Mariam's story
শত অসত্যের মাঝে হারিয়ে যাই না , কারণ আমি অনন্য
20/07/2026
হৃদয় থেকে দোয়া করার পর যখন দেখবেন আপনার অন্তরে প্রশান্তি বিরাজ করছে, মস্তিষ্কের সমস্ত নিউরন শীতল হয়ে হয়ে গেছে।আর । তখন মনে হবে আল্লাহ দিবেন এমন আত্মবিশ্বাস আসা না হয় অপূর্ণ থেকে গেলেও খারাপ লাগবেনা।ঠিক তখনই বুঝবেন আপনার দোয়া কবুল হয়ে গেছে। আলহামদুলিল্লাহ
এমন দিন কি আপনার এসেছিল?
অনুভব থেকে বলা,,,,,,,,
19/07/2026
সুবহানাল্লাহ
19/07/2026
'বুড়ো মানুষ তারা বলবেই' এ কথা দিয়ে আপনি একটি অন্যায়কে জাস্টিফাই করতে পারেন না।যদি করেন তবে আপনি স্বামী হওয়ার যোগ্যতা হারাবেন।এ কথা দ্বারা বোঝা যায় আপনি তাদের দিয়ে বলান।
হাতের আঘাতের থেকে মুখের আঘাত কম নয় ,একটা শরীরে ঘাত সৃষ্টি করে,অপরটি অন্তরে।
হাদিসে দুটি স্থানের হেফাজতের কথা বলা হয়েছে,একটি মুখ অপরটি লজ্জা স্থান।তবেই রয়েছে জান্নাতের সুসংবাদ।
18/07/2026
প্রথমে শান্ত থাকুন এবং বাচ্চাকে কোলে নিয়ে পর্যবেক্ষণ করুন।
যদি মাথায় ফোলা ওঠে, তাহলে একটি পরিষ্কার কাপড়ে বরফ পেঁচিয়ে ১০–১৫ মিনিট ধরে আলতোভাবে সেঁক দিন। বরফ সরাসরি ত্বকে লাগাবেন না।
যদি সামান্য কেটে যায়, তাহলে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার কাপড় দিয়ে চাপ দিয়ে রক্ত বন্ধ করুন।
পরবর্তী ২৪–৪৮ ঘণ্টা বাচ্চাকে ভালোভাবে লক্ষ্য করুন।
নিচের যেকোনো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে বা জরুরি বিভাগে যান:
বারবার বমি করা
অস্বাভাবিক ঘুমিয়ে পড়া বা জাগানো কঠিন হওয়া
অজ্ঞান হওয়া
খিঁচুনি হওয়া
বারবার কান্না করা বা শান্ত না হওয়া
হাঁটা বা নড়াচড়ায় অস্বাভাবিকতা
হাত-পা দুর্বল হয়ে যাওয়া
নাক বা কান দিয়ে রক্ত বা স্বচ্ছ পানি বের হওয়া
চোখের মণি দুইটির আকার ভিন্ন হয়ে যাওয়া
যদি বাচ্চা সঙ্গে সঙ্গে কেঁদে ওঠে, কিছুক্ষণ পর স্বাভাবিকভাবে খেলাধুলা করে, খাওয়া-দাওয়া করে এবং উপরের কোনো বিপজ্জনক লক্ষণ না থাকে, তাহলে সাধারণত গুরুতর আঘাতের সম্ভাবনা কম। তবুও ২৪–৪৮ ঘণ্টা নজরে রাখবেন।
I got over 100 reactions on my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉
08/07/2026
এ বছর খেয়েছেন আপুরা?
08/07/2026
ডায়াপার জিন্দাবাদ 🙃🙃
আসাঢ়ের বাদল😶🌫️
কৃত্রিম ঝর্ণা,,,,,,
#বর্ষা ,,
#বৃষ্টি
#ঝর্না
#বৃষ্টি
#বর্ষা
06/07/2026
আচ্ছা খেলা কি?
