Glow Genius
"গ্লো জিনিয়াস - তোমার সৌন্দর্য, আমাদের মূল্য।"
24/12/2023
♥️প্রথমবার ব্যবহারেই স্কিন এত গ্লো করে,ব্রাইট লুক দেয় কিভাবে সাবানটায় আপু?
👉প্রতিটা সাবানে প্রায় ১ গ্রামের মতো কাশ্মীরের অরিজিনাল জাফরান এবং ছাগলের দুধ ব্যবহার করা হয়।
এই দুধ এবং জাফরানের মিশ্রণে আপনার স্কিন খুব তাড়াতাড়ি হলুদে ব্রাইট লুক আসে একদম ভেতর থেকে।
এবং কোজিক এসিডের পারফেক্ট ব্যবহারের ব্যালেন্সের কারণে ন্যাচারাল উপায়ে স্কিন ভেতর থেকে ২ থেকে ৩ শেড আস্তে আস্তে পার্মানেন্টলি ফর্সা হয়।
♥️আপনি কিভাবে শিখলেন,আপনার কি কোন কোর্স করা আছে, এত ভালো প্রোডাক্ট কিভাবে বানাচ্ছেন?
👉জি হ্যাঁ আমার ২ বছরের ডিপ্লোমা করা আছে ন্যাচারাল স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট মেকিং এর উপরে ব্যাঙ্গালোর থেকে এবং থাইল্যান্ড থেকে এডভান্সড সাবান মেকিং এর প্রফেশনাল কোর্স করা আছে।
♥️আপনার সাবান বানানোর ভিডিও দেখে তো সবাই কোন জ্ঞান ছাড়াই এই সাবান বানানোর চেষ্টা করছে।
👉এটা খুবই বিপদজনক কারণ সঠিক অনুপাত এ সাবানের উপাদানগুলোর মিশ্রণ একটা নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় এবং নির্দিষ্ট ধাপে ধাপে করতে হয় যেটার পরিপূর্ণ জ্ঞান অবশ্যই জানতে হবে। অন্যথায় কোন উপাদানের ১% কম-বেশি হবার কারণে স্কিনের অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যেতে পারে প্রোডাক্টে বিষক্রিয়া হবার কারণে।
24/12/2023
এক মাসে পাঁচ কেজি কমাবেন, কীভাবে?
এক মাসে পাঁচ কেজি ওজন কমানো সম্ভব। এ জন্য সবার আগে নিজের মনকে প্রস্তুত করতে হবে যে ওজন কমানোর জন্য যা কিছু দরকার, আপনি সেগুলোর জন্য প্রস্তুত। মানসিকভাবে নিজেকে প্রস্তুত করাই সব থেকে জরুরি। তখন আর সবকিছুই সহজ হয়ে যায়। এর মানে আপনি ইতিমধ্যে অর্ধেকটা এগিয়ে গেছেন। ভারতের জনপ্রিয় পুষ্টিবিদ সিমরান বোহরা জানান, প্রতিটি শরীরের মেটাবলিজম সিস্টেম আলাদা। তাই কার জন্য কোন ডায়েট প্রযোজ্য, এটার জন্য আগে তাঁর বয়স, জীবনযাপন, খাদ্যাভ্যাস ও শরীরের সিস্টেম বিশ্লেষণ করা জরুরি। তবে সাধারণভাবে কেউ যদি এক মাসে পাঁচ কেজি ওজন কমাতে চান, এই নিয়মগুলো অনুসরণ করে দেখতে পারেন।
যা করবেন
১. দুপুরে খাবার ৩০ মিনিট আগে ২ গ্লাস পানি খাবেন।
২. সকালে খালি পেটে আর বিকেলে গ্রিন টি খাবেন (অবশ্যই চিনি ছাড়া)।
৩. ধীরে ধীরে চিবিয়ে চিবিয়ে সময় নিয়ে খাবেন। অন্তত ২০ মিনিট সময় নিয়ে খাবেন।
৪. প্রতিদিন আনারস আর আঙুর—এই দুটো ফল খাবেন।
৫. অন্তত ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটবেন। অন্তত ২০ মিনিট কোনো একটা কার্ডিও করবেন।
৬. শর্করার জায়গায় প্রোটিন খাবেন।
৭. আঁশসমৃদ্ধ খাবার খাবেন।
৮. আট ঘণ্টা গভীর ঘুম।
ডায়েটে শর্করা, তেলজাতীয় খাবার আর ভাজাপোড়া কমিয়ে বাড়ান প্রোটিন, টাটকা শাকসবজি আর মৌসুমি ফল
