Organic Halal Pure
"Certified organic, halal, and pure – a commitment to quality and authenticity in every product."
Celebrating my 2nd year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉
06/06/2025
আরেকজন ঠ'কে যাওয়া নারী!
কিছু পুরুষ মানুষ এমনে এফোর্ট দিয়েও চিট করে।
আসলে সবকিছুই ন-জ-র বলে উড়িয়ে দিয়েন না !
যেই পুরুষের চরিত্রের সমস্যা ওর সামনে প্রিন্সেস ডায়নার মতো সুন্দরী বসিয়ে রাখলেও আরেকজন লাগবেই 🙂
Eid Mubarak everyone
09/10/2024
প্রতিবার আমি যখন কাউকে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে দেখি, কি হাসিখুশি প্রাণবন্ত মেয়ে! যে হয়তো কখনো অভাব দ্যাখেনি, কখনো কর্কশ ভাষায় কারো ধমক শুনেনি। অথবা হতে পারে নিজের বাড়িতে অনাদরে বড় হওয়া একটা মেয়ে একটা অচেনা ছেলের কথায় পুরো পৃথিবীর সুখকে পায়ে ছুড়ে দিয়ে চলে এসেছে একটু ভালোবাসার জন্য। একটা ভালো বাসার জন্য।
আমি ভাবতে থাকি....
এই লাল শাড়ি, ডিজাইনার লেহেংগা, কক্স কিংবা কাশ্মীরের হানিমুনটা সেরে ফেললেই পরের সপ্তাহেই যে একটা অদ্ভুত অচেনা অগ্নিপরীক্ষার শুরু হবে তার জন্যে, সেই পরীক্ষায় টিকে থাকার যুদ্ধে লড়তে থাকা এই হাসিখুশি বাচ্চা মেয়েটাকে পাঁচ বছর পর কেমন দেখবো?
আদো দেখবো?
নাকি দেখাও পাওয়া যাবেনা আর কখনো?
স্বামীর অফিস, বাবা-মার অসুস্থতা, বাচ্চাদের পরীক্ষার কথা বলে বান্ধবীদের দেখা সাক্ষাৎ এ এটেন্ড করতে পারবেনা, এক বছরে দুটো দিন নিজের জন্যে বের করার অবসর পাবেনা।
পৃথিবীতে টিকে থাকার এই বিচ্ছিরি প্রতিযোগিতায় সব মেনে নিতে নিতে আর সবকিছুর সাথে মানিয়ে নিতে নিতে দশ বছর পর এই হাস্যোজ্জ্বল চোখদুটো কি জীবিত থাকবে?
নাকি আর দেখবো না কোনোদিন?
বিয়ের পর যেই মেয়েটা বাবার বাড়ি থেকে বিদায় নিয়ে যায়, সে কি আর কোনোদিন ফিরে আসে?
প্রতিনিয়ত নিজেকে ভেঙ্গে সেই ধ্বংসস্তুপের উপর আবার উঠে দাঁড়াতে হয়।
প্রতিবার বাবার বাড়িতে এলেই সবাই অবাক হয়ে যায়।
"আমাদের এইটুকুন মেয়েটা আজ কত্ত কিছু সামলাচ্ছে!"
এইটুকুন মেয়েটাকে কি আর কখনো খুঁজে পাওয়া যায়?
প্রতিরাতে সেই এইটুকুন মেয়েটা নিজেই নিজের জানাযা পড়ে কেউ কি জানে?
জানতে চায়?
আমি খুব খুব খুব ভাবি ওদের কথা।
প্রতিবার আমার মনে হয় এইটুকুন মেয়েটাকে শেষবার জড়িয়ে ধরি। পরেরবার আর পাবোনা ওকে। পরেরবার ও আসবে অমুকের বউ হয়ে৷
তমুকের ছেলের বউ কিংবা অমুকের মা হয়ে।
ওর নাম হবে তখন "বউমা/আম্মু/বউ"
খুব ইচ্ছা করে এইটুকুন মেয়েটার মিষ্টি নামটা ধরে বারবার ডাকি।
বিয়ে এমনই একটা পরীক্ষা।
সংসার মানেই আগুনপানির সাথে খেলা।
কেউ বলেনা।
কোনো প্রবেশনাল পিরিয়ড নেই। কোনো ডিসক্লেইমার নেই। নেই কোনো ট্রেইনিং। হুট করে ঘুম থেকে উঠে মনে হয় জীবন আর জীবনাদর্শ দুটোই বোধয় বদলে গেছে!
পৃথিবীর সবচেয়ে ব্রিলিয়ান্ট মেয়েটা, সবচেয়ে ধনী বাবার মেয়েটা, সবচেয়ে দ্বীনি ঘরের মেয়েটা, সবচেয়ে গরীব ঘরের মেয়েটারও বিয়ের পর আইডেন্টিটি ক্রাইসিসে ভুগতে হয়। মাথার উপর আকাশ ভেঙ্গে পড়ে, পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে যায়। দুই ঘন্টা রেস্টুরেন্টে হাত ধরে বসে থাকলেই কেউ কখনো বলতে পারে না সেই মানুষটা এক ছাদের নিচে বসবাস করার সময় কেমন সাপোর্ট দিবে। আদো দিবে কিনা তাও কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারেনা। ভালো প্রেমিক মানেই ভালো স্বামী হবে, ভালো প্রেমিকা মানেই ভালো বউ হবে, তার কোনো গ্যারান্টি কেউ দিতে পারেনা।
এ যেন সাক্ষাৎ জুয়া খেলা!
যে জিতলো, সে ভাগ্যের জোরে জিতলো।
যে হারলো, সে কিন্তু আবার ভাগ্যের দোষেই হারলো।
(Collected )
09/10/2024
09/10/2024
মেয়েরা!
জীবনে আর যাই করো সম্মানের সাথে বেঁচে থেকে নিজের শখগুলো কিনে ফেলার ক্ষমতাটা অন্তত অর্জন করো। এমন একটা পর্যায়ে নিজেকে নিয়ে যেও যেখানে তোমার জীবন নামক ঘুড়ির লাটাই তোমার হাতেই থাকবে৷ এবং তোমার জানা থাকবে সুতোর পর্যাপ্ততা। যাতে লাটাই থেকে আলাদা হওয়ার ভয় যেন না পেতে হয়।
জীবনে এমন একটা পর্যায়ে তোমাকে যেতে হবে যেখানে তুমি নিজের মূল্যটা নিজেই দিতে জানবে। আরো জানবে কোনটা ভালো হয়ে আলো হবে তোমার জন্য আর কোনটা অন্ধকারের কালো। জানতো, তুমি যদি নিজেকে ভালো না বাসো তবে কেউ তোমাকে ভালোবাসা তো দূর সম্মান পর্যন্ত দিবে না। তাই নিজের চলার পথটা চিনে নাও, নিজেকে ভালোবেসে নাও প্রাণ ভরে।