এটা উপভোগ করবি কর, কিন্তু এভাবে ভ্যাঁ ভ্যাঁ করে কান্নার কি আছে?
একজন মহিলা বাচ্চা কোলে নিয়ে কান্না করছে আর বলছে , দুইটা দেশ খেলতে এসে কেন হারছে
এত মানুষ তাদের জন্য কাঁদছে, তাদের কান্নার কি কোন দাম নেই?
এখন আমার কথা হলো ঐ আপাকে ,আপনাকে কি ওরা কান্না করতে বলছে,আপনি যে বাচ্চাটা কোলে নিয়ে কাঁদলেন তাতে বাচ্চার উপর কি প্রভাব ফেলেনি?
নিজের সন্তানকের চেয়ে কি খেলার জন্য আবেগ বেশি?
এই সস্তা আবেগ আসে কোথা থেকে??
খেলা হওয়া উচিত শরীর চর্চার জন্য আর বিনোদনের উপকরণ।
কিন্তু ইহুদিদের পাতানো ফাঁদে আপনারা নিজেদের যে ভাবে ভাসিয়ে দিচ্ছেন,তাতে বোঝা যায় দাজ্জালকে কতটা নিজের করে নিবেন । আল্লাহ আপনার আমার ঈমান মজবুত করুক। আমিন।
শেয়ার করতে পারেন,,,,,
04/07/2026
উপন্যাস: শেষ নিশ্বাসের প্রতিশ্রুতি
প্রথম পর্ব:
সেদিন আকাশটাও যেন অদ্ভুত নীরব ছিল। হাসপাতালের সাদা দেয়াল, ওষুধের গন্ধ আর মেশিনের ক্ষীণ শব্দের মাঝখানে শুয়ে ছিলেন নাজমা বেগম। চোখ দুটো গভীর হয়ে গেছে, কিন্তু সেই চোখে এখনো দুই ছেলের ভবিষ্যতের চিন্তা।
বড় ছেলে রাকিবের বয়স তখন দশ। ছোট ছেলে রিয়াদের মাত্র সাত।
মা কাঁপা হাতে দুই ছেলেকে কাছে ডাকলেন।
— "তোরা কখনো একে অপরকে ছেড়ে যাস না। পৃথিবীতে আপন ভাইয়ের মতো আপন আর কেউ হয় না।"
দুই ভাই কিছুই বুঝতে পারছিল না। তারা শুধু মায়ের হাত শক্ত করে ধরে কাঁদছিল।
হঠাৎ নাজমা বেগম তাঁর স্বামী করিমের দিকে তাকালেন।
— "ওদের দেখো... আমার ছেলেদের কষ্ট দিও না।"
করিম চোখের পানি লুকিয়ে বললেন,
— "তুমি এসব বলো না। তুমি ঠিক হয়ে যাবে।"
কিন্তু ভাগ্য তখন অন্য গল্প লিখছিল।
একটি দীর্ঘ নিশ্বাস...
তারপর নিস্তব্ধতা।
"মা..."
রাকিবের সেই আর্তচিৎকার হাসপাতালের করিডোর কাঁপিয়ে দিয়েছিল।
রিয়াদ মায়ের মুখে হাত দিয়ে বলছিল,
— "মা... ওঠো না... আমি আর দুষ্টুমি করব না..."
কিন্তু মৃত মানুষ আর কোনো উত্তর দেয় না।
দাফনের দিন দুই ভাই বুঝতেই পারেনি কেন সবাই কাঁদছে। কেন তাদের মাকে মাটির নিচে রেখে সবাই চলে আসছে।
সেই রাতেই ছোট রিয়াদ বাবাকে জিজ্ঞেস করেছিল,
— "বাবা, মা কখন বাড়ি আসবে?"
