Health Tips
This a page to give you the latest information, how to feet your body
পাউরুটি, বিস্কুট, কেক সহ সাদা আটার তৈরী যে কোন খাবার আপনার শরীতে তাৎক্ষনিক শক্তি দিলেও দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি করে।
সাদা আটা ছেড়ে লাল আটার খাবার খাওয়ার অভ্যেস করুন
প্রিয় ফলোয়ার্স, আমরা দীর্ঘদিন বিভিন্ন স্বাস্থ্য পরামর্শ দিয়ে আপনাদের উপকার করতে পেরেছি এতে আমরা অতিশয় আনন্দিত।
বিভিন্ন কারনে দীর্ঘদিন বিরতিতে থাকার পরে আমরা আবার ফিরতে যাচ্ছি শীঘ্রই।
নতুন করে, নতুন আঙ্গিকে ও প্রক্রিয়ায় বিশদভাবে বিনামূল্যে বিভিন্ন স্বাস্থ্য পরামর্শ, চিকিৎসা সহায়তা ও আরও নতুন কিছু এক্টিভিটি নিয়ে ফিরে আসতে যাচ্ছি।
আপনাদের সদয় মন্তব্য আশা করছি।
কেমন হওয়া উচিত গর্ভবতী মা এর খাবার?
‘মা হতে চলেছ, বেশি বেশি খাও’—এমন উপদেশ হরহামেশা শুনতে হয় হবু মাকে। কিন্তু কী খাবেন, আর কতটাই–বা খাবেন, সেই পরামর্শ কজন পান। অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর হয়তো খাবার খাচ্ছেন প্রচুর, ওজনও বাড়ছে ঠিকঠাক, কিন্তু রয়ে গেল পুষ্টির ঘাটতি। এ রকম যাতে না হয়, তার জন্য জেনে রাখতে হবে পুষ্টি উপাদান ও এগুলোর উত্স সম্পর্কে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিভাগের সাবেক জ্যেষ্ঠ পরামর্শক ইয়াসমীন রহমান জানালেন, গর্ভাবস্থায় মায়ের প্রয়োজন সুষম পুষ্টি। গর্ভধারণের প্রথম তিন মাস বাদ দিয়ে বাকি সময়টায় গড়ে অন্তত ১০ কেজি ওজন বাড়া প্রয়োজন। পুষ্টি নিশ্চিত করা আর ওজন বাড়ানোর জন্য বাড়তি খাবার তো খেতেই হবে। আগে হয়তো তিন বেলা খেতেন নিজের জন্য, অনাগত সন্তানের জন্য খেতে হবে আরও কমপক্ষে তিন বেলা। কিন্তু এ সময় খাবারের পর কারও হয়তো বমিভাব দেখা যায়। কেউ আবার ভোগেন হজমের সমস্যায়। শারীরিক অবস্থার বিবেচনা করে নিজের রুচি অনুযায়ী সারা দিনের খাবার ভাগ করে নিন।
রাজধানীর বারডেম জেনারেল হাসপাতালের খাদ্য ও পুষ্টি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও প্রধান পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ জানালেন, গর্ভাবস্থায় মা ও গর্ভের শিশুর সুস্থতা নির্ভর করে গর্ভধারণের পূর্বে মায়ের সার্বিক সুস্থতার ওপর। গর্ভের শিশুর ঠিকভাবে বেড়ে ওঠার জন্য এবং তার মস্তিস্কের স্বাভাবিকতার জন্য গর্ভাবস্থায় মায়ের পর্যাপ্ত পুষ্টি অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে। গর্ভকালীন সময়কে তিন ভাগে ভাগ করে সেই মতো মায়ের ক্যালরি গ্রহণের হিসাব ঠিক করতে হবে।
প্রথম তিন মাস
গর্ভধারণের পর প্রথম ১২ সপ্তাহ (তিন মাস) ভ্রূণের বৃদ্ধি খুব একটা হয় না, তবে অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গের গঠন হয় এ সময়। এটা তাই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ সময় মায়ের প্রয়োজন পর্যাপ্ত ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ। লোহা আর ফলিক অ্যাসিডের কথা বিশেষভাবে মনে রেখে লাল মাংস, কলিজা, কচুশাক, ডাঁটাশাক, আমলকী, গাঢ় লাল রঙের ফল (আনার) ও শাকসবজিসহ অন্যান্য টাটকা ফলমূল এবং শাকসবজিও খাবেন অবশ্যই। এ সময় মায়ের ওজন তেমন একটা বাড়ানোর প্রয়োজন হয় না। স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে দৈনিক মাত্র ১০ ক্যালরি বেশি খাবার গ্রহণ করাই যথেষ্ট।
