Health & Lifestyle

Health & Lifestyle

Share

Health & Lifestyle Is Community in Bengali Language. We Are Share Health & Lifestyle Tips, Tricks, and Advice for Our Readers!

22/11/2018
22/11/2018

জেনে নিন ৫টি অদ্ভুত উপায় সম্পর্কে যেগুলো খুব সহজেই মনকে শান্ত করে দিতে পারে।

27/10/2018

সন্তানের বেডরুমে মোটেও রাখতে দেবেন না এই একটি জিনিস

বাচ্চার আবদারে গলে গিয়ে তাকে নিজের ইচ্ছেমত চলতে দিচ্ছেন আপনি, ভালো কথা। কিন্তু সবকিছুর মাঝেই একটি সীমারেখা টানা জরুরী। আর এ কারণেই এমন একটি জিনিসের ব্যাপারে জেনে রাখুন যা ভুলেও বাচ্চার বেডরুমে রাখা যাবে না কখনোই।
এই জিনিসটি কী? তা হলো বাচ্চার স্মার্টফোন। কিশোর-কিশোরী সন্তানের জন্য স্মার্টফোন কিনে দিয়েছেন বটে, কিন্তু তা যথেচ্ছ ব্যবহার করতে দেবেন না। কারণ এতে তাদের রাতের ঘুম নষ্ট হবে এবং এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে তাদের পড়াশোনার ওপরে।
এ ব্যাপারটায় খুব বেশি চিন্তিত হন না অনেক পিতামাতা। কিন্তু চিন্তিত হবার কারণ আছে বৈ কি। গবেষণায় দেখা যায় ২০ শতাংশেরও বেশি বাচ্চারা রাতের বেলায় ঘুম থেকে উঠে পড়ে ফোনে সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করা বা নোটিফিকেশন চেক করার জন্য। এতে তাদের ঘুম তো নষ্ট হয়ই, এছাড়াও স্কুলে গিয়ে তারা মনোযোগ দিতে পারে না এবং সার্বিক স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে যায়।
গবেষণায় দেখা যায়, মাঝরাতে ঘুম থেকে উঠে স্ন্যাপচ্যাট বা ইন্সটাগ্রাম ব্যবহার করারটা খুবই সাধারণ। ১২-১৫ বছর বয়সীদের মাঝে এটা খুব সচরাচর হতে দেখা যায়। তাদের এক তৃতীয়াংশ বলে তারা সপ্তাহে অন্তত একদিন এভাবে মাঝরাতে ঘুম থেকে উঠে স্মার্টফোন ব্যবহার করে। এবং এ কাজটি করার ফলে স্কুলে গিয়ে তাদের খুব ক্লান্ত লাগে বলেও তারা স্বীকার করে। শুধু ঘুমের মাঝে নয়, ঘুমাতে যাবার আগেও যারা বেশ কিছুটা সময় ল্যাপটপ ব্যবহার করে তাদের ঘুমটাও অন্যদের চাইতে অনেক কম হতে দেখা যায়। এসব গ্যাজেট ব্যবহারে সময় যতো বাড়ে, তাদের ঘুম তত কম হয় এবং বাড়ে ক্লান্তি।
এটা যে শুধু পড়াশোনা এবং স্বাস্থ্য খারাপ করে তাই নয়, বরং এ থেকে মানসিক সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। এ কারণে বাচ্চারা যাতে এ কাজটি করতে না পারে তার জন্য ঘুমাতে যাবার সময়ে তার বেডরুমের বাইরে রেখে যেতে বলুন স্মার্টফোনটিকে। এতে ফোনে কোনো নোটিফিকেশন এলেও তার ঘুমের সমস্যা হবে না। একইভাবে ট্যাব, ল্যাপটপ এগুলোও যেন বেডরুমের বাইরে থাকে তার ব্যাপারে লক্ষ্য রাখুন।

সকল ধরনের স্বাস্থ্য টিপস্ সবার আগে পেতে পেজটিতে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন।

26/10/2018

চিরতরে দূর করুন এই ছয়টি প্রাণীর উপদ্রব

নানা কারণে ঘর বাড়িতে পোকামাকড়ের উপদ্রব হয়। আর একবার কোন পোকা ঘরে বসবাস শুরু করলে তা আর সহজে যেতে চায় না। বিশেষ করে মশা, তেলাপোকা, ছারপোকা ইত্যাদি। আর বেশীরভাগ বাড়িতেই তো একেবারে ঘাঁটি গেড়ে বসে আছে প্রচুর পরিমাণে ইঁদুর এবং টিকটিকি। কিছু উপায় আছে যার মাধ্যমে খুব সহজে এবং ঘরোয়া উপায়ে এদের দূর করা সম্ভব। আসুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক এসব উপদ্রব থেকে রক্ষার কিছু উপায়।

