্ষণ কথা বলে ফোন রেখে দিলো।রেয়ান আজকে ভীষণ খুশি তার বাবাই ফিরছে ফারিয়া শুনলে একদম খুশিতে লাফালাফি শুরু করে দিবে।ভেবেই মুচকি হাসলো
~~~~~~~~~~~~~~~~~~
আপনাকে সারপ্রাইজ দিতে গিয়ে যে আমি নিজেই সারপ্রাইজ হয়ে যাবো তা কখনো আমি ভাবি'নি রুদ্র!কাঁপতে কাঁপতে কথা গুলা বললাম উনাকে।
"উনি সোফায় বসে আমার দিকে এক মনে তাকিয়ে আছেন।
"আমি ভাঙ্গা গলায় বললাম- আপনি এত গুলা'দিন পরিবারের সবাইকে ঠকিয়েছেন,সাথে আমাকেও,আপনি কেন এমন করলেন বলতে পারেন?
"উনি এবার রেগে বসা থেকে উঠে আমার সামনা-সামনি এসে বললেন- মুখ সামলে কথা বলো নূর।না বুঝে না জেনে আজে-বাজে বকবে না।আমার প্রফেশন টা আমার ইচ্ছা হলে সবাই কে বলবো!ইচ্ছা না হলে বলবো না সেটা একান্ত আমার ব্যাপার।
~কিছুক্ষন আগে~
~ উনার সাথে আমার দুইদিন ধরে দেখা না হওয়ায় উনাকে প্রচুর মিস করছিলাম।উনি কাজের জন্য নাকি উনার বাবার বাড়িতে যেতে পারেন'নি।তাই আমি ভাবলাম উনাকে সারপ্রাইজ দিলে কেমন হয়।তাই উনাদের গাড়ি নিয়েই সকাল সকাল আমি বেড়িয়ে পরলাম উনার সে ফ্ল্যাটের দিকে।ওই ফ্ল্যাটের একটা চাবি আমার কাছে উনি রেখেছেন,যাতে উনি না থাকায় আমার সে ফ্ল্যাটে আসা যাওয়ায় সমস্যা যেন না হয় তাই।কিন্তু আমি খুশি মনে ফ্ল্যাটে ডুকতেই থমকে গেলাম।উনি পুলিশের পোশাক পরা,আর উনার সাথে আরও চার-পাঁচ জন পুলিশের পোশাক পরে সোফায় বসে উনার সাথে কি যেন কেসের কথা বলছেন।আর সব চাই'তে বড় কথা সেখানে থাকা একটা ছেলে উনাকে সম্মোধন করে বললেন- রুদ্র স্যার এই রাসেলের কেসটা আপনি সমাধান করার চেষ্টা করেন দেখবেন ইনশা-আল্লাহ সমাধান পেয়ে যাবেন।আর ব্যাটাকে ধরতেও পারবেন।
"উনি ওই ছেলেটাকে কিছু বলতে যাবেন তার আগেই হুট করে উনার দৃষ্টি আমার দিকে পরলো।আর সাথে সাথেই উনি চমকে উঠলেন।আর উনার চমকানো দেখে সবাই আমার দিকে তাকালো।আর তাকাতেই ভ্রু কুঁচকে ফেললেন।
"রুদ্র বসা থেকে উঠে দাঁড়িয়ে বললেন- তোমাদের সাথে থানায় গিয়ে এই নিয়ে আলোচনা হবে,এখন আসতে পারো।উনার কথায় সবাই বের হয়ে গেলেন।
~ বর্তমান ~
"আমি সোফায় বসে বসে কান্না করছি আর সব হিসাব মিলানোর চেষ্টা করছি।উনি পুলিশ হিসেবেই হয়তো উনার কাছে পি*স্ত*ল টা ছিলো।
"উনি আমার সামনে দাঁড়িয়ে আছেন!আর রাগি চোখে তাকিয়ে বললেন- নূর কান্না বন্ধ করো!বিশ্বাস করো আমার এসব একদম ভালো লাগছে না"তোমাকে এখানে কে আসতে বলেছে?আর এসেছো আমাকে বলে আসবা না?
"আমি কিছু না বলে নিজের ভয় কাটানোর চেষ্টা করলাম।মনে মনে নিজেকে শাসিয়ে বললাম- নূর তুই কি ন্যাকামো শুরু করেছিস।বা*চ্চা তুই এত কেন ভয় পাস!সে পুলিশ হলেও তোর হাসবেন্ড!নিজেকে নিজে আরও কিছুক্ষণ বকে শান্ত হলাম।তারপর উনার দিকে তাকিয়ে বললাম- আপনি বললেন না কেন আপনি পুলিশ?