১২ সপ্তাহের পরপর
গর্ভাবস্থার মধ্যবর্তী তিন মাসে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশ খানিকটা বাড়তি ক্যালরির প্রয়োজন হয়। দৈনিক ৩৪০ ক্যালরি বাড়তি গ্রহণ করতে হবে এ সময়। শেষ তিন মাসে এই বাড়তি পরিমাণটা হবে ৩৫০ ক্যালরি। ক্যালরির হিসাব ঠিক রাখতে গর্ভধারণের আগেই একজন পুষ্টিবিদের শরণাপন্ন হওয়া ভালো। জিংক ও ক্যালসিয়ামের চাহিদা বাড়ে ১২ সপ্তাহ পেরোনোর পর। দুধ ও দুধের তৈরি খাবার, ডিম ও ছোট মাছে ক্যালসিয়াম আছে পর্যাপ্ত।
খাবারের বৃত্তান্ত
ক্যালরির উত্স হিসেবে শুধু ভাত বা শর্করাজাতীয় খাবার খেলেই হবে না, আমিষজাতীয় খাবার পর্যাপ্ত পরিমাণে গ্রহণ করতে হবে। সাধারণভাবে মোট ক্যালরির অর্ধেকটা নিতে হবে শর্করা থেকে, এক–চতুর্থাংশ আমিষ থেকে, বাকি এক–চতুর্থাংশ নিতে হবে স্নেহজাতীয় খাবার থেকে। এক গ্রাম শর্করাজাতীয় খাবার থেকে ৪ ক্যালরি, এক গ্রাম আমিষজাতীয় খাবার থেকে ৪ ক্যালরি আর এক গ্রাম স্নেহজাতীয় খাবার থেকে ৯ ক্যালরি পাওয়া যায়। এটা মাথায় রেখে ক্যালরির হিসাব করতে হবে।
মাছ, মাংস, দুধ, ডিম, ডাল ও অন্যান্য বিচিজাতীয় খাবার আমিষের উত্স। প্রাণিজ উত্স থেকে পাওয়া আমিষ সবচেয়ে ভালো। তবে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রাণিজ আমিষ খেতে না পারলেও কয়েক ধরনের উদ্ভিজ্জ আমিষ গ্রহণ করুন (যেমন কয়েক ধরনের ডাল)। প্রতিদিন অন্তত ১টা ডিম এবং ২ বার দুধ খেতে পারলে খুবই ভালো।
সকালের নাশতার পর বেলা ১১টার দিকে হয়তো ফল খেলেন, স্ন্যাকসজাতীয় খাবার খেলেন। এভাবে মূল খাবারগুলোর কিছু না কিছু খেতে হবে। একবারে বেশি খেতে না পারলে বারবার অল্প করে খেতে হবে (৬ বারের বেশিও হতে পারে)। ফলমূল আর শাকসবজি পুরো সময়ই খেতে হবে পর্যাপ্ত পরিমাণে, ভিটামিন আর খনিজ উপাদান পেতে।
গর্ভে একাধিক সন্তান থাকলে অবশ্য পুষ্টির চাহিদা আরও বেড়ে যায়। আর মায়ের ডায়াবেটিস থাকলে চিনি, গুড়, মধু ও মিষ্টিজাতীয় খাবার বাদ দিয়ে অন্যান্য খাবার অবশ্যই পর্যাপ্ত পরিমাণে খেতে হবে, যাতে গর্ভের শিশুর পুষ্টি নিশ্চিত হয়। এ ক্ষেত্রে শর্করাজাতীয় খাবার থেকে মোট ক্যালরির এক–তৃতীয়াংশ নিতে হবে। আমিষের মোট পরিমাণ অন্যান্য গর্ভবতী মায়ের মতোই থাকবে।
বাদ দিতে হবে যা
অতিরিক্ত চা-কফি পান করা ঠিক নয়। একেবারে বাদ দিতে পারলে ভালো হয়। পান করলেও সারা দিনে তা হবে ২০০ মিলিলিটারের কম (সারা দিনে ১ চা-চামচের ৩ ভাগের এক ভাগের কম পরিমাণ চা বা কফি দিয়ে তৈরি পানীয় পান করা যাবে)। এ ছাড়া খেয়াল রাখতে হবে, চা-কফি অন্যান্য খাবারে থাকা আয়রন শোষণের হার কমিয়ে দেয়। তাই চা-কফি পান করলেও তা কোনো খাবার খাওয়ার ঠিক আগে, খাওয়ার সঙ্গে বা খাওয়ার পরপরই নয়। আধঘণ্টা সময়ের ব্যবধান রেখে অন্য খাবারের আগে বা পরে খাওয়া যাবে।
