Muskan elite corner

Muskan elite corner

Share

Our shopping page is here to help you to choose the right one - you don,t need to give an effort.

03/08/2026

প্রতারক যখন নিজেই প্রতারণার কথা বলে🤣

02/08/2026

Viral voice🤣

02/08/2026
Photos from Muskan elite corner's post 22/07/2026

আমার স্ত্রী মারিয়ামের একটা অদ্ভুত অভ্যাস আছে।

রাতে ঘুমানোর আগে পুরো বাসার সব দরজা-জানালা অন্তত তিনবার পরীক্ষা করে।

আমি মাঝেমধ্যে বিরক্ত হয়ে বলি,

—“চোর যদি আসতেই চায়, তোমার তিনবার চেক করা দেখে ফিরে যাবে নাকি?”

সে হেসে উত্তর দেয়,

—“চোরের জন্য না।”

—“তাহলে?”

সে কখনো উত্তর দেয় না।

শুধু প্রধান দরজার লকটা আরেকবার টেনে দেখে।

⸻

বিয়ের চার বছর হয়ে গেছে। এর মধ্যে কোনো দিন তাকে দরজা খোলা রেখে ঘুমাতে দেখিনি।

একদিন মজা করে জিজ্ঞেস করলাম,

—“এত ভয় পাও কেন?”

সে কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল,

—“ছোটবেলায় একবার মাঝরাতে ঘুম ভেঙে দেখি, আমাদের বাসার প্রধান দরজা পুরো খোলা।”

—“তারপর?”

—“সকালে সবাই বলল, হয়তো ঠিকমতো বন্ধ করা হয়নি। কিন্তু আমি নিশ্চিত… রাতে দরজা বন্ধই ছিল।”

আমি হেসে বললাম,

—“তুমি স্বপ্ন দেখেছিলে। মাঝেমধ্যে এমন মনে হয়। একেবারে রিয়েল যেন।”

সে ইতস্ততভাবে মাথা নেড়ে বলল,

—“হতে পারে।”

কিন্তু তার চোখের দিকে তাকিয়ে মনে হলো, সে নিজেও কথাটা বিশ্বাস করতে পারছে না।

⸻

সেদিন অফিস থেকে ফিরতে একটু দেরি হয়ে গেল।

রাত প্রায় সাড়ে এগারোটা।

কলিংবেল বাজাতেই মারিয়াম দরজা খুলল।

কিন্তু আজ তার মুখে সেই পরিচিত হাসিটা নেই।

আমি জুতা খুলতে খুলতেই বললাম,

—“কী হয়েছে?”

সে আস্তে করে বলল,

—“আজ দুপুরে কেউ দরজায় নক করেছিল।”

—“খুলেছিলে?”

—“না।”

—“তাহলে?”

সে আমার দিকে তাকাল।

—“বাইরে থেকে তোমার গলায় ডাকছিল।”

আমার বুকের ভেতরটা হালকা কেঁপে উঠল।

—“আমার গলায়?”

—“হ্যাঁ। একদম তোমার মতো। বলছিল, ‘মারিয়াম, দরজা খোলো।’”

আমি হেসে উড়িয়ে দিতে চাইলাম।

—“কারও প্র্যাঙ্ক হবে।”

সে মাথা নেড়ে বলল,

—“তুমি তো তখন অফিসে ছিলে।”

আমি আর কিছু বললাম না।

⸻

পরদিন রাত।

ঘড়িতে প্রায় দুইটা।

হঠাৎ কলিংবেলের শব্দে ঘুম ভেঙে গেল।

টিং… টং…

টিং… টং…

আমি বিরক্ত হয়ে উঠে বসলাম।

—“এত রাতে আবার কে?”

মারিয়াম আমার হাত শক্ত করে চেপে ধরল।

ফিসফিস করে বলল,

—“যেও না।”

—“দেখে তো আসি।”

—“না।”

তার কণ্ঠে এমন ভয় ছিল, যে আমি থেমে গেলাম।

ঠিক তখনই বাইরে থেকে আমার নিজের গলা ভেসে এল।

—“মারিয়াম… দরজা খোলো।”

আমার শরীর ঠান্ডা হয়ে গেল।

কারণ…

আমি তো তখন তার পাশেই বসে আছি।

আমরা দুজনেই নিঃশ্বাস বন্ধ করে শুনতে লাগলাম।

বাইরে আবার সেই গলা।

—“আমি এসেছি।”

আমি সাহস করে দরজার কাছে গিয়ে আইহোলে চোখ রাখলাম।

কেউ নেই।

একেবারেই কেউ নেই।

কিন্তু গলাটা এবার আরও কাছে শোনা গেল।

ঠিক দরজার ওপাশ থেকে।

—“খুলে দাও…”

আমি তাড়াতাড়ি সরে এলাম।

সারা রাত আর ঘুম হলো না।

⸻

এরপর থেকে প্রায় প্রতি সপ্তাহেই একই ঘটনা ঘটতে লাগল।

রাত দুইটা থেকে তিনটার মধ্যে।

প্রথমে কলিংবেল।

তারপর আমার নিজের গলা।

মাঝে মাঝে মারিয়ামের গলাও।

এক রাতে তো শুনলাম, সে নিজেই বাইরে দাঁড়িয়ে কাঁদছে।

—“দরজাটা খোলো… আমি বাইরে আটকে গেছি…”

আমি পাশে তাকিয়ে দেখি, আসল মারিয়াম আমার কাঁধে মুখ গুঁজে কাঁপছে।

⸻

অবশেষে সিদ্ধান্ত নিলাম, একটা ক্যামেরা লাগাব।

পরদিন অফিস থেকে ফিরে দরজার সামনে মোশন ক্যামেরা বসিয়ে দিলাম। সেই রাতেও ঠিক দুইটা বেজে সাত মিনিটে কলিংবেল বাজল। কিন্তু আমরা কেউ দরজা খুললাম না। সকালে উঠে ক্যামেরার ফুটেজ চালালাম।

ভিডিওর শুরুতে কিছুই নেই।

হঠাৎ কলিংবেল নিজে থেকেই বেজে উঠল।

তারপর…

ধীরে ধীরে ফ্রেমের একেবারে বাঁ দিক থেকে একজন মানুষ হেঁটে এল।

আমার মতো উচ্চতা।

আমার মতো হাঁটা।

আমার মতো মুখ।

সে দরজার সামনে এসে দাঁড়াল।

ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে হাসল।

তারপর…

সে কলিংবেল চাপল না।

বরং খুব আস্তে করে ক্যামেরার দিকে মুখ এনে বলল,

—“ভেতরে যে আছে… সে কে?”

ভিডিওটা সেখানেই শেষ।

⸻

আমি আর মারিয়াম সেদিনই বাসা ছেড়ে অন্য জায়গায় উঠে গেলাম।

পুরোনো ফ্ল্যাটে আর কোনো দিন ফিরিনি। প্রায় ছয় মাস পরে নতুন বাসায় এক রাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেল।

কারণ…

কলিংবেল বাজছে।

টিং… টং…

আমি ধীরে ধীরে দরজার কাছে গিয়ে আইহোলে চোখ রাখলাম।

বাইরে কেউ নেই।

ঠিক তখনই…

আমার পকেটের ফোনটা কেঁপে উঠল।

নোটিফিকেশন।

পুরোনো বাসার সেই ক্যামেরা—যেটা আমি খুলেই এনেছিলাম বলে নিশ্চিত ছিলাম—সেখান থেকে লাইভ অ্যালার্ট এসেছে।

কাঁপতে কাঁপতে ভিডিও খুললাম।

অন্ধকার ফ্ল্যাট। নিঃশব্দ ড্রয়িংরুম।

তারপর…হটাৎ ক্যামেরার সামনে কেউ এসে দাঁড়াল।

সে আমি।

একদৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে রইল।

ধীরে ধীরে ঠোঁট নড়ল। “এত দিন কোথায় ছিলে?”

