MedSchool BD
মেডস্কুল বিডি একটি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক প্যানেল পরিচালিত ইউটিউব চ্যানেল। 1944627409102141 মেডস্কুল বিডি একটি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক প্যানেল পরিচালিত ইউটিউব চ্যানেল।
আপনি বলতে পারেন...
'আপনারা নিদিষ্ট সময়ের বাইরে ডাক্তারের চেম্বারে ভীড় করবেন না....রোগীদের বিরক্ত করবেন না...প্রেসক্রিপশন নিয়ে টানাটানি করবেন না..'
বা দিতে পারেন অন্য কোন পরামর্শ।
কিন্তু...
একজন মেডিকেলে রিপ্রেজেনটেটিভ (বর্তমানে পদবী মেডিকেল প্রমোশন অফিসার) সরাসরি দালাল সাব্যস্ত করে...হাত বেধে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যাওয়া....মিডিয়া ট্রায়ালে অপদস্ত করা...সামাজিকভাবে হেয় করা....
খুবই অন্যায় কাজ...খুব ন্যাক্কারজনক কাজ।এই মানুষগুলো সবাই মিনিমাম গ্রাজুয়েট পাশ করা...সারাদিন হাড়ভাংগা পরিশ্রম করে শুধুমাত্র পেটের তাগিদে। একদিন তাদের পরিবারের কাছে গেলেই বুঝবেন...পরিপাটি পোশাকের আড়ালে কতটা চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ করতে হয় তাদের।
কখনো কি ভেবেছেন...তারাও রোগী সেবার গুরুত্বপূর্ণ অংশ!
১.
তাঁরা ঔষধ সম্পর্কিত সবশেষ আপডেট তথ্য চিকিৎসকদের প্রদান করে থাকে।
নতুন ওষুধ, গবেষণা এবং চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে ডাক্তারদের নিয়মিত আপডেট দেন।
২.
ওষুধের ডোজ, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, ব্যবহারবিধি—এসব বিষয়ে তারা বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন, যা রোগীর নিরাপত্তার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
৩.
নতুন প্রযুক্তি ও চিকিৎসা পদ্ধতি দ্রুত মাঠপর্যায়ে পৌঁছাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
৪.
অনেক সময় তারা ক্যাম্পেইন, সেমিনার, বা প্রোগ্রামের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ ও সচেতনতা বাড়াতে সাহায্য করে।
৫.
বিভিন্ন এলাকায় প্রয়োজনীয় ওষুধ পৌঁছাতে ফিল্ড লেভেল কাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
৬. বাংলাদেশ বিশ্বে বৃহত্তর ঔষধ রপ্তানীকারক দেশ। এই অর্জনের পিছনে বিক্রয় প্রতিনিধিদের অবদান একেবারে কম নয়।
এভাবেই তারা শুধু চিকিৎসককে সাহায্য করেনা...মূল উপকার করে রোগীদেরই।এমনকি চিকিৎসকদের অনুরোধে অনেক সময় দরিদ্র রোগীদের সরাসরি কোম্পানি রেইটে ঔষধ সরবরাহ করে।
বি:দ্র:
আমি কোন ঔষধ কোম্পানির কাছে দায়বদ্ধ না। কোন ব্যাক্তিগত সম্পর্ক কারো সাথে নেই। আমার নিজের ও পরিবারের ঔষধ নিজে কিনে খাই। এমনকি আমি ঔষধ স্যাম্পলিং নিরুৎসাহিত করি।
বিবেকের দায়বদ্ধতা থেকে অন্যায়ের প্রতিবাদ করা হলো।
কার্টেসী Dr. Saklayen Russel
06/05/2026
কর্মচারী- স্যার,ফাইলটা সাইন করুন।টিকা আনতে হবে।
সাইন করতে গিয়ে টাকার অংক দেখে স্যারের চোখ জ্বলজ্বল করে উঠলো।
স্যার- আমরা টিকা কিভাবে পাই?
কর্মচারী- ইউনিসেফের মাধ্যমে যোগাড় করি।
স্যার - টাকা কে দেয়?
কর্মচারী - সরকার দেয় । বিদেশী সাহায্যও পাই।
স্যার মুচকি হেসে ফাইল ফেরত দিয়ে বললেন - তাহলে আমাদের টাকা আমরা ইউনিসেফ কে কেন দিবো?আমরা ডাইরেক্ট কিনবো?
