Diet Counseling Centre - DCC

Diet Counseling Centre - DCC

Share

WE ONLY TREAT ONE CLIENT AT A TIME, VERY PRIVATELY. ONLINE/OFFLINE COUNSELING+DIET PLAN+FOLLOW UP.

29/08/2026

আমরা প্রায়ই ফুটপাথের দোকানে সিঙ্গারা, পুরি, চপ, পেঁয়াজু কিংবা অন্যান্য খাবার খবরের কাগজের ওপর পরিবেশন করতে দেখি। স্বাস্থ্যগত দিক থেকে বিবেচনায় কতটা ঝুঁকিপূর্ণ- আপনি কী তা জানেন?

সবচেয়ে বড় বিষয় খবরের কাগজ বা প্রিন্টেড কাগজগুলো খাদ্যের সংস্পর্শে ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয় না। বিশেষ করে গরম, তেলযুক্ত বা ভেজা খাবার খবরের কাগজে রাখলে কাগজের কালি ও অন্যান্য রাসায়নিক উপাদান খাবারে চলে আসার আশঙ্কা আছে। গবেষণায়ও দেখা গেছে, প্রিন্টিং ইনক ও কাগজের বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদান খাদ্যে আসতে পারে।

প্রিন্টিং কালিতে বিভিন্ন ধরনের রঞ্জক, দ্রাবক, বাইন্ডার ও অন্যান্য রাসায়নিক উপাদান থাকে। শুধু তা-ই নয়, কিছু ক্ষেত্রে ভারী ধাতব বস্তু ও মিনারেল যা তেলজাতীয় খাবারকে দুষিত করতে পারে। তবে ঝুঁকির মাত্রা নির্ভর করে কালি, কাগজ, খাবারের ধরন এবং তৈরিকৃত খাবারের সংস্পর্শের সময়ের ওপর। বিশেষ করে তেলযুক্ত ও গরম খাবারে রাসায়নিক উপাদান স্থানান্তরের সম্ভাবনা বেশি থাকে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে খবরের কাগজ সাধারণত অনেক মানুষের হাত ঘুরে আসে। এতে ধুলোবালি, পরিবহন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের সংস্পর্শ থাকে। ফলে এই কাগজ, প্যাকেটগুলোতে ব্যাকটেরিয়া বা অন্যান্য জীবাণু থাকার আশংকা বেশি। এমন দূষিত কাগজ সরাসরি খাবারের সংস্পর্শে এলে খাদ্যদূষণ ও পেটের অসুস্থতাসহ ক্যান্সার থেকে শুরু করে লিভারের বিভিন্ন রোগ হওয়ার ঝুুঁকি অনেক বেশি।

সাধারণত গরম, তেলযুক্ত, ভাজাপোড়া এবং আর্দ্র খাবারে ঝুঁকি বেশি হতে পারে। যেমন: সিঙ্গারা, সমুচা, পুরি, পেঁয়াজু, চপ বা অন্যান্য ভাজা খাবারে ঝুঁকি বেশি।

সাধারণত একবার খবরের কাগজে খাবার খেলেই গুরুতর অসুস্থ হবে এমন কথা বলা ঠিক নয়। তবে বারবার এবং দীর্ঘ সময় ধরে অনুপযুক্ত খাদ্য-সংস্পর্শ উপাদানের মাধ্যমে রাসায়নিক বা জীবাণুর সংস্পর্শে আসা স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই প্রতিরোধমূলক দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই খাদ্য পরিবেশনে খবরের কাগজ ব্যবহার এড়িয়ে চলা উচিত।

এখানে বিক্রেতাদের উচিত খাদ্য পরিবেশনের জন্য অনুমোদিত ফুড-গ্রেড কাগজ, ওয়ান-টাইম কাগজের প্লেট-বাটি, পরিষ্কার প্লেট, আগের যুগের মতো কলাপাতা বা নিরাপদ খাদ্য-উপযোগী উপকরণ ব্যবহার করা।

আর আমরা ভোক্তা হিসেবে উচিত খাবার কেনার সময় শুধু খাবারের স্বাদ বা দামের দিকে না তাকিয়ে কীভাবে খাবারটি পরিবেশন করা হচ্ছে সেদিকে নজর দেয়া। অথবা খবরের কাগজ বা প্রিন্টেড সরাসরি রাখা খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। ছোট একটি সচেতন সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে পারে।

আমরা জানি পুরোনো খবরের কাগজ দিয়ে খাবার মোড়ানো, পরিবেশন করা বা ভাজা খাবারের অতিরিক্ত তেল শোষণ করা স্ট্রিট ফুড- খাদ্যনিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ অনুপযুক্ত বলে সতর্ক করেছে।

আসলে নিরাপদ খাবার নিশ্চিত করতে বিক্রেতা ও ভোক্তা দুই পক্ষের সচেতনতাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

02/08/2026

প্রতি বছর ১ আগস্ট থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ পালন করা হয়। এ বছরের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে- "মাতৃদুগ্ধপান অগ্রাধিকার দিন: টেকসই সহায়তা ব্যবস্থা তৈরি করুন,"। এই সপ্তাহের মূল উদ্দেশ্য হলো মাতৃদুগ্ধের গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং নবজাতক ও শিশুর সুস্থ বিকাশ নিশ্চিত করা। জন্মের পর প্রথম ছয় মাস শিশুকে শুধু মায়ের দুধ খাওয়ানো সবচেয়ে উপকারী, কারণ এতে শিশুর প্রয়োজনীয় সব পুষ্টি উপাদান, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা এবং সঠিক শারীরিক ও মানসিক বিকাশের সব উপাদান থাকে। মাতৃদুগ্ধ মায়ের স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী এবং মা ও শিশুর মধ্যে গভীর মানসিক বন্ধন গড়ে তোলে। তাই পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মায়েদের মাতৃদুগ্ধ পান করাতে উৎসাহিত করা এবং তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সুস্থ শিশু, সুস্থ পরিবার এবং সুস্থ জাতি গঠনে মাতৃদুগ্ধের কোনো বিকল্প নেই।
প্রতিটি কর্মক্ষেত্রে মাতৃদুগ্ধ খাওয়ানোর ব্যবস্থা করে দেয়া প্রাতিষ্ঠানিক দ্বায়িত্ব।

07/07/2026

শব্দদূষণ মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। জোরে শব্দের কারণে মানসিক চাপ বৃদ্ধি পায়, যা উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই অপ্রয়োজনীয়ভাবে লাউডস্পিকারে উচ্চ শব্দে গান শোনা এবং দীর্ঘ সময় ধরে কানে অতিরিক্ত জোরে ইয়ারফোন ব্যবহার করা উচিত নয়। সুস্থ থাকতে শব্দদূষণ এড়িয়ে শান্ত পরিবেশে থাকার অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন।

শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৭:৩০টা পর্যন্ত রোগী দেখা হয়। হোয়াটসঅ্যাপ 01912-013696

05/07/2026

যে খাবারগুলো রান্না ছাড়া খাওয়া হয় সেগুলোতে এনজাইম ও ভিটামিন বজায় থাকলেও রান্না করা খাবার হজমে সহজ হয় এবং রোগজীবাণু থাকে না। তাই এমন কোনো কথা নয় যে, সম্পূর্ণ কাঁচা বা রান্না করা ছাড়াই সবসময় খেতে হবে। বরং উভয়ের সমন্বয়ে খাবার গ্রহণ সবচেয়ে ভালো।

২ ধরণের খাবারেরই কিছু নিজস্ব গুণ রয়েছে। যেমন-
জীবন্ত বা কাঁচা খাবারে- প্রাকৃতিক এনজাইম বা পাচক রস থাকে। যা হজমে সহায়ক। যেসব ভিটামিনগুলো তাপে নষ্ট হয় অর্থাৎ ভিটামিন 'সি' এবং ভিটামিন 'বি' তা কাঁচা খেলে পুরোপুরি পাওয়া যায়। কাঁচা বা তাজা খাবারে প্রচুর পানি ও ফাইবার থাকে।

অন্যদিকে রান্না করা খাবারে- ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও পরজীবী ধ্বংস হয় বলে এতে ফুড পয়জনিং বা পেটের অসুখ কম হয়। রান্নার সময় তাপে উদ্ভিদের শক্ত আবরণ অর্থাৎ সেলুলোজ ভেঙে ফেলে। এতে আমাদের পাকস্থলী সহজে পুষ্টি শোষণ করতে পারে। যেমন- রান্না করা পালং শাকে কাঁচা পালং শাকের চেয়ে বেশি আয়রন থাকে। রান্নায় কিছু কিছু পুষ্টি বৃদ্ধি পায়। যেমন টমেটো রান্না করলে লাইকোপিন নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট অনেক বৃদ্ধি পায়।

04/07/2026

বর্তমান সময়ে ফাস্টফুড মানুষের খাদ্যাভ্যাসের একটি জনপ্রিয় অংশ হয়ে উঠেছে। তবে অতিরিক্ত ফাস্টফুড খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। ফাস্টফুডে সাধারণত অতিরিক্ত লবণ, চর্বি, চিনি থাকে, যা রক্তচাপ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অতিরিক্ত সোডিয়াম শরীরে পানি ধরে রাখে, ফলে রক্তনালির ওপর চাপ বৃদ্ধি পায় এবং হাইপারটেনশনের ঝুঁকি বেড়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ রক্তচাপ থাকলে হৃদরোগ, স্ট্রোক, কিডনির সমস্যা এবং অন্যান্য জটিল রোগের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। তাই সুস্থ থাকতে ফাস্টফুড কম খেয়ে তাজা ফল, শাকসবজি, সুষম খাদ্য গ্রহণ এবং নিয়মিত ব্যায়াম করার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত।
প্রকৃতিক খাবার, ফাস্টফুডের আদলে ঘরে তৈরি রান্না স্বাস্থ্যকর খাবারও উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন রোগী দেখা হয় সকার ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৭:৩০টা পর্যন্ত। হোয়াটসঅ্যাপ 01912-013696

See less

02/07/2026

নিজেদের সুস্থতা ও কর্মক্ষম জীবনযাপনের জন্য প্রতিদিন ১০ হাজার কদম হাঁটার অভ্যাস গড়ে তোলা অত্যন্ত উপকারী। আমরা জানি, নিয়মিত হাঁটলে হার্ট ভালো থাকে, শরীরের অতিরিক্ত ক্যালোরি ঝরে যায়, ওজন, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদি রোগের ঝুঁকি কমে এবং নিয়ন্ত্রণে থাকে। অনেকসময় ব্যস্ততার কারণে বাইরে হাঁটার সুযোগ না থাকলেও দিনে ৫ বার ৫ মিনিট করে স্পট জগিং বা স্পট মার্চপাস্টের মাধ্যমে সহজেই দৈনিক শারীরিক সক্রিয়তা বাড়ানো যায়। এতে শরীর সচল থাকে, রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি পায় এবং কর্মক্ষেত্রে ক্লান্তি ও অবসাদ কমে। তাই প্রতিদিন নিয়মিত হাঁটা বা বিকল্পভাবে স্পট জগিং ও স্পট মার্চপাস্টের অভ্যাস গড়ে তোলা সুস্থ জীবনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন। তবে, এ পদ্ধতিতে দিনে ৫ বার ৫ মিনিট স্পট জগিং বা স্পট মার্চপাস্ট করলে তা ১০ হাজার কদমের সমতুল্য নাও হতে পারে। এটি মূলত শারীরিক সক্রিয়তা বাড়ানোর একটি কার্যকর বিকল্প।

আমরা কাজ করি মানুষের ফুডহ্যাবিট ও লাইফস্টাইল অনুযায়ী সহজ সমাধানের মাধ্যমে।

শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৭:৩০টা পর্যন্ত রোগী দেখা হয়। আগে থেকে অ্যাপোয়েনমেন্ট নিতে হয়। ফোন 01912-013696

+

01/07/2026

আজকের প্রথম আলোতে প্রকাশিত লেখা। সুস্থতার পাতায়।

30/06/2026

যারা দিনের একটি দীর্ঘ সময় ডেস্কে বসে কাজ করেন, দেখা যায় খুব অল্প দিনেই তাদের কোমরের মাপ বেড়ে যায়। শুধু তাই নয় ওজনও বৃদ্ধি পেতে থাকে।

কর্মস্থলে দীর্ঘ সময় কাজ করার সময় সঠিকভাবে বসার অভ্যাস আমাদের কর্মক্ষমতা ও স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কাজের সময় পিঠ সোজা রেখে বসলে মেরুদণ্ডের ওপর অপ্রয়োজনীয় চাপ কমে। কোমর ও ঘাড়ের ব্যথা হওয়ার ঝুঁকিও হ্রাস পায়। পাশাপাশি মাঝে মাঝে শরীরকে হালকাভাবে ডান-বামে টুইস্ট বা মোচড় দিয়ে স্ট্রেচ করলে পেশির জড়তা দূর হয় এবং রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি পায়। কাঠের চেয়ারে বসে টুইস্ট করার সময় হঠাৎ জোরে মোচড় না দিয়ে ধীরে ও নিয়ন্ত্রিতভাবে করা উচিত। তবে রিভলভিং চেয়ারে লোয়ার পোরশান স্থির রেখে আপার পোরশান একবার ডানদিকে ঘুরিয়ে আবার বামদিক ঘুরিয়ে টুইস্ট করতে পারেন। এছাড়া প্রতি ৩০–৬০ মিনিট পরপর কয়েক মিনিট দাঁড়িয়ে থাকা অথবা জরুরি কাজগুলো নিজেই হেঁটে করলে শরীর সতেজ থাকে এবং কাজে মনোযোগ ও কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। তাই সুস্থ ও উৎপাদনশীল থাকতে কর্মস্থলে সঠিক ভঙ্গিতে বসা এবং নিয়মিত হালকা স্ট্রেচিং করার অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন।

ডায়েট কাউন্সেলিং সেন্টার সবসময় মানুষের ফুডহ্যাবিট ও লাইফস্টাইলের উপর ভিত্তি করে ডায়েট প্ল্যান দিয়ে থাকে। সাপ্লিমেন্ট ছাড়া শুধুমাত্র স্বাভাবিক খাবারের মাধ্যমে সুস্থ ও কাংক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানো যায়। আমরা সর্বদা আপনাদের সঙ্গেই আছি। আপনার সুস্থতা আমাদের কাম্য।

এপোয়েনমেন্টের জন্য ফোন নম্বর 01912-013696
See less

29/06/2026

রাতে লম্বা সময় ঘুমানোর পর সকালে আমাদের স্টমাকসহ অন্যান্য অর্গানগুলো সম্পূর্ণ তৈরি থাকে না। ধীরে ধীরে সচল হয়। ঠিক এ কারণে বেশিরভাগ সময় ঘুম থেকে ওঠার পর পর কিছু খাওয়া যায় না। অর্থাৎ স্টমাক খাদ্য হজমের জন্য তখনও তৈরি না। সকালে খালি পেটে পানি পান করলে পাকস্থলী বা স্টমাক তাৎক্ষণিকভাবে সচল ও পরিষ্কার হয় এবং এটি পরবর্তী খাবার হজমের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত হয়ে যায়।

পাকস্থলী বা স্টমাকের বেশ কিছু উপকারিতা রয়েছে। যেমন-
• রাতে দীর্ঘক্ষণ খালি পেটে থাকার কারণে পাকস্থলীতে যে অতিরিক্ত গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড জমা হয়, পানি তা পাতলা (dilute) বা নিষ্ক্রিয় করে দেয়। এর ফলে বুক জ্বালাপোড়া ও গ্যাসের সমস্যা কমে যায়।

• গবেষণায় দেখা গেছে, খালি পেটে এক গ্লাস পানি পানের মাত্র ১ মিনিটের মধ্যে পাকস্থলীর পিএইচ লেভেল ৪-এর ওপরে চলে যায়, যা ভেতরের অ্যাসিডিক পরিবেশকে দ্রুত শান্ত করে।

• পানি পাকস্থলীর ভেতরের আস্তরণকে আর্দ্র করে পাচক রস ও পিত্তরস (bile) উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে। যার জন্য সকালের নাশতা সহজে হজম হয়।

• প্রতিনিয়ত শরীরে যে টক্সিক উপাদান জমে থাকে বিশেষ করে আগের দিনের জমে থাকা খাবারের অবশিষ্টাংশ বা টক্সিন ধুয়ে মুছে শরীর থেকে মলের মাধ্যমে বের করে দেয়। এতে পাকস্থলী পরিষ্কার ও হালকা হয়ে যায়।

• পরিচ্ছন্ন ও আর্দ্র পাকস্থলী সকালের নাশতার খাবার থেকে ভিটামিন, মিনারেলসহ অন্যান্য পুষ্টি উপাদান অনেক বেশি দ্রুত এবং কার্যকরভাবে দেহে শোষণ করতে সক্ষম হয়।

তবে সকালে খালি পেটে খুব দ্রুত বা অতিরিক্ত বরফ ঠান্ডা পানি খাওয়া একেবারেই ঠিক নয়। এতে পাকস্থলীর পেশিতে হঠাৎ ক্র্যাম্প বা হালকা বমি ভাব হতে পারে। সবসময় ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রার বা হালকা কুসুম গরম পানি চুমুক দিয়ে ধীরে ধীরে পান করা স্বাস্থ্যসম্মত।

Category

Telephone

Address


28, Kazi Nazrul Islam Avenue, Navava Zohura Square, Banglamotor
Dhaka
1000

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 10:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 20:00
Friday 15:00 - 18:00
Saturday 10:00 - 20:00
Sunday 10:00 - 20:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Diet Counseling Centre - DCC posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Subscribe

We will notify you when anything happens in Dhaka.