Radiah Agro

Radiah Agro

Share

উন্নত জাতের বীজ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান

Photos from Radiah Agro's post 04/05/2024

সরাসরি ইন্ডিয়া থেকে আমদানীকৃত সুদান ঘাস বীজ।
আজই সংগ্রহ করুন। অর্ডার করতে আমাদের পেজ এ ম্যাসেস করুন।

ইন্ডিয়ান হাইব্রিড সুদান ঘাস বীজ ( পানিতে ও শুকনো জমিতে হয় )
🐄 ইন্ডিয়ান হাইব্রিড সোরঘাম সুদান জাম্বো ঘাস।
গরু,ছাগলের উত্তম খাদ্য- 🐃🐄🐂🐐
🏞 ১ কেজি বীজ দিয়ে ৫ শতাংশ জায়গায় লাগানো যাবে ।
👉 এই ঘাস সকল গবাদি পশু, যেমন গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, টার্কি মুরগি, হাঁস সবকিছুতেই খায়। বর্তমান সময়ের সবচেয়ে উচ্চ ফলনশীল এবং দ্রুত বর্ধনশীল ঘাস। 🐃🐄🐂🐑🐐
💥এই ঘাসের বৈশিষ্ট্য গুলো হলঃ
👉দ্রুত বর্ধনশীল এবং উচ্চ ফলনশীল। অল্প সময়ে অধিক ফলন।
👉প্রতিবার কাটার পর ২৫ থেকে ৩০ দিনের মাথায় আবার কাটার উপযুক্ত হয়ে যায়। ১ মাস বয়সি ঘাস ৫ থেকে ৬ ফুট অথবা তারও বেশি লম্বা হয়।
👉এই ঘাসের গোড়া খুবই নরম। এই ঘাস ৮ থেকে ১০ ফুট লম্বা হয়ে গেলেও গোড়া শক্ত হয় না। সুতরাং সকল গবাদিপশু এই ঘাস আগা-গোড়া সমান ভাবে খেতে পারে।
👉এই ঘাস বছরের যেকোন সময় লাগানো যায়। একবার লাগালে একটানা ৬ থেকে ৭ বছর কেটে কেটে গবাদিপশুকে খাওয়ানো যায়
👉এই ঘাস অনেক ঝোপালো হয়। প্রতিটা ঝাড় থেকে ২০/৩০ এমনকি ৪০ টিরও বেশি ঘাস বের হয়।
👉বছরের ১২ মাস ই সমান ফলন পাবেন। শীতকালেও এই ঘাসের ফলন কমে না।
👉বিশেষ কোনো যত্ন এবং ভালো জমির প্রয়োজন হয় না। তবে উঁচু জমিতে এই ঘাস চাষ করা ভালো।
👉এই ঘাসে রয়েছে 20- 22% প্রোটিন, যা আপনার গবাদিপশুর
পুষ্টিমান নিশ্চিত করবে। এই ঘাস একবার লাগালে আপনার গবাদি পশুর খাবারের জন্য কোন চিন্তা করতে হবে না।
♦️অগ্রিম কোন টাকা ছাড়াই যেকোনো বীজ নিন আমার থেকে।
♦️যেহেতু অনলাইনে প্রতারণার ভয়ে কেউ অগ্রিম টাকা দিতে সাহস পায়না তাই আমি ক্যাশ অন ডেলিভারি দিচ্ছি

Photos from Radiah Agro's post 03/05/2024

ইন্ডিয়ান হাইব্রিড সুদান ঘাস বীজ ( পানিতে ও শুকনো জমিতে হয় )
🐄 ইন্ডিয়ান হাইব্রিড সোরঘাম সুদান জাম্বো ঘাস।
গরু,ছাগলের উত্তম খাদ্য- 🐃🐄🐂🐐
🏞 ১ কেজি বীজ দিয়ে ৫ শতাংশ জায়গায় লাগানো যাবে ।
👉 এই ঘাস সকল গবাদি পশু, যেমন গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, টার্কি মুরগি, হাঁস সবকিছুতেই খায়। বর্তমান সময়ের সবচেয়ে উচ্চ ফলনশীল এবং দ্রুত বর্ধনশীল ঘাস। 🐃🐄🐂🐑🐐
💥এই ঘাসের বৈশিষ্ট্য গুলো হলঃ
👉দ্রুত বর্ধনশীল এবং উচ্চ ফলনশীল। অল্প সময়ে অধিক ফলন।
👉প্রতিবার কাটার পর ২৫ থেকে ৩০ দিনের মাথায় আবার কাটার উপযুক্ত হয়ে যায়। ১ মাস বয়সি ঘাস ৫ থেকে ৬ ফুট অথবা তারও বেশি লম্বা হয়।
👉এই ঘাসের গোড়া খুবই নরম। এই ঘাস ৮ থেকে ১০ ফুট লম্বা হয়ে গেলেও গোড়া শক্ত হয় না। সুতরাং সকল গবাদিপশু এই ঘাস আগা-গোড়া সমান ভাবে খেতে পারে।
👉এই ঘাস বছরের যেকোন সময় লাগানো যায়। একবার লাগালে একটানা ৬ থেকে ৭ বছর কেটে কেটে গবাদিপশুকে খাওয়ানো যায়
👉এই ঘাস অনেক ঝোপালো হয়। প্রতিটা ঝাড় থেকে ২০/৩০ এমনকি ৪০ টিরও বেশি ঘাস বের হয়।
👉বছরের ১২ মাস ই সমান ফলন পাবেন। শীতকালেও এই ঘাসের ফলন কমে না।
👉বিশেষ কোনো যত্ন এবং ভালো জমির প্রয়োজন হয় না। তবে উঁচু জমিতে এই ঘাস চাষ করা ভালো।
👉এই ঘাসে রয়েছে 20- 22% প্রোটিন, যা আপনার গবাদিপশুর
পুষ্টিমান নিশ্চিত করবে। এই ঘাস একবার লাগালে আপনার গবাদি পশুর খাবারের জন্য কোন চিন্তা করতে হবে না।
♦️অগ্রিম কোন টাকা ছাড়াই যেকোনো বীজ নিন আমার থেকে।
♦️যেহেতু অনলাইনে প্রতারণার ভয়ে কেউ অগ্রিম টাকা দিতে সাহস পায়না তাই আমি ক্যাশ অন ডেলিভারি দিচ্ছি
🚛🚛 হোম ডেলিভারি চার্জ :
🟦 কুরিয়ার চার্জ ঢাকার বাইরে ১১০ টাকা ( ক্যাশ অন ডেলিভারি )
🔷 ৫ কেজি বা তারো বেশি বীজ অর্ডার করলে সমগ্র বাংলাদেশের ডেলিভারি চার্জ ফ্রি
অর্ডার করতে-
নাম :
ঠিকানা :
ফোন নাম্বার :
কত কেজি বীজ নিতে চাচ্ছেন....