কর্মচারী- কিন্ত নিজেদের কিনার জন্য তো অনেক সময় লাগবে। টিকার স্টক তো শেষ হয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া এতো অল্প সময়ের মধ্যে মানসম্মত টিকা যোগাড় করাও তো কঠিন।
স্যার বিরক্ত হয়ে বললেন- তোমার এতো চিন্তা না করলেও হবে। দুই এক মাস দেরি হলে কিছু হয় না।
কর্মচারী- ইউনিসেফ কিন্তু ভবিষ্যতে ঝামেলা হবে বলতেছে।
স্যার রাগত স্বরে বললেন - ইউনিসেফ কি আমার চেয়ে বেশি জানে? আমি বলছি কিছু হবে না তো কিছুই হবে না।কয়েক মাসের জন্য কোনো সমস্যা হবে না।
কয়েক মাস দেরি হলেও টিকা আমরা নিজেরাই কিনবো। যাও ভাগো।
কর্মচারী কাঁচুমাচু করে ফাইল গুছিয়ে বের হতে হতে শুনলো স্যার ফোনে বলছে, আপনি টিকা সাপ্লাই দিতে পারবেন না? . . আচ্ছা । তাহলে কত দিবেন ? . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
আঠারো মাস পর ----
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা গেছে মোট ৪১ হাজার ৭৯৩ টি শিশুর মধ্যে।
এই সময়ে মোট ৩১১ শিশুর মৃত্যু হলো।
সেশন: ২০০৫-২০০৬
এমবিবিএস (DU)
04/05/2026
আপনারা কেমন আছেন?
02/05/2026
যে রোগটিকে একসময় প্রায় নির্মূল করা সম্ভব হয়েছিল বলে বিজ্ঞানীরা স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই হাম আজ বাংলাদেশে এক ভয়ংকর রূপ ধারণ করেছে এবং কেড়ে নিচ্ছে শত শত শিশুর প্রাণ। গত মার্চের মাঝামাঝি থেকে এখন পর্যন্ত দেশে ৩২ হাজারের বেশি মানুষ হামে আক্রান্ত হয়েছে এবং আড়াই শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত জানুয়ারি মাসে রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে শুরু হওয়া এই প্রাদুর্ভাব এখন ৬৪টি জেলার মধ্যে ৫৮টিতেই ছড়িয়ে পড়েছে, যার ফলে হাসপাতালগুলোতে তিল ধারণের ঠাঁই নেই এবং মেঝেতেও শিশুদের চিকিৎসা দিতে হচ্ছে।
একসময় টিকাদানে ৯৫ শতাংশ সফলতার জন্য গর্ব করা বাংলাদেশে এই বিপর্যয়ের মূল কারণ হলো টিকা সংগ্রহ প্রক্রিয়ায় এক চরম কাঠামোগত ব্যর্থতা। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেয় এবং তারা স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার যুক্তিতে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ইউনিসেফের মাধ্যমে টিকা কেনা বন্ধ করে উন্মুক্ত দরপত্র বা ওপেন টেন্ডার পদ্ধতি চালু করে। ইউনিসেফের তীব্র আপত্তি থাকা সত্ত্বেও নেওয়া এই সিদ্ধান্তের ফলে আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় দেশে টিকার মারাত্মক সংকট দেখা দেয়, বাতিল হয় নিয়মিত ও জরুরি টিকাদান কর্মসূচি। ২০২৪ সাল থেকে তিনটি ভিটামিন-এ ক্যাম্পেইন বাদ পড়া এবং দেশের শিশুদের মধ্যে থাকা উচ্চমাত্রার অপুষ্টি এই হামের প্রকোপ ও মৃত্যুর হারকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
‘এটি অত্যন্ত হতাশাজনক ছিল,’ বলেন বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স। তিনি জানান যে, তিনি স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের বারবার সতর্ক করেছিলেন। ফ্লাওয়ার্স অন্তর্বর্তীকালীন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের উদ্দেশে বলেছিলেন, ‘স্রষ্টার দোহাই... এমনটা করবেন না।’
সংকট মোকাবিলায় গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব নেওয়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নতুন সরকার বেশ কিছু ত্বরিত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তারা এপ্রিলে পুনরায় ইউনিসেফ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং গ্যাভির মাধ্যমে টিকা সংগ্রহ শুরু করেছে এবং ৫ থেকে ২০ এপ্রিলের মধ্যে দেশব্যাপী জরুরি টিকাদান ও ভিটামিন-এ বিতরণ কর্মসূচি চালু করেছে। তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, যে দ্রুতগতিতে হাম ছড়াচ্ছে, তাতে এই জরুরি পদক্ষেপগুলো তাৎক্ষণিকভাবে মহামারি থামাতে পারবে না, তাই এটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে 'জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা' হিসেবে ঘোষণা করা উচিত। সম্পূর্ণ প্রতিরোধযোগ্য একটি রোগে এত শিশুর মৃত্যুতে দেশজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে; টিকা কেনায় ব্যর্থতার দায়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং রাজনৈতিক নেতারা একে অপরের ওপর দায় চাপাচ্ছেন, যা একটি দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার কত দ্রুত পতন হতে পারে তারই এক করুণ দৃষ্টান্ত।
Khairul Alom Fardush
Team Science Bee
24/04/2026
হাম থেকে কীভাবে সুরক্ষিত থাকা যায়❓
জেনে নিন এবং আজ থেকেই সঠিক প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। 👇
23/04/2026
হাম ও এর টিকা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো জেনে নিন 👇
আপনার পরিবারের সাথে শেয়ার করুন। আপনার সন্তানের হামের টিকা দেওয়া না থাকলে, এখনই তাকে টিকা দিন।
মীরজাফর সবে মাত্র নবাব হয়েছেন। ইংরেজদের সাথে চুক্তির তিন কোটি টাকা মেটাতে গিয়ে তার তহবিল শূন্য হয়ে গেল। নবাবের সৈন্যবাহিনীর ঘোড়সওয়াররা মাইনে না পেয়ে বিদ্রোহী হয়ে উঠল। ফলে নবাবী সৈন্যবাহিনী ভেঙে পড়ল।
নবাবের সেই দুরবস্থায় সুযোগ বুঝে বহু জমিদার ও ফৌজদারেরা নবাবের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করল। নবাব তখন বিদ্রোহীদের দমন করতে গিয়ে ইংরেজ ফৌজ ব্যবহার করতে বাধ্য হলেন।
গোরা ও তেলেঙ্গা সৈন্যদের সমস্ত খরচ নবাবকেই বহন করতে হবে, এই শর্তে ক্লাইভ নবাবকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসলেন। বিদ্রোহীরা তখনকার মত শায়েস্তা হল বটে, কিন্তু যুদ্ধের খরচ মেটাবার জন্য পর্যাপ্ত টাকা ছিল কোথায়? মীরজাফর ‘বর্ধমান’ ও ‘নদীয়া’ জেলার গোটা খাজনা ইংরেজদের নামে লিখে দিতে বাধ্য হলেন।
নবাবের খাজনা আদায়ের শাসনযন্ত্রে সেই যে ইংরাজদের প্রবেশ শুরু হল, এরপরে ধীরে ধীরে সারা ‘দেওয়ানী’ ও ‘নিজামত’ ইংরেজদের হাতে সম্পূর্ণভাবে চলে গেল। তখন থেকেই নবাবী শাসনযন্ত্র ক্রমশঃ অচল হয়ে পড়তে শুরু করল। নবাবের দরবারের সব ওমরাওরা তখন থেকেই উপলব্ধি করতে পারছিলেন যে তাঁদের দিন ক্রমশ শেষ হয়ে আসছে।
পলাশীর ষড়যন্ত্রে যেসব মনসবদারা মীরজাফরকে সাহায্য করেছিলেন, তারা বুঝে গেল যে মীরজাফর ইংরেজদের ‘ঠুটো জগন্নাথ’ মাত্র। তার হাত থেকে তাদের কোন কিছুই প্রাপ্তির কোন সম্ভাবনা নেই। মীরজাফরের এক বন্ধু আশা করেছিলেন যে নতুন নবাব তাকে যথোচিত পুরস্কার দেবেন।
কিন্তু তিনি কিছুই পেলেন না। আশাহত সেই আমীর, নতুন নবাবের নবাবিয়ানা ভেতর থেকে যে কতটা ফাঁপা, সেটা প্রকাশ্য দরবারে বাজিয়ে দেখিয়ে দিয়েছিলেন।
ওই ঘটনার আগের দিনই ক্লাইভের লোকজনদের সঙ্গে সেই আমীরের লোকজনদের প্রকাশ্যে হাতাহাতি হয়ে গিয়েছিল। পরের দিন সকালে নবাব মীরজাফর তার পুরনো বন্ধুর দিকে রক্ত চক্ষে তাকিয়ে বলেছিলেন, “জনাব, কর্নেল সাহেবের লোকেদের সঙ্গে কাল আপনার লোকেরা ঝগড়া বাঁধিয়েছিল। জনাবের কি জানা আছে, এই কর্নেল ক্লাইভ কে? জান্নাতের হুকুমে জাহানে তাঁর কি জায়গা?”
নবাবের পুরানো বন্ধু ‘মির্জা শামসুদ্দিন’ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে সবার সামনেই উত্তর দিয়েছিলেন, “হুজুর নবাব বাহাদুর, কর্নেলের সঙ্গে ঝগড়া করব আমি? এই আমি? যে রোজ সকালে উঠে তার গাধাটাকে পর্যন্ত তিন বার সলাম না করে কোনো কাজ করে না? তবে কোন সাহসে আমি গাধাটার সওয়ারের সঙ্গে লাগতে যাবো?”
মীরজাফর ‘আলিবর্দি খানের’ মতো ‘মহাবৎ জঙ্গ’ নামে খ্যাত হতে চেয়েছিলেন, কিন্তু ‘ক্লাইভের গাধা’ নামে শেষ পর্যন্ত তাঁর প্রসিদ্ধি হয়েছিল।
রাজকার্যে বীতশ্রদ্ধ হয়ে মীরজাফর‘ভাঙ’ খেয়ে চুর হয়ে থাকতেন। লোকে তাঁর ছেলে ‘মীরন’কে বলত ‘ছোট নবাব’। যত দিন সেই নিষ্ঠুর নবাবজাদা বেঁচেছিলেন তত দিন প্রকৃতপক্ষে তিনিই মীরজাফরের হয়ে রাজকার্য চালিয়ে গেলেন। তার হুকুমে ‘ঘসেটি বেগম’ ও ‘আমিনা বেগম’ - দুই নবাবনন্দিনীকে জলে ডুবিয়ে মারা হল।
‘ঘসেটি বেগম’ তাঁর সমস্ত লুকানো ধনরত্ন দিয়ে মীরজাফরকে পলাশীর ষড়যন্ত্রে সাহায্য করেছিলেন। শোনা যায় যে, জলে ডুবে মরবার আগে ওই দুই বোন মীরনের মাথায় ‘বজ্রাঘাতের’ অভিসম্পাত করে গিযেছিলেন।
মীরনের সব দুষ্কার্যের সাথী ছিলেন ‘খাদেম হোসেন খান। নয়া জমানায় সেই ‘খাদেম হোসেন খান’ ‘পূর্ণিয়ার ফৌজদার’ হয়ে বসলেন। তারপর মীরন ও খাদেম হোসেন খানের মধ্যে দ্বন্দ্ব লেগে গেল। বিদ্রোহী খাদেম হোসেন খানের পিছু ধাওয়া করতে গিয়ে খোলা মাঠে তাঁবুর মধ্যে ‘বজ্রাহত’ হয়ে মীরন মৃত্যুর মুখে পতিত হলেন।
ইংরেজদের টাকা মেটাতে না পারায় মীরজাফর প্রথমে মসনদচ্যুত হলেন। তারপরে আবার ইংরেজদের কৃপায় তিনি মসনদে বসেছিলেন, শেষে মীরজাফর ‘কুষ্ঠ রোগে’ মরেছিলেন। শেষের দিকে তিনি একপ্রকার মরিয়া হয়ে ইংরেজদের একবার জিজ্ঞাসা করেছিলেন, “আপনারা কি ভাবেন টাকার বৃষ্টি হয়?”
পলাশীর অপর নায়ক ছিলেন ‘রায় দুর্লভ’। নতুন নবাব ও তাঁর নতুন দেওয়ানের মধ্যে দু’ দিন যেতে না যেতেই মারাত্মক রেষারেষি শুরু হয়ে গেল। মীরজাফর সন্দেহ করলেন যে, রায় দুর্লভ সিরাজের ছোট ভাই ‘মীর্জা মেহদী’কে মসনদে বসিয়ে নিজে রাজত্ব করবার মতলব আঁটছেন।
সন্দেহের বশবর্তী হয়ে মীরন সেই নিরাপরাধ তরুণকে হত্যা করেন। এরপর রায় দুর্লভের উপরে চোরা গোপ্তা আঘাত হানবার ফিকির খুঁজতে থাকেন।
ক্লাইভের কৃপায় রায় দুর্লভের প্রাণ রক্ষা হয়েছিল। কিন্তু তারপরেই মীরন ঢাকার ‘রাজবল্লভ’কে ডেকে এনে রায় দুর্লভকে তার হাতে রাজকার্য তুলে দেবার হুকুম দিলেন। ফলে রায় দুর্লভের দু’ দিনের দেওয়ানী ঘুচে গেল। রায় দুর্লভ কলকাতায় পালিয়ে গিয়ে নিজের ধন প্রাণ বাঁচাতে সমর্থ হলেন।
যদিও তার সঞ্চিত ধন তাঁর উত্তরপুরুষদের ভোগে লাগে নি। ছেলে ‘রাজবল্লভ’ ইংরেজ আমলে ‘রায় রায়ান’ পদে অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন বটে, কিন্তু তাঁর একমাত্র সন্তান ‘মুকুন্দবল্লভ’ তাঁর জীবদ্দশাতেই মৃত্যুমুখে পতিত হওয়ায় রায় দুর্লভের বংশ চিরতরে লোপ পেল।
সিরাজের বিশ্বস্ত প্রধানমন্ত্রী ‘মোহনলাল কাশ্মীরী’কে রায় দুর্লভ বিষ প্রয়োগে হত্যা করেন। পলাশীর যুদ্ধের ঠিক আগে নিযুক্ত সিরাজের আরেক বিশ্বস্ত কাবুলী সেনাপতি ‘খাজা আবদুল হাদি খান’কে মীরজাফর বিশ্বাসঘাতকতা করে হত্যা করেন। ঢাকার ভূতপূর্ব নায়েব ‘রাজবল্লভ সেন’ পরে ‘পাটনার নায়েব’ হলেন। যদিও তিনি শেষ পর্যন্ত মীরকাশিমের হুকুমে গঙ্গাবক্ষে সলিল সমাধি প্রাপ্ত হলেন।