দেখো একদিন তোমার সব হবে। সেদিন তুমি, যা চোখে ভালো লাগে কিংবা বছর কয়েক আগে কিনবো বলেও কিনতে পারো নি তার সবগুলো তোমার দখলে থাকবে। পছন্দের যেই ব্যাগটা কিনতে গিয়ে দামে না হয়ে মেসেজ আর সিন করো নি সেই ব্যাগটা। যে শাড়িটার ছবি দেখে পলকহীনভাবে তাকিয়ে ছিলে কিন্তু দাম দেখে আর সাহস করি নি কেনার সেই শাড়িটা। রুম ডেকোরেশনের সমস্ত কিছু যা ভালো লাগে তোমার। যেমন ধরো- রংতুলি, ক্যানভাস, সুগন্ধি ক্যান্ডেল, টেরাকোটা, তাক ভর্তি বই আরো যা চাই তোমার। তখন আর তোমার প্রাইজ ট্যাগে হাত বুলিয়ে খালি হাতে ফিরে আসতে হবে না, হাত বোলালে সাথে করে নিয়েই ফিতরে পারবে।
মাকে কিনে দিতে পারবে তার পছন্দের জারুল রঙের শাড়ি এবং হালকা রঙের হালকা কাজের জামা। বাবার জন্য কিনে ফেলবে পছন্দের ফতুয়াগুলো, সাথে সাদা পাঞ্জাবী। বোনটার কোনো আবদারই অপূর্ণ রাখতে হবে না সেদিন। ভাইকেও দিয়ে দিতে পারবে যা সে চায়। ফ্যামিলি ট্রিপে ঘুরে আসতে পারবে কোনো হাওয়ারে কিংবা মেঘের রাজ্যে।
কেউ কাঁপা কাঁপা হাত তোমার দিকে বাড়িয়ে দিলে তার হাতে পার্সের সবচে ছোট নোটটা না খুঁজে বড় নোটাই সেদিন বের করে দিয়ে দিতে পারবে অনায়াসে।
হুম, আর যাই করো নিজের পায়ে দাঁড়াতে শেখো, স্বপ্নগুলো পূরণ করতে জানো। নয়তো বেঁচে থাকবে ঠিকই কিন্তু তা নিজের শখগুলোকে মেরে ফেলে। জানতো, শখ যখন মরে যায় না মানুষটাও ভেতর থেকে মরে যায়।
স্বপ্ন মানুষকে বাঁচতে শেখায়
04/10/2024
লেখাটা আসলে প্রতিটা দম্পতির পড়া উচিত,,,,
এক সাথে একই বিছানায় ঘুমালেই কিন্তু মানুষটার কাছে যাওয়া যায়না। দুজন মানুষ ১০০ স্কয়ার ফিট একটা রুমের ভেতর বছরের পর বছর থেকেও মাঝে মাঝে কাছে আসতে পারেনা।
আমি এরকম বেশ কিছু দম্পতিকে চিনি, যারা বহু বছর পরও সংসারের মানে বুঝে উঠতে পারেনি।
সংসার করতে করতে একসময় মানুষ ধরে নেয়, একই বালিশে ঘুমানো। একই টেবিলে খাওয়া। একই রুমে ঘুরাঘুরি করা আর মাঝে মাঝে জৈবিক চাহিদা পূরণ করাটাই সংসার। ব্যপারটা কি আসলে তাই,,,,?
তাহলে, কিছু সংসার কখনো কখনো টিকে না কেন,,,,? তারাও তো একই বিছানায় ঘুমায়। একই টেবিলে খাবার খায়। একজন অন্যজনকে শারীরিক চাহিদা পূরণে কো-অপারেট করে তবুও, সংসারগুলো ভাঙে কেন,,,,?
তুমি একটা মানুষের সাথে আছো। পাশে আছো। চোখের সামনে আছো। তবুও মাঝখানে একটা দূরত্ব থাকে। এই দূরত্বটা অন্যরকম। বলা যায় না। বুঝানো যায় না। সহ্যও করা যায় না।
কারো বুকের উপর শুয়েও মাঝে মাঝে নিজেকে একা লাগে।
দাম্পত্য জীবনে আমি আসলে কি চাই,,,, ?
সবই চাই, যা যা সবাই করে। আমি সেটাও চাই, যেটা অনেকেই করে না।
সংসার মানে আসলে অভ্যাস। এই কনসেপ্টটা থেকে আমরা কেন জানি বের হতে পারি না। অভ্যাস অবশ্যই, তবুও সবই কি অভ্যাস,,,,? নতুন কিছুই কি থাকে না,,,,?