তারপর স্ক্রিনটা নিজে থেকেই কালো হয়ে গেল।

আর ঠিক সেই মুহূর্তে…

আমাদের নতুন বাসার প্রধান দরজায় খুব আস্তে করে তিনবার নক পড়ল।

ঠক…

ঠক…

ঠক…

“দরজার ওপাশ”

©

20/07/2026

🤎💅

19/07/2026

আমাদের পেজের নেইলসের এখন অব্দি সবচেয়ে বড় অর্ডার এটা।
ধন্যবাদ সোহাগ ভাইয়াকে আমাদের উপর আস্থা রাখার জন্য, আশা করি ভাইয়ার ওয়াইফ এবং বোনের, দুজনেরই অনেক পছন্দ হবে ইন শা আল্লাহ🤍

19/07/2026

pretty little nails💅

Photos from Muskan elite corner's post 18/07/2026

প্রাইজ ৮০-৯০৳ (১০ পিসের সেট)
সবগুলোরই সাইজ এভেইলেবল, আর পেজে এগুলো ডিটেইলস ভিডিও আছে চেক করবেন✅

17/07/2026

পড়াশোনার সুবাদে আমি সৌদি আরবের রিয়াদে কিছু সময় কাটিয়েছি। সেখানে আমার পরিচয় হয় আমিনার সাথে।
আমিনা একজন সম্ভ্রান্ত আরব পরিবারের নারী। আরবের নারীদের সম্পর্কে আমাদের অনেকের মনেই ভুল ধারণা থাকে যে তারা খুব রক্ষণশীল বা পিছিয়ে পড়া। কিন্তু আমিনার সংস্পর্শে এসে আমার সেই ধারণা আমূল বদলে যায়।
আমিনার বাড়িতে প্রথমবার যখন আমি আমন্ত্রিত হয়ে গেলাম, তখন তাদের ‘মজলিস’-এ বসার পর আমি অবাক হয়েছিলাম। তাদের আতিথেয়তা যেন এক শিল্প। আমিনা নিজেই কফি (গাহওয়া) আর দামী খেজুর নিয়ে এসে আপ্যায়ন করছিল। তার চালচলনে এক অদ্ভুত আভিজাত্য ছিল, কিন্তু তাতে কোনো অহংকার ছিল না।

সেদিন এক চমৎকার বিকেলের কথা। আমি আমিনার বাসাতেই ছিলাম। হঠাৎ একটা ফোনকল আসলো। ফোনের ওপাশ থেকে খুব ভারী কণ্ঠে কিছু একটা ভেসে আসলো।
কিছুক্ষণের মধ্যেই বুঝলাম তাদের একটি বড় শিপমেন্ট লোহিত সাগরে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে ডুবে গেছে। কয়েক কোটি টাকার সম্পদ নিমিষেই শেষ হয়ে গেছে।
আমি স্তব্ধ হয়ে গেলাম। এমন খবর শুনলে যে কেউ কান্নাকাটি শুরু করবে বা অস্থির হয়ে যাবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আমিনার প্রতিক্রিয়া ছিল একদম ভিন্ন। সে কেবল একবার শান্ত স্বরে বলল—
“ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজিউন। আল্লাহ যা দিয়েছেন, তা তাঁরই। তিনি নিয়েছেন, এটাও তাঁর ইচ্ছা।”
তার মুখে ভয়ের কোনো রেখা নেই, নেই কোনো হাহাকার। সে সোজা অযু করে এসে জায়নামাজে দাঁড়াল। যখন সে নামাজ শেষ করে ফিরল, তার মুখে এক জান্নাতী প্রশান্তি। সে আমার দিকে তাকিয়ে হাসিমুখে বলল, “ চলো চা খাই। রিজিকের মালিক আল্লাহ, তিনি এক দরজা বন্ধ করলে হাজার দরজা খুলে দেন। আসমান - জমিনের সমস্ত রাজত্বই তো তার, তিনি আল-মালিক”
আমি আমিনার এই অটল বিশ্বাস দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম।