১। ইঁদুর
ঘর বাড়ির খুব সাধারণ একটি সমস্যা হল ইঁদুর। এই ইঁদুর দূর করবে পেপারমেণ্ট। ইঁদুর পেপারমেণ্টের গন্ধ সহ্য করতে পারে না। একটি তুলোর বলে পেপারমেন্ট অয়েল ডুবিয়ে নিন। এবার তুলোর বলটি ইদুরের বাসার কাছে রেখে দিন। পেপারমেণ্টের গন্ধ শ্বাসযন্ত্রে প্রবেশ করে তাদের নিঃশ্বাস নেওয়া বন্ধ করে দিবে এবং তারা মারা যাবে।

২। তেলাপোকা
তেলাপোকা নেই এমন বাড়ি খুঁজে পাওয়া ভার! রান্নার মশলা দিয়ে দূর করুন এই তেলাপোকা। কিভাবে? গোলমরিচ গুঁড়া, পেঁয়াজ, রসূন এবং পানি দিয়ে পেষ্ট তৈরি করে নিন। পেষ্ট কিছুটা তরল করে তৈরি করবেন। এবার এটি স্প্রের বোতলে ভরে রাখুন। যেখানে তেলাপোকা দেখবেন সেখানে স্প্রে করুন। দেখবেন তেলাপোকা পালিয়ে গেছে। শুধু তেলাপোকা না অন্যান্য পোকা মাকড়ের হাত থেকে আপনার ঘরকে রক্ষা করবে।

৩। মাছি
মাছি তাড়ানোর অনেক উপায় আছে। কিন্তু সবচেয়ে সহজ এবং কার্যকরী উপায় হল তুলসী পাতা। বারান্দায় বা জানলার কাছে একটি তুলসী গাছ রাখুন। দেখবেন মাছি আপনার বাসায় আসছে না। এছাড়া বিভিন্ন এ্যাসেন্সিয়াল অয়েল যেমন ল্যাভেন্ডার এবং ইউক্যালিপ্টাস অয়েল মাছি তাড়াতে অনেক বেশি কার্যকর।

৪। ছারপোকা
ছারপোকা দূর করতে পেঁয়াজের রস অনেক বেশি কার্যকরী। একটি স্প্রে বোতলে পেঁয়াজের রস ভরে নিন। তারপর এটি স্প্রে করে দিন বিছানা, সোফার চারপাশে যেখানে ছারপোকা রয়েছে।

৫। টিকটিকি
ঘরের আরেকটি উপদ্রব হল টিকটিকি। এই টিকটিকি হাত থেকে বাঁচার জন্য ঘরে কোণে বিশেষ করে ভেন্টিলেটরের কাছে ডিমের খালি খোসা ঝুলিয়ে রাখুন। ডিমের গন্ধ টিকটিকিকে দূরে রাখবে। তবে সেদ্ধ নয়, অবশ্যই কাঁচা ডিমের খোসা ঝোলাবেন। এছাড়াও ঘরে ময়ূরের পালক রাখতে পারেন। টিকটিকি ঘরের ত্রিসীমানায় ঘেঁষবে না।

৬। মশা
মশা তাড়ানোর জন্য কত রকমের স্প্রে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু মশা তাড়ানোর সবচেয়ে সহজ আর কার্যকরী উপায় হল নিমের তেলের ব্যবহার। প্রতিদিন শরীরে নিমের তেল ব্যবহার করুন। এটি আপনাকে মশা থেকে দূরে রাখবে এবং তার সাথে সাথে ত্বকও সুস্থ এবং ভালো রাখবে।

সকল ধরনের স্বাস্থ্য টিপস্ সবার আগে পেতে পেজটিতে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন।

26/10/2018

সাধারণ লবণ পানির যে বিস্ময়কর ব্যবহার

সাধারণ লবণ পানি দিয়ে আপনি কি কি করতে পারেন? অনেকেই বলবেন, লবণ পানি দিয়ে আর কি করা যেতে পারে? হজমের সমস্যায় একটু লেবু চিপে লবণ পানি পান করেন অনেকেই। কিন্তু এই বিষয়টি বাদে আর কিছু করা খুব কমই করা হয় লবণ পানি দিয়ে। কিন্তু লবণ পানির আরও অনেক ব্যবহার রয়েছে যা আপনি এখনো জানেন না। আজকে চলুন সাধারণ লবণ পানির এমনই কিছু বিস্ময়কর ব্যবহার সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক।

১) এনামেলের পাত্র থেকে খাবারের দাগ তুলতে
লোহার জিনিসের উপরে এনামেলের প্রলেপ লাগানো থাকে যার ওপর খুব সহজেই দাগ পড়ে যায়। এই সমস্যা সমাধানে রাতে অর্ধেকটা পাত্র পানি দিয়ে ভরে এতে ১/৪ কাপ লবণ দিয়ে পুরো রাত রেখে দিন। সকালে উঠে পাত্রটি চুলায় দিয়ে পানি ফুটিয়ে নিন এবং পানি ফেলে সাধারণ ডিশ স্ক্রাবার দিয়ে আলতো ঘষেই তুলে ফেলতে পারবেন পোড়া দাগ।

