Back To Nature

Back To Nature

Share

প্রকৃতিতেই সেফা�

31/05/2024

আর্ক তুলসি জুসের উপকারিতা:

১।কফ নিরাময়, কৃমিনাশক, বায়ুনাশক, হজমকারক
ও শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা নিরাময়কারী ।
২।প্রস্রাবজনিত জ্বালা যন্ত্রনায় বিশেষ উপকারী।
৩।ভিটামিন সি ও এন্টি অক্সিডেন্ট নার্ভকে শান্ত করে
শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।
৪।ভাইরাস, ব্যাক্টেরিয়া ও ফাংগাস থেকে রক্ষা
করে ,মাথা ও শরীর ব্যথা কমায়।
৫।দাঁত এবং হাড়ের ভিতরের ব্যথা দূর করে এবং
পুরুষের বীর্য বৃদ্ধি করে।
৬।ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে।
৭।যকৃতের প্রদাহ,ওজন হ্রাস এবং রোগ প্রতিরোধ
করতে কার্য়করী।

28/05/2024

আর্ক হানি আমলার উপকারিতাঃ-

দাঁতের মাড়ির রোগ দূরীকরণেঃ

স্কার্ভি রোগটি দাঁতের একটি পরিচিত সমস্যা। এই রোগের মূল কারণ হলো শরীরে ভিটামিন 'সি' অভাব। স্কার্ভি রোগে দাঁতের মাড়ি থেকে রক্ত পড়তে পারে, মাড়িতে ঘা হয়, শরীর দুর্বল হয় এছাড়া আরো নানান সমস্যা দেখা দিতে পারে। এই সমস্যা প্রতিরোধে যদি প্রতিদিন ১ টি হানি আমলা খাওয়া হয়, তাহলে এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব কেন না আমলকীতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন 'সি'।

পেটের অম্লতা চিকিৎসায়ঃ

পেটের অম্লতার সমস্যা ভোগ করেন নি এমন লোক খুঁজে বের করা কঠিন। আমরা প্রায় সবাই এই রোগে আক্রান্ত হয়েছি। নিয়মিত হানি আমলা খেলে পেটের অম্লতা দূর হয়।

কোষ্ঠকাঠিন্য চিকিৎসায়ঃ

হানি আমলাতে সলিউবল ফাইবার থাকে। এটি শরীর থেকে টক্সিক উপাদান বের করে দিতে সাহায্য করে এবং হজমে সাহায্য করে। এর রস কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং জটিল রোগ থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে।

দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতেঃ

হানি আমলাতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ পাওয়া যায়। তাই দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এছাড়া চোখ লাল হওয়া, চুলকানো ও চোখ দিয়ে পানি পড়া রোধেও এটি বিশেষ ভূমিকা রাখে।

গলা ব্যথা এবং ঠান্ডা দূর করতেঃ

হানি আমলা দিনে ১-২ বার খেলে তা গলা ব্যথা এবং ঠান্ডা দূর করতে সাহায্য করে।

হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করতেঃ

উচ্চ কোলেস্টেরলের মাত্রা হৃদরোগের ঝুঁকিকে অনেক বৃদ্ধি করে দেয়।হানি আমলা খেলে তা খারাপ কোলেস্টেরল দূর করে ধমনীর ব্লক খুলে দিতে সাহায্য করে।

বহুমূত্র নিয়ন্ত্রণে হানি আমলাঃ

গবেষণায় দেখা গেছে যে, আমলকীতে পলিফেনল রয়েছে যা রক্তে অক্সিডেটিভ শর্করা থেকে শরীর রক্ষা করে। এটি শরীরে ইনসুলিন শুষে নিতে সাহায্য করে যা বহুমূত্র রোগের উপশম হিসেবে কাজ করে।

রক্ত পরিষ্কার করতেঃ

রক্ত পরিষ্কার করতে হানি আমলা বেশ কার্যকর। এর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান যা শরীর থেকে দূষিত পদার্থ দূর করে দেয়।

চুলের যত্নে ও খুশকির সমস্যা দূর করতেঃ

আমলা চুলের টনিক হিসেবে কাজ করে। চুলের যত্ন নেওয়ার জন্য এটি একটি অপরিহার্য উপাদান। হানি আমলা খেলে চুলের গোড়া শক্ত হয়, চুল দ্রুত বেড়ে ওঠে, চুলকে খুশকি মুক্ত ও কম বয়সে চুল পাকা রোধে হানি আমলা বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