হুগলীর অস্থায়ী ফৌজদার ‘নন্দকুমার’ পরে মীরজাফরের ‘দেওয়ান’ হয়েছিলেন। তিনিও শেষ পর্যন্ত ‘ওয়ারেন হেস্টিংসের’ ষড়যন্ত্রের বলি হয়ে ফাঁসিতে প্রাণ দিয়েছিলেন। সিরাজের অতি বিশ্বস্ত গুপ্তচর ও ‘পাটনার নায়েব’ ‘রামনারায়ণ’ নবাব মীরকাশিমের হুকুমে নিষ্ঠুরভাবে নিহত হলেন। অর্থাৎ পলাশীর যুদ্ধের কুড়ি বছরের মধ্যে প্রায় সমস্ত ‘মহাবৎজঙ্গী’ ওমরাওরা সমূলে বিনষ্ট ও নিশ্চিহ্ন হয়ে গেলেন।
‘জগৎশেঠ মহাতাব রায়’ ও ‘মহারাজা স্বরূপচন্দের’ পরিণামও ভয়াবহ হল। নবাব মীরকাশিম আরো অনেকের সঙ্গে সেই দুই প্রধান শেঠকে গঙ্গার জলে ডুবিয়ে হত্যা করেন। ওই ঘটনায় জগৎশেঠ পরিবারের ব্যবসা যে ঘা খেল, সেটা থেকে তারা আর উঠে দাঁড়াতে পারেন নি।
দেওয়ানী হাতে পেয়েই ক্লাইভ রুক্ষভাবে তাঁদের উত্তরাধিকারীর কাছ থেকে রাজকোষের চাবি ছিনিয়ে নিল। রাজকোষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সংযোগের ভিত্তিতেই জগৎশেঠের বিশাল ব্যবসা গড়ে উঠেছিল। সেই সংযোগ ঘুচে যাবার পরে তাদের ব্যবসাও আর টিকে থাকে নি। ইংরেজরা অসংখ্য প্রকারে ওই পরিবারের কাছে ঋণী ছিল। সেই ঋণ তারা চরম বেইমানি দিয়েই শোধ করল।
নদীয়ার রাজা ‘কৃষ্ণচন্দ্র’ তলে তলে পলাশীর ষড়যন্ত্রে ইংরেজদের সাহায্য করেছিলেন। ইংরেজরা সে সবও মনে রাখে নি। তিন কোটি টাকার দাবি মেটাতে মীরজাফর লিখে দিয়েছিলেন যে নদীয়া জমিদারীর খাজনা মুর্শিদাবাদে না গিয়ে ইংরেজদের ‘তনখা’ হয়ে কলকাতায় যাবে।
ওই টাকা আদায় করবার জন্য ইংরেজরা কৃষ্ণচন্দ্রকে অশেষ উৎপীড়ন করল। এমন কি সনাতন হিন্দু সমাজের প্রধান ধারক ও বাহক সেই রাজার ‘জাতিনাশ’ করবার ভয় পর্যন্ত দেখানো হল। শেষে বুড়ো বয়সে তাঁর জমিদারী অপরিমেয় ঋণের জালে জড়িয়ে পড়ল। রাজা মারা যাবার পরে তার বংশধরেরাও সেই জমিদারীকে আর রক্ষা করতে পারল না। ‘চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সূর্যাস্ত আইনে’ নদীয়া জমিদারীর প্রায় সব নিলাম হয়ে গেল। © রাজিক হাসান
04/04/2026
দেশব্যাপী হামের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় আগামী ৫ এপ্রিল ২০২৬ রবিবার সকাল ৯ টা থেকে থেকে সরকারের উদ্যোগে প্রথম ধাপে ১৮ টি জেলার ৩০ টি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলায় জরুরি হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হচ্ছে।
এই টিকাদান কর্মসূচিতে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী ( ৪ বছর ১১ মাস ২৯ দিন পর্যন্ত) সকল শিশুকে ১ ডোজ হাম রুবেলা টিকা প্রদান করা হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য স্থানে টিকা প্রদান করা হবে।
তালিকা অনুসারে আপনার নিকটবর্তী ইপিআই টিকাদান কেন্দ্রে যোগাযোগ করে শিশুর ১ ডোজ হামের টিকা নিশ্চিত করুন
১৮ টি জেলার অধীন ৩০ টি উপজেলার তালিকা
এপস্টেইন ফাইলের একটা ভয়াবহ ঘটনার কথা বলি:
এপস্টেইনের গোপন দ্বীপে একবার পাঁচ মাস বয়সী শিশুসহ মার্গারিটা নামের এক নারীকে নিয়ে আসা হয়। ৯ জন এলিট তাকে বিভিন্ন কায়দায় ধর্ষণ ও নির্যাতন করতে প্রস্তুত তখন!