আমরা একই ছাদের নিচে থাকি, অথচ কখনো একসাথে আকাশ দেখি না। কখনো সমুদ্র পাড়ে বসে কফির মগ হাতে নিয়ে নির্ভরশীলতার কাঁধে মাথা রাখি না।
আমরা কখনো জিজ্ঞেস করিনা " তুমি কেমন আছো,,,? তোমার মন খারাপ কেন,,,,?" আমরা হাত ধরে বসে থাকি না। আমরা বিনা কারণে একজন অন্যজনকে জড়িয়ে ধরি না।
আমরা বুঝি না, আমার সমস্ত সময় তার সাথে কাটানোর পরও তাকে সময় দেওয়া প্রয়োজন।
আমরা শরীরের দিক থেকে কাছে আসি রোজ রোজ। অথচ,আমাদের মনের দূরত্ব বেড়ে চলে যোজন মাইল।
রান্না করার জন্য বুয়া রাখলেও তো হয়। শারীরিক চাহিদা পূরণের জন্য পতিতাই এনাফ। তবুও সংসার কেন করা লাগে,,,,?
সংসারের ডেফিনেশনটা শুধু নিঃশ্বাসের আদ্রতা অনুভব করার মাঝেই সীমাবদ্ধ না। এর বাইরেও অনেক কিছু থাকে।
আমি একা। তুমি একা। আমরা একা। প্রচন্ড রকমের একা।
অথচ, দিনশেষে আমার একটা আশ্রয় প্রয়োজন হয়। একজন মানুষ প্রয়োজন হয়। একটা ব্যক্তিগত নির্ভরশীলতার জায়গা প্রয়োজন হয়। সমঝোতা প্রয়োজন হয়। কারো কন্ঠস্বরে আমার জন্য একটু গভীর ভালোবাসা প্রয়োজন হয়।
একটা পবিত্র স্পর্শ প্রয়োজন হয়।
এই স্পর্শটা কামনার স্পর্শ নয়। এটা একটা ভালোবাসার স্পর্শ। কাম ছাড়া ভালোবাসা পূর্নতা পায়না এটা ঠিক। তবে কাম ও যে সবসময় ভালোবাসার জন্ম দিতে পারে না, এটাও ঠিক।
সংসারকে অভ্যাস বলে চালিয়ে দেওয়া মানুষরা আসলে ভালোবাসার দায়বদ্ধতাকে এড়িয়ে যেতে চায়। যে দাম্পত্যে প্রেম থাকে না, সেখানে অভিনয় করে বাঁচতে হয়।
এরকম অনেক দম্পতিই আছে, যারা শুধু অভিনয় করেই একটা জীবন একটা অপছন্দের মানুষের সাথে একই ছাদের নিচে কাটিয়ে দেয়।
ব্যস্ততা আসলে একটা অজুহাত। অতটা ব্যস্ত আসলে মানুষ থাকে না। চাইলেই একটু সময় বের করা যায়।
কি জানি, আমরা হয়তো চাই ই না।
যার সাথে সারা জীবন কাটাতে হবে। যার জন্য সারাদিন পরিশ্রম করি।
যাকে ভালো রাখার চেষ্টা করি।
মাঝে মাঝে বুঝিই না, সে ভালো নেই।
দাম্পত্য জীবনে কলহ থাকবেই। এটাকে ইন্সটেন্ট সমাধান করার ক্ষমতা সবার থাকে না। ঝগড়া হওয়ার পর কান্না কাটি না করে, মানুষটাকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে বসে থাকলে কেমন হয়। মানুষ কি এতটাই নিষ্ঠুর, যে ভালোবাসাকে অবহেলা করতে পারে।
সংসার শুধু একটা অভ্যাস, এটা থেকে বের হতে হবে। সংসার একটা স্বর্গ। এখানে শুধু দু'বেলা খাবার আর একই বিছানায় ঘুমানোর বাইরেও প্রেম, ভালোবাসা, নির্ভরশীলতা, গুরুত্ব, প্রায়োরিটি, শ্রদ্ধাবোধ, এডজাস্টমেন্ট সব প্রয়োজন হয়। সব মানে সব।