২) ফ্রিজের দুর্গন্ধ দূর করতে
ফ্রিজ অনেক দুর্গন্ধ হয়ে গিয়েছে? খুব সহজেই দূর করে দিতে পারবেন লবণ কুসুম গরম পানি দিয়ে ফ্রিজ ধুয়ে। এতে ফ্রিজের দুর্গন্ধ অনেকাংশেই দূর হয়ে যাবে এবং ফ্রিজে একধরণের তরতাজা ভাব চলে আসবে, খাবারেও গন্ধ হবে না।

৩) চুলার ওপরের তেলকালি দূর করতে
রান্নার সময় চুলার আশেপাশে এবং চুলার উপরে তেল মশলা পড়ে তেলতেল ভাব হতেই পারে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এই তেল চিটচিটে ভাব সাবান পানি দিয়ে পুরোপুরি পরিষ্কার করা সম্ভব নয়। কুসুম গরম পানিতে লবণ গুলিয়ে একটি কাপড় ভিজিয়ে ভালো করে মুছে নিন। সমস্যার সমাধান।

৪) কাপড় থেকে ঘামের দাগ দূর করতে
কাপড়ে ঘামের দাগ লেগে থাকলে তা দেখতে খুবই বাজে দেখায়। এই সমস্যা সমাধানে ১/৪ লিটার গরম পানিতে ৪ টেবিল চামচ লবণ গুলিয়ে তা দাগের উপর লাগিয়ে নিন স্পঞ্জ করে। এভাবে কয়েকবার করুন এবং শুকিয়ে গেলে কাপড়ে দাগ দেখতে পাবেন না।

৫) দাঁত ব্যথা ও গলা ব্যথা দূর করতে
কুসুম গরম পানিতে লবণ গুলিয়ে তা দিয়ে গার্গল করে নিন। খুব দ্রুত দাঁতের ব্যথা ও ঠাণ্ডা লেগে গলার ব্যথা থেকে মুক্তি পেয়ে যাবেন খুব সহজেই।

৬) দুধ নষ্ট হওয়া প্রতিরোধে
বেশীদিন দুধ রেখে দিলে তা পরবর্তীতে জ্বাল দেয়ার সময় ফেটে যায়। এই সমস্যা সমাধানে দুধে ১ চিমটি লবণ সামান্য পানিতে মিশিয়ে দিয়ে দিন। বেশ লম্বা সময় দুধ নষ্ট হবে না।

৭) সেদ্ধ ডিমের খোসা সহজে ছাড়াতে
ডিম সেদ্ধ করে খোসা ছাড়ানোর সময় সঠিকভাবে ছাড়ানো সম্ভব হয় না অনেক সময়। এই ঝামেলা থেকে মুক্তি পেতে চাইলে লবণ পানিতে ডিম সেদ্ধ করুন, খুব সহজেই সেদ্ধ ডিমের খোসা ছাড়িয়ে নিতে পারবেন।

৮) কেটে রাখা আপেল ও আলু তাজা রাখতে
আলু ও আপেল কেটে রাখলে বাদামী হয়ে যায় কিছুক্ষণের মধ্যেই। এক কাজ করুন, লবণ পানিতে ডুবিয়ে রাখুন। দেখবেন অনেকটা সময় বাদামী দাগ পড়ছে না।

সকল ধরনের স্বাস্থ্য টিপস্ সবার আগে পেতে পেজটিতে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন।

25/10/2018

আগুনে পুড়েছে ত্বক,জেনে নিন তাৎক্ষণিক কিছু ঘরোয়া সমাধান

রান্না করতে গিয়েছেন আর হাত পুড়ে যায় নি এমন ঘটনা খুব একটা ঘটে না। জীবনে একবার না একবার হাত পোড়ানোর অভিজ্ঞতা প্রায় সবারই আছে। ভাতের মাড় ফলতে গিয়ে, টোস্ট বানাতে গিয়ে, বা কোনো কিছু রান্না করতে গিয়ে আমাদের যে কারোরই হাত পুড়তে পারে। এই ছোটখাটো পুড়ে যাওয়ার সমাধান করুন ঘরোয়া কিছু উপায়ে। আসুন জেনে নেওয়া যাক এই সমস্যার সমাধানের উপায়গুলো।

১। আলু
আলু কয়েক টুকরা কেটে নিন। এবার এই আলু পোড়া জায়গা লাগিয়ে নিন। ভাল করে লাগাবেন যাতে আলুর রস পোড়া জায়গাটায় লাগে।
আরেকটি উপায় হল আলু কুচি করে রস বের করে নিন। এই রস পোড়া স্থানে লাগিয়ে রাখুন ১৫ মিনিট। তারপর ধুয়ে ফেলুন। আলুর অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান আছে যা ত্বককে ঠান্ডা করে দেয়।