ডায়েটে শর্করা, তেলজাতীয় খাবার আর ভাজাপোড়া কমিয়ে বাড়ান প্রোটিন, টাটকা শাকসবজি আর মৌসুমি ফলছবি: প্রথম আলো
আরও পড়ুন
নতুন বছরের প্রথম ৬ মাসে বদলে ফেলুন নিজেকে
২৮ দিন এসব খাবার খাবেন না
আপনি যদি চার সপ্তাহ খাবারগুলো না খেয়ে থাকতে পারেন, তাহলে আপনার শরীর ধীরে ধীরে এসব খাবারের প্রতি ‘চাহিদা’ কমিয়ে দেবে। তারপর একবার অভ্যস্ত হয় গেলে আপনি মাসে একদিন চিটমিল হিসেবে আপনার পছন্দের কোনো খাবার খেতেই পারেন।
মানসিকভাবে ডায়েটের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ
মানসিকভাবে ডায়েটের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণছবি: প্রথম আলো
* বার্গার
* চিপস
* আইসক্রিম
* ফাস্ট ফুড
* চকলেট
* ভাত, সাদা আটা–ময়দা
* সোডা
* কেক, ডোনাট
* চিনি, এমন ড্রিংক যেটাতে চিনি আছে
* অস্বাস্থ্যকর তেল, চর্বি
এমনিতেই ডায়েটে থাকা অবস্থায় শর্করা আর স্নেহজাতীয় খাবার যত কম খাবেন, তত ভালো। প্রোটিন, ভিটামিন আর আমিষজাতীয় খাবারের ওপর তেমন বিধিনিষেধ নেই।
আরও পড়ুন
নামী হোটেলের মজাদার এই কেক কীভাবে ঘরেই বানাবেন
এই পানীয় খান
ডায়েট করার পর ওজন কমলে স্বাভাবিকভাবে ত্বকের উজ্জ্বলতাও কমে যায়। তবে এই পানীয় যেমন স্বাস্থ্যকর, ওজন কমাতে কার্যকর, আবার ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতেও এর জুড়ি নেই।
প্রণালি: এক গ্লাস (২৫০ মিলিলিটার) পানিতে এক চা–চামচ ব্লেন্ড করা বিটের পেস্ট মেশান। এরপর সেখানে ১/৪ চা–চামচ মৌরি দিন। এভাবে এক ঘণ্টা রেখে দিন। দিনে দুইবার এই পানীয় খান। এক সপ্তাহে নিজেই বুঝবেন পরিবর্তন।
সূত্র: জনপ্রিয় পুষ্টিবিদ সিমরান বোহরার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট
24/12/2023
অফার অফর অফার
আমরা সবাই চাই সুন্দর, উজ্জল এবং প্রাণবন্ত ত্বক। ত্বকের উজ্জলতা বাড়াতে এবং ত্বককে আরো প্রাণবন্ত করতে অর্গানিক সাবান ব্যবহার এর বিকল্প নেই। আমরা নিয়ে আসলাম সম্পূর্ণ অর্গানিক জাফরান গোট মিল্ক সোপ।( Saffron Goat Milk Soap) এই সাবান সব রকম ত্বকের ক্ষেত্রেই কার্যকরী।
উপকারীতা:
🟢প্রথম ব্যবহার করার সাথে সাথেই পরিবর্তন লক্ষ্য করবেন
🟢 ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধি করে
🟢 ত্বকের গ্লোয়িং বৃদ্ধি করে
🟢 ত্বককে ডিপ ক্লিন করে
🟢 সকল দাগ দূর করে
🟢 ত্বক সতেজ রাখবে
🟢 অয়েল কন্ট্রোল করবে
🟢 ব্ল্যাক হেডস ও হোয়াইট হেডস রিমুভ করবে
🟢 সান বার্ন দূর করবে
🟢 স্কিনের ডেড সেল রিমুভ করবে
➡️➡️ কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই।
উপাদান সমূহ:
🧼🧽 সম্পূর্ণ ক্যামিকেল ফ্রি অর্গানিক উপাদান দিয়ে বানানো
🧼🧽 প্রধান উপাদান গোট মিল্ক, জাফরান, বিভিন্ন এসেনশিয়াল অয়েল ,গ্লিসারিন ইত্যাদি
20/12/2023
𝟱𝟬℅ 𝗼𝗳𝗳💥 𝟱𝟬% 𝗼𝗳𝗳💥 𝟱𝟬% 𝗢𝗳𝗳💥
৫০% অফার প্রাইজে এখন মাত্র ৪৯০ টাকায় 😍
অফার টি খুব অল্প সময়ের জন্য থাকবে 🔥
অফার টি পেতে ঝটপট অর্ডার করে ফেলুন 🥰
𝐌𝐈𝐋𝐊 𝐒𝐎𝐎𝐓𝐇𝐈𝐍𝐆 𝐆𝐄𝐋 𝟗𝟗%.