করিম কোনো উত্তর দিতে পারেননি। তিনি শুধু ছেলেকে বুকে জড়িয়ে ধরে কেঁদেছিলেন।
ছয় মাস না যেতেই আত্মীয়স্বজন বলতে শুরু করল,
"দুইটা ছোট ছেলে নিয়ে সংসার চলবে কীভাবে? বিয়ে করতেই হবে।"
অবশেষে করিম বিয়ে করলেন মৃত স্ত্রীর ছোট বোন রোকেয়াকে—যাকে দুই ভাই ছোটবেলা থেকে "খালা" বলেই চিনত।
প্রথম প্রথম রোকেয়া সত্যিই অনেক যত্ন করতেন। ছেলেদের মাথায় তেল দিতেন, স্কুলে পাঠাতেন, অসুস্থ হলে পাশে বসে থাকতেন।
দুই ভাইও ভাবতে শুরু করল—হয়তো আল্লাহ তাদের আবার একজন মা দিয়েছেন।
কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সব বদলে যেতে লাগল।
রোকেয়ার নিজের ছেলে-মেয়ে জন্ম নিল।
সংসারের কেন্দ্রবিন্দুও বদলে গেল।
একদিন করিম কাউকে কিছু না জানিয়ে নিজের জমি, বাজারের দোকান, শহরের বাড়ি—সম্পদের বড় একটি অংশ রোকেয়ার নামে লিখে দিলেন।
পাড়া-প্রতিবেশীরা ফিসফিস করতে লাগল।
"আগের ছেলেদের ভবিষ্যৎ কী হবে?"
করিম শুধু বলতেন,
— "আমি যা করছি, ভেবেচিন্তেই করছি।"
কিন্তু সেই সিদ্ধান্তের কথা কেউ জানতে পারল না—রাকিব আর রিয়াদ ছাড়া।
তাদের বুকের ভেতর প্রথমবারের মতো একটা প্রশ্ন জন্ম নিল—
"বাবার কাছে আমরা কি সত্যিই আগের মতোই আছি?"
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পার্থক্য আরও স্পষ্ট হতে লাগল।
রোকেয়ার ছেলে-মেয়েরা ভালো স্কুলে পড়ল। তাদের জন্য প্রাইভেট শিক্ষক এল। নতুন জামা, নতুন বই, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়—সবকিছু ঠিকঠাক চলল।
অন্যদিকে রাকিবের পড়াশোনা মাঝপথে থেমে গেল।
করিম বললেন,
— "সংসারে এত খরচ। তুই একটা গার্মেন্টসে চাকরি কর।"
রাকিব কিছু বলেনি।
চুপচাপ কাজে যোগ দিল।
সারাদিন কারখানায় কাজ করে রাতে ক্লান্ত শরীরে বই খুলে বসত। ঘুমের সঙ্গে যুদ্ধ করে পরীক্ষায় অংশ নিত।
অনেক বছর পর কষ্ট করে নিজের পড়াশোনা শেষ করল।
রিয়াদও খুব বেশি পড়ার সুযোগ পেল না। অল্প বয়সেই বিয়ে করে ছোট্ট একটি ব্যবসা শুরু করল। সংসার চলত টানাটানির মধ্যে।
তবু দুই ভাই কখনো বাবার বিরুদ্ধে উচ্চস্বরে কথা বলেনি।
কারণ তারা এখনো বাবাকে ভালোবাসত।
বাইরের মানুষ দেখলে ভাবত—
"কী সুন্দর সংসার! সবাই একসঙ্গে আছে।"
ঈদের দিন ছবি উঠত।
অতিথি এলে সবাই হাসিমুখে বসত।
রোকেয়া সবার সামনে বলতেন,
— "রাকিব-রিয়াদ আমার নিজের সন্তানের মতো।"
করিমও মাথা নাড়তেন।
কিন্তু সেই ভালোবাসা যেন দরজার বাইরের মানুষের জন্যই ছিল।
দুই ভাই বুঝে গিয়েছিল—
কিছু ভালোবাসা শুধু দেখানোর জন্য বেঁচে থাকে।
আর কিছু কষ্ট...
নীরবে বুকের ভেতরই কবর হয়ে যায়।
চলবে.
Mariam's story
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