দাম্পত্য জীবন সুন্দর তখনই হয়, যখন আমরা অভ্যাস থেকে বের হতে পারি।
মানুষটা একটা অস্তিত্ব হোক। অধিকার হোক। বেঁচে থাকার ডেফিনেশন হোক।
একটা এডিকশন হোক। আমাদের সংসার হোক আমাদের নেশাগ্রস্থ থাকার অ্যালকোহল।
আমাদের মাঝে ভালোবাসার মাদকতা থাকাটা জরুরী, ভীষন জরুরী,,,,❣️
#𝑪𝒐𝒍𝒍𝒆𝒄𝒕𝒆𝒅
25/09/2024
✍️✍️একজন স্ট্রং ওমেন কখনোই কাউকে পরিবর্তন করে না । কোন সম্পর্কেই না। সে কেবল কম্পফোর্ট জোন সৃষ্টি করে ,যাতে করে তার কাছের মানুষ গুলো বুঝতে পারে সে হেলদী সম্পর্ককে পছন্দ করে । নিজেকে তার পার্সোনালিটির খোলশ থেকে বের করে কেবল তার প্রিয় মানুষটার জন্য। তার প্রিয় মানুষটার কাছে সে নিজেকে জমা দেয় খুচরো পয়সার মতন । 😔
তার মন খারাপ দুঃখ , মুড সুয়িং , তার নিডস, একান্ত তার । সে খাবার খাওয়াও কেনাকাটার বিল নিজেই পে করতে জানে । সে সম্পর্কে সম্মান পছন্দ করে। মন খারাপে কখনো কান্না করতে মনে চাইলে নীরবে কান্না করে রাতের তার ঘুমানোর বালিশ ও যাতে টের না পায় । তারপর সকালে উঠে সে ততটাই নিজেকে তৈরী করে আরেকটা দিন কি ভাবে শুরু করবে তার প্রস্তুতি নিয়ে । একজন ষ্ট্রং ওমেন কখনোই রিপ্লেস হয়না সে কেবল চুজ করে ।
কারন তার সততা ও বিশ্বস্ততা তার মনের মতনই ষ্ট্রং । সে অগাধ ডিপ্লোম্যাটিক মন নিয়ে তার প্রিয় মানুষটাকে ভালোবাসে। সে জানে একজন পুরুষকে হাজারো উপায়ে ভালোবাসা যায় । তার কাছে সম্পর্ক মানেই লয়্যালটি ও দায়িত্ববোধ ।
যদি এত কিছুর পরও যদি তার প্রিয় মানুষটা তাকে বুঝতে না পারে তবে সে ভেবে নেয়….
ছেড়ে দিতে হয়-
পাহারা দিয়ে ….
ধরে বেধেঁ কি আর মানুষকে রাখা যায়?
তারও তো স্বাধীনতা আছে,
উড়ুক না নিজের মতো খোলা আকাশে।
যদি আমারই হয়
দিনশেষে আমার নীড়ে ঠিকই ফিরবে...🫶🫶
সে আসলে তখন তার স্বভাব অনুযায়ী কাউকে পরিবর্তন করবে না । সে কেবল রিপ্লেস করবে । সে জায়গাটা সে ব্লক করে দিবে ।সে জানে একা থাকা তার জন্য তেমন কোন কষ্টদায়ক না। কারন একজন ষ্ট্রং ওমেন যথেষ্ট ম্যাসকেলিন ভাইবস বহন করে। সে ভাঙ্গে কিন্তু কখনোই মচকে পরে না।সে সুখটাকে সাবাইকে দেখাতে পারলেও দুঃখটাকে সে নিজের জন্যই রেখে দেয়…..❤️
পুরুষের দেওয়া নাম ও টাকায় সে কখনোই বিক্রি হয় না। আসলে পরনির্ভরতা তার সাথে যায়ই না ।
সে মুক্ত ….
সে বৃষ্টি ভেজা পথে ,
একলা হাতে হাটতে জানে….
