Exclusive Beauty Tips
Exclusive beauty tips provide you many hidden beauty tips and tricks.
14/08/2015
দাগহীন নিখুঁত সুন্দর ত্বক পেতে ঘরেই করে নিন ‘ফ্লাওয়ার ফেসিয়াল’
‘ফ্লাওয়ার ফেসিয়াল যেটা মূলত ফুলের পাপড়ি দিয়ে করা হয় সেটি অনায়েসে ঘরেই করে নেয়া সম্ভব, এতে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায় এবং ত্বকের দাগ মিলিয়ে যেতে সাহায্য করে’। আজকে চলুন জেনে নেয়া যাক ঘরে বসেই কীভাবে ফ্লাওয়ার ফেসিয়াল করবেন তার দারুণ পদ্ধতিটি।
১) প্রথম ধাপ
ফেসিয়ালের প্রথম ধাপ হচ্ছে প্রথমেই মুখ খুব ভালো করে ধুয়ে নিন। এবং খানিকক্ষণ ময়েসচারাইজার ক্রিম দিয়ে মুখ, গলা এবং ঘাড়ের ত্বক ভালো করে ম্যাসেজ করে ফেসিয়ালের জন্য প্রস্তুত করে ফেলুন। এরপর একটি ভেজা কাপড় দিয়ে ক্রিম ভালো করে ত্বক থেকে মুছে নিন।
২) দ্বিতীয় ধাপ
এরপর একটি ব্ল্যাকহেডস ও হোয়াইট হেডস রিমুভার পিন দিয়ে কিংবা একটি ববি পিনের পেছনের অংশ দিয়ে নাকের পাশে এবং নাক ও থুঁতনির দিকের অংশ থেকে ব্ল্যাকহেডস ও হোয়াইট হেডস তুলে ফেলুন।
৩) তৃতীয় ধাপ
দ্বিতীয় ধাপের পর পালা ত্বক স্ক্রাব করে নেয়ার। এক্ষেত্রে ত্বক আপনার পছন্দের নামী কোনো ব্র্যান্ডের স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়াও হারবাল স্ক্রাব ব্যবহার করতে চাইলে চালের গুঁড়ো মধু ও দুধ মিশিয়ে পেস্টের মতো তৈরি করে তা দিয়ে ত্বক অল্প ম্যাসেজ করে ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ত্বক ভালো করে ধুয়ে স্ক্রাব তুলে নিন।
৪) চতুর্থ ধাপ
এরপর ফেসিয়াল প্যাকটি ত্বকে লাগানোর সময়। প্যাকটি তৈরি করুন ৮-১০ টি গোলাপের পাপড়ি, ২ টেবিল চামচ গোলাপজল, আধা চা চামচ রোজ এসেনশিয়াল অয়েল (তৈলাক্ত ত্বক হলে এটি বাদ দিন) ও ৩ টেবিল চামচ মধু। গোলাপের পাপড়ি ২ ঘণ্টা গোলাপজলে ডুবিয়ে রেখে ভালো করে বেটে নিন এবং বাকি উপকরণ ভালো করে মিশিয়ে প্যাকটি তৈরি করে ২০ মিনিট ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে ফেলুন। এই প্যাক ত্বকে লাগান এবং ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ত্বক হালকা মাস্যাজ ভালো করে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে মুছে ফেলুন।
৫) পঞ্চম ধাপ
প্যাকটি খুবই ভালো করে তুলে নেবেন এবং ত্বক ধুয়ে মুছে ফেলবেন। এবং এরপর একটি তুলোর বলে টোনার লাগিয়ে পুরো ত্বকে বুলিয়ে নিন। ব্যস, হয়ে গেলো আপনার ফ্লাওয়ার ফেসিয়াল।
‘অনেকের ত্বক গোলাপের পাপড়িতে সেনসিটিভ হতে পারে, তাই ত্বকের ব্যাপারে প্রথমে নিশ্চিত হয়ে নিন এবং তারপরই এই ফেসিয়ালটি করুন। এছাড়াও অন্য ফুলের পাপড়ি যেটা আপনার ত্বকে স্যুট করবে তা দিয়েও এই ফেসিয়াল করতে পারেন’।
12/08/2015
মুখের ত্বক টানটান করে তুলতে এই ৫টি প্যাক
ত্বকের নমনীয়তা এবং সৌন্দর্য ধরে রাখতে ত্বকের ইলাস্টিসিটি বাড়ানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর ত্বককে টান টান করার জন্য আমাদের কোন দামী প্রসাধনীর প্রয়োজন নেই। এর সমাধান রয়েছে আমাদের ঘরেই।
এখানে কয়েকটি ঘরোয়া ফেস মাস্ক দেয়া হলো যা ত্বকের বলিরেখা কমিয়ে ত্বককে সতেজ করার পাশাপাশি ত্বকের পেশীকে করবে টান টান।
চালের গুঁড়ো এবং পেঁপের মাস্ক