❣️অফার অফার অফার❣️
👉𝐊𝐨𝐫𝐞𝐚𝐧 𝐌𝐢𝐥𝐤 𝐬𝐡𝐨𝐨𝐭𝐢𝐧𝐠 𝐠𝐞𝐥 ক্রয় করুন 👈
💥১টা - ৪৯০/
💥২টা - ৯৬০/
💥৩টা -১০০০/
✨ তিনটি ক্রিম একসাথে কিনলে পাচ্ছেন ডেলিভারি চার্জ একদম ফ্রি 😊
Most Demanding একটা Soothing Gel.
◾Made in Korea
◾100% original product
◾Net weight:300ml
যারা ফর্সা হওয়ার জন্য ভালো Soothing Gel খুঁজছেন তাদের জন্য Best Soothing Gel হলো এটা যা Glass Skin একটা লুক আনে।
20/12/2023
Sky Pure Natural Pearl Collagen Cream🌼
এতে আছে "Pearl"যা স্কিন কে ব্রাইট করতে সাহায্য করে। এছাড়া এতে আছে "Collagen"যা স্কিন টান টান করে।💐
💢Made in Thailand🇹🇭
🌈100% Authentic 💯💯
🌈 Barcode scanned ‼️
🤗রিজনেবল প্রাইজ এর ভিতর বেস্ট একটি ক্রিম🤩🤩
Price:699 Tk
Regular Price :900 Tk
যেটা ডে এবং নাইট দুই সময়ই ইউস করতে পারবেন। 💥
🔰উপকারিতা:
🟡ত্বক উজ্জ্বল ও সুন্দর করে।
🟡ব্রণ ও ব্রণের কালো দাগ দূর করে।
🟡স্কিন সফট করে।
🟡সান বার্ন ও মেস্তার সমস্যা দূর করে।
🟡চামড়ার কুঁচকানো ভাব দূর করে।
🟡স্কীন ফর্সা ও টান টান করে।
🟡স্কিন ময়েশ্চারাইজ করে।
🟡চোখের নিচে কালো দাগ দূর করে।
🟡ছেলে ও মেয়ে উভয়ের ব্যবহার উপযোগী।
🟥ব্যবহার : রাতে এবং দিনের বেলা মুখ পরিষ্কার করRoyal Makeover Hutবে।
Royal Makeover Hut
20/12/2023
শীতে শিশুর কেমন লোশন, তেল, শ্যাম্পু বা ক্রিম
ত আসে, মিষ্টি রোদ আসে, শীতের রঙিন সুস্বাদু আর পুষ্টিতে ভরপুর সবজি আসে, সঙ্গে নিয়ে আসে ত্বক নিয়ে খানিক দুশ্চিন্তা। আর আপনার বাড়িতে যদি একটিও শিশু থাকে, তাহলে তো কথাই নেই। শিশুর ত্বকের যত্ন নিয়ে আপনাকে আলাদা করে ভাবতেই হবে। কেননা শিশুর ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল, শুষ্ক হয়ে দেখা দিতে পারে নানান জটিলতা। শীতে শিশুর ত্বকের যত্নে ব্যবহৃত এই ৭ উপাদানের বিষয়ে জেনে নিন।
শিশুর লোশনে ময়েশ্চারাইজার বেশি থাকতে হবে
শিশুর লোশনে ময়েশ্চারাইজার বেশি থাকতে হবেমডেল: রাবেয়া রাবু ও আভান, ছবি: সাবিনা ইয়াসমিন
এই ঋতুতে শিশুর ত্বকের যত্ন নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. তাসনুভা খান বলেন, বিভিন্ন পণ্য ব্যবহারে সতর্ক থাকতে হবে। বিদেশি পণ্য নকল হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। প্রতিষ্ঠিত ব্র্যান্ডের দেশি পণ্য ব্যবহার করাই ভালো। শিশুদের ঠোঁট ফাটে। ঠোঁটে ভ্যাসলিন বা লিপবাম–জাতীয় কিছু ব্যবহার করতে হবে। হাত–পা ফাটে। হাত ও পায়ে লোশন বা অলিভ অয়েল ব্যবহার করতে হবে। মাথায় তেল দেওয়া যাবে না। এতে মাথার ত্বক ভেজা থাকে। ফলে ঠান্ডা লেগে যেতে পারে। ঠান্ডা লেগে থাকা অবস্থায় মাথায় তেল দিলে ঠান্ডা সারতেও দেরি হয়। এ সময় শুষ্ক ত্বকে র্যাশ, চুলকানির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে, পরিবারের যেকোনো একজনের ত্বকের সংক্রামক সমস্যা থাকলে তাতে শিশুও আক্রান্ত হতে পারে। তখন দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