27/05/2024

আস্সালামুয়ালাইকুম, চলুন জেনে নেই আর্ক বিটরুট মিক্স পাউডারের উপকারিতাঃ

১.উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য বিটরুট অনেক উপকারী। এতে রয়েছে নাইট্রেটস, যা রক্তনালী প্রসারিত করে ও রক্তচাপ কমিয়ে দেয়। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
২.বিটরুটে থাকা লুটেইন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চোখের সমস্যার ঝুঁকি কমায়। এতে রয়েছে ফাইটোকেমিক্যাল, যা চোখের স্বাস্থ্য এবং চারপাশের স্নায়ু টিস্যুগুলোর শক্তি বৃদ্ধি করে।
৩.এটি ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায় হজম ক্ষমতা উন্নত করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা প্রতিরোধ করে।
৪.বিটরুটে আছে টালাইন নামক প্রদাহ বিরোধী যৌগ, যা প্রদাহ সৃষ্টিকারী রোগকে নিয়ন্ত্রণ করে।
৫.এটি অন্ত্রে ভালো ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ বৃদ্ধি করে রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে।
৬.বিটরুটে থাকা আয়রন রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরি করে রক্তস্বল্পতার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
৭.বিটরুট মস্তিষ্কের রক্ত চলাচল বাড়িয়ে দেয় এবং মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
৮.কোলন ক্যানসার প্রতিরোধের জন্য আর্ক বিটরুট মিক্স কার্যকরী।
৯.পর্যাপ্ত পরিমাণে আর্ক বিটরুট মিক্স পাউডারের জুস খেলে শরীরের টক্সিন দূর হয় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
১০.রক্তে কোলেস্টেরল বেশি থাকলে আর্ক বিটরুট মিক্স পাউডারের জুস তা কমাতে সাহায্য করে।
১১.এতে বিটেইন থাকায় যকৃতে চর্বি জমতে দেয় না। খুব সহজেই শরীরকে ডিটক্সিফাই করে।
১২.আর্ক বিটরুট মিক্স পাউডার ত্বক সুন্দর রাখে এবং চেহারায় বার্ধক্যের ছাপ কমায়।

আর্ক বিটরুট মিক্স পাউডার সকলেরই গ্রহণ করা উচিত।তাই আর দেরি না করে এখনই অর্ডার করুন আর্ক বিটরুট মিক্স পাউডার।

26/05/2024

আপনি কি বিশেষ মূহুর্তে দুর্বল?‌‌
আপনার স্ত্রী কি আপনার উপর সন্তুষ্ট নয়?
অনেক চিকিৎসা করেও কোনো সমাধান পাচ্ছেন না?
আপনার জন্য রয়েছে সুখবর।
আর্ক প্রাইভেট লিমিটেড আপনার জন্য নিয়ে এসেছে আর্ক পঞ্চভূত মিক্স পাউডার।
যা আপনার স্নায়বিক দুর্বলতা দূর করবে।
শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি করবে।
দ্রুত পতন রোধ করবে।
টেস্টোস্টেরন হরমোন বাড়াতে সাহায্য করবে।
আর্ক পঞ্চভূত মিক্স পাউডার সেবনে আপনি পাবেন আপনার দাম্পত্য জীবনের সমস্যার স্থায়ী সমাধান।
একান্ত মুহূর্ত হবে আরও উপভোগ্য।
তাই আর দেরি না করে আমাদের ডক্টরের সাথে আলোচনা করে এখনই সেবন করুন আর্ক পঞ্চভূত মিক্স পাউডার।
বিদ্রঃ১০০% ক্ষতিকর কেমিক্যাল ও প্রিজারভেটিভ মুক্ত।
কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই।