এই মাস্কটি তৈরি করতে প্রয়োজন হবে পাকা পেঁপে, চালের গুঁড়ো এবং মধু। প্রথমে একটি পরিষ্কার পাত্রে পাকা পেঁপে খুব ভালো করে চটকে নিতে হবে। তাতে এক টেবিল চামচ চালের গুঁড়ো নিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এবার এর সাথে ৩ টেবিল চামচ মধু দিয়ে খুব ভালো করে মিশিয়ে এই মাস্কটি পুরো মুখে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। তারপর ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। পেঁপেতে থাকা পাপাইন নামক উপাদানটি ত্বকের ভাঁজ ও চামড়া ঝুলে পরা প্রতিরোধ করে।
ব্লুবেরি ও মধুর মাস্ক
ত্বকের ধরন ভালো করতে এবং বলিরেখা কমাতে ব্লুবেরি খুবই উপকারী। এক মুঠো ব্লুবেরি নিয়ে ব্লেন্ড করে একটি মসৃন পেস্ট তৈরি করুন। তারপর আগে সামান্য মধু দিয়ে পুরো মুখে মেখে নিয়ে তার উপর ব্লুবেরি পেস্ট লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকার ফলে নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক হবে উজ্জ্বল এবং টান টান।
ডিম এবং অ্যালোভেরা ফেসপ্যাক
ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া প্রতিরোধে অ্যালোভেরা ও ডিম চমৎকার কাজ করে। ডিমের সাদা অংশ নিয়ে বিট করে এতে কিছুটা অ্যালোভেরার জেল মিশিয়ে আবার বিট করে মসৃণ আর ফ্লাপি একটা পেস্ট তৈরি করুন। তারপর একটি ব্রাশ দিয়ে মুখের নিচের দিক থেকে উপরের দিকে লাগান। মুখের প্যাকটি শুকিয়ে গেলে তুলা নিয়ে পানিতে ভিজিয়ে নিয়ে ঠিক আগের মতই নিচের দিক থেকে উপরের দিকে দিয়ে প্যাকটি তুলে ফেলুন। এটি মুখের শুষ্কতা, বলিরেখা, ত্বকের ভাঁজ দূর করে ত্বকের উজ্জলতা ও ইলাস্টিসিটি ফিরিয়ে আনবে।
কলা এবং হুইপক্রিম
যেকোনো ধরনের ত্বকের জন্য কলা হচ্ছে চমৎকার একটি মাস্ক। তাই এই মাস্কটি তৈরি করার জন্য আপনার প্রয়োজন হবে কলা এবং হুইপ ক্রিম। কলা চটকে নিতে হুইপ ক্রিমের সাথে মিশিয়ে নিতে হবে। আপনি চাইলে এর সাথে একটি ভিটামিন ই ক্যাপসুল মিশিয়ে নিতে পারেন ত্বকের জন্য প্যাকটিকে শক্তিশালী করতে। পুরো মুখে এটা লাগিয়ে শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তারপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। প্রাকৃতিক ভাবেই আপনার ত্বককে করবে পুনর্গঠিত এই ঘরোয়া মাস্কটি।
শশা এবং ডিমের সাদা অংশ
এই প্যাকটি তৈরি করতে আপনার প্রয়োজন হবে ঠাণ্ডা শশা ও ডিমের সাদা অংশ। প্রথমে কিছুটা শশা নিয়ে খোসা ফেলে দিয়ে ব্লেন্ড করতে হবে মসৃণ না হওয়া পর্যন্ত তারপর এর সাথে একটি ডিমের সাদা অংশ এবং ১ চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে মুখের নিচের অংশ থেকে উপরের দিকে অর্থাৎ থুতনির নিচ থেকে গালের উপরের দিকে ম্যাসেজ করুন কিছুক্ষন এবং ২০ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি আপনার মুখের ঝুলে যাওয়া ত্বককে দৃঢ় করতে সাহায্য করবে।
এই প্যাকগুলো ব্যবহার করার সাথে সাথে নিয়মিত ভাবে অলিভ অয়েল বা অন্য যেকোনো ভিটামিন ই সমৃদ্ধ তেল দিয়ে মুখে ম্যাসেজ করুন। তবে অবশ্যই সঠিক পদ্ধতিতে ম্যাসেজ করবেন তা নাহলে বিপরীত ফল হতে পারে। সঠিক ভাবে এই মাস্কগুলোর ব্যবহারের মাধ্যমেই আপনি পেতে পারেন আপনার কাঙ্ক্ষিত নিখুঁত ও টান টান ত্বক। নিয়মিত ব্যবহারে আপনিও হয়ে উঠতে পারেন বলিরেখা মুক্ত তারুণ্য উজ্জ্বল ত্বকের অধিকারী।
09/08/2015
দূর করে দিন ব্ল্যাকহেডসের যন্ত্রণা!