১. বেবি লোশন
দিনের যেকোনো সময়েই ব্যবহার করতে পারেন। তবে গোসলের পর লাগালে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে। আপনার শিশুর লোশনের উপাদানগুলো প্রাকৃতিক হলে খুব ভালো হয়, নিশ্চিত করবেন সেখানে যেন ময়েশ্চারাইজার থাকে।
২. বেবি ওয়াইপস
এমনিতেই শিশুর জন্য ডায়াপার আর বেবি ওয়াইপস কমবেশি সবাই ব্যবহার করেন। তবে সেটা যেন হয় নরম আর হাইড্রেটিং। থাকে অ্যালকোহল আর প্যারাবেনমুক্ত।
৩. তেল
শিশুদের জন্য বিশেষ তেল দিয়ে তাদের শরীর মালিশ করে দেবেন। এটা খুবই জরুরি। অলিভ অয়েল বা গ্লিসারিনের সঙ্গে পানি মিশিয়েও ম্যাসাজ করতে পারেন। তাহলে আপনার বাবুর শরীরে রক্ত সঞ্চালন ভালো হবে। তাপ উৎপন্ন করবে ও বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গে মানিয়ে নিতে সুবিধা হবে। গোসলের আগে বেবি অয়েল দিয়ে ম্যাসাজ করা ভালো। তেল ব্যবহার করলে তা গোসলের আগেই করা উচিত।
৪. শ্যাম্পু
হালকা, নন-গ্রেসি শ্যাম্পু দিয়ে মাথার ত্বক ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। শ্যাম্পুতে নো-টিয়ার্স সাইন দেখে নিন। দিনে একবার অথবা দুই দিনে একবার শিশুকে গোসল করাবেন। ঈষদুষ্ণ পানি দিয়ে গোসল করাবেন। যেদিন গোসল করাবেন না, সেদিন হালকা গরম পানিতে নরম কাপড় ভিজিয়ে সারা শরীর মুছে দেবেন।
৫. বডি ওয়াশ
শিশুর গোসলের সময় যে বডি ওয়াশ ব্যবহার করবেন, সেটা যেন সোপ-ফ্রি আর ময়েশ্চারাইজিং হয়, এটা নিশ্চিত করবেন।
শিশুর বডি ওয়াশ হতে হবে ক্ষারবিহীন
শিশুর বডি ওয়াশ হতে হবে ক্ষারবিহীনছবি: নকশা
৬. বেবি ফেসিয়াল ক্রিম
ত্বকে ক্রিম লাগাতে পারেন। সেটা দীর্ঘক্ষণ শিশুর ত্বককে নরম রাখবে আর ধরে রাখবে আর্দ্রতা।
৭. লিপবাম
শিশুর ঠোঁট শুকিয়ে গেলেই এক পরত লিপবাম লাগিয়ে দিন। তবে শিশুর ত্বকের যত্নে ব্যবহৃত এসব উপাদান বুঝেশুনে ব্যবহার করুন। প্রয়োজনে শিশুবিশেষজ্ঞ ও ডার্মাটোলজিস্টের পরামর্শ নিন। এ সাত উপাদানের বাইরে ঘরে একটা হিউমিডিফায়ার রাখতে পারেন। এটা বাতাসে আর্দ্রতা ধরে রাখaতে সাহায্য করে।
আরও যা করবেন, করবেন না
শীতকালে শিশুর তেল ব্যবহারে সতর্ক হোন। কেননা তেলে ময়লা জমে ত্বকের লোমকূপ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। আর মাথায় তেল ব্যবহার করার ফলে মাথার ত্বক ভেজা থাকায় ঠান্ডা লেগে যেতে পারে।