২। অ্যালোভেরা
অ্যালোভেরা পাতা কেটে এর থেকে জেল বের করে নিন। এবার এই জেল পোড়া স্থানে লাগান।
আপনি চাইলে অ্যালোভেরা জেলের সাথে এক চা চামচ হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে নিতে পারেন। এটি পুড়ে যাওয়া স্থানের জ্বলাপোড়া কমিয়ে দেবে। অ্যালোভেরা গাছের জেল দেওয়া সম্ভব না হলে অ্যালোভেরা ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন।

৩। নারকেল তেল এবং লেবুর রস
এক চা চামচ নারকেল তেলের সাথে লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এবার এটি পোড়া দাগের স্থানে লাগান। নারকেল তেলে ভিটামিন ই এবং ফ্যাটি এসিড, লাউরিক এসিড, আছে যা অ্যান্টি ব্যাক্টেরিয়াল এবং অ্যান্টি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উপাদান। এগুলো ত্বকের জ্বলাপোড়া রোধ করে থাকে।

৪। মধু
মধুতে অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল এবং অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান আছে যা ত্বকের পোড়া আরোগ্য সাহায্য করবে।
পোড়া স্থানে মধু দিয়ে নিন। তারপর ব্যান্ডেজদিয়ে পুরো জায়গাটা পেচিয়ে রাখুন। এই ব্যান্ডেজ দিনে তিন চার বার পরিবর্তন করুন।

৫। ভিনেগার
ভিনেগার এবং আপেল সিডর ভিনেগার সমান পরিমাণের পানির সাথে মিশিয়ে নিন। এটি পোড়া স্থানে লাগান।
কিছুক্ষণ পর ভিনেগার ভেজানো কাপড় দিয়ে পোড়া স্থানটি পেচিয়ে রাখুন। দিনে কয়েকবার এটি পরিবর্তন করুন।

টিপস
 দেহের পুড়ে যাওয়া অংশে ১০-১৫ মিনিট পর্যন্ত পানি ব্যবহার করুন। খেয়াল রাখুন ব্যবহার করা পানি যেন খুব ঠাণ্ডা না হয়।
 পুড়ে যাওয়া স্থানে বরফ ম্যাসেজ করা থেকে বিরত থাকুন। এই জন্য পুড়ে যাওয়া অংশে অবস্থিত টিস্যু নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
 কখনো দেহের কোন পোড়া অংশে বাটার ব্যবহার করবেন না।
 একটি পরিষ্কার ও সম্পূর্ণ শুকনো তোয়ালে দিয়ে পুড়ে যাওয়া স্থান টি ধীরে ধীরে মছে তারপর কোন ক্রিম লাগাবেন।

সকল ধরনের স্বাস্থ্য টিপস্ সবার আগে পেতে পেজটিতে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন।

25/10/2018

হঠাৎ ফ্রিজ নষ্ট হয়ে গেলে আপনি যা যা করবেন

হঠাৎ করে ফ্রিজটা নষ্ট হয়ে গেলো মানে যে কোন বাড়িতেই ব্যাপারটা বেশ বড় এক বিপর্যয়। ফ্রিজ সারাতে অনেকগুলো টাকা খরচ তো হবেই, একই সাথে ফ্রিজে রাখা প্রয়োজনীয় সব কিছু নষ্ট হয়ে যাবে। রান্না করা খাবার তো আছেই, বিশেষ করে কাঁচা মাছ-মাংস ও সবজির নষ্ট হওয়া কেউ ঠেকাতে পারবে না। তাহলে উপায়? উপায় আছে বৈকি! জেনে নিন হঠাৎ করে ফ্রিজ নষ্ট হয়ে গেলে কোন কাজগুলো আপনার অর্থ সাশ্রয় করবে ও ফ্রিজের খাবারগুলোকে নষ্ট হতে দেবে না।

১) ফ্রিজটি নষ্ট হয়ে গেছে বা আর ঠাণ্ডা হচ্ছে না, এই ব্যাপারটা বোঝা মাত্র ফ্রিজের সুইচ বন্ধ করে দিন। বারবার অন-অফ করে ফ্রিজকে চালানোর চেষ্টা করবেন না। এতে কম্প্রেসারের মারাত্মক ক্ষতি হয়। ফ্রিজ বন্ধ করে অপেক্ষা করুন মেকানিক আসা পর্যন্ত।

২) ফ্রিজ নষ্ট হওয়ার সাথে সাথেই ডিপ ফ্রিজের সবকিছু বের করার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়বেন না। ফ্রিজ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরও ডিপ ফ্রিজের ঠাণ্ডা অনেকক্ষণ ঠিক থাকে। আপনি যদি ফ্রিজের দরজা না খোলেন, তাহলে জমাট বাঁধা মাছ-মাংস ৮/১০ ঘণ্টাতেও একেবারে অবিকৃত জমাট বাঁধাই থাকবে। তাই ডিপ ফ্রিজের জিনিস সংরক্ষনের জন্য বেশ অনেকটা সময় পাবেন।

৩) ফ্রিজে রান্না করা খাবার দাবার যা আছে, সেগুলো বের করে নিন কারণ সবচাইতে দ্রুত নষ্ট হবে এগুলোই। প্রতিটি খাবার চুলায় ভালো করে গরম করে রাখুন। খাবার টগবগ করে ফুটে উঠেছে, এমনভাবে গরম করবেন। একবার গরম করলে ৮/১০ ঘণ্টা পর্যন্ত রাখা যাবে। এর মাঝেই খেয়ে ফেলুন।

৪) ভাত জাতীয় খাবার গরম করলে কাজ হবে না। ভাতে হয় পানি দিয়ে পান্তা ভাত বানিয়ে রাখুন। নতুবা উচ্চ চাপে ভাত ভাজি করে ফেলুন। পোলাও বিরিয়ানি হলে উচ্চ তাপে গরম করে নিন।

৫) সবজিগুলো বের করে ভালো করে মুছে নিন। যেন গায়ের সাথে পানি না থাকে। তারপর অল্প একটু রোদে মেলে দিন পানি পুরোপুরি টেনে যাওয়ার জন্য। পানি শুকিয়ে গেলে ছায়াময় ঠাণ্ডা স্থানে রেখে দিন।

৬) একটি বাটিতে পানি নিন, তারপর সস-মাখন-জ্যাম-জেলীর পাত্রগুলো অর্ধেকটা করে ডুবিয়ে এতে রেখে দিন। পাত্রটি ঠাণ্ডা স্থানে রাখুন।

৭) ডিমকে পানির মাঝে ডুবিয়ে ঠাণ্ডা স্থানে রেখে দিন।

৮) শাক বা এমন পাতা জাতীয় খাবারকে একটু খানি পানির ছিটা দিয়ে রাখুন।

৯) এরপর আসে মাছ ও মাংসের পালা। মাছের বরফ গলে গেলে ধুয়ে হলুদ মেখে রাখতে পারেন। এতে আরও কয়েক ঘণ্টা মাছ ভালো থাকবে। তবে সবচাইতে ভালো হয় তেলের মাঝে ডুবোতেলে কড়া করে ভেজে রাখলে। এতে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত মাছ ভালো থাকবে। এরপর রান্না করে রাখলে আরও ৭/৮ ঘণ্টা ভালো থাকবে। ফ্রিজ ঠিক হলে এই ভাজা মাছ আবারও ফ্রিজে রাখতে পারবেন।

১০) মাংস ভুনা ভুনা করে রান্না করে ফেলুন। দিনে দুবার মাংস জ্বাল দিয়ে রাখলে বেশ কয়েকদিন পর্যন্ত ভালো থাকবে। রান্না করতে না চাইলে হলুদ, মরিচ, আদা , রসুন দিয়ে জ্বাল দিয়ে রাখুন। এটাও দিনে দুবার জ্বাল দিতে হবে। গরুর মাংস হলে শুঁটকি বানিয়ে রাখতে পারেন। লবণ মেখে তারের সাথে গেঁথে রোদে শুকাতে দিতে পারেন। কয়েকদিন শুকালেই চমৎকার শুঁটকি হয়ে যাবে।

১১) পায়েস ফিরনী ইত্যাদি খাবার ফ্রিজে থাকলে সেগুলোও পুনরায় জ্বাল দিয়ে ফেলুন।

এই টিপসগুলো প্রতিটিই আমি পরখ করে দেখেছি। কেননা ফ্রিজ নষ্ট অবার দুর্ঘটনা আমার জীবনে বেশ কয়েকবার ঘটেছে। কাজে লাগিয়ে দেখতে পারেন, উপকারে আসবে আপনারও।

সকল ধরনের স্বাস্থ্য টিপস্ সবার আগে পেতে পেজটিতে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন।