ব্ল্যাকহেডসের যন্ত্রণা সত্যিই খুবই বিরক্তিকর। নাক এবং নাকের আশেপাশের ছোট ছোট কালচে দানা পুরো চেহারার মাধুর্যটাই নষ্ট করে দিতে পারে। সাধারণ ব্ল্যাকহেডস থেকেই ব্রণ এবং ত্বকের ইনফেকশনের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই ব্ল্যাকহেডস অবহেলা না করে যতোটা সম্ভব দূর করে দেয়াই ভালো। ঘরে বসে একটি দারুণ উপায়ে মাত্র ২ টি উপাদানেই খুব সহজে দূর করতে পারবেন এই ব্ল্যাকহেডসের যন্ত্রণা।
যা যা লাগবে
- ডিমের সাদা অংশ
- ১ চা চামচ লেবুর রস
পদ্ধতি
- ডিমের সাদা অংশ থেকে ডিমের কুসুম সরিয়ে নিন। ডিমের কুসুম যেনো না থাকে সেদিকে নজর রাখবেন।
- এরপর খুব ভালো করে বিট করে ফেনা তৈরি করে মসৃণ মিশ্রণ তৈরি করে ফেলুন। এতে দিন লেবুর রস।
- ভালো করে মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে নিন। এটিই দূর করবে ব্ল্যাকহেডসের সমস্যা।
ব্যবহারবিধি
- প্রথমে খুব ভালো করে মুখ ধুয়ে নিন। এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। এতে ত্বকের পোরসগুলো একটু বড় হবে।
- এরপর নাকের উপরে এবং নাকের পাশে মিশ্রণটি ভালো করে লাগিয়ে নিন। প্রয়োজনে ব্রাশ দিয়ে লাগিয়ে নিন।
- ২০ মিনিট এভাবেই লাগিয়ে রাখুন। ২০ মিনিট পর সাবধানে তুলে ফেলুন মিশ্রণটি লাকের উপর থেকে।
- এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে আবার মুখ ভালো ভাবে ধুয়ে ফেলুন। ব্যস, দেখবেন ব্ল্যাকহেডস খুবই দ্রুত দূর হয়ে গিয়েছে।
05/08/2015
চেহারা থেকে বয়সের ছাপ মুছে ফেলবে ৭টি জাদুকরী ফেসপ্যাক!
বয়স সবাই ধরে রাখতে চায়। কিন্তু আজ হোক বা কাল, বয়স বাড়বেই। আর বয়স বাড়ার সাথে সাথে প্রকৃতিকভাবে তার ছাপ চেহারায় পড়বেই পড়বে। চোখের নিচে ভাঁজ, বলি রেখা, ত্বক ঝুলে যাওয়া এগুলো বয়সের ছাপের লক্ষণ। আজ জেনে নিই বয়সের ছাপ দূরে করার প্রাকৃতিক কিছু উপায়।
১) শসার প্যাক
শসাতে সিলিকা নামক একটি উপাদান আছে যা ত্বকের চামড়া ঝুলে যাওয়া রোধ করতে সাহায্য করে । ৩ চা চামচ শসার পেষ্ট, ১ চা চামচ ডিমের সাদা অংশ, ২ চা চামচ লেবুর রস, ২ চা চামচ পুদিনা পাতার রস, পর্যাপ্ত পরিমাণে আপেলের পেষ্ট দিয়ে একটি প্যাক তৈরি করুন। প্যাকটি সারা মুখে লাগান। ২০ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
২) দুধ এবং কোকো পাউডার
২ টেবিলচামচ কোকো পাউডার এবং ১ টেবিল চামচ দুধ মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করে নিন। ভালোভাবে মুখে লাগান। শুকানোর জন্য ৫-১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দুধ এবং কোকো পাউডারের প্যাকটি ত্বকের বলিরেখা দূর করে ত্বককে করবে মসৃণ এবং উজ্জ্বল।
৩) কলার প্যাক
কলাতে এমন কিছু উপাদান আছে যা বয়সের ছাপ দূর করে থাকে। মাঝারি আকারের একটি কলার পেষ্ট, ১ টেবিল চামচ মধু, ১ টেবিল চামচ ক্রিম দিয়ে একটি প্যাক তৈরি করুন। প্যাকটি মুখে, ঘাড়ে ভালভাবে লাগান। ৩০ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
৪) আলুর প্যাক
১ টি আলুর পেষ্ট, ২ টেবিল চা চামচ আপেলের পেষ্ট দিয়ে একটি প্যাক তৈরি করে নিন। প্যাকটি ভালো ভাবে ঘাড়, মুখে লাগান। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি ত্বককে ন্যাচারাল গ্লো দেয় এবং নিস্তেজ ত্বককে উজ্জ্বল করে থাকে।
৫) ডিম এবং মধুর প্যাক
২ টেবিল চামচ ডিমের সাদা অংশ, ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। মুখে মেখে প্যাকটি শুকানোর জন্য ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে কুসুম গরম পান দিয়ে মখ ধুয়ে ফেলুন। ডিমের গন্ধ দূর করার জন্য কয়েক ফোঁটা এসেন্সিয়াল অয়েল ব্যবহার করতে পারেন।
৬) পেঁপে এবং টক দই
২ টেবিল চামচ পেঁপের পেষ্ট এবং ২ টেবিলচামচ টক দই মিশিয়ে একটি পেষ্ট তৈরি করে নিন। ২০ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। পেঁপে ত্বকের মৃত কোষ দূর করে থাকে।
৭) ওটমিল এবং মধুর প্যাক
সমপরিমাণ মধু এংব ওটমিল মিশিয়ে নিন। মুখে ভাল ভাবে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
04/08/2015
নষ্ট হয়ে যাওয়া চুলকে ঘন ও কালো করে তোলার সম্পূর্ণ নতুন একটি পদ্ধতি!