এলিটরা যখন দেখলো মার্গারিটা কোনোভাবেই তাদের কথামতো রাজি হচ্ছিল না, তখন তারা রুমের পাশে থাকা ছোট্ট মাঠে আগুন ধরিয়ে ওখানে মার্গারিটার বাচ্চাকে নিক্ষেপ করার সিদ্ধান্ত নিলো।
এই পরিস্থিতিতে মার্গারিটা তার বাচ্চার জীবনকে অগ্রাধিকার দিলো। অতএব, তার সাথে যা হওয়ার, তা-ই হলো! এলিটরা তাকে যে কারণে নিয়ে এসেছিলো, তা সুদে-আসলে আদায় করে নিলো।
টানা ধর্ষণ ও নির্যাতনের এক পর্যায়ে মার্গারিটা জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। তবুও চললো নির্যাতন। জ্ঞান ফেরার পর মার্গারিটা ও তার বাচ্চাকে সেই আগুনে ধাক্কা মারা হয়। মার্গারিটা ও তার বাচ্চা আগুনে পুড়লেও ঘটনাচক্রে বেঁচে যায়।
ঐ মুহূর্তে কিচেনে তখন বড় একটি পাতিলে পানি গরম করা হচ্ছিল। এলিটদের কেউ একজন একটা বাচ্চাকে ধরে এনে সে পাতিলে ঢুকিয়ে দেয়। এই বাচ্চার ভাগ্য আর সহায় হয়নি। বাচ্চাটা সিদ্ধ হয়ে তৎক্ষনাৎ মৃত্যুবরণ করলো!
না ভাই, এই নারীর নাম মার্গারিটা না; ওনার নাম ভানু বেগম।
এই ঘটনা এপস্টেইনের কোনো গোপন দ্বীপে ঘটেনি; ঘটেছে প্রকাশ্য দিনদুপুরে টাঙ্গাইলে।
উল্লিখিত ৯ জন ব্যক্তি পশ্চিমা এলিট নয়; তারা ছিলো পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও রাজাকার।
আমি জানি, জামায়াত-শিবিরের বহু লোক এই লেখাটা পড়বে এবং শেষ প্যারার টুইস্টের আগ পর্যন্ত সব এক বাক্যে বিশ্বাস করবে। যখনই এরা তাদের ধর্ষক-খুনি ভাই পাকিস্তানি আর্মি এবং আইডল রাজাকারদের নাম দেখবে, তখনই এই ডকুমেন্টেড ইতিহাস তাদের কাছে মিথ্যা হয়ে যাবে। এভাবেই এদেরকে ব্রেইনওয়াশ করা হয়েছে।
চোখ আছে, পড়তে পারে, তবুও অন্ধত্ব নিয়েই জীবন পার করে দেয়!
@মাহবুব আলম
এই মুহুর্তে বাংলাদেশী পাসপোর্ট হয়ত ইতিহাসের সবচেয়ে বাজে সময় পার করছে!