24/05/2024

আপনি কি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত?
আপনার কি প্রতি নিয়তো ইনসুলিন/ঔষধ সেবন করতে হচ্ছে?
তাহলে আর দেরি না করে এখনই গ্রহণ করুন আর্ক মেথি মিক্স পাউডার।
আর্ক মেথি মিক্সে থাকা অ্যামিনো অ্যাসিড অগ্ন্যাশয়ে ইনসুলিন তৈরিতে সাহায্য করে। সমীক্ষায় দেখা গেছে, নিয়মিত ১০ গ্রাম মেথি মিক্স গরম পানিতে ভিজিয়ে রেখে সে পানি পান করলে টাইপ টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অনেকটাই কমে আসে।
যাদের ‘বডি ইনডেক্স’ বেশি ও খাবারে কম ক্যালরি গ্রহণের অনুশীলন করেন তাদের শর্করার মাত্রা বা ইন্সুলিন প্রতিরোধের জন্য আর্ক মেথি মিক্স ভেজানো পানি পানের পরামর্শ দেওয়া হয়।
চার থেকে ছয় মাস দৈনিক ১০ গ্রাম মেথি মিক্স খাওয়া এইচবিএ১সি এবং রক্তের শর্করার মাত্রা কমাতে সহায়তা করে।

‘ডায়াবেটিস অ্যান্ড মেটাবলিক ডিজঅর্ডার’ জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, খাদ্যাভ্যাসে দৈনিক ১০ গ্রাম মেথি মিক্স খাওয়ার মাধ্যমে ‘প্রিডায়াবেটিস’ হওয়া থেকে দূরে রাখতে পারে।

রক্তের শর্করার মাত্রা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। কারণ ভেষজ উপাদান ধীরে কাজ করে। এছাড়াও চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে মেথি মিক্স খাওয়া উচিত। কারণ ওষুধ ও খাদ্যাভ্যাসের মধ্যে সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ।”

তাই আর দেরি না করে আমাদের ডক্টরের সাথে আলোচনা করে ডায়াবেটিসের সমাধান পেতে এখনই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

03/05/2024

★আর্ক হ্যান্ড ওয়াশ ব্যবহারের কারন এবং সময়★
আপনাকে ও আপনার পরিবারকে অসুস্থ হওয়া থেকে রক্ষা করার সবচেয়ে উত্তম পদ্ধতিগুলোর অন্যতম হলো হাত ধোওয়া। সুস্থ থাকার জন্য আপনার কখন, কীভাবে হাত ধোওয়া উচিত তা জানুন।

যে সকল সময় আমাদের মাঝে জীবানু ছড়িয়ে পড়তে পারেঃ

১।অধৌত হাত দিয়ে আপনার চোখ, নাক, ও মুখ স্পর্শ
করেন।
২।অধৌত হাত দিয়ে খাবার ও পানীয় তৈরি করেন বা
খান/পান করেন।
৩।একটি দূষিত তল বা জিনিস স্পর্শ করেন
আপনার নাক ঝাড়েন, হাতে কাশেন বা হাঁচেন এবং
তারপর অন্য ব্যক্তির হাত বা সাধারণ জিনিসপত্র
স্পর্শ করেন।

হাত ধোওয়ার প্রধান সময়গুলি
বিশেষ করে সেইসকল প্রধান সময়গুলিতে যখন আপনার জীবাণুতে আক্রান্ত হওয়ার ও ছড়িয়ে দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তখন ঘন ঘন আপনার হাত ধোওয়ার মাধ্যমে আপনি নিজেকে ও আপনার প্রিয়জনকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করতে পারেন:

১।খাবার তৈরির আগে, সময়ে, এবং পরে।
২।খাবার খাওয়ার আগে এবং পরে।
৩।বমি বা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত এমন কাউকে বাড়িতে। ৪।সেবা করার আগে ও পরে।
৫।একটি কাটা বা ক্ষত চিকি সার আগে ও পরে।
৬।টয়লেট ব্যবহারের পরে।
৭।টয়লেট ব্যবহারকারী শিশুর ডায়পার পরিবর্তন বা
পরিষ্কার করে দেওয়ার পরে।
৮।নাক ঝাড়া, কাশা বা হাঁচার পরে।
৯।একটি প্রাণী, প্রাণীর খাবার, বা প্রাণীজ বর্জ্য স্পর্শ
করার পরে।
১০।পোষা প্রাণীর খাবার বা পেট ট্রিটস নাড়াচাড়ার
পরে।
১১।আবর্জনা স্পর্শ করার পরে।

প্রতিবার আপনার হাত পরিষ্কারে ব্যবহার করুন আর্ক হ্যান্ড ওয়াশ।কারন আর্ক হ্যান্ড ওয়াশ উৎপাদন করা হয় সম্পূর্ণ ন্যাচারাল উপাদান দিয়ে।যা আপনার হাতের ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করে।

আর্ক হ্যান্ড ওয়াশ পাচ্ছেন সাশ্রয়ী মূল্যে।তাই আর দেরি না করে এখনই অর্ডার করুন আর্ক হ্যান্ড ওয়াশ।