চুল মেয়েদের সোন্দর্যের অন্যতম অংশ। লম্বা, কালো, ঘন চুল কে না পছন্দ করে! আসুন জেনে নেই চুল ঘন কালো করার জাদুকরী সেই উপায়টি।
যা যা লাগবে
• ২ টেবিল চামচ ইউক্যালিপটাস তেল
• ২ টেবিল চামচ লবঙ্গ এর তেল
• ১০ টেবিল চামচ খাঁটি নারকেল তেল
যা করবেন
ইউক্যালিপটাস তেল, লবঙ্গ এর তেল, খাঁটি নারকেল তেল মিশিয়ে একটি তেল তৈরি করুন। আপনি তেলটি একটি বোতলে সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন।
• তেলটি মাথায় খুব ভাল করে ম্যাসেজ করুন।
• ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। সবচেয়ে ভাল হয় সারারাত মাথায় তেল রেখে দেওয়া।
• এরপর শ্যাম্পু করে ফেলুন। শ্যাম্পু করার পর কন্ডিশনার ব্যবহার করতে ভুলবেন না।
• ভাল ফল পেতে সপ্তাহে ২ থেকে ৩ বার ব্যবহার করুন।
কীভাবে কাজ করে?
ইউক্যালিপটাস তেল এবং লবঙ্গ এর তেল মাথার তালুর রক্ত চলাচল সক্রিয় করে চুলের গোঁড়া মজবুত করে থাকে। চুলকে ঘন করার পাশাপাশি চুল পড়া রোধ করে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে থাকে।
অনেকসময় ইউক্যালিপটাস তেল এবং লবঙ্গ তেল ব্যবহারে আপনার ত্বকে জ্বালাপোড়ার অনুভূতি হতে পারে। সেক্ষেত্রে সমপরিমাণ ইউক্যালিপটাস তেল এবং লবঙ্গ এর তেলের সাথে ১৫ গুন বেশী পরিমাণে নারকেল তেল মিশিয়ে নিতে হবে।
কোথায় পাবেন?
ইউক্যালিপটাস তেল আমাদের আশেপাশের দোকানে পাওয়া যাবে না। এটি পাওয়ার জন্য যে কোন বড় বিদেশি সুপারশোপ গুলোতে খোঁজ করে দেখতে পারেন। সম্ভব হলে বিদেশ থেকে আনিয়ে নিতে পারেন এই তেলটি।
লবঙ্গের তেল আপনি ঘরেই তৈরি করতে পারেন। কয়েকটি লবঙ্গ নিয়ে গুঁড়ো করে নিন। ১ টেবিল চামচ লবঙ্গের গুঁড়ার সাথে ১/২ কাপ অলিভ ওয়েল মিশিয়ে চুলায় জ্বাল দিন। তেল ঘন হয়ে আসলে নামিয়ে ঠাণ্ডা করে ব্যবহার করুন।
03/08/2015
চোখের নিচের কালো দাগ সরাতে কয়েকটি টিপস
খোসাসহ আলু বেঁটে চোখের নিচে লাগাতে হবে। তিন চার দিন এই পেস্টটি ব্যবহার করুন। চোখের নিচে কালো দাগ দূর হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ। তবে সাবধান রান্না ঘরের শিলপাটা দিয়ে বাটতে হলে দেখে নিন আগে মরিচ বাটা হয়েছে কি না!
হাতের তর্জনি আঙ্গুলে দু’ফোটা মুধু নিয়ে চোখের চারপাশে ধীরে ধীরে লাগান। কিছুক্ষণ পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটা চোখের উপরের চামরার রোদে পোড়া ভাব দূর করতে সাহায্য করে।
শশা এবং আলু স্লাইস করে কেটে নিন। প্রথমে চোখ বন্ধ করে উপরে দুই টুকরো শশা লাগান। এভাবে ২০ মিনিট রাখুন। এবার একইভাবে আলুর স্লাইস চোখের উপর লাগান। অথবা শশা এবং আলু ব্লেন্ড করে নিন। দু’টুকরো তুলা নিন। এবার ব্লেন্ড করা রস তুলাতে নিয়ে চোখে লাগাতে পারেন। এভাবে ১৫ – ২০ মিনিট রাখুন। সপ্তহে অন্তত তিনদিন এটা করুন। আপনি নিজেই এর কারিশমা বুঝতে পারবেন।
পুদিনা পাতার রস চোখের নিচে কালো দাগ দূর করতে সাহায্য করে। পুদিনা পাতার রস তুলাতে করে চোখের যে অংশে কালো দাগ আছে সেখানে লাগান। সাবধান থাকবেন যেন কোনভাবেই এই রস চোখের ভেতরে প্রবেশ না করে।
গোলাপজল ব্যবহার করতে পারেন। প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে তুলার মধ্যে দু ফোটা গোলাপজল নিয়ে চোখের চার পাশে লাগান। এভাবে ১৫ মিনিট ম্যাসেজ করেন। দেখবেন চোখে কমলতা ফিরে আসবে আর ক্লান্তি ভাব দূর হয়ে যাবে।