একটা সময় এদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি, কিংবা বন্যার দেশ বলা হত তবে এখন রীতিমতো বাটপারি আর ফ্রডের কারণে এদেশের পাসপোর্টের আজ এই অবস্থা।
ফোর্জারি আর ফ্রড ঐতিহাসিকভাবেই আমাদের মাঝে ছিল আর সেখান থেকেই হয়ত দুনিয়ায় একমাত্র দেশ হিসেবে ফার্স্ট ক্লাস গেজেটেড অফিসার দিয়ে সত্যয়ন করার নিয়ম চালু হয়।
একটা সময় আমাদের সোনার বাংলার লোকজন গলাকাটা পাসপোর্টের(ছবি পরিবর্তন) ব্যবহারে শীর্ষে ছিল।
সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশের স্টুডেন্টদের ক্যাটাগরিতে ৩ এ নামিয়ে দিয়েছে। এর জন্য দায়ী বর্তমানে যারা অস্ট্রেলিয়াতে অবস্থান করছে তারা। এদের অধিকাংশই ভূয়া কাগজপত্র সার্টিফিকেট দিয়ে ওখানে গেছে।
দুবাইতে মালয়শিয়াতেও সিমিলার ঘটনা, যে স্কিলের লোক পাঠানোর কথা ছিল, তার বদলে পাঠানো হয় আনস্কিল্ড লোক। সরকারি ফিসের ১০ গুন বেশি নিয়ে লেবর পাঠানো হয়। এতে সরকার যেমন দায়ী তেমনি শত শত এজেন্টও আরো বড় দায়ী।
আদম ব্যবসায়ীরাও এইদেশে বাটপারীর টপ লেভেলে বরাবরই অবস্থান করে।
সম্প্রতি আমেরিকা যে ৭৫ দেশের ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বন্ধ করেছে তার মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে। যার মূল কারণ তারা দেখিয়েছে সরকারি সহায়তা নেয়া।
আমি যেহেতু প্রায় ৪ বছর আমেরিকা ছিলাম এবং খুব কাছে থেকে দেখেছি তাই এই বিষয়টি আলোকপাত করা জরুরি।
জানি এতে হয়ত অনেকেই বোকার মত পার্সোনালি নিয়ে আমাকে আনফ্রেন্ড করে দিবে।
আমেরিকাতে বাংলাদেশীদের একটা বড় গ্রুপ গেছে ডিভি নিয়ে, তারপর তাদের ফ্যামিলি মেম্বারদের নিয়ে গেছে। বাকিরা পড়তে গিয়ে ব্যাক আসব বলে আর কোনদিন ব্যাক আসেনি।
দুই পার্টিকেই আচার আচরণের দিক দিয়ে আলাদা করা ভালই কঠিন।
যে আমেরিকায় যাওয়ার জন্য দিনে অফিস আর রাতে জিআরই জিম্যাটের প্রিপারেশন নিয়ে নাওয়া খাওয়া বন্ধের মত অবস্থা। সেই আমলে চ্যাটজিপিটি ও ছিলনা, তাই SOP মেবি ৫০-৬০ বার ঠিক করতে হয়েছিল। আমেরিকা গিয়ে দেখি কিছু লোকজন কোন কিছু না দিয়েই চলে আসছে -নট ইভেন ল্যাঙ্গুয়েজ টেস্ট!
পড়াশোনা বাদ দিয়ে দিব্যি কাজ করছে।
বাংলাদেশের বহু নায়িকা প্রেগন্যান্ট হয়ে আমেরিকা যেত। যাতে সন্তানকে আম্রিকার সিটিজেন বানানো যায়।
আওয়ামী লীগ করে সেই আমলে টাকা পয়সা বানিয়ে আমেরিকা এসে নিজেকে বিএনপি ডিক্লেয়ার করে এসাইলাম নিয়েছে এরকম প্রচুর লোক পাওয়া যাবে।
সারাজীবন আমেরিকা থেকে বহু ফ্যানম্যাগ ( ফেইসবুক, এমাজন, গুগল, এনভিডিয়া ইত্যাদি) শীর্ষ কোম্পানিতে হোয়াইট কলার জব করে অনেকেই একটা ফুল পেইড অফ বাড়ি নিজের করে নিতে হিমশিম খায়!
অন্যদিকে বাংলাদেশের বহু অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা, সচিব, আমলা, এমনকি পুলিশের ইন্সপেক্টর-ওসি অবসরের পর আম্রিকায় এসে ফুল ক্যাশে বাড়ি গাড়ি কিনে সেটেল্ড হয়!
কিভাবে?
আমেরিকাতে অনেক বাংলাদেশী আছে ক্যাশে কাজ করে বছরে প্রায় ৭০-৮০ হাজার ডলার কামায় কিন্তু ট্যাক্স ফাইলে আয় দেখাবে মাত্র ১২ হাজার ডলার। যেটা দেখিয়ে সে প্রতি মাসে ২-৩ হাজার ডলারের বাজার খরচ সরকার থেকে পাবে। ২-৩ হাজার ডলারের বাসা ৮০ ডলারে ভাড়া দিয়ে থাকবে। বাচ্চাদের স্কুলিংতো ফ্রি সাথে দুধও ফ্রি খাবে। ঔষধ ফ্রি খাবে। হিসাব করলে দেখা যাবে একটা চার জনের ফ্যামিলি প্রায় ১ লাখ ডলারের কাছাকাছি সুবিধা নিয়ে ফেলে।
অনেকে ভাবেন ইউরোপের সোশাল ওয়েল ফেয়ার সবচেয়ে ভাল। তারা জানেনই না আমেরিকায় কী সুবিধা।
অনেকেই ভাবেন আমেরিকা প্রবাসীরা বৃদ্ধ বাবা মাকে নিয়ে যায়, বাহ কত ভাল সন্তান। আসলেই উত্তম সন্তান।
বৃদ্ধ বাবা মার জন্যও পাওয়া যায় সরকারি সুবিধা। কেউ আবার ক্লেইম করে বাবা মার সেবা করতে গিয়ে আমি কাজ করতে পারছি না তখন ভাতা আরো ৩-৪ গুন হয়ে যায়।
সরকারকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে এই এত এত সুবিধা নেয়া লোকদের অনেকে আবার বিরাট বড় মোসলেম। যাকাত ঠিক মত দিতে হবে তাদের কিন্তু তারা নির্ভরযোগ্য লোক খুজে পায় না; বাংলাদেশের মানুষ নাকি বাটপার! যাকাতের টাকাও মেরে দেয়!