"উনি রেগে বললেন- নূর সেটা বলতেও আমি ইচ্ছুক নই!শুধু এতটুকু যেনে রাখো আমি চাই'না আমার কারণে পরিবারের কেউ সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাক।
"আমি কিছু না বলে উঠে দাঁড়ালাম এক-প্রকার অভিমান নিয়ে বললাম- আমি ওই বাড়ি ফিরে যাচ্ছি আপনি এখানেই থাকবেন!খবরদার আমার শশুড় বাবার বাড়িতে একদম যাবেন না।আপনি মিথ্যা বলে এসেছেন এতদিন ধরে সেখানে যাওয়ার আপনার কোনো অধিকার নেই।আমি বাড়িতে গিয়ে সবাইকে আপনার সত্যটা বলে দিবো।
"আমার কথায় উনি মৃদু হাসলেন তারপর বললেন- ঠিক আছে যাও সমস্যা নেই।যদি আমি ওই বাসায় এক্কিবারের জন্য না ফি'রি তখন আবার কেঁদে কেটে জ্ঞান হারিও না।আরে যাও যাও বলে দিও সবাইকে আমার জন্য আরও ভালো হবে!যে কথাটা আমি বলতে চেয়েও পারি'নি সেটা তুমি বলে দিয়ে আমার উপকার করে দাও।
"উনার কথা শুনে রেগে আমি আবার সোফায় বসে পরলাম।উনি হেসে আমার পাশে বসে আমার কাধে মাথা এলিয়ে দিয়ে বললেন- নূর কিছু কিছু কথা আমি একান্ত রাখতে পছন্দ করি!আশা করি এতে তোমার কোনো সমস্যা হবে না?
"আমি কিছু না বলে চুপ-চাপ বসে রইলাম।
"উনি দুষ্টুমি হেসে বললেন- বসে আছো কেন?তুমি না চলে যাবে বলেছিলে?
"আমি রেগে বললাম- যাবো না আমি।
"উনি এবার হেসে বললেন- তাহলে থাকো সমস্যা কি?আমার এখন উঠতে হবে থানায় যেতে হবে।তুমি রাতের ডিনার রেডি করে রাখিও যদি না পারো খাবার অর্ডার করে নিবো সমস্যা নেই।
"আমি বললাম- খাবার অর্ডার করতে হবে না আমি রান্না করতে পারবো।আর কখন ফিরবেন?
"উনি উঠে দাঁড়িয়ে আমার ঠোঁটে নিজের ঠোঁট ছুঁয়ে দিয়ে বললেন- রাত হবে একটু তবে আমি তাড়াতাড়ি ফেরার চেষ্টা করবো।
"আচমকা উনার এমন কাজে অবাক হলেও মুচকি হেসে বললাম- আমি অপেক্ষায় থাকবো....
-------------------------------------
(চলবে)
(ভুল ক্রুটি ক্ষমা করবেন।আর ভুল গুলা ধরিয়ে দিবেন)
(আজকে আর পর্ব দেওয়ার কথা ছিলো না কিন্তু সময় পেয়ে যাওয়ায় লিখতে বসে গিয়েছিলাম।তাই আপনাদের আর অপেক্ষা না করিয়ে পর্বটা দিয়েই দিলাম।পরের পর্ব ইন-শা-আল্লাহ শনিবারে আসবে।এখন থেকে আস্তে আস্তে সব রহস্যের ঝট আমি খুলবো।একটু ধের্য্য সহ্যকারে পড়ুন।আর অনেকের কাছে হয়তো রুদ্র আর নূরের ভালোবাসা গুলা ন্যাকামো লাগছে তার জন্য আমি দুঃখিত।তবে সামনের পর্ব গুলার জন্য অপেক্ষা করুন ইন-শা-আল্লাহ আপনাদের নিরাষ করবো না)
30/06/2022
#অবশেষে_তোমাকে_পাওয়া(স্পেশাল পর্ব-চার)
#পর্ব_বারো
#তারা ইসলাম
----------------------------------------------------------------
রাত তখন কয়'টা বাজে জানা নেই।আমি আপাতত উনার হাতে একটা শক্ত চ*ড় খেয়ে তপদা মে'রে ফ্লোরে বসে বসে কান্না করছি।উনি আমাকে অনেক সময় ধমকালেও কখনো গায়ে হাত ধুলেন'নি!কিন্তু আজ হুট করে এভাবে চ*ড় মা'রায় আমি তাজ্জব বনে গেলাম।তারপর এক-প্রকার ফ্লোরে বসে কান্না করে দিলাম।উনি আমার পাশেই বসে নিরবতা পালন করছেন।
~ নিরবতা ভেঙ্গে উনি কঠোর কন্ঠে বললেন- ধের্য্য নেই তোমার নূর?তুমি এত অধের্য্য কেন বলবে আমায়?একটুও কি বুদ্ধিশুদ্ধি নেই তোমার?আমি যে এত তোমার কেয়ার করি"তোমার না বলা কথা গুলা বুঝে যায়।তোমাকে এত স্নেহ করি এইগুলা কেন করি?শুধুমাত্র বউ হিসেবে?কিছুদিন যাবত যে আমি তোমার সাথে অন্য-রকম বিহেভ করছি তাতে কি তুমি বুঝতে পারছো না কিছু?নাকি বুঝেও না বুঝার বান করছো?
"আমি এবার কান্না করতে করতে বললাম- গতরাতেও তো বললেন আপনি আমাকে ভালোবাসে না?
"উনি এবার রেগে আমার মুখ চেপে ধরে বললেন- সে আমার মুখের কথা নিয়েই ম'র তুই।বলেছিলাম তো?মুখে বললেই সব হয়'নাকি তোকে যে আমি ভালোবেসে ফেলেছি সেটা আমার মুখে বলা লাগবে কেন?তারপর আবার চিল্লিয়ে উঠে বললেন- বল কেন লাগবে?তুই বুঝে নিস'নি কেন?বলেই আমার মুখ থেকে হাত সরিয়ে নিলেন।
"আমি এবার কান্না বন্ধ করে উনার দিকে এক-মনে তাকালাম।আর ভাবতে লাগলাম- উনি কি বললেন আমাকে ভালোবাসেন?
আমি উনাকে কান্নারত গলায় বললাম- আপনি আমার সাথে মজা করছেন তাইনা?আপনি যদি ভালোবাসেন তাহলে কাল ওমন বলেছিলেন কেন?
"উনি আমার কথা শুনে রেগে উনার চুল টেনে ধরে বললেন- আল্লাহ তোর মতো একটা গা*ধা*কেই কেন আমার কপালে রেখেছেন কে জানে?তারপর নিজেকে শান্ত করে বললেন- দেখো কালকে চাইলেই আমি তোমাকে আমার মনের সব কথা বলে দিতে পারতাম।কিন্তু বলি'নি কারণ আমি তোমাকে সারপ্রাইজ করতে চেয়েছিলাম।তাই তো এত আয়োজন তুমি কি ভেবেছো এমনে এমনে তোমাকে এখানে আ'না?না একদমই না আমি তোমাকে আমার মনের সব অনুভূতি বুঝানোর জন্যই এখানে এনেছি।এ'জে হাসবেন্ড হিসেবে তোমাকে প্রপোজ করার জন্যই এনেছিলাম।
"কিন্তু তুমি....বলেই উনি থেমে আবার বললেন- বিয়ের পর পর তোমার সাথে থাকতে থাকতে আমি তোমার মায়ায় পরে গিয়েছিলাম।তোমার প্রতি আমি আর্কষণ অনূভব করতাম।আমার বউ হিসেবে যেমন মেয়ে চেয়েছিলাম তার ঠিক উল্টো তুমি!কিন্তু তাও অন্যরকম অনুভূতি হতো তোমার প্রতি।তুমি বার বার আমার সামনে এলোমেলো অবস্থায় আসায় আমি নিজেকে কন্ট্রোল করতে না পেরেই তোমার মাঝে ডুব দিতাম।কিন্তু এমন না যে তোমাকে আমি অপছন্দ করতাম।বিয়ের আগেও কিন্তু আমি তোমাকে পছন্দ করতাম! কিন্তু তোমার চঞ্চলতা দেখে আমি বিরক্ত হতাম।না হলে তুমি আমার জন্য পারফেক্ট ছিলে নূর।আমি প্রথমে তোমার প্রতি থাকা অনুভূতি গুলাকে পাত্তা দিই'নি।কিন্তু ওইদিন মনে আছে বাসায় ছিলাম না।সেদিন তোমাকে আমি প্রচুর মিস করেছিলাম যাকে বলে বাড়াবাড়ি মিস।আমি কোনো ভাবেই নিজের কাজে মন দিতে পারছিলাম বার বার তোমার চেহেরা আমার চোখের সামনে ভেসে উঠতো।আস্তে আস্তে বুঝতে পারতাম আমি কাজকাতুরে থেকে নূরকাতুরে হয়ে যাচ্ছি।তাই সেদিন তোমার কান্না দেখেও ওমন বিহেভ করেছিলাম।
তারপর আমার হাত দুটো উনার হাতের মাঝে নিয়ে বললেন- নূর আমি তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছি।!আর ভালোবাসি!কিন্তু তুমি কি করলে বলেই রেগে আমার হাত ছেড়ে দিলেন।
"আমি উনার সব কথা শুনে কিছুক্ষণ থমকে বসে রইলাম।তারপর যখন বুঝতে পারলাম উনি শুধুই আমাকেই ভালোবাসেন তখন আমি শব্দ করে কেঁদে উঠলাম।কাঁদতে কাঁদতে আমার অবস্থা খারাপ হয়ে যাচ্ছিলো।
"আমার কান্না দেখে উনি বসা থেকে উঠে দাঁড়ালেন বুঝতে পারলাম উনি রুম ত্যাগ করতে যাচ্ছেন।তার আগেই আমি দৌড়ে উঠে উনার সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম।
"উনি রেগে আমার অন্য-পাশ দিয়ে চলে যেতে নিলেই আমি উনার বুকে ঝাঁপিয়ে পরে উনার গলা জড়িয়ে ধরে কেঁদে কেঁদে বললাম- মির্জা সাহেব আমিও আপনাকে ভালোবাসি।
"উনি আমার হাত ছুটাতে চেষ্টা করলেন।কিন্তু আমি আরও শক্ত করে উনাকে জড়িয়ে ধরে রইলাম।উনার আর আমার মাঝে এক-প্রকার ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে গেলো।যখন দেখলেন উনার শক্তি দিয়েও আমাকে সরাতে পারছেন না উনার বুক থেকে,তখন উনি শান্ত হয়ে গেলেন তবে আমাকে জড়িয়ে ধরলেন না।
"আমি এবার কান্না বন্ধ করে বললাম- স্যরি আমি কি জানতাম নাকি আপনি আমাকে ভালোবাসেন?
"উনি বললেন- মুখে বলতে হবে কেন?
"আমি এবার আদুরে গলায় বললাম- আমাকে এক'শত বার বলতে হবে নাহলে আমি বুঝবো না।
"উনি বিরক্তি নিয়ে বললেন- ন্যাকামো করো না আর ছাড়ো আমায়!তুমি এই রুমে থাকো আমি ওইরুমে থাকবো।
"আমি বললাম- আপনি না বলেছেন আজকে কোনো ছাড়াছাড়ি নেই?
"উনি একটু অভিমানি গলায় বললাম- বলেছিলাম তো কিন্তু বউ তো আমার উল্টো বুঝলো।সে তো আর আমাকে তার কাছে চাই'না।
"আমি লাজ্জুক গলায় বললাম- কে বলেছে সে চাই'না।
"উনি এবার হুট করে আমার কোমড় জড়িয়ে ধরে বললেন- চাই নাকি?
"আমি লাজ্জুক হেসে বললাম- হুম
"উনি আমাকে বললেন- এত যে মুখে মুখে তর্ক করছো ভয় লাগে না?
"আমি বললাম- ভালোবাসি তো।
"উনি আমাকে সোজা ভাবে দাঁড় করালেন তারপর উনি হাটু গেড়ে বসে আমার দুইহাত উনার হাতের মাঝে নিয়ে বললেন- মিসেস নূর জামান আমি তোমাকে ভালোবাসি।কখনো আমার মনে আ'ঘা'ত করো না।
আর আমাকে ছেড়ে যাবে না আমার বাকি জীবনটা নূরময় করে দিবে প্রমিস করো?