এক টুকরো বরফ নিয়ে চোখের চারপাশে ধীরে ধীরে লাগান। চোখের কালো ভাব দূর করতে বরফ আসাধারণ কাজ করে।
বাসায় অবসর সময়ে কচি শশা পেস্ট করে চোখের নিচে দিয়ে মাত্র ১০ মিনিট চিৎ হয়ে শুয়ে থাকুন।
কমলার রসের সাথে দুই-এক ফোঁটা গ্লিসারিন মিশিয়ে চোখের নিচে লাগান। এটা কালো দাগ দূর করার পাশাপাশি চোখকে আরো উজ্জ্বল করে তোলে।
ঘুমাতে যাওয়ার আগে চোখ বন্ধ করে চারপাশে বাদামের তেল দিয়ে ম্যাসেজ করুন। এটা চোখের নিচে কালো দাগ তুলতে খুব ভল কাজ করে। এছাড়া চোখের চামরা কুচকানোও দূর করে।
টি ব্যাগ ব্যবহারের পর ফ্রিজে রেখে দিন। ঠান্ডা হলে বের করে চোখ বন্ধ করে ১০ মিনিটের জন্য রেখে দিন। প্রতিদিন ব্যবহারে আপনার চোখের নিচের কালো দাগ দূর হবে।
দিনে দুবার করে টম্যাটো আর লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে ডার্ক সার্কেলের উপর লাগান।খুব তাড়াতাড়ি ফল পাবেন।
৫টি আমন্ড বাদাম অল্প একটু দুধ দিয়ে বাটুন।তারপর ক্ষতিগ্র্স্ত-তে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন।এক সপ্তাহ রোজ লাগালেই ফল দেখতে পাবেন।
আনারসের রস আর একটু হলুদ গুঁড়ো দিয়ে একটি পেস্ট বানান,১০ মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন।
রাতে শোয়ার আগে চোখের চারপাশে ভিটামিন ই এবং সি সমৃদ্ধ ক্রিম লাগান।
02/08/2015
মুখের মেদ কমাতে ফেসিয়াল এক্সার্সাইজ
ডাবল চিন বা থুতনিতে মেদ জমা অনেকের কাছেই আতঙ্কের মতো একটা জিনিস। বিশেষত যারা তাদের চেহারা নিয়ে অতি সতর্ক থাকেন সবসময়। এটি হচ্ছে বার্ধক্যের সবচেয়ে কমন একটি লক্ষণ। এটি অন্যান্য কিছু কারণেও হতে পারে, যেমন বংশগত এবং এমন অস্বাস্থ্যকর ডায়েট যাতে ফ্যাট এবং ক্যালরির পরিমাণ খুব বেশি থাকে। যখন শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমা হয়, তখন এর ছাপ মুখে গিয়েও পড়তে দেখা যায়। যার ফলে মুখে এবং থুতনির নীচে অতিরিক্ত চর্বি জমা হয়ে চেহারার আকার নষ্ট হয়ে যায়। আর এই সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়ার সবচেয়ে সহজ এবং সুলভ উপায় হচ্ছে ফেসিয়াল বা মুখের এক্সার্সাইজ়। আপনাদের সুবিধার জন্য কিছু ফেসিয়াল এক্সার্সাইজ় দেয়া হলো যা মুখের অতিরিক্ত মেদ কমিয়ে মুখের গঠন ঠিক রাখতে সাহায্য করে।
এক্সার্সাইজ় ০১:
ঘরের এক জায়গায় সোজা হয়ে দাঁড়ান। এরপর আপনার মুখ এমন ভাবে পিছনে নিন যাতে মুখটি সিলিং এর দিকে আড়াআড়ি ভাবে থাকে। এখন ঠোঁট প্রসারিত করে সিলিং এর দিকে কিস্ করার মতো করুন। এভাবে ৫ সেকেন্ড রাখুন। ৫ বার পুনরাবৃত্তি করুন। এক্সার্সাইজ়টি করার সময় মুখের অন্যান্য যে মাসল গুলো ব্যবহার হয় না সেগুলো যতটা সম্ভব রিল্যাক্সড্ রাখার চেষ্টা করবেন।
এক্সার্সাইজ় ০২:
এই এক্সার্সাইজ় বসে বা দাঁড়িয়ে যেকোন পজিশনে করা যায়। মেরুদন্ড এবং মুখ সোজা করে বসুন। এরপর নীচের ছবির মতো করে মাথা ধীরে ধীরে এক ঘাড় থেকে আরেক ঘাড়ের দিকে আবর্তিত করুন। এটি এমনভাবে করতে হবে যাতে একটি পূর্ণ সার্কেলের মত হয়। আর যদি ঘাড়ে ব্যথা অনুভব করেন তাহলে সেমি সার্কুলার গতিতে করতে পারেন। এভাবে ৩-৫ বার করুন। তবে এই এক্সার্সাইজ় করার সময় বেশি তাড়াহুড়া করা যাবে না।