মনের সব কটি জানালা বন্ধ করে ,
সামনের দিকে চলতে জানে………..
🫶জীবনের সবচেয়ে খারাপ পরিস্হিতিতে
চোখের জল মুছে ঘুড়ে দাঁড়ানোটাও কিন্তু একটা সাকসেস❤️
🫶কষ্টের দিন গুলোতে
দাঁতে দাঁত চেপে লড়ে হেরে না যাওয়াটাও কিন্তু একটা সাকসেস ❤️
🫶খুব প্রিয় মানুষ হঠাৎ করে যদি আঘাত করে ধীরে ধীরে সেই ক্ষতকে সারিয়ে তোলাটাও কিন্তু একটা সাকসেস❤️
🫶মনে রেখ এই অন্ধকার সময়ে সমস্ত প্রতিকূলতার সাথে চোখে চোখ রেখে লড়াই করাটাই কিন্তু আসল সাকসেস❤️❤️❤️
।✍️✍️✍️✍️
29/05/2024
তুমি কি জানতে চাও, আল্লাহর কাছে তোমার সম্মান কতটকু? তাহলে দেখ, তিনি তোমাকে কোন অবস্থায় রেখেছেন...
- যদি দেখ তিনি তোমাকে তার যিকিরে মশগুল রেখেছেন, তাহলে জেনে রেখ, তিনি তোমাকে স্মরণ করতে চান।
- যদি দেখ তিনি তোমাকে কুরআন দ্বারা মশগুল রেখেছেন, তাহলে জেনে রেখ, তিনি তোমার সাথে কথা বলতে চান।
- যদি দেখ, তিনি তোমাকে ইবাদাত/আনুগত্যে ব্যস্ত রেখেছেন, তাহলে জেনে রেখ, তিনি তোমাকে তার সান্নিধ্যে টেনে নিয়েছেন।
- যদি দেখ, তিনি তোমাকে দুনিয়া দিয়ে ব্যস্ত করে দিয়েছেন, তাহলে জেনে নাও, তিনি তোমাকে দূরে ঠেলে দিয়েছেন।
- যদি দেখ, তিনি তোমাকে লোকজনের সাথে মশগুল বানিয়ে দিয়েছেন, তাহলে জেনে নাও, তিনি তোমাকে অপমানিত করেছেন।
- যদি দেখ, তিনি তোমাকে দুআর দ্বারা ব্যস্ত রেখেছেন, তাহলে জেনে নাও, তিনি তোমাকে কিছু দিতে চান।
অতএব, সবসময় নিজের অবস্থা দেখ। তুমি কোন কাজে মশগুল? আল্লাহ তোমাকে যে কাজে ব্যস্ত রেখেছেন, সেটাই তোমার অবস্থান তাঁর কাছে...
- ড. রাতিব আন-নাবলুসি
22/04/2024
বাচ্চার জন্য হারিয়ে ফেলা জীবন, ঘুম, শান্তি, আরাম সবই একদিন ফিরে আসবে
শুধু বাচ্চার শৈশবটা ফিরে আসবে না, সকাল সকাল তার ময়লা কাঁথা কাপড়গুলো আর সযত্নে ধুতে হবে না।
তার জন্য শখ করে আর খেলনা কেনা হবে না।
জিদ করে দাঁত হীন মারি দিয়ে কামড় দিতে চাইবে না, দুই হাত মুঠ করে আমার চুল ছিড়বে না,বাবার চুল ধরে টান দিবে না।
তার জন্য আলাদা খাবারের পেরেশানি টা থাকবে না। ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা খেলনা গুলো গুছানোর কাজ আর পাবো না। নতুন খেলনা দেখলে তার বাবা আর কিনবে না। এই হাতে তাকে আর গোসল করিয়ে দিতে হবে না,খালি বুকটায় তাকে আর জড়িয়ে ধরে ঘুম হবে না।
কারণ সন্তান বড় হয়ে যাবে। অসীম যে যন্ত্রণায় ভুগে তাকে নিজের শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে জন্ম দিয়েছিলাম, সেই যন্ত্রণার ব্যথাও শেষ হয়ে গেছে.......