আরবের নারীদের মধ্যে এই الرضا بالقضاء বা আল্লাহর ফয়সালার ওপর সন্তুষ্ট থাকার গুণটি অত্যন্ত প্রবল। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে আমরা ছোট বিপদেও অনেক সময় ধৈর্য হারিয়ে ফেলি, কিন্তু আমিনা আমাকে শেখাল প্রতিকূল অবস্থায় কীভাবে মাথা উঁচু করে থাকতে হয়।

কিছুদিন পর আমিনার এক আত্মীয়ের মৃত্যু হলো। আমি ভেবেছিলাম আরবের নারীরাও হয়তো বুক চাপড়ে কান্নাকাটি করবে। কিন্তু সেখানে গিয়ে দেখলাম এক নীরব গম্ভীর পরিবেশ। তারা একে অপরকে ধৈর্যের উপদেশ দিচ্ছে এবং কুরআনের আয়াত তিলাওয়াত করছে। তাদের বিলাপ নেই, কিন্তু চোখের কোণে পানি আছে। তাদের এই ধৈর্য আমাকে শেখাল যে, ঈমানের গভীরতা কেবল পোশাকে নয়, বরং বিপদে আল্লাহর ওপর নির্ভরতার মাঝেও।

আমিনা তার সন্তানদেরও ঠিক একইভাবে গড়ে তুলছে। তার সাত বছরের ছেলে ফয়সাল যখন পড়ে গিয়ে ব্যথা পায়, তখন তার মা তাকে কোলে তুলে বলে না— ‘আহা রে, ব্যথা পেলে?’ বরং সে বলে— “ইয়া ফয়সাল, ইস্তাইন বিল্লাহ (আল্লাহর সাহায্য চাও), তুমি তো একজন মুমিন।”

আরব নারীদের আরেকটি বড় গুণ হলো তাদের হায়া বা লজ্জা। আমিনা যখন বাইরে বের হতো, তার আবায়া আর নেকাবের আড়ালে সে নিজেকে এমনভাবে আবৃত করত যে তার ব্যক্তিত্ব আরও কয়েক গুণ বেড়ে যেত।
সে বলত,
“আমার এই হিজাব আমার বন্দিত্ব নয়, বরং এটি আমার স্বাধীনতার প্রতীক। এটি আমাকে অন্যদের কুনজর থেকে বাঁচিয়ে রাখে এবং আমাকে কেবল আল্লাহর দাসী হিসেবে পরিচিত করে। আমার হিজাব আমার আইডেন্টিটি”

রিয়াদ ছাড়ার দিন আমিনা আমাকে একটি জায়নামাজ উপহার দিয়েছিল। সে বলেছিল, “মানুষ যেখানেই থাকুক, সে যদি তার রবের সাথে সম্পর্ক ঠিক রাখে, তবে পুরো পৃথিবী তার আপন হয়ে যায়।”

আজও যখন আমি কোনো ছোটখাটো সমস্যায় বিচলিত হই, তখন আমিনার সেই শান্ত মুখটা চোখের সামনে ভেসে ওঠে।
যদিও পাশ্চাত্য কালচার এখন আরবের জমিনে হুহু করে প্রবেশ করছে।
তারপরেও এখনো আরবের রুক্ষ মরুর বুকে জন্মানো এই কতিপয় নারীদের হদয়ে যে পরিমাণ কোমলতা এবং আল্লাহর প্রতি অটল বিশ্বাস থাকে, তা সত্যিই বিস্ময়কর।

তারা শিখিয়েছে, আসল আভিজাত্য দামী পোশাকে নয়, বরং আল্লাহর ওপর অগাধ বিশ্বাস আর ধৈর্যের মাঝে।

মরুর বুকে অমলিন বিশ্বাস:
এক অবিশ্বাস্য তাওয়াক্কুলের গল্প🤍

Collected.

Website

Address


Vatara
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Muskan elite corner posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Subscribe

We will notify you when anything happens in Dhaka.