এক্সার্সাইজ় ০৩:
ফ্লোরে জোর আসনে বসুন। এখন বাম হাতটি কোমর থেকে ১০ ইঞ্চি দূরে ফ্লোরের উপর রাখুন। আঙ্গুল গুলোর উপর খুব জোরে ভর দিবেন না। এবার ডান হাত এবং তালু সোজা করে উপরে উঠান এবং ধীরে ধীরে হাত বাঁকা করে বা দিকের কান ধরুন।এ অবস্থায় মাথা ধীরে ধীরে ডান কাঁধের দিকে ঝুকান এবং বেশি না ঝুকিয়ে সেখানে হালকা চাপ দিন। এখন বাম হাত ফ্লোর থেকে উঠিয়ে বাম হাতের উপরের বাহুতে রাখুন এবং সেখানে হালকা চাপ দিন। এ অবস্থায় ১০ সেকেন্ড পর্যন্ত থাকুন। ঠিক একই ভাবে ডান হাতটি কোমর থেকে ১০ ইঞ্চি দূরে রাখুন এবং বা হাত দিয়ে ডান কান ধরুন এবং উপরের প্রক্রিয়াটি পুনরায় করুন।
- এছাড়াও প্রতিদিন ১ ঘণ্টা শারীরিক এক্সার্সাইজ এবং ২০ মিনিট মুখের এক্সার্সাইজ করার অভ্যাস করুন।
31/07/2015
বয়সের ছাপ দূরে করার প্রাকৃতিক কিছু উপায়।
১) শসার প্যাক
শসাতে সিলিকা নামক একটি উপাদান আছে যা ত্বকের চামড়া ঝুলে যাওয়া রোধ করতে সাহায্য করে । ৩ চা চামচ শসার পেষ্ট, ১ চা চামচ ডিমের সাদা অংশ, ২ চা চামচ লেবুর রস, ২ চা চামচ পুদিনা পাতার রস, পর্যাপ্ত পরিমাণে আপেলের পেষ্ট দিয়ে একটি প্যাক তৈরি করুন। প্যাকটি সারা মুখে লাগান। ২০ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
২) দুধ এবং কোকো পাউডার
২ টেবিলচামচ কোকো পাউডার এবং ১ টেবিল চামচ দুধ মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করে নিন। ভালোভাবে মুখে লাগান। শুকানোর জন্য ৫-১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দুধ এবং কোকো পাউডারের প্যাকটি ত্বকের বলিরেখা দূর করে ত্বককে করবে মসৃণ এবং উজ্জ্বল।
৩) কলার প্যাক
কলাতে এমন কিছু উপাদান আছে যা বয়সের ছাপ দূর করে থাকে। মাঝারি আকারের একটি কলার পেষ্ট, ১ টেবিল চামচ মধু, ১ টেবিল চামচ ক্রিম দিয়ে একটি প্যাক তৈরি করুন। প্যাকটি মুখে, ঘাড়ে ভালভাবে লাগান। ৩০ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
৪) আলুর প্যাক
১ টি আলুর পেষ্ট, ২ টেবিল চা চামচ আপেলের পেষ্ট দিয়ে একটি প্যাক তৈরি করে নিন। প্যাকটি ভালো ভাবে ঘাড়, মুখে লাগান। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি ত্বককে ন্যাচারাল গ্লো দেয় এবং নিস্তেজ ত্বককে উজ্জ্বল করে থাকে।
৫) ডিম এবং মধুর প্যাক
২ টেবিল চামচ ডিমের সাদা অংশ, ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। মুখে মেখে প্যাকটি শুকানোর জন্য ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে কুসুম গরম পান দিয়ে মখ ধুয়ে ফেলুন। ডিমের গন্ধ দূর করার জন্য কয়েক ফোঁটা এসেন্সিয়াল অয়েল ব্যবহার করতে পারেন।
৬) পেঁপে এবং টক দই
২ টেবিল চামচ পেঁপের পেষ্ট এবং ২ টেবিলচামচ টক দই মিশিয়ে একটি পেষ্ট তৈরি করে নিন। ২০ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। পেঁপে ত্বকের মৃত কোষ দূর করে থাকে।
৭) ওটমিল এবং মধুর প্যাক
সমপরিমাণ মধু এংব ওটমিল মিশিয়ে নিন। মুখে ভাল ভাবে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
30/07/2015
পাতলা ভ্রু ঘন ও কালো করে ফেলুন মাত্র ২ সপ্তাহেই!