শিশুকে নরম কাপড় পরিয়ে রাখুন। পায়ে কাপড়ের জুতা, মাথায় টুপি পরাবেন।
শিশুর শীতের পোশাক ভালোভাবে ধুয়ে শুকিয়ে পরান।
শিশুর শীতের পোশাক ভালোভাবে ধুয়ে শুকিয়ে পরান।ছবি: সুমন ইউসুফ
উলের জামাকাপড়ে ধুলাময়লা লেগে কোল্ড অ্যালার্জির সৃষ্টি করতে পারে। তাই তা ভালোভাবে ধুয়ে শুকিয়ে পরান। ফ্লোর কার্পেটের রোঁয়া থেকেও কোল্ড অ্যালার্জি হতে পারে। মাদুর, পাটি বা ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।
সেন্টেড বা সুগন্ধযুক্ত পণ্য ব্যবহার করবেন না। সুগন্ধি পণ্যগুলোয় সাধারণত অ্যালকোহল থাকে, বাবুর ত্বকের জন্য যা ক্ষতিকর।
ঘরে অনেকে কয়লা বা ভুসি জ্বালিয়ে তাপমাত্রা বাড়ানোর চেষ্টা করেন। এটা শিশুর ত্বক আর স্বাস্থ্যের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে।
সূত্র: ডা. তাসনুভা খান, কনসালট্যান্ট, শিশু বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ। ফার্স্টক্রাই প্যারেন্টিং ইউটিউব চ্যানেল
20/12/2023
অ্যালোভেরা ত্বক ও চুলে কাজ করবে ম্যাজিকের মতো
পৃথিবীর সবচেয়ে রূপবতী নারীদের নামের তালিকার শুরুর দিকেই থাকবেন রানি ক্লিওপেট্রা। মিসরের লোককাহিনি বলছে, রূপচর্চায় অ্যালোভেরা ব্যবহার করতেন রানি। অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী প্রাচীনকাল থেকেই রূপচর্চায় এক ভরসার নাম। এদিকে দরজায় কড়া নাড়ছে শীত। সেই সঙ্গে ত্বক আর চুলে স্পর্শ করতে শুরু করেছে রুক্ষতা। শীতের আগমনীতে জেনে নেওয়া যাক, কীভাবে বারান্দা বা ছাদের ঘৃতকুমারী দিয়ে আপনার ত্বক আর চুলের যত্ন করবেন।
কীভাবে ত্বকে, চুলে ব্যবহার করবেন অ্যালোভেরা
হার্বস আয়ুর্বেদিক ক্লিনিকের রূপবিশেষজ্ঞ আফরিন মৌসুমি বলেন, ‘১ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে ১ চা–চামচ গ্লিসারিন আর ২ চা–চামচ ময়দা (না থাকলে চালের গুঁড়া) ও কয়েক চামচ উষ্ণ গরম দুধ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে মুখে ও গলায় ব্যবহার করুন। শুকিয়ে এলে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। অন্যদিকে চুলের জন্য ভিজিয়ে রাখা মসুরের ডাল ব্লেন্ড করে সেটা অ্যালোভেরার জেলের সঙ্গে মিশিয়ে মাথার তালুতে, চুলে ব্যবহার করতে হবে। তাতে চুল হবে খুশকিমুক্ত আর ঝলমলে। চট করে বাজার থেকে অ্যালোভেরা কিনে বা বাগান থেকে অ্যালোভেরা ছিঁড়ে জেল লাগানো যাবে না। কেননা, এর জেলে কিছু বিষাক্ত উপাদান থাকে। সেগুলো ত্বকে অ্যালার্জিসহ নানান জটিলতার সৃষ্টি করতে পারে। তাই অ্যালোভেরা থেকে জেল বের করে সেটা দুই মিনিট ফুটন্ত পানিতে রেখে তৈরি করতে হবে অ্যালোভেরা স্টেম। এই অ্যালোভেরা জেলের স্টেম ৭ থেকে ১০ দিন ফ্রিজে রেখে ব্যবহার করা যায়।’