24/10/2018

আপনার মস্তিষ্ককে আরও কর্মক্ষম ও প্রাণবন্ত করে তোলার ৬ কৌশল

মানুষ ৫৫ বছর বয়সে পৌঁছতেই মানসিক ক্ষমতায় দুর্বল হতে থাকে। ভুলতে থাকে অনেক কিছু। ৬৫ তে গিয়ে সেটা রূপ নেয় আলঝাইমার রোগে। তবে বয়সভেদে এমনটা হলেও কমবয়সী মানুষের ভেতরেও থাকে নানারকম অদ্ভুত, আজগুবী আর বোকামি করে ফেলার প্রবণতা। অনেকটা অনিচ্ছাবশতই দৈনন্দিন জীবনে নানারকম বোকামি করে থাকি আমরা। ভুলে যাই অনেক কিছু। এই যেমন মাথায় চশমাটা রেখে পুরো ঘরে খুঁজে বেড়াই সেটা! কিন্তু এটা স্বাভাবিক ব্যাপার হলেও প্রতিরোধযোগ্য। দি নিউ ইয়র্ক টাইমসে ওয়েইল করনেল মেডিকেল কলেজের ক্লিনিকাল সাইকিয়াট্রির প্রফেসর রিচার্ড ফ্রাইডম্যানের লেখা অনুসারে বর্তমান বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে কিছু উপায় রয়েছে যেগুলোর মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দিয়ে আমরা নিজেদের মস্তিষ্ককে চটপটে করে তুলতে পারবে। চলুন আর দেরি না করে জেনে নিই উপায়গুলো।

১. বুদ্ধির খেলা
প্রতিদিন খবরের কাগজে কত-শত বুদ্ধির খেলাই তো দেওয়া থাকে। এছাড়াও রয়েছে কেবল এই বিষয়ের ওপর লেখা বই আর ম্যাগাজিন। সেগুলোর চর্চা করুন নিয়মিত। এতে করে প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে আপনার মস্তিষ্ক। তবে ফ্রাইডম্যানের কথানুসারে একটি ব্রিটিশ গবেষনায় দেখা যায় যে, এসব বুদ্ধিবৃত্তিক খেলায় নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে মানুষের মানসিক ক্ষমতা বৃদ্ধি পেলেও বুদ্ধির সেরকম উন্নতি হয়না। ( বিজনেস ইনসাইডার)

২. নিজেকে বিশ্বাস করা
বিজনেস ইনসাইডারের মতে, কম বয়সীদের ক্ষেত্রে নিজের ক্ষমতাকে উন্নত করার ব্যাপারে বিশ্বাস করানোটাই তাদের ভেতরে এমন একটি ভাব তৈরি করে যে যে কোন বুদ্ধিমত্তার পরীক্ষাতেই ভালো করে তারা। আর তাই নিজের ওপর এমনটা বিশ্বাস আনাটাই তাদের মস্তিষ্ককে অনেকটাই সামনে এগিয়ে নিতে আর ভালো কাজ করতে উত্সাহিত করতে পারে।

৩. শরীর ও মননচর্চা
শরীর আর মনের চর্চা, অর্থাৎ ব্যায়াম আর যোগব্যায়াম হতে পারে মস্তিষ্ককে আরো বেশি সক্ষম করে তোলার বেশ ভালো একটা উপায়। যোগব্যায়াম অনেক আগে থেকেই মানুষের জীবনে জড়িয়ে গিয়েছে। এটি মানুষের শারিরীক নানা সমস্যা দূর করে, মনকে শান্ত হতে সাহায্য করে তা ঠিক। তবে যোগব্যায়াম চর্চাকারীদের এফএমআরআই স্ক্যান করে দেখা যায় যে যোগব্যায়াম মানুষের মস্তিষ্কের গঠনকেও প্রভাবিত করে। তার মনযোগ, স্মৃতিশক্তি আর কর্মক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে ( হাউ স্টাফ ওয়ার্কস )। আর শরীর চর্চার কথা বলতে গিয়ে মেরকোলা.কম জানায়- শরীরচর্চা স্নায়ুকোষগুলোকে বাড়িয়ে, তাদের যোগাযোগ আরো শক্তিশালী করে এবং সেগুলোকে ধ্বংস হওয়া থেকে সুরক্ষা দিয়ে আপনার মস্তিষ্ককে একটা সর্বোচ্চ ক্ষমতার পর্যায়ে পোঁছে দেয়। এছাড়াও শরীরচর্চা মস্তিষ্কের স্নায়ু রক্ষাকারী উপাদান উত্পাদন করে, মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়, মস্তিষ্কের নানারকম প্রদাহ দূর করতে সাহায্য করে।

৪. ব্যাকটেরিয়া
২০১০ সালের জুন মাসে সাগা কলেজের গবেষকেরা জানান যে নোংরার ভেতরে থাকা ইদুরদের মস্তিষ্ক পরীক্ষা করে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়াকে পাওয়া গিয়েছে যারা ইদুরদের মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। আর সেটা সম্ভব মানুষের ক্ষেত্রেও। তবে এ জন্যে ময়লার ভেতরে থাকতে হবে না আপনাকে। বাগান পরিষ্কার কিংবা ঐ ব্যাকটেরিয়াগুলোকে শরীরে নিয়ে নেওয়ার মাধ্যমেও এটি সম্ভব।