এই সহজ কৌশলটি জানা থাকলে মাত্র ২ সপ্তাহেই আপনার ভ্রু হয়ে থবে ঘন, কালো ও সুন্দর।
যা যা লাগবে
ভালো মানের ক্যাস্টর অয়েল
(নামকরা ওষুধের দোকান থেকে ক্যাস্টর অয়েল কিনবেন। বিদেশীটা কিনতে পারলে সবচাইতে ভালো। কসমেটিক্সের দোকানের ক্যাস্টর অয়েল প্রায়ই নকল হয়।)
কটন বাড বা তুলোর বল
ভিটামিন ই ক্যাপসুল ১ টি (না দিলেও হবে)
যা করতে হবে
-১ চামচ ক্যাস্টর অয়েলের সাথে ১টি ভিটামিন ই ক্যাপসুলের নির্যাস মিশিয়ে নিন।
-রাতে শোবার আগে মুখটা ভালো করে ধুয়ে নিন। যদি ময়েশ্চারাইজার লাগাবার প্রয়োজন হয়, তাহলে লাগান। তবে ভ্রু ও এর আসেপাশের এলাকাতে লাগাবে না। ভ্রু ও এর আশেপাশের এলাকা একদম পরিষ্কার হতে হবে।
-কটন বাড বা তুলোর বলে ক্যাস্টর অয়েল ও ভিটামিন ই এর মিশ্রণ লাগিয়ে নিন। এবার এটা ভ্রুতে লাগান।
-হালকা হাতে আলতো করে ম্যাসাজ করুন।
-তারপর এভাবেই রেখে দিন সারা রাত। সকালে ধুয়ে ফেলুন।
-প্রত্যেকদিন নিয়ম করে ব্যবহার করুন। ২ থেকে ৩ সপ্তাহের মাঝেই ভ্রু তে লক্ষণীয় পরিবর্তন দেখতে পাবেন। এক টানা ব্যবহার করুন যতদিন পর্যন্ত না ভ্রু-এর কাঙ্ক্ষিত শেপ ও ঘনত্ব পাচ্ছেন।
সতর্কতা
যাদের ক্যাস্টর অয়েলে ত্বকে সমস্যা হয় বা ইরিটেশন দেখা দেয় তারা ব্যবহার করবেন না।
29/07/2015
ঠোঁটের রঙ গোলাপি করে তোলা:
প্রাকৃতিক উপায়ে আপনার ঠোঁট গোলাপি করে তোলার ৫টি টিপস।
কাঁচা দুধ প্রতিদিন:
প্রতিদিন ঠোঁটে কাঁচা দুধ লাগান। ২০ মিনিট রাখুন, তারপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ঠোঁট ধুয়ে নিন। অথবা ঠাণ্ডা গোলাপ জল দিয়েও ঠোঁট ধুতে পারেন। সেটা অনেক বেশী কাজে দেবে।
মধু:
প্রাকৃতিক ভাবে ঠোঁটের যত্ন নিতে সবচেয়ে ভালো উপাদান হল মধু। প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে সামান্য মধু নিয়ে আপনার ঠোঁটে ম্যাসেজ করুন। প্রতিদিনের ব্যবহারে মধু আপনার ঠোঁটকে নরম রাখবে ও উজ্জ্বল করে তুলবে।
হলুদের গুঁড়ো ও ঠাণ্ডা দুধ:
হলুদের গুঁড়ো ও ঠাণ্ডা দুধ একসাথে মিলিয়ে আপনার ঠোঁটে ৫ মিনিট ম্যাসেজ করুন। এইভাবে প্রতিদিন ব্যবহারের ফলে আপনার প্রাকৃতিক ভাবে গোলাপি হয়ে উঠবে।
আলমণ্ড অয়েল ও লেবুর রস:
এক চামচ আলমণ্ড অয়েলর সাথে সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে আপনার ঠোঁটে ম্যাসেজ করুন। তারপর ৫ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। আপনার ঠোঁট নরম ও পরিষ্কার হবে।
লেবুর রস ও চিনি:
লেবুর রসের সাথে খুব সামান্য পরিমানে চিনি মিশিয়ে আপনার ঠোঁটে ধীরে ধীরে ম্যাসেজ করুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। এই পেস্টটি ঠোঁটের মরা কোষ পরিষ্কার করতে সহায়তা করে, ঠোঁট নরম রাখে ও গোলাপি করে তোলে। কিন্তু যেহেতু আপনি ঠোঁটে লেবুর রসের ব্যবহার করবেন তাই ঠোঁট ধুয়ে ফেলার পর শুকিয়ে গেলে ময়েশ্চারাইজার যুক্ত লিপবাম লাগিয়ে নিন।
27/07/2015
কনসিলার দিয়ে চোখের নিচের কালো দাগ এবং মুখের দাগ লুকানোর পদ্ধতি
কনসিলার দিয়ে দাগ লুকানো
শুধু ফাউন্ডেশন দিয়ে মুখের কালো দাগ, চোখের নিচে কালো দাগ পুরোপুরি ভাবে লুকানো যায় না। তাছাড়া পার্টি মেক-আপ করতে গেলে যদি মেক-আপ এর উপর মুখের কালো দাগ গুলো ভেসে থাকে, দেখতে খারাপ লাগে।
মুখের মেক -আপ এর ন্যাচারাল লুক আনার জন্য ২ টি কন্সিলার ব্যবহার করতে হবে। একটি ত্বকের রঙ এর থেকে এক শেড উজ্জ্বল রঙ আর একটি হলুদ অথবা কমলা রঙের কন্সিলার। আমরা জানি কমলা রঙ কালো রঙ কে নিউট্রাল করে।
চোখের নিচে কালো দাগ নিরাময়ের পদ্ধতিঃ
স্টেপ ১ – আমি ফাউন্ডেশন দেয়ার পর কন্সিলার দেই। প্রথমে একটি ফাউন্ডেশন ব্রাশ দিয়ে পুরো মুখে ফাউন্ডেশন দিবেন। ভালো করে ব্লেন্ড করবেন।