আরও পড়ুন
অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী খেলে যে ৯টি উপকার পাবেন
অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী খেলে যে ৯টি উপকার পাবেন
কী আছে ঘৃতকুমারীতে
অ্যালোভেরা বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন ও খনিজের এক সমৃদ্ধ উৎস
অ্যালোভেরা বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন ও খনিজের এক সমৃদ্ধ উৎসছবি: নকশা
প্রশ্নটা হওয়া উচিত কী নেই ঘৃতকুমারীতে। রিডার্স ডাইজেস্ট অনুসারে অ্যালোভেরা বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন ও খনিজের এক সমৃদ্ধ উৎস। এখানে আছে ভিটামিন এ, সি, ই, ফলিক অ্যাসিড, বি-১, বি-২, বি-৩ (নিয়াসিন) ও ভিটামিন বি-৬। অল্প কিছু উদ্ভিদের ভেতর ঘৃতকুমারী একটি, যাতে ভিটামিন বি-১২ আছে। আছে প্রায় ২০ ধরনের খনিজ। আরও আছে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, জিংক, ক্রোমিয়াম, সেলেনিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, কপার ও ম্যাঙ্গানিজ। অ্যামিনো আর ফ্যাটি অ্যাসিডেরও ভালো উৎস এই অ্যালোভেরা।
কেন খাবেন, ব্যবহার করবেন ঘৃতকুমারী
ত্বকের নানা ক্ষত সারিয়ে তুলতে কার্যকরী। রোদে পোড়া, ত্বকে ফুসকুড়ি পড়া ও পোকার কামড়ের মতো বাহ্যিক সমস্যাগুলো সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে। বাহ্যিক ক্ষতে ঘৃতকুমারীর রস মাখলেও ব্যথার উপশম হবে, কেননা বেদনানাশক হিসেবেও এটা অতুলনীয়। চুল পরিষ্কার করতে, চুলে পুষ্টি জোগাতে এবং চুল ঝলমলে উজ্জ্বল রাখতে ঘৃতকুমারীর রস দারুণ কাজের। নিয়মিত ঘৃতকুমারীর রস খেলে আপনার বাড়তি ওজন নিয়ন্ত্রণে আনাও সহজ হবে। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে ত্বককে মসৃণ ও কোমল রাখতে আজকাল প্রসাধনী তৈরিতেও ব্যবহার করা হয় ঘৃতকুমারীর নির্যাস।
ত্বক ও চুলের যত্নে ঘৃতকুমারী
চুলের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতেও কার্যকর অ্যালোভেরা
চুলের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতেও কার্যকর অ্যালোভেরাছবি: নকশা
১. অ্যালোভেরাতে আছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ত্বক থেকে বয়সের ছাপ, ব্রণের দাগ, ট্যান দূর করে।
২. নিয়মিত অ্যালোভেরা ব্যবহারে ত্বকে আসে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা। অ্যালোভেরা প্রাকৃতিক হাইলাইটার।