"উনার বা*চ্চা*মো কথা শুনে হেসে উনাকে সেভাবেই জড়িয়ে ধরে বললাম- আমিও আপনাকে ভালোবাসি মির্জা সাহেব।আমি সারাজীবন আপনার সাথেই কাটাতে চাই।মৃ*ত্যু ছা'ড়া কখনো আপনাকে ছে'ড়ে যাবো না প্রমিস।
"সে রাত'টা আমাদের একান্ত ভালোবাসাময় ছিলো।যেখানে শুধুমাত্র ভালোবাসা ছিলো।
~~~~~~~~~~~~~~~~
দেখতে দেখতে কে'টে গেছে আরও একমাস।এই একমাস ছিলো আমার জীবনের সেরা-মাস।উনার আর আমার সম্পর্কটা অনেকটাই গাঢ় হয়েছে।কখনো বা ঝগড়া,কখনো বা মান-অভিমান,কখনো আবার ভালোবেসে এক।আমার আর মারিয়ার ২য় বর্ষের টেস্ট এক্সামটা সবেমাত্র শেষ হলো।কিন্তু এই একমাসে আমি আর মারিয়া ছিলাম জেলখানার মতো।কারণ আমাদের সাথে থাকতো প্রায় আমান ভাইয়ার ঠিক করা বডিগার্ড। সোজা ভার্সিটি টু বাসা!আর আশ-পাশ দেখার ও সুযোগ আমরা পাই'নি তবে ভালোই কাটছে দিন।
"এক্সাম শেষ হওয়ায় অনেকদিন বন্ধ থাকবে ভার্সিটি।তাই রুদ্র ঠিক করেছেন যে ক'দিন ভার্সিটি বন্ধ থাকবে সে'কদিন উনার সে ফ্ল্যাটেই থাকবো আমি।কারণ উনার বাবার বাসা থেকে উনার কাজে যেতে অনেক সমস্যা হয়।বাড়ির সবাই রাজি তাই আমিও একবার বাধ্য হয়ে রাজি হয়ে গেলাম।তবে তার মধ্যে একটা গুড-নিউজ হলো মারিয়া প্রেগন্যান্ট যাতে করে বাসার সবাই খুশি।দাদি তো এক-প্রকার লাফালাফি শুরু করে দিয়েছেন।কিন্তু যদি কেউ বেশি খুশি হয়ে তাকে সেটা হলো আমান ভাইয়া।
~~~~~~~~~~
ভাইয়া দুইমাস তো চেষ্টা করলাম তোমার কথায় রুদ্রকে ভুলতে তবে পারলাম কই।
"রেয়ান চৌধুরি বললো- আমি অনেক চেষ্টা করেছি ওদের আলাদা করতে কিন্তু এখন তারা বিয়েটাকে স্বাভাবিক ভাবে নিয়েই সংসার করছে।তাই আমি ভাই হিসেবে তোকে একটা কথায় বলবো মুভ অন কর সব ভুলে যা।বলেই রেয়ান ফারিয়ার রুম ত্যাগ করলো।
"ফারিয়া কাদঁতে কাঁদতে নিচে বসে পরলো।আর মনে মনে বললো- ভাইয়া তুমি আমার জন্য অনেক করেছো কিন্তু এবার আর না যা করার আমিই করবো।রুদ্র হলে আমার হবে না হলে কারোর হবে না।আমি ওই মেয়েটাকে দরকার পরলে শেষ করে দিবো তাও আমার রুদ্রকে চাই চাই বলেই জোরে জোরে কাঁদতে লাগলো
~~~~~~~~~~~~~~~~
ম্যাডাম আমান মির্জা বহুত চা'লাক আছে।ব্যা'টা এহন তার বউ'রে বডিগার্ড দিয়া বাঁ'চা'য় বাঁ'চা'য় রাখিতেছে।আমরা কোনো ভাবেই তার বউ'রে তু'লে আ'নতে পারিতেছি না।
"শায়লা খাতুন রাসেলের দিকে রাগি চোখে তাকিয়ে বললেন- আমি কিছু শুনতে চাই'না যেভাবে পারিস সেভাবেই মেয়েটাকে তুলে আন'বি।একদিন না একদিন তার ভুল হবেই হবে।
"রাসেল বললো- ম্যাডাম আরেক'টা খবর আপনের মেয়ের লগে যার বিয়া হইছে তার খবর ভালা কইরা যাইন্না আইছি।
"শায়লা খাতুন বললেন- ওর কোনো খবর আমি এখন জানতে চাইনা।আমার মেয়ে ভালো থাক সেটাই আমি চাই।ওর পিছনে আর লোক লাগাবি না ও ভালো থাকলেই হলো।
"রাসেল কিছু একটা বলতে চেয়ে আর বললো না।
"কিন্তু শায়লা খাতুন তাচ্ছিল্য হেসে বললেন- আহান চৌধুরি নাকি দেশে ফিরছেন।খেয়াল রাখবি আমার মেয়ের খুঁজ যেনো সে না পাই।
"রাসেল বললো- আপনি যা বলেন ম্যাডাম।
"শায়লা খাতুনের চোখ থেকে টপ'টপ করে পানি পরছে।আহা পুরণোদিন গুলা কতই না সুন্দর ছিলো!ভেবেই দীর্ঘশ্বাস ফেললেন।
~~~~~~~~~~~~~~~~~
রাত তখন এগারো'টার কাছাকাছি আমি আর উনি উনার সে ফ্ল্যাটেই আছি।খেয়ে-দেয়ে অনেক আগেই ঘুমাতে এসেছি।কিন্তু আমি এইপাশ-ওইপাশ করছি তবে ঘুম আসছে না।আর উনি চোখে গ্লাস চশমা দিয়ে ফাইল দেখায় ব্যস্ত।
"আমাকে এমন করতে দেখে উনি আমার দিকে তাকিয়ে বললেন- কি সমস্যা ঘুমাচ্ছো না কেন?