কাটা ছেঁড়া সেলাই হওয়া শরীরটা নিয়ে এই দুই হাতে তাকে প্রথমবার জড়িয়ে ধরেছিলাম সেই দিনও গত হয়ে গেছে.....
এইভাবে কত শত দিন, কাল,মাস, বছর, পেরিয়ে যাবে, আমার কোল ছেড়ে দিয়ে নিজে সংগ্রাম করে বাঁচা শুরু করবে।বুলি না ফোটা যে মুখটার কথার সাথে আমি মা তাল মিলাই এই মায়ের সাথে অনেক কথা তার আর বলা হবে না।
এই আমাদের তখন তাকে নিয়ে থাকা সকল ব্যস্ততাকে ছুটি দিতে হবে। সে তার নিজের সাথে ব্যস্ত হয়ে যাবে বলে।।
যেই শৈশব তার স্মৃতিতে থাকবে না,
তার সেই শৈশব আমাদের স্মৃতি জুড়ে থাকবে।
03/04/2024
আমরা সে**ক্স ছাড়া একজন অন্যজনকে জড়িয়ে ধরিনা,
এক সাথে একই বিছানায় ঘুমালেই
কিন্তু মানুষটার কাছে যাওয়া যায়না...
দুজন মানুষ ১০০ স্কয়ার ফিট একটা রুমের ভেতর বছরের পর বছর থেকেও মাঝে মাঝে কাছে আসতে পারেনা!
আমি এরকম বেশ কিছু দম্পতিকে চিনি,
যারা বহু বছর পরও সংসারের মানে বুঝে উঠতে পারেনি!!
সংসার করতে করতে একসময় মানুষ ধরে নেয়,
একই বালিশে ঘুমানো,একই টেবিলে খাওয়া,
একই রুমে ঘুরাঘুরি করা আর মাঝে মাঝে সঙ্গমে অংশগ্রহন করাটাই হয়তো সংসার!! ব্যপারটা কি আসলে তাই?
তাহলে, কিছু সংসার কখনো কখনো টিকে না কেন???
তারাও তো একই বিছানায় ঘুমায়,একই টেবিলে খাবার খায়, একজন অন্যজনকে সঙ্গ*মে কো-অপারেট করে!
তবুও, সংসারগুলো ভাঙ্গে কেন???
তুমি একটা মানুষের সাথে আছো-পাশে আছো,
চোখের সামনে আছো-তবুও মাঝখানে একটা দূরত্ব থাকে... এই দূরত্বটা ভীষণ অন্যরকম___
বলা যায় না,বুঝানো যায় না,সহ্যও করা যায় নাহ ;
কারো বুকের উপর শুয়ে থেকেও
মাঝে মাঝে নিজেকে খুব একা লাগে!!
"দাম্পত্য জীবনে আসলে আমি কি চাই?"
সবই চাই, যা যা সবাই চায়!!
তবে আমি সেটাও চাই ; যেটা অনেকেই বুঝতে চায় নাহ!!
সংসার মানে আসলে অভ্যাস,
এই কনসেপ্টটা থেকে আমরা কেন জানি বের হতে পারি না ; অভ্যাস অবশ্যই, তবুও সবই কি অভ্যাস?
নতুন কিছুই কি থাকে না???
আমরা একই ছাদের নিচে থাকি,
অথচ কখনো একসাথে আকাশ দেখি না...
কখনো সমুদ্র পাড়ে বসে কফির মগ হাতে নিয়ে নির্ভরশীলতার কাঁধে মাথা রাখি না!!
আমরা কখনো জিজ্ঞাসা করিনা
"তুমি কেমন আছো?/তোমার মন খারাপ কেন?"
আমরা হাত ধরে বসে থাকি না!
আমরা সঙ্গম ছাড়া একজন অন্যজনকে জড়িয়ে ধরি না!!