৩. অ্যালোভেরাতে থাকা অ্যান্টি-ফ্ল্যামেটরি ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান ব্রণ নিরাময়ে সাহায্য করে। নিয়মিত ব্যবহারে ব্রণের দাগ দূর হয়। গরমকালে অ্যালোভেরার ভেতর থেকে জেল বের করে আইস ট্রেতে বরফের কিউব তৈরি করেও ব্যবহার করতে পারেন। ঘৃতকুমারীর নির্যাসের সঙ্গে ভিটামিন-ই ক্যাপসুল মিশিয়ে ত্বকে আলতোভাবে ঘষতে পারেন। নিয়মিত ব্যবহারে ধীরে ধীরে মেছতার দাগ কমে যাবে।
৪. অ্যালোভেরার অ্যান্টি–ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি–ফাঙ্গাল উপাদান চুল পড়া ও খুশকির সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। চুলের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতেও কার্যকর।
৫. ঠোঁটের মৃত কোষ দূর করতে চালের গুঁড়ার সঙ্গে ঘৃতকুমারীর রস মিশিয়ে ঘষতে পারেন। নিয়মিত ঘৃতকুমারীর জেল ব্যবহারে ঠোঁট থাকবে উজ্জ্বল ও কোমল।
20/12/2023
*** শীতে কোন ত্বকে কেমন ফেসওয়াশ ব্যবহার করবেন ***
সুস্থতা আর সৌন্দর্যের মূল কথাই হলো পরিচ্ছন্নতা। ত্বক যখন সঠিকভাবে ধোয়া হবে, কেবল তখনই সৌন্দর্যচর্চার অন্যান্য সামগ্রী থেকে ঠিকঠাক ফল পাওয়া যাবে। সঠিক ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধোয়া হলে ত্বক দেখায় উজ্জ্বল, লাবণ্যময়। ভুল উপাদান প্রয়োগে কিন্তু হতে পারে হিতে বিপরীত। তাই কী দিয়ে মুখ ধোয়া হচ্ছে, এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাজারে নানা ধরনের ফেসওয়াশের মধ্যে কোনটা ভালো হবে বাছাই করতে গিয়ে হিমশিম খেয়ে যান অনেকেই। যে ফেসওয়াশই বেছে নিন, তা আপনার ত্বকের উপযোগী কি না, নিশ্চিত হয়ে নিন। কেনার সময় অবশ্যই এর উপাদানগুলো দেখে নিন।
ত্বক যখন সঠিকভাবে ধোয়া হয়, তখনই সৌন্দর্যচর্চার অন্যান্য সামগ্রী থেকে ঠিকঠাক ফল পাওয়া যায়
ত্বক যখন সঠিকভাবে ধোয়া হয়, তখনই সৌন্দর্যচর্চার অন্যান্য সামগ্রী থেকে ঠিকঠাক ফল পাওয়া যায়
আপনার ত্বকের ধরন কী?
মুখের পুরোটাই যদি চকচকে দেখায়, তাহলে বুঝতে হবে আপনার ত্বক তৈলাক্ত প্রকৃতির। অপর দিকে পুরো মুখ যদি টান টান অনুভব করেন, তাহলে আপনার ত্বক শুষ্ক প্রকৃতির। কপাল ও নাক চকচকে কিন্তু মুখের বাকি অংশ টান টান? তাহলে আপনার ত্বক মিশ্র ধরনের। আর এগুলোর কোনোটিই যদি না হয়, তাহলে আপনার ত্বক স্বাভাবিক। ত্বকের ধরন ও ফেসওয়াশের উপকরণ বুঝে সঠিক ফেসওয়াশ বেছে নেওয়ার জন্য কী কী খেয়াল রাখতে হবে, জানালেন সৌন্দর্যচর্চাকেন্দ্র পারসোনার পরিচালক নুজহাত খান।
ফেসওয়াশ ত্বককে গভীর থেকে পরিষ্কার করে
ফেসওয়াশ ত্বককে গভীর থেকে পরিষ্কার করেছবি : সুমন ইউসুফ
কার জন্য কোন ফেসওয়াশ?