02/05/2024

★আর্ক টয়লেট ক্লিনারের কার্যকারিতা★

১।আর্ক টয়লেট ক্লিনার টয়লেট থেকে দাগ এবং
ময়লা অপসারণ করতে সাহায্য করে।
২।আর্ক টয়লেট ক্লিনার টয়লেটে ব্যাকটেরিয়া এবং
জীবাণু মেরে ফেলতে সাহায্য করে।
৩।আর্ক টয়লেট ক্লিনার টয়লেটে চুনাপাথর এবং
অন্যান্য খনিজ জমা হওয়া রোধ করতে সাহায্য
করে।
৪।আর্ক টয়লেট ক্লিনার টয়লেটের গায়ে একটি
ননস্টিক লেয়ার তৈরি করে,যা টয়লেটের গায়ে
ময়লা জমে থাকতে দেয় না।

30/04/2024

আর্ক সজিনা পাউডারের উপকারিতাঃ

★রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়★

সজিনা পাউডারে প্রচুর পরিমাণ এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এতে থাকা অ্যামাইনো অ্যাসিড দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সকল ধরনের শারীরিক দুর্বলতা দূর করে। অন্যদিকে এই গুঁড়ায় থাকা ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান শরীরের অনুপস্থিত পুষ্টি চাহিদা পূরণ করে।

★হজম বৃদ্ধি করে★

সজিনা পাতার গুঁড়ায় দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় খাদ্য আঁশ থাকে। এই খাদ্য আঁশ হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তাকারী এনজাইম গুলোকে সচল করে। এতে লিভারের স্বাস্থ্য যেমন ঠিক থাকে তেমনি হজম প্রক্রিয়া সুস্থভাবে সম্পন্ন হয়।

★পেটের গ্যাস দূর করে★

বেশি তেল জাতীয় খাবার খেলে পেটে আসিডিটি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। পেটের গ্যাস দূর করার জন্য ওষুধের থেকে প্রাকৃতিক উপায় অবলম্বন করা সব থেকে বেশি নিরাপদ। এই দিক বিবেচনা করলে সজিনা পাউডার পেটের আসিডিটি, প্রদাহ, গ্যাস ইত্যাদি সমস্যা দূর করার জন্য অনেক ভালো কাজ করে।

★শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে★

রক্তে শর্করা থাকলে তা ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এবং হার্টের সমস্যার সৃষ্টি করে। সজিনা পাউডার প্রাকৃতিক উপায়ে রক্তে থাকা এই শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে। এতে ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা একে বারে কমে যায়। অন্যদিকে শর্করা দ্বারা ঘটিত সম্ভাব্য রোগ নিরাময় হয়।

★হাড় মজবুত করে★

সজিনা পাতার গুঁড়ায় প্রচুর পরিমাণে খনিজ উপাদান থাকে। এগুলো আমাদের দেহের কর্মক্ষমতা পরিচালিত করে। বিশেষ করে ক্যালসিয়াম দেহের হাড় সুগঠিত করতে সাহায্য করে। প্রকৃতিতে পাওয়া ক্যালসিয়াম বাত ব্যথা, হাড়জোর ব্যথাসহ সকল ধরনের হাড়ের সমস্যা দূর করে।

★শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি করে★

শারীরিক দুর্বলতার অন্যতম প্রধান কারণ হল অপুষ্টি। সজিনা পাতার গুঁড়া প্রাকৃতিকভাবে দেহের জন্য প্রয়োজনীয় সকল ধরনের পুষ্টি উপাদানের বিপুল সমাহার। নিয়মিত সঠিক পদ্ধতি বিশেষ করে আর্ক সুইট হানির সাথে আর্ক সজিনা পাউডার গ্রহণ করলে খুব তাড়াতাড়ি শরীরের পুষ্টির পরিমাণ বৃদ্ধি পায় এবং শারীরিক দুর্বলতা দূর হয়।

★ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণ করে★

সজিনা পাউডারে থাকে পটাশিয়াম লবণ যা দেহের কোনো ক্ষতি করে না। অন্যদিকে সজনে পাতার গুঁড়া শরীরের রক্ত সঞ্চালন ধারা অব্যাহত রাখে। এতে ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণ হওয়ার পাশাপাশি রক্তের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। অর্থাৎ রক্ত বৃদ্ধি করতে এবং ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণ করতে নিয়মিত সজিনা পাউডার গ্রহণ করা জরুরি।

★কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে★

আমরা জানি এলডিএল কোলেস্টেরল হার্টের অনেক ক্ষতি করে। এই কারণে যত কম এই ক্ষতিকর কোলেস্টেরল গ্রহণ করা হয় তত উপকার পাওয়া যায়। অন্যদিকে নিয়মিত সজনে পাতার গুঁড়া খেলে তা রক্তে থাকা এই ক্ষতিকর কোলেস্টেরল দূর করে ও উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। এতে একাধারে রক্তের মধ্যে থাকা উপাদান গুলো সঠিকভাবে বণ্টন করা থাকে এবং হার্টের সমস্যা দূর হয়।

28/04/2024

আর্ক ফেসপ্যাক ত্বকের যত্নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিকার। আপনার ত্বকের ধরন যাই হোক না কেন, ত্বকের স্বাস্থ্য এবং অবস্থার উপর নির্ভর করে প্রত্যেককে অবশ্যই সপ্তাহে অন্তত একবার ফেসপ্যাক প্রয়োগ করতে হবে। ফেসপ্যাক ব্যবহার ত্বকে প্রাণ যোগায় এবং তা পুনরুজ্জীবিত করে।আর্ক ফেসপ্যাক ব্যবহার করে আপনি আপনার ত্বকে পরিবর্তন অনুভব করতে পারেন,যেমনঃ

১।ত্বক উজ্জ্বল এবং হালকা করে।
২।গায়ের রং পরিষ্কার করে।
৩।ট্যান দূর করতে সাহায্য করে।
৪।উজ্জ্বল ত্বক প্রদান করে।
৫।ব্রণ, পিম্পল এবং ব্ল্যাকহেডস চিকিৎসা করতে
সাহায্য করে।
৬।কালো দাগ এবং পিগমেন্টেশন নিরাময়ে দুর্দান্ত
কাজ করে।
৭।মন্থর করতে বা বলি এবং সূক্ষ্ম রেখা কমাতে সাহায্য
করে।
৮।মরা চামড়া/ডিল কোষ দূর করতে সাহায্য করে।
৯।উজ্জ্বল, মসৃণ এবং কোমল ত্বক দেয়।

তাই আর দেরি না করে এখনই অর্ডার করুন আর্ক ফেসপ্যাক।

26/04/2024

ARK বিউটি কেয়ার বার আপনাকে নরম, মসৃণ এবং আরও ঝলমলে ত্বক দেয়।আপনার ত্বক পরিস্কার করে। এর ক্লিনিং প্রসেস আপনার স্কিনের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা ধরে রাখতে সহায়তা করে। এই ARK বিউটি কেয়ার বার তার পরিষ্কারের প্রক্রিয়া চলাকালীন স্কিনের হারিয়ে যাওয়া পুষ্টি পুনরায় পূরণ করতে সহায়তা করে।

25/04/2024

পুষ্টিগুণ ও উপাদেয়তার দিকটি বিবেচনা করে যদি আমরা খাবারের একটি তালিকা করি, সে তালিকার প্রথম সারিতেই থাকবে ‘মধু’র নাম। এটি শরীরের জন্য উপকারী এবং নিয়মিত মধু সেবন করলে অসংখ্য রোগবালাই থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়। এটি বৈজ্ঞানিকভাবেই প্রমাণিত।

মধুর উপাদান
মধুতে প্রায় ৪৫টি খাদ্য উপাদান থাকে। ফুলের পরাগের মধুতে থাকে ২৫ থেকে ৩৭ শতাংশ গ্লুকোজ, ৩৪ থেকে ৪৩ শতাংশ ফ্রুক্টোজ, ০.৫ থেকে ৩.০ শতাংশ সুক্রোজ এবং ৫ থেকে ১২ শতাংশমন্টোজ। আরও থাকে ২২ শতাংশ অ্যামাইনো অ্যাসিড, ২৮ শতাংশ খনিজ লবণ এবং ১১ শতাংশএনকাইম। এতে চর্বি ও প্রোটিন নেই। ১০০ গ্রাম মধুতে থাকে ২৮৮ ক্যালরি।

মধুর উপকারিতা

শক্তি প্রদায়ী : মধু ভালো শক্তি প্রদায়ী খাদ্য। তাপ ও শক্তির ভালো উৎস। মধু দেহে তাপ ও শক্তি জুগিয়ে শরীরকে সুস্থ রাখে।

হজমে সহায়তা: এতে যে শর্করা থাকে, তা সহজেই হজম হয়। কারণ, এতে যে ডেক্সট্রিন থাকে, তা সরাসরি রক্তে প্রবেশ করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে ক্রিয়া করে। পেটরোগা মানুষের জন্য মধু বিশেষ উপকারী।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: মধুতে রয়েছে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স। এটি ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ১ চা–চামচ খাঁটি মধু ভোরবেলা পান করলে কোষ্ঠবদ্ধতা এবং অম্লত্ব দূর হয়।

রক্তশূন্যতায়: মধু রক্তের হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা করে বলে এটি রক্তশূন্যতায় বেশ ফলদায়ক। কারণ, এতে থাকে খুব বেশি পরিমাণে কপার, লৌহ ও ম্যাঙ্গানিজ।

ফুসফুসের যাবতীয় রোগ ও শ্বাসকষ্ট নিরাময়ে: বলা হয়, ফুসফুসের যাবতীয় রোগে মধু উপকারী। যদি একজন অ্যাজমা (শ্বাসকষ্ট) রোগীর নাকের কাছে মধু ধরে শ্বাস টেনে নেওয়া হয়, তাহলে সে স্বাভাবিক এবং গভীরভাবে শ্বাস টেনে নিতে পারবে। অনেকে মনে করে, এক বছরের পুরোনো মধু শ্বাসকষ্টের রোগীদের জন্য বেশ ভালো।

অনিদ্রায়: মধু অনিদ্রার ভালো ওষুধ। রাতে শোয়ার আগে এক গ্লাস পানির সঙ্গে দুই চা–চামচ মধু মিশিয়ে খেলে এটি গভীর ঘুম ও সম্মোহনের কাজ করে।

যৌন দুর্বলতায়: পুরুষদের মধ্যে যাঁদের যৌন দুর্বলতা রয়েছে, তাঁরা যদি প্রতিদিন মধু ও ছোলা মিশিয়ে খান, তাহলে বেশ উপকার পাবেন।

প্রশান্তিদায়ক পানীয়: হালকা গরম দুধের সঙ্গে মিশ্রিত মধু একটি প্রশান্তিদায়ক পানীয়।

মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য রক্ষায়: মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য রক্ষায় মধু ব্যবহৃত হয়। এটা দাঁতের ওপর ব্যবহার করলে দাঁতের ক্ষয়রোধ করে। দাঁতে পাথর জমাট বাঁধা রোধ করে এবং দাঁত পড়ে যাওয়াকে বিলম্বিত করে। মধু রক্তনালিকে সম্প্রসারিত করে দাঁতের মাড়ির স্বাস্থ্য রক্ষা করে। যদি মুখের ঘায়ের জন্য গর্ত হয়, এটি সেই গর্ত ভরাট করতে সাহায্য করে এবং সেখানে পুঁজ জমতে দেয় না। মধু মিশ্রিত পানি দিয়ে গড়গড়া করলে মাড়ির প্রদাহ দূর হয়।

পাকস্থলীর সুস্থতায়: মধু পাকস্থলীর কাজকে জোরালো করে এবং হজমের গোলমাল দূর করে। এর ব্যবহার হাইড্রোক্রলিক অ্যাসিড ক্ষরণ কমিয়ে দেয় বলে অরুচি, বমিভাব, বুকজ্বালা এগুলো দূর করা সম্ভব হয়।

তাপ উৎপাদনে: শীতের ঠান্ডায় এটি শরীরকে গরম রাখে। এক অথবা দুই চা–চামচ মধু এক কাপ ফুটানো পানির সঙ্গে খেলে শরীর ঝরঝরে ও তাজা থাকে।

পানিশূন্যতায়: ডায়রিয়া হলে এক লিটার পানিতে ৫০ মিলিলিটার মধু মিশিয়ে খেলে দেহে পানিশূন্যতা রোধ করা যায়।

দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে: চোখের জন্য ভালো। গাজরের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে দৃষ্টিশক্তি বাড়ে।

রূপচর্চায়: মেয়েদের রূপচর্চার ক্ষেত্রে মাস্ক হিসেবে মধুর ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়। মুখের ত্বকের মসৃণতা বৃদ্ধির জন্যও মধু ব্যবহৃত হয়।