আমরা কিছুতেই বুঝতে চাই না যে-আমার সমস্ত সময় তার সাথে কাটানোর পরও তাকে সময় দেওয়া প্রয়োজন!!
আমরা হয়তো শরীরের দিক থেকে কাছে আসি রোজ ; অথচ,আমাদের মনের দূরত্ব বেড়েই চলে...
রান্না করার জন্য বুয়া রাখলেও হয়,
সঙ্গমের জন্য পতিতাই এনাফ ;
তবুও সংসার কেন করা লাগে বলতে পারেন??
সংসারের ডেফিনেশনটা শুধু নিঃশ্বাসের আদ্রতা অনুভব করার মাঝেই সীমাবদ্ধ না,এর বাইরেও অনেক কিছু থাকে!!
আমি একা! তুমি একা! আমরা একা! প্রচন্ড রকমের একা!!
অথচ___
"দিনশেষে আমার একটা আশ্রয় প্রয়োজন হয়,
একজন ব্যক্তিগত মানুষ প্রয়োজন হয় ;
একটা নির্ভরশীলতার জায়গা প্রয়োজন হয়...
সমঝোতা প্রয়োজন হয়, কারো কন্ঠস্বরে আমার জন্য
গভীর ভালোবাসার প্রয়োজন হয়!!
একটা পবিত্র স্পর্শ প্রয়োজন হয়,
এই স্পর্শটা কামনার স্পর্শ নয়
এটা শুধু মাত্র ভালোবাসার স্পর্শ ;
কামনা ছাড়া ভালোবাসা পূর্ণতা পায়না এটা ঠিক
তবে কামনা ও যে সবসময় ভালোবাসার জন্ম দিতে পারে না, এটাও তো মানতে হবে!!"
সংসারকে অভ্যাস বলে চালিয়ে দেওয়া মানুষরা
আসলে ভালোবাসার দায়বদ্ধতাকে এড়িয়ে যেতে চায়,
যে দাম্পত্যে প্রেম থাকে না,সেখানে অভিনয় করে বাঁচতে হয়;
এরকম অনেক দম্পতি আছে,
যারা শুধু অভিনয় করেই গোটা জীবনটা
একটা অপছন্দের মানুষের সাথে
একই ছাদের নিচে কাটিয়ে দেয়!!
দাম্পত্য জীবনে কলহ থাকবেই,
এটাকে ইন্সটেন্ট সমাধান করার ক্ষমতা সবার থাকে না! ঝগড়া হওয়ার পর কান্না কাটি না করে
মানুষটাকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে বসে থাকলে কেমন হয়
মানুষ কি আসলে এতটাই নিষ্ঠুর-
যে "ভালোবাসাকে" অবহেলা করতে পারে!!
সংসার শুধু একটা অভ্যাস, এটা থেকে বের হতে হবে... সংসার একটা স্বর্গ!!
এখানে শুধু দুবেলা খাবার আর একই বিছানায় ঘুমানোর বাইরেও প্রেম-ভালোবাসা-নির্ভরশীলতা-গুরুত্ব-প্রায়োরিটি- শ্রদ্ধাবোধ-এডজাস্টমেন্ট সব প্রয়োজন হয় ;সব মানে সব!!
দাম্পত্য জীবন সুন্দর তখনি হয়,
যখন আমরা অভ্যাস থেকে বের হতে পারি ;
পাশের মানুষটা অস্তিত্ব হোক,অধিকার হোক,
বেঁচে থাকার ডেফিনেশন হোক,একটা এডিকশন হোক!! আমাদের সংসার হোক আমাদের নেশাগ্রস্থ থাকার অ্যালকোহল!!
আমাদের মাঝে ভালোবাসার মাদকতা থাকাটা জরুরী ; ভীষন জরুরী.....
©️কার পোস্ট জানিনা।জানলে নাম এড করে দিবো❤️
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Telephone
Website
Address
Mirpur 14
Dhaka

29/05/2024