৫. খাবার ও ঘুম
ঘুম মানুষের মানসিক উন্নতি দীর্ঘস্থাযীভাবে না করলেও কিছুটা সময়ের জন্যে করে। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষনায় বলা হয় ঘুমোবার পরে মানুষ নিজেদের মস্তিষ্কের ভেতরের যোগাযোগকে আরো ৩৩ শতাংশ বেশি কাজে লাগাতে পারে ( মারকোলা )। এছাড়াও মস্তিষ্ককে ঠিকঠাক কাজ চালাতে হলে গ্লুকোজকে শক্তিতে পরিণত করে নিতে হয়। তবে গ্লুকোজ মাঝে মাঝে নিজ থেকে কম উত্পাদিত হয় মস্তিষ্কের ভেতরে। সেক্ষেত্রে নারকেল তেল বেশ ভালো টনিক হিসেবে কাজ করে। এছাড়াও দেখা গিয়েছে ভিটামিন ডি, ভিটামিন বি১২, ওমেগা৩ স্নেহ হতে পারে আপনার মস্তিষ্ককে আরো বেশি কর্মক্ষম করার উপায়!

৬. গান ও সুসম্পর্ক
গান আপনার মস্তিষ্ককে অনেকটা শান্ত রাখতে পারে। এছাড়াও হার্ভার্ডের এক প্রফেসরের গবেষনায় পাওয়া যায় যে ভালো সম্পর্কে জড়িয়ে থাকা মানুষের মস্তিষ্কও ভালো আর দ্রুত কাজ করে ( বিজনেস ইনসাইডার )। মানসিক স্বাস্থ্যকেও অনেক বেশি সুস্থ রাখে আমাদের সুসম্পর্কগুলো।

সকল ধরনের স্বাস্থ্য টিপস্ সবার আগে পেতে পেজটিতে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন।

24/10/2018

পরিচিত কটন বাডের অজানা ১০ ব্যবহার

কটন বাড দিয় আমরা কী করি? কানের ময়লা পরিষ্কার করা অথবা খুব সুক্ষ্ণ কোন কিছু পরিষ্কার করার কাজে আমরা কটন বাড ব্যবহার করে থাকে। এছাড়া আর কোন কিছুতে যে কটন বাড ব্যবহার করা যায় তা আমরা কখনও ভেবে দেখি না। এই সাধারণ কটন বাডের যে কিছু অসাধারণ ব্যবহার আছে তা onegoodthingbyjillee.,planetforward এবং families থেকে জানা যায়। আসুন জেনে নিই সাধারণ কটন বাডের সেই সকল ব্যবহারগুলো।

১। চোখে মেকআপ করার সময় আইশ্যাড, মাশকারা অথবা আই লাইনার ছড়িয়ে যায়। এই ছড়িয়ে যাওয়া মেকআপ ঠিক করার জন্য কটন বাড ব্যবহার করা হয়। এমনকি আই ক্রিম লাগানোর জন্য এটি ব্যবহার করা যায়। এতে ক্রিম চোখের ভিতরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।

২। অনেক সময় বাচ্চাদের জামার বা আমাদের চেইন আটকে যায়। তখন কটন বাডে তেল লাগিয়ে চেইনের ওপর ঘষুন। কিছুক্ষণ পর চেইন খুলে যাবে।

৩। নখে নেইলপলিশ লাগানোর সময় নখের বাইরে চলে যায়। আঙ্গুলের চারপাশে ছড়িয়ে লেইলপলিশ লেগে যায়। এই সমস্যাও দূর করে থাকে কটন বাড।

৪। কম্পিউটারের কিবোর্ড এর ভেতরে ধুলো দিয়ে ভরে থাকে। এই আনাচে কানাচের ধুলো বালি পরিষ্কার করতে কটন বাডের ভূমিকা রয়েছে।

৫। কটন বাডে অলিভ অয়েল লাগিয়ে কানের বাইরের অংশের ময়লা পরিষ্কার করতে পারেন। এটি স্বাস্থ্যকর এবং জীবাণুমুক্ত।

৬। একটি কটন বাডে আপনার প্রিয় কোন পারফিউমে ভিজিয়ে নিন। এবার এটি আপনার হ্যান্ড ব্যাগে বা আপনার সাথে রাখুন। এটি আপনাকে সুগন্ধ রাখবে অনেকক্ষণ।

৭। অনেকেই আইল্যাশ বা নকল চোখের পাপড়ি ব্যবহার করেন থাকেন। আইল্যাশ লাগানোর গ্লু-টি কটন বাডে লাগিয়ে নিন তারপর এটি আইল্যাশে লাগান। এতে হাতে গ্লু লাগার কোন সম্ভাবনা থাকে না।

৮। চুল শুকানোর কাজে আমরা হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করে থাকি। অনেক সময় এই হেয়ার ড্রায়ারের ফ্যানে ময়লা জমে যায়। কটন বাড দিয়ে খুব ভালভাবে পরিষ্কার করা সম্ভব।