ওজন কমাতে: মধুতে নেই কোনো চর্বি। পেট পরিষ্কার করে, চর্বি কমায়, ফলে ওজন কমে।

হজমে সহায়তা: মধু প্রাকৃতিকভাবেই মিষ্টি। তাই মধু সহজে হজম হয় এবং হজমে সহায়তা করে।

গলার স্বর: গলার স্বর সুন্দর ও মধুর করে।

তারুণ্য বজায় রাখতে: তারুণ্য বজায় রাখতে মধুর ভূমিকা অপরিহার্য। এটি অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট, যা ত্বকের রং ও ত্বক সুন্দর করে। ত্বকের ভাঁজ পড়া ও বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে। শরীরের সামগ্রিক শক্তি ও তারুণ্য বাড়ায়।

হাড় ও দাঁত গঠনে: মধুর গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ ক্যালসিয়াম। ক্যালসিয়াম দাঁত, হাড়, চুলের গোড়া শক্ত রাখে, নখের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি করে, ভঙ্গুরতা রোধ করে।

রক্তশূন্যতা ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে: এতে রয়েছে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স, যা রক্তশূন্যতা ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

আমাশয় ও পেটের পীড়া নিরাময়ে: পুরোনো আমাশয় এবং পেটের পীড়া নিরাময়সহ নানাবিধ জটিল রোগের উপকার করে থাকে।

হাঁপানি রোধে: আধা গ্রাম গুঁড়ো করা গোলমরিচের সঙ্গে সমপরিমাণ মধু এবং আদা মেশান। দিনে অন্তত তিনবার এই মিশ্রণ খান। এটা হাঁপানি রোধে সহায়তা করে।

উচ্চ রক্তচাপ কমায়: দুই চামচ মধুর সঙ্গে এক চামচ রসুনের রস মেশান। সকাল-সন্ধ্যা দুইবার এই মিশ্রণ খান। প্রতিনিয়ত এটার ব্যবহার উচ্চ রক্তচাপ কমায়। প্রতিদিন সকালে খাওয়ার এক ঘণ্টা আগে খাওয়া উচিত।

রক্ত পরিষ্কারক: এক গ্লাস গরম পানির সঙ্গে এক বা দুই চামচ মধু ও এক চামচ লেবুর রস মেশান। পেট খালি করার আগে প্রতিদিন এই মিশ্রণ খান। এটা রক্ত পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। তা ছাড়া রক্তনালিগুলোও পরিষ্কার করে।

রক্ত উৎপাদনে সহায়তা: রক্ত উৎপাদনকারী উপকরণ আয়রন রয়েছে মধুতে। আয়রন রক্তের উপাদানকে (আরবিসি, ডব্লিউবিসি, প্লাটিলেট) অধিক কার্যকর ও শক্তিশালী করে।

হৃদ্‌রোগে: এক চামচ মৌরি গুঁড়োর সঙ্গে এক বা দুই চামচ মধুর মিশ্রণ হৃদ্‌রোগের টনিক হিসেবে কাজ করে। এটা হৃৎপেশিকে সবল করে এবং এর কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

রোগ প্রতিরোধশক্তি বাড়ায়: মধু শরীরের রোগ প্রতিরোধশক্তি বাড়ায় এবং শরীরের ভেতরে এবং বাইরে যেকোনো ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ প্রতিহত করার ক্ষমতাও জোগান দেয়। মধুতে আছে একধরনের ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধকারী উপাদান, যা অনাকাঙ্ক্ষিত সংক্রমণ থেকে দেহকে রক্ষা করে।

আর্ক সুইট হানি (খাটি মধু) অর্ডার করতে এখনই ফোন করুন অথবা মেসেজ করুন।

13/04/2024

আপনার ব্যবহারকৃত প্রতিদিনের তৈল চর্বি যুক্ত হাড়ি পাতিল জীবানু মুক্ত এবং পরিষ্কার রাখতে এবং আপনার হাতকে সুরক্ষিত রাখতে ব্যবহার করুন আর্ক
ন্যাচারাল লিকুইড ডিস ওয়াশ।
আর্ক লিকুইড ডিস ওয়াশ নিম অ্যালোভেরা সমৃদ্ধ।
তাই আপনার সুরক্ষায় আজই সংগ্রহ করুন আর্ক ন্যাচারাল লিকুইড ডিস ওয়াশ।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Farmgate
Dhaka
1215