অবশ্যই পান-সুপারি, জর্দা, সাদাপাতা, খয়ের, অ্যালকোহল এড়িয়ে চলতে হবে। ডায়াবেটিক চিনি হিসেবে পরিচিত বিশেষ ধরনের যে চিনি কিনতে পাওয়া যায়, গর্ভাবস্থায় তা খাবেন না। বড় আকারের সামুদ্রিক মাছও এ সময় খাবেন না। এসব বিধিনিষেধ গর্ভকালীন পুরো সময়টাতেই মেনে চলতে পারলে ভালো। নিদেনপক্ষে প্রথম ৩ মাস তো অবশ্যপালনীয়।
সূত্রঃ প্রথম আলো
ধূমপায়ীরা অধূমপায়ীদের থেকে কম যৌনশক্তি সম্পন্ন হয়
31/12/2018
শীতকালের একটি সাধারন সমস্যা। একটি ছোট্ট কিন্তু কার্যকরী সমাধান
04/02/2018
ফলের রাজা আম, স্বাদ ও গুণের অনন্যতায় এমন খেতাব ফলটির। আম পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন। পাকা হোক বা কাঁচা আম সবারই প্রিয় ফল। সুস্বাধু ও রসালো এই ফলটির স্বাস্থ্যকর উপকারীতা কম-বেশি সবাই জানি। কিন্তু রসালো এই ফলটির পাশাপাশি এর পাতাও বেশ উপকারী!
সম্প্রতি বিশেষজ্ঞরা দাবি করেছেন, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে প্রাচীনকাল থেকেই এ পাতার ব্যবহার হয়ে আসছে। গবেষণায় দেখা গেছে, কচি আমপাতায় ট্যানিনস নামক অ্যান্থোসায়ানিডিন থাকে, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বেশ উপকারী। এ পাতা শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ও হাইপারগ্লাইসেমিয়া কমাতে সাহায্য করে।
এছাড়া আমের পাতা উচ্চ রক্তচাপ হাঁপানি, ব্রংকাইটিস, স্থায়ীভাবে স্ফিত বা বর্ধিত শিরা, উদ্বিগ্নতা, অনিদ্রা, জ্বর, ডায়রিয়া ও ক্লান্তি দূর করার মহৌষধ হিসেবে প্রমাণিত।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আমপাতার চা কীভাবে তৈরি করবেন, তার প্রস্তুত প্রণালী দেওয়া হল-
উপকরণ: ১১-১২টি কচি আমপাতা ও দেড় গ্লাস পানি।
প্রস্তুত প্রণালী: প্রথমে আমপাতাগুলো ধুয়ে নিন। এরপর একটি পাত্রে দেড় গ্লাস পানি ঢেলে চুলায় ফুটতে দিন। এর ৫ মিনিট পর আমপাতাগুলো ওই পানিতে দিয়ে ১৫ মিনিট হালকা আঁচে ফুটতে দিন। এরপর চুলা বন্ধ করে সারা রাত এই মিশ্রণটি ঢেকে রাখুন।
পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠেই খালি পেটে আমপাতার চা পান করুন। এই পানীয়টি এক মাস একটানা পান করতে হবে। তাহলে দেখবেন ডায়াবেটিস সব সময় আপনার নিয়ন্ত্রণেই থাকছে। এর সঙ্গে আপনার মেজাজও থাকবে চনমনে।
সূত্র: বি.ডি প্রতিদিন
19/01/2017
শীতেও কোমল ঠোঁট পেতে চাইলে যা করবেনঃ
কোমল ঠোঁট: শীতে ঠোঁট ফেটে যাওয়া, চামড়া ওঠা সাধারণ ব্যাপার। এর ফলে ঠোঁটের স্বাভাবিক কোমলতা নষ্ট হয়ে যায়। এসব সমস্যা সমাধানে বাজারে পাওয়া যায় নানা ধরনের লিপজেল, চ্যাপস্টিক, লিপগ্লস ইত্যাদি। তবে এসব ঠোঁটের জন্য কতটা উপকারী? কিভাবে শীতের রুক্ষ আবহাওয়াতেও ঠোঁটকে কোমল রাখা যায়। আসুন দেখে নিই এক নজরে।
ঠোটের বিশেষ যত্ন:
দুধ, মধু ও গোলাপের পাপড়ির পেস্ট তৈরি করে রাতে ঠোঁটে লাগিয়ে ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে লিপজেল লাগান। এই ম্যাসাজ এক দিন পর পর করা ভালো। এতে ঠোঁট নরম ও কোমল থাকবে। তৈরি করে ফ্রিজে রেখে দেওয়া যায়।
এ ছাড়া শীতে ঠোঁটের কোমলতা ধরে রাখতে যা করতে পারেন:
* গোসলের আগে অলিভ অয়েল ব্যবহার করতে হবে।
* শীতে ঠোঁটের জন্য সবচেয়ে উপকারী হচ্ছে গ্লিসারিন ব্যবহার।
* কিছুক্ষণ পর পর চ্যাপস্টিক ব্যবহার করতে হবে। লিপজেলও ব্যবহার করতে পারেন।
* পার্টিতে লিপস্টিক ব্যবহার করলে অবশ্যই তার ওপর লিপগ্লস ব্যবহার করতে হবে।
* বাজারে কিছু কালার চ্যাপস্টিক পাওয়া যায়। পার্টিতে কালার চ্যাপস্টিক ব্যবহার করলেও তার সঙ্গে লিপগ্লস ব্যবহার করতে হবে। না হলে মেকআপের টানে এবং শীতের রুক্ষতায় ঠোঁট শুকিয়ে যাবে।
* শীতে ঠোঁটের কোমলতার জন্য চ্যাপস্টিক, লিপজেল, অলিভ অয়েল, গ্লিসারিন, লিপগ্লস ইত্যাদি যা-ই ব্যবহার করা হোক না কেন, তা যেন অবশ্যই ভালো ব্র্যান্ডের হয়।
* কখনোই নিজে নিজে চামড়া ওঠানো যাবে না। এতে ঠোঁট থেকে রক্ত ঝরা শুরু হবে এবং ফাটা দাগ বসে যেতে পারে। চ্যাপস্টিক, লিপজেল ইত্যাদি ব্যবহারের ফলে ঠোঁটের ফাটা চামড়া নরম হয়ে এমনিতেই উঠে যাবে।
* প্রতি রাতে বিট অথবা লেবুর রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে লাগালে কালো দাগ দূর হতে পারে।
* ঠোঁটে ন্যাচারাল ময়েশ্চারাইজার হিসেবে মাখন লাগানো যেতে পারে, যা ত্বক ফাটা দূর করে ও নরম রাখে।
শুষ্ক ঠোঁটের প্রতিকার
* ভালো মানের লিপস্টিক অনেক সময় ঠোঁটের শুষ্কতা দূর করে। এ ক্ষেত্রে লিপস্টিকের উপাদান সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে।
* টুথপেস্টের কারণেও অনেক সময় ঠোঁট শুষ্ক হয়ে যায়। এ রকম হলে টুথপেস্ট বদলে ফেলুন। সাদা রঙের টুথপেস্ট সাধারণত ঠোঁটের জন্য ভালো ।
* সাবান ও ফেসওয়াশ ঠোঁটে লাগাবেন না।
* সূর্যমুখীর তেল শুষ্ক ঠোঁটের জন্য ভালো। এটি দিনে কয়েকবার ব্যবহার করতে পারেন। রাতে ভ্যাসলিন লাগাতে ভুলবেন না।
* শুষ্ক ঠোঁটে কখনোই ম্যাট লিপস্টিক লাগাবেন না।
* ঠোঁটের লিপস্টিক তুলতে তুলায় ভ্যাসলিন লাগিয়ে আলতো করে ঘষুন
ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন? দেখে নিন নিয়মগুলো একবার, কাজে লাগবে:
ঘুম না আসা খুবই যন্ত্রণাকর একটি ব্যাপার। দেখে নিন দ্রত ঘুমিয়ে পড়ার পৃথিবীখ্যাত সবচাইতে ভাল কৌশলগুলোঃ
Health Tips || স্বাস্থ্য পরামর্শ: দ্রুত ঘুমিয়ে পড়ার দারুন কৌশল
চোখ মানুষের জীবনের অমূল্য সম্পদ। দু চোখ বন্ধ করে একবার ভেবে দেখুন তো, চোখ না থাকলে কেমন লাগত? মানবদেহের এই অমূল্য সম্পদ, চোখের যত্ন নিতে পড়ুনঃ
22/04/2016
ধুমপায়ী ছাত্ররা মেডিকেলে পড়তে পারবে না? আপনার মতামত কি? বিস্তারিত পড়ুন:
Health Tips || স্বাস্থ্য পরামর্শ: ধূমপায়ীরা মেডিক্যাল কলেজে পড়তে পারবে না
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Address
Gulshan
Dhaka
1213
