Zoy bd.com
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Zoy bd.com, Health/Beauty, Dhaka.
23/03/2024
৭।নাকের যত্ন
কানের মত নাকেও কটনবাডস না দিয়ে নরম সুতি কাপড়ে কোনা পেঁচিয়ে পরিষ্কার করে নিন ৷ এতে শিশুর আঘাত পাবার সম্ভাবনা থাকবে না ৷ নাকে সর্দি বা ময়লা জমে বন্ধ হয়ে থাকলে শিশু মুখ দিয়ে শ্বাসপ্রশ্বাস নেয় এবং দুধ টানতে চায় না । সুতরাং খেয়াল রাখুন এবং পরিস্কার রাখুন ।
৮। নবজাতকের পোষাক
এ সময় শিশুর প্রজনন অংগ বা জেনিটাল অনেক বেশি নরম কোমল থাকে ৷ শিশুকে পোষাক পরানোর সময় এবং ডায়াপার বাছতে গিয়ে খেয়াল রাখুন তা আরামদায়ক এবং উচ্চ শোষণ ক্ষমতা সম্পন্ন কি না ৷
ছেলেশিশু ও মেয়েশিশুর জেনিটাল এর যত্ন ও পরিচ্ছন্নতায় পার্থক্য রয়েছে ৷
মেয়ে শিশুর ক্ষেত্রে তার যোনিপথের বাইরে ফোলা ফোলা ভাব ও লালচে থাকা স্বাভাবিক ৷ ভেজা নরম পরিষ্কার কাপড় দিয়ে নিয়মিত পরিষ্কার করুন ৷সামান্য বেবি সোপ ব্যবহার করুন ৷মুছুন সামনে থেকে পেছনে( front to back)৷ প্রতিবার ডায়াপার পাল্টানোর পর বা পায়খানার পর এভাবে মুছে সামান্য বেবি অয়েল ব্যবহার করতে পারেন ৷ মুছতে পারেন ওয়াইপস দিয়েও ৷ব্যবহৃত ওয়াইপস দ্রুত ফেলে দিন ৷
ছেলে শিশুর জননাঙ্গের ব্যাপারেও যত্নশীল হোন ৷ পেনিসের মাথায় চামড়ার নিচে ময়লা জমে যায় ৷ পরিষ্কার করুন ৷ ভেজা নরম কাপড়ে সামান্য বেবি সোপ লাগিয়ে মুছে নিয়ে পেট্রোলিয়াম জেলি বা বেবি অয়েল লাগিয়ে নিন ৷তাহলে ডায়াপার বা কাপড়ের ঘষায় ব্যথা পাবে না ৷এছাড়া আপনি ওয়াইপস (wipes) ব্যবহার করতে পারেন ৷
৯। ডায়াপার পরানোর সঠিক নিয়ম
ডায়াপার পরানোর আগে যদি ঐ জায়গাতে বেবি অয়েল মাখিয়ে নেন তাহলে ডায়াপারের ঘষা থেকে ত্বক সুরক্ষিত থাকবে ৷ অনেকে ডায়াপার পরাবার আগে পাউডার ব্যবহার করেন ৷ কিন্তু পাউডার ব্যবহারে শিশুর ত্বক শুষ্ক হয়ে যায় ৷
ডায়াপার র্যাশ হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ডায়াপার র্যাশের ওষুধ ব্যবহার করুন ৷ তখন তেল ব্যবহার করবেন না ৷
ডায়াপার লাইন খেয়াল করুন এবং পাল্টে দিন প্রয়োজনে ৷ ব্যবহৃত ডায়াপার প্যাচিয়ে প্যাকেটমত করে ফেলুন এবং দ্রুত ময়লার ঝুড়িতে ফেলুন ৷বাচ্চার জন্য সবসময়ই উচ্চ শোষণ ক্ষমতা সম্পন্ন ডায়াপার ব্যবহার করবেন।
১০। শিশুকে গোসল করানো
প্রথমবার শিশুর গোসল দেয়াটা অন্য এক অভিজ্ঞতা ৷ এত ছোট একটা শরীর যাকে ঠিকমত ধরাই মুশকিল ভাবছেন তাকে গোসল দেবেন কিভাবে?