"আমি এবার শুয়া থেকে উঠে বসলাম আর বিরক্তি নিয়ে বললাম- আমার ঘুম আসছে না।
"উনি শান্ত গলায় বললেন- চোখ বন্ধ করে ঘুমানোর চেষ্টা করো।
"আমি বললাম- আপনি সহ্য আসুন'না।
"উনি এবার হালকা রাগ দেখিয়ে বললেন- নূর!বা*চ্চা*মো করবে না।দেখছো না আমি কাজ করছি! আর ঘুমাও একদম বিরক্ত করবা না আমায়।
"উনার কথায় আমার মন খারাপ হলো তাই অভিমান করেই আবার শুয়ে পরলাম।শুয়ে পরতেই উনার কথা গুলা মনে করে শব্দ ছাড়া কাঁদতে লাগলাম।
"তবে কিছুক্ষণ পর উনি আমাকে এক হাতে জড়িয়ে ধরে বললেন- কিছু বলা যাবে না ঢং ওমনি কান্না করে দিবে।বা*চ্চা না তুমি!একদম প্যাচ প্যাচ করে কাঁদবা না।
"আমি ঝাড়া দিয়ে উনার হাত সরিয়ে বললাম- একদম আমাকে ছুবেন না!আপনি আপনার কাজ করুন।
"উনি এবার আমাকে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরে বললেন- আচ্ছা স্যরি বাবা!তুমি ঘুমাও তারপর আমি কাজ করবো।
"উনার কথা শুনে আমি উনার দিকে ফিরে উনাকে জড়িয়ে ধরে বললাম- ভালোভাবে বললে তো আপনি কাছে আসবেন না।যে না কান্না করলাম ওমনি চলে আসলেন বলে খিলখিল করে হেসে উঠলাম।
"উনিও আমাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বললেন- তুমি না এখন কান্না করলে আবার এখন হাসছো।এক ন্যাকা বউ পেয়েছি আমি বলেই উনিও হেসে উঠলেন।
"আমি হাসলাম তবে কিছু বললাম না।
"রুদ্রকে জড়িয়ে ধরে এক-সময় নূর ঘুমিয়ে পরলো।সে ঘুমাতেই রুদ্র ওকে ভালোভাবে শুয়ে দিয়ে আবার কাজে লেগে পরলো।
"সে মনে মনে ঠিক করলো~ থানায় যাওয়ার সময় সে সিভিল ড্রেসে যাবে আর ইউনিফর্মটা প্যাকেট করে দিয়ে যাবে।সেখানে গিয়ে না-হয় চেঞ্জ করে নিবে।এতে করে নূর কিছু বুঝতে পারবে না।মেয়েটা এমনেও আলাভোলা বোকা ভেবেই মনে মনেই হাসলো।
~~~~~~~~~~~~~~~
(চলবে)
(ভুল ক্রুটি ক্ষমা করবেন।ভুল গুলা ধরিয়ে দিবেন)
(আপনাদের একটা কথা বলে রাখি- আজকে আর কোনো পর্ব আসবে না।একটু ব্যস্ত থাকবো লেখার সময় পাবো না।কিন্তু কালকে একটাও পর্ব আসবে না।কারণ কালকেই সবে-কদর তাই সে-দিন-রাতটুকু আমি একান্ত রব্বুল আলামীনের সাথেই কাটাতে চাই।তাই এক্কিবারেই গল্প লিখতে পারবোনা।তবে ইনশা-আল্লাহ শনিবার থেকে আবারও দুই পর্ব করে দিবো।সবাই ভালো থাকবেন)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
Barishal
Dhaka
8400