স্টেপ ২ – যদি কোন কন্সিলার পেলেট ( ছবিতে দেয়া আছে ) থাকে তাহলে ঐখান থেকে কমলা অথবা হলুদ কালারের স্কিন কারেক্টর নিয়ে চোখের নিচে এবং চারপাশে লাগাবেন।
স্টেপ ৩ – তারপর হাতের আঙ্গুল দিয়ে হালকা করে আস্তে আস্তে কন্সিলার ব্লেন্ড করবেন। চোখের নিচে কন্সিলার দিতে ব্রাশ থেকে হাতের আঙ্গুল-ই বেশি ভালো।
স্টেপ ৪ – তারপর নিজের ত্বকের থেকে এক শেড হালকা কন্সিলার নিয়ে চোখের নিচে আবার লাগাবেন এবং ভালো করে ব্লেন্ড করবেন।
স্টেপ ৫ – যেকোনো প্রেস পাওডার দিয়ে পুরো মেক-আপ টাকে সেট করবেন।
স্টেপ ৬ – কন্সিলার দেয়ার পর চোখের ফাইনাল লুক।
কন্সিলার দিয়ে মুখের দাগ ঢাকার পদ্ধতিঃ
মুখের দাগ ও চোখের কালো দাগ নিরাময়ের পদ্ধতির মতই করতে হবে। তাছাড়া কিছু বিশেষ দিক খেয়াল রাখতে হবে।
স্টেপ ১- প্রথমে মেক-আপ প্রাইমার লাগাতে হবে। যাদের মেক আপ প্রাইমার নেই তারা মেক-আপের আগে ৩/৪ টি বরফ কুচি মুখে লাগিয়ে নিবেন এবং মেক- আপের সময় ৩/৪ বার মুখে পানি স্প্রে করবেন। এতে করে মেক-আপ দীর্ঘক্ষণ থাকবে, ঘামবে না। যাদের স্কিন তৈলাক্ত , তারা মুখে প্রাইমার এর বদলে মিল্ক অফ মাগ্নেসিয়া দিতে পারেন ( ফার্মেসি তে কিনতে পাওয়া যায় )
স্টেপ ২- মুখে প্রথমে কমলা অথবা হলুদ কালারের কন্সিলার দিয়ে শুধু মাত্র যেখানে দাগ আছে সেখানে দিবেন। পরিষ্কার হাত দিয়ে কন্সিলার হালকা হালকা করে ব্লেন্ড করবেন।
স্টেপ ৩- নিজের পছন্দ মত ফাউন্ডেশন পুরো মুখে লাগিয়ে, ভালো ব্রাশ অথবা স্পঞ্জ দিয়ে ব্লেন্ড করবেন। মনে রাখবেন যত বেশি ব্লেন্ড করবেন, তত মেক-আপের ফিনিসিং ভালো হবে।
স্টেপ ৪-এর পর নিজের ত্বকের সাথে ম্যাচ করা কন্সিলার দাগের উপর লাগিয়ে, আঙ্গুল দিয়ে ডেব করুন।
স্টেপ ৫-মুখে ফেস পাওডার অথবা মিনেরাল পাওডার যেকোনো একটা দিয়ে ফিনিশিং দিবেন।
এখন আসা যাক কন্সিলারের কথা। বাংলাদেশে কন্সিলার পেলেট পাওয়া যায় না। সে ক্ষেত্রে কমলা অথবা হলুদ কালারের পেন স্টিক ব্যবহার করতে পারেন। আর ত্বকের শেডের কন্সিলার আমাদের দেশে অনেক ব্র্যান্ডের পাওয়া যায়। MAC, Revlon, Maybelline, elf, Neutrogena, Covergirl ব্র্যান্ডের কন্সিলার অনেক ভালো।
27/07/2015
মুখের অনাকাঙ্ক্ষিত লোম দূর করার একটি অসাধারণ কৌশল!
অনাকাঙ্ক্ষিত লোম আপনার সৌন্দর্যকে যেমন নষ্ট করে, তেমনই একে পরিষ্কার করা অত্যন্ত ঝামেলাদায়কই বটে। খুব সহজ লভ্য কিছু উপাদান দিয়ে ঘরেই তৈরি করে নিন এই বিশেষ "প্যাক" আর সম্পূর্ণ ব্যথা মুক্ত ভাবে পরিষ্কার করে ফেলুন মুখ সহ শরীরের যে কোন স্থানের অনাকাঙ্ক্ষিত লোম।
যা লাগবে
বেসন ২ টেবিল চামচ
১ টেবিল চা চামচ টক দই বা ঘন দুধ
২ টেবিল চামচ ভালো মানের চন্দনের গুঁড়া
১ টেবিল চামচ ভালো সরিষার তেল
১ টেবিল চামচ গোলাপ জল
১ চিমটি হলুদ
যা করবেন
-এই সমস্ত উপাদান দিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করে নিন। লাগলে সামান্য এক্ত পানি দিতে পারেন। একদম ঘন পেস্ট হবে।
-এবার এই পেস্ট কাঙ্ক্ষিত স্থান গুলোতে মাখুন। একটু শুকাতে দিন।
-পুরোপুরি শুকাবে না। যখন সামান্য একটু ভেজা ভেজা থাকবে, তখন হাত দিয়ে ঘষে ঘষে তুলে ফেলতে থাকুন।
- এই ঘষায় ত্বক যেমন স্ক্রাবিং করা হবে, তেমনই অনাকাঙ্ক্ষিত লোম একদম গোঁড়া থেকে উঠে আসবে।
-পুরো প্যাক উঠে গেলে সাধারণ পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সাথে সাথেই কোন সাবান দেয়ার প্রয়োজন নেই।
-নিয়মিত ব্যবহারে লোম একদম নির্মূল হবে এবং নতুন লোম গজালেও সেগুলো গজাবে পাতলা হয়ে। সপ্তাহে ২/৩ দিন ব্যবহার করতে পারেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
1214