নাভি না শুকানো পর্যন্ত ডাক্তাররা সাধারণত শিশুর গোসল দিতে বারণ করে থাকেন ৷ ততদিন পর্যন্ত আপনি বরং শিশুর গা মুছে দিন ৷ দেখে নিন যা যা লাগবে ৷
· তোয়ালে
·
প্রতিদিনের খাবার তালিকা :
সকালে ঘুম থেকে উঠে ২০ মিনিট পর নাশতা খাবে। নাশতায় দুটো লাল আটার রুটি, এক কাপ সবজি, একটা কলা এবং পাঁচটা কাঠবাদাম অথবা দুটো পাউরুটি দিয়ে মেয়নেজ বা মাখন ছাড়া ডিমের স্যান্ডউইচ, একটা আপেল এবং পাঁচটা কাঠবাদাম। স্যান্ডউইচে ফিলিং হিসেবে একটা ডিম আর শসা ব্যবহার করতে পারেন, মাখনের বদলে বিশুদ্ধ ঘি আধা চামচ দিতে পারেন। অতিরিক্ত ওজন থাকলে মাখনও বাদ দেওয়া ভালো।
দুপুর
সবজি এক কাপ, এক পিস মুরগির মাংস অথবা একটা সেদ্ধ ডিম। সঙ্গে দুটো রুটি কিংবা দুই কাপ ভাত খেতে পারেন। অথবা মুরগির মাংস দিয়ে স্যান্ডউইচ একটা, সেদ্ধ ডিম একটা এবং এক কাপ রান্না করা ব্রকলি বা গাজর বা শিমের বিচি। অথবা দুটো পরোটা, সঙ্গে ১.৫ ইঞ্চি ঢাকাই পনিরের কিউব একটা।
বিকেলের নাশতা
পেঁয়াজু, বেগুনি, পুরি এসব খেলে তিনটার বেশি না হয়। দিনের এই সময়ে কফি না চা খাবেন। কফি দুপুর ২টার আগেই শেষ করবেন। এরপর শুধু চা। অতিরিক্ত ওজনের সমস্যায় সপ্তাহে তিনদিন ভাজাভুজি খান, বাকি দিন বাদ। যেমন- এক কাপ দুধ, এক বাটি শসা, টমেটোর সালাদ। অর্থাৎ একদিন হেলদি খাবার খাবেন, আরেকদিন একটু জাংক ফুড খেতে পারেন।
রাতের খাবার
এক কাপ ভাত, এক কাপ সবজি, এক কাপ মাছ বা মাংস খাবেন। রাতের বেলা ভাত দিয়ে পেট ভরার চেষ্টা যত কম করবেন, তত ভালো। রাত ৯টার আগেই খেয়ে নেওয়ার চেষ্টা করবেন। আর ঘুমাতে যাওয়ার আগে হালকা গরম এক কাপ দুধ খাবেন।
খেয়াল রাখুন
এক কাপ দুধ, ফল, একটা ডিম খাওয়া যেন বাদ না যায়। লাউ, কুমড়ার চেয়ে গাজর, টমেটো, পালং শাক, লাউশাক, লাল শাক, ব্রকলি অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর।
সবজি খেতে হবে বলে দিনের পর দিন লাউ-কুমড়া না খেয়ে বৈচিত্র্য আনুন। সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার কচুশাক, কচুর লতি খান।
মুরগির মাংসই বেস্ট। মাসে ছয় থেকে সাত দিনের বেশি গরুর বা খাসির মাংস খাবেন না। পরিমিত কলিজা খেতে পারেন। প্রচুর আয়রন আছে।
যে তিন সময়ে নামাজ বা সালাত আদায় করা নিষেধ :
ইমানের পর ইসলামের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ আমল হল সালাত বা নামাজ। নামাজ ইসলামের প্রাণ। মুমিন এবং কাফেরের মাঝে বড় পার্থক্য হল নামাজ। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ ছাড়াও নফল নামাজ পড়ার বিধান ইসলামী শরিয়তে রয়েছে।