৯। বাচ্চারা ড্রয়িং করার সময় অনেক ছোট ছোট বস্তু ছবি এঁকে থাকে যেখানে রং করা কিছুটা কঠিন হয়ে পড়ে। কটন বাডে রং লাগিয়ে ব্রাশের মত ব্যবহার করতে পারবেন।

১০। আপনার শখের জুয়েলারি পরিষ্কার করতে কটন বাড ব্যবহার করতে পারেন। জুয়েলারির সুক্ষ্ণ থেকে সুক্ষ্ণ ডিজাইনও কটন বাড দিয়ে পরিষ্কার করা সম্ভব।

সকল ধরনের স্বাস্থ্য টিপস্ সবার আগে পেতে পেজটিতে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন।

23/10/2018

বিদ্যুৎ বিল কমিয়ে ফেলুন দারুণ কিছু কৌশলে

আমাদের মাসিক খরচের অনেক বড় একটা অংশ চলে যায় বিদ্যুৎ বিলের পেছনে। খরচ কমাতে চান আর টাকা জমাতে চান, আপনার এই বিদ্যুৎ বিল কমাতে পারলে কাজটা অনেক সহজ হয়ে যেতে পারে। আর বিদ্যুৎ ব্যবহার কমালে আসলে পরিবেশেরও অনেকটা উপকার হয়ে যায়। দেখে নিন বিদ্যুৎ বিল কমানোর সবচাইতে ভালো কিছু উপায়-

১) দরকার না হলে প্লাগ খুলে/সুইচ বন্ধ করে রাখুন
আমরা অনেকেই জানি না ব্যাপারটা, কিন্তু দেয়ালের পয়েন্টে আপনি যদি শুধু শুধু একটা চার্জার লাগিয়ে রাখেন তাহলেও কিছু পরিমাণে বিদ্যুৎ খরচ হয়। দরকার না হলে ওভেন, ফ্যান, পিসি এসব বন্ধ করে রাখুন। আপনার যদি এগুলো ভুলে যাওয়ার অভ্যাস থাকে তাহলে একটা বড় মাল্টিপ্লাগে সবগুলো প্লাগ লাগিয়ে নিন। রাত্রে ঘুমাতে যাবার আগে পুরো মাল্টিপ্লাগ বন্ধ করে দিয়ে ঘুমাতে যান।

২) খারাপ সংযোগ সারিয়ে তুলুন
বাড়িতে অনেক সময়ে বিদ্যুৎ সংযোগ খারাপ বা ত্রুটিপূর্ণ হবার কারণে আপনার বিদ্যুৎ খরচ বেশি হতে পারে। এক্ষেত্রে পেশাদার কোনো ইঞ্জিনিয়ার ডাকিয়ে বাড়ির সংযোগ চেক করিয়ে নিন। এছাড়াও আপনি কি করলে বিদ্যুৎ খরচ কমাতে পারবেন সে বিষয়ে তিনি পরামর্শ দেবেন।

৩) লাইট বাল্ব পরিবর্তন করুন
আপনার বাড়িতে এখনো পুরনো ধাঁচের লাইট বাল্ব থাকলে তা বদলে এনার্জি-সেভার বাল্ব ব্যবহার শুরু করুন। এগুলো ৭৫% পর্যন্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে পারে আর এদের আয়ুও হয় ছয়গুণ বেশি।শুধু বাল্ব নয় বরং আরও কিছু ইলেক্ট্রনিকস ব্যবহার করা যেতে পারে যেগুলো কম বিদ্যুতেই চলে। এগুলো ব্যবহার করতে পারেন।

৪) বুদ্ধি করে ব্যবহার করুন ওয়াশিং মেশিন
ওয়াশিং মেশিন ব্যবহারে প্রচুর পরিমাণে বিদ্যুৎ খরচ হয়ে থাকে। খরচ কমাতে চাইলে কখনোই গরম পানির সেটিং ব্যবহার করবেন না। পানি গরম করতে বেশি বিদ্যুৎ খরচ হয়। আর ড্রায়ারে কাপড় শুকানোর বদলে বারান্দা বা ছাদে দড়ি টাঙ্গিয়ে তাতে নেড়ে দেবার ব্যবস্থা করুন। নেহায়েত বর্ষাকাল না হলে ড্রায়ার ব্যবহারের তেমন কোনো যুক্তি নেই।

৫) পরিষ্কার রাখুন আপনার ইলেক্ট্রনিকস
রেফ্রিজারেটরের কয়েল পরিষ্কার রাখলে তা চলতে বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে না। বছরে দুবার করে একে পরিষ্কার করিয়ে নিলে আপনার বিল কম আসবে। একইভাবে আপনার এসির ফিল্টারও পরিষ্কার রাখুন। এটা ময়লা থাকলে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বেশি বিদ্যুৎ খরচ হতে পারে।

সকল ধরনের স্বাস্থ্য টিপস্ সবার আগে পেতে পেজটিতে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Dhaka