এই সুবিধা খাওয়া লোকজনই কিন্তু কথায় কথায় দেশের রাজনৈতিক বা সরকারি কর্মকর্তাদের গুস্টি উদ্ধার করবে!
আমেরিকায় রান্না করা খাবার ও শস্যের বীজ নিয়ে গেলে তা এয়ারপোর্টে থাকা এগ্রিকালচার ডিপার্টমেন্টকে অবহিত করতে হবে। আজ পর্যন্ত কোন বাঙালি করেছে বলে আমার বিশ্বাস হয়না।
আরেক বিরাট ধান্দাবাজি হল নিজেকে ডিজেবল ক্লেইম করা।
হালকা খুড়িয়ে হেটে, সামান্য পরিমাণ শারীরিক দুর্বলতাকে সার্টিফাই করিয়ে নিয়ে নিজেকে প্রতিবন্ধী ডিক্লেয়ার করা একটা কমন ব্যাপার আমাদের মহান বীর জাতির মধ্যে!
সকল ভাতা তখন বহুগুন বেড়ে যায় সাথে গাড়ি পার্কিং,এয়ারপোর্ট, পাবলিক ট্রান্সপোর্ট সব কিছুতে প্রিভিলেজ!
এই যে আমেরিকায় থাকা 'পশ' লোকজন এত এত সরকারি সুবিধা নিয়ে আর কাজ করার দরকার হয় না। করলেও ক্যাশে একটু কাজ করে নেয়। কাজেই বাংলাদেশের রাজনীতি করার অফুরন্ত সময় পায় তারা।
হাসিনা যখনই আমেরিকা যেত বাংলাদেশী রেস্টুরেন্ট মালিকরা তার কাছে কয়েক লাখ ডলার ক্যাশ দিয়ে আসত। এর বিনিময়ে অনেকে এমপি নমিনেশন চাইত।
বাংলাদেশ ২.০ তেও আমরা এমন লোককে এমপি নমিনেশন পেতে দেখেছি। সংবিধানে কী থাকল তাতে কি আসে যায়!
বিশ্বের অন্যকোন দেশের মানুষের মধ্যে এমনটা দেখা যায় না। আপনি ব্রাজিল কিংবা ফিজিতে গেলে ওখানেও বাংলাদেশীদের বিএনপি,আওয়ামী লীগ, জামাত পাবেন। কিন্তু আমেরিকাতে এত ইন্ডিয়ান পাকিস্তানী থাকলেও ওখানে বিজেপি কিংবা পিপিপির ব্রাঞ্চ পাবেন না।
রোজার মাসে আমেরিকার প্রায় সব মসজিদে ফ্রি ইফতার থাকে। অধিকাংশ বাংলাদেশী ধর্মপ্রাণ মুসুল্লিদের রোজাটা ভেঙেই ক্ষুধার্ত 'অসভ্য' মানুষের রুপ ধারণ করতে দেখতাম।
একদিকে খাবে আরেকদিকে পলিথিনে ভড়বে। তখন আলাদা করা কঠিন হয়ে যায় কে ভুরুঙ্গামারি থেকে ডিভি পেয়ে আসছে আর কে বুয়েট থেকে পাস করে পিএইচডি করতে এসেছে।
কাজেই আমাদের পাসপোর্ট এর মান এত নিচে নামার জন্য দায়ী কে?
হাসিনা? ইউনুস?
নাকি সোনার বাংলার সোনার বাঙালি জাতির খাসলত?
আমাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে মিথ্যা, বাটপারি, জালিয়াতি!
রাসূল (স) এর বক্তব্য অনুযায়ী মুনাফিকের তিনটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো: কথা বললে মিথ্যা বলা, ওয়াদা করলে তা ভঙ্গ করা, এবং আমানত রাখলে তাতে খেয়ানত করা!
আপনার আমার আত্মীয় স্বজন বন্ধু বান্ধব সার্কেলে এই ৩টি বৈশিষ্ট্য দিয়ে ফিল্টারিং করুন,
এই সোনার জাতির কত % লোক পাস করবে?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
C-Block, Shohid Baki Sarak, Khilgaon
Dhaka
1219