হাদিস শরিফে রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘ফরজ নামাজের ঘাটতি থাকলে নফল নামাজ তা পূরণ করে দেয়। তাই তোমরা বেশি বেশি নফল নামাজ পড়।’ ফরজ নামাজের রাকায়াত সংখ্যা এবং সময় নির্দিষ্ট। কিন্তু নফল নামাজের নির্দিষ্ট কোনো রাকায়াত সংখ্যা নেই এবং সময়ও নেই। ফকিহরা বলেন, তিন সময়ে ফরজ-নফল সব ধরনের নামাজ পড়া নিষেধ। এমনকি এ সময় জানাজা এবং তিলাওয়াতে সিজদাহ করাও নিষেধ।
১. সূর্যোদয়ের পর থেকে এশরাকের আগ পর্যন্ত
সূর্য উঠার শুরু থেকে হলুদ আলো পুরোপুরি দূর না হওয়া পর্যন্ত সময়টুকুতে সব ধরনের নামাজ পড়া নিষেধ। ফকিহরা গবেষণা করে দেখেছেন সূর্য উঠার পর হলুদ আলো দূর হতে ২০ মিনিট সময় লাগে। অর্থাৎ আবহাওয়া অফিস যদি বলে, সকাল ছয়টায় সূর্য উঠবে, তার মানে ৬টা ২০ পর্যন্ত সব ধরনের নামাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।
২. সূর্য যখন মাথার ওপরে
সূর্য যখন ঠিক মাথার ওপরে থাকে তখনও সব ধরনের নামাজ এবং সেজদা করা নিষেধ। আরবি ভাষায় এ সময়কে ‘জাওয়াল’ বলে। যখন সূর্য একটু হেলে পড়বে তখন জোহরের ওয়াক্ত শুরু হয়। এ সময় সব ধরনের নামাজ এবং সেজদা করা জায়েজ। সূর্য মাথার ওপর থেকে হেলে পড়তে বেশি সময় লাগে না। ফকিহরা সতর্কতাবশত সূর্য মাথার ওপরে উঠার পাঁচ মিনিট আগে এবং পাঁচ মিনিট পর পর্যন্ত নামাজ থেকে বিরত থাকতে বলেছেন।
৩. সূর্য ডোবার সময়
সূর্য যখন হলুদ বর্ণ ধারণ করে ডুবতে শুরু করে তারপর সূর্যোদয় পর্যন্ত সব ধরনের নামাজ পড়া নিষেধ।
সাহাবি উকবা বিন আমের আল জুহানি (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘রাসূল (সা.) আমাদের তিন সময়ে নামাজ এবং মৃতদের দাফন করতে নিষেধ করেছেন। ১. সূর্য উঠার সময়, যতক্ষণ না তা পুরোপুরি উঁচু হয়ে যায়। ২. সূর্য যখন মাথার ওপর ওঠে তখন থেকে পশ্চিমে হেলে পড়ার সময়টুকু। ৩. এবং সূর্য হলুদবর্ণ হওয়ার পর থেকে ডোবার আগ পর্যন্ত।’ বুখারি, হাদিস নম্বর ৫৫১ এবং মুসলিম, হাদিস নম্বর ১১৮৫।
এ তিন সময় নামাজ পড়া নিষেধ হওয়ার কারণ সম্পর্কে জ্ঞানীরা বলেন, সূর্য যখন ওঠে, যখন মাথার ওপর ওঠে এবং যখন ডুবে যায়- এ তিন সময় সূর্য পূজারিরা সূর্যকে সেজদাহ করে। তখন কেউ যদি নামাজ পড়ে তাহলে তাকেও সূর্য পূজারি মনে হতে পারে। এ জন্য এ সময় সব ধরনের নামাজ পড়া এবং সেজদাহ
18/02/2023
মনটা ভালো করতে হলে প্রকৃতির প্রেমে পরতে হবে
18/02/2023
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