ক্রিমভিত্তিক ফেসওয়াশ শুষ্ক ত্বকের জন্য ভালো। ত্বকের স্বাভাবিক তৈলাক্ততা ধরে রাখতে এ ধরনের ফেসওয়াশ কার্যকর। স্বাভাবিক, মিশ্র ও সংবেদনশীল ত্বকের জন্যও এ ধরনের ফেসওয়াশ বেছে নিতে পারেন।
ফোমভিত্তিক ফেসওয়াশ তৈলাক্ত, স্বাভাবিক, মিশ্র ও সংবেদনশীল ত্বকের উপযোগী। এতে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা বজায় থাকে, বাড়তি তেলও দূর হয়। তাই দীর্ঘ সময় পর্যন্ত ‘ম্যাট লুক’ পাওয়া যায়। ত্বক গভীর থেকে পরিষ্কারও হয়। বাড়ে উজ্জ্বলতা। ত্বকে ক্ষুদ্র ছিদ্র (পোর) থাকলে তা–ও কমে আসে।
জেলভিত্তিক ফেসওয়াশ যেকোনো ত্বকেই ব্যবহার করা যায়। যদি এর উপাদানটি হয় ত্বক উপযোগী। এটিও ত্বকের বাড়তি তেল দূর করে। ত্বক থাকে পরিচ্ছন্ন, ‘ম্যাট’ ও উজ্জ্বল।
ক্লেভিত্তিক ফেসওয়াশ ত্বকে বাড়তি তেল জমে থাকতে দেয় না। ত্বককে গভীর থেকে পরিষ্কার করে। এটি তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ভালো। প্রায়ই যাঁদের ব্রণ হয়, তাঁদের জন্যও কার্যকর।
ফেসওয়াশে যেন রাসায়নিক বা অ্যালকোহল না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন।
ফেসওয়াশে যেন রাসায়নিক বা অ্যালকোহল না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন।ছবি : সুমন ইউসুফ
কোন ত্বকে কোন ফেসওয়াশ?
স্বাভাবিক ত্বকের জন্য স্যালিসাইলিক অ্যাসিড, রেটিনল, ভিটামিন সি এবং রাসায়নিক এক্সফোলিয়েন্ট–সমৃদ্ধ ফেসওয়াশ বেছে নিন।
শুষ্ক ত্বকের জন্য চাই আর্দ্রতা দেবে এমন উপাদানসমৃদ্ধ কোমল ফেসওয়াশ, যা হতে হবে ঘ্রাণবিহীন ও হাইপোঅ্যালারজেনিক (অর্থাৎ যাতে অ্যালার্জির প্রবণতা কম)। ভিটামিন ই, ল্যাকটিক অ্যাসিড, হায়ালুরনিক অ্যাসিড, সেরামাইড, ল্যানোলিন ও প্রাকৃতিক তেলসমৃদ্ধ ফেসওয়াশ ভালো। অ্যালোভেরা, দুধ, মধু, জোজোবা অয়েল কিংবা স্ট্রবেরিও দারুণ উপকরণ। খেয়াল রাখুন, কোনো রাসায়নিক বা অ্যালকোহল যাতে না থাকে। বিশেষত গ্লাইকোলিক অ্যাসিড ও স্যালিসাইলিক অ্যাসিডের মতো উপাদানগুলো এড়িয়ে চলুন।
তৈলাক্ত ত্বকের জন্য মৃদু, জেলভিত্তিক বা ক্লে ফেসওয়াশ বেছে নিন, যাতে স্যালিসাইলিক অ্যাসিড বা ল্যাকটিক অ্যাসিডের আধিক্য রয়েছে। নায়াসিনামাইডও কাজে দেবে। কোনো তেল, অ্যালকোহল বা ক্রিমজাতীয় উপাদান যাতে না থাকে। তবে টি ট্রি অয়েল ও অ্যালোভেরা বেশ কাজে দেয়।
সংবেদনশীল ও মিশ্র ত্বকের ক্ষেত্রে খুবই যত্নশীল হতে হবে। এমন ফেসওয়াশ বেছে নিন যা হাইপোঅ্যালারজেনিক ও কৃত্রিম ঘ্রাণবিহীন, যাতে সালফেট, অ্যালকোহল, প্যারাবেন ও সাবান নেই। মাইক্রোবিডস রয়েছে এমন ফেসওয়াশ ও স্ক্রাব এড়িয়ে চলুন। ভিটামিন ই–সমৃদ্ধ ফেসওয়াশ বেছে নেওয়া ভালো।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
1034-1038, 1st Floor, Dhanmondi
Dhaka
1212