03/05/2024

সুদান ঘাসের চাষ পদ্ধতি
আমাদের দেশে গবাদিপশুর পালন অনেক বেড়েছে কিন্তু সেই তুলনায় গো-খাদ্য অনেক চ্যালেঞ্জের মুখে। বর্ষা মৌসুমে বাড়ির পাশের জমিতে ধান উৎপাদন করা সম্ভব হয় না। অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে পতিত জমিতে পানি ও আগাছা বেশি হয়ে থাকে। ফসল উৎপাদন ব্যাহত হয়। তাই এরকম লাখ লাখ একর পতিত জমি সারা বছরই খালি পড়ে থাকে। একটু সচেতন হলেই আমরা এ জমিগুলো কাজে লাগিয়ে বিপুল অর্থ উপার্জন করতে পারি । বর্ষা মৌসুমসহ সারা বছরই এ জমিগুলোতে ঘাস চাষ করে গো-সম্পদের প্রসার ঘটানো যায় । সুদান ঘাস উচ্চ ফলনশীল ফসল। এটা গোরুর মোটাতাজাকরণ জন্য ব্যবহৃত হয়।

সুদান ঘাসের উপযোগী মাটি ও জলবায়ু
তুলনামূলকভাবে- যে সকল জমিতে পানি জমে থাকে না সেই সকল জমিতেই সুদান ঘাস চাষ করা উত্তম। এ ঘাস সব ধরনের মাটিতেই জন্মে। তবে বেলে দো-আশ মাটিতে এর ফলন সবচেয়ে বেশি। এ ঘাসের জন্য উঁচু জমি ভালো। বন্যা প্রস্তাবিত জমি এ ঘাস চাষের জন্য অনুপযুক্ত।

জমি নির্বাচন
পানি নিষ্কাশনের জন্য ভাল ব্যবস্থা আছে অর্থাৎ যেখানে বৃষ্টি বা বর্ষার পানি জমে থাকে না এরূপ জমি নেপিয়ার চাষের জন্য উত্তম। প্রায় সব ধরনের মাটিতেই এ ঘাস রোপন করা যায়, তবে বেলে-দোআঁশ মাটি সবচেয়ে বেশি উপযোগী।

চাষের সময়
সুদান ঘাসের বীজ সারা বৎসরই রোপন করা যায়। প্রচন্ড শীত এবং বর্ষার পানির সময় বাদে সব সময় বীজ বপন করা যায়।

চাষ পদ্ধতি
এ ঘাস চাষের জন্য জমিতে তিনটি থেকে চারটি চাষ দিয়ে এবং মই দিয়ে আগাছামুক্ত করার পর রোপণ করতে পারলে উত্তম।

জমি প্রস্তুতের সময়
১.৫০ থেকে ২.০০ টন জৈবসার- প্রতি একরে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিতে হবে। এছাড়া রাসায়নিক সারের মধ্যে ইউরিয়া, টিএসপি ও পটাশ ইত্যাদি সার ব্যবহার করতে পারেন।

বীজ বপন
প্রথমে বীজ ১-২ ঘন্টা মিষ্টি রোদে শুঁকিয়ে তারপরে নরমাল করে ২৪-৪৮ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন তারপরে জমিতে ছিটিয়ে দিন। পরবর্তী ২৪-৪৮ ঘন্টার মধ্যে বীজ জার্মিনেশন হয়ে যায়। চারা ৩-৪ ইঞ্চি হবার পরে একটি সেচ দিতে পারলে ভালো।

সার প্রয়োগ ও পানি সেচ
ভালো ফলন ও গাছের বৃদ্ধির জন্য সার এবং পানির প্রয়োজন। বর্ষা মৌসুমে পানি সেচের প্রয়োজন হয় না। কিন্তু অন্য সময়ে সাধারণত পানি সেচের প্রয়োজন হয় এবং ইউরিয়া ১৫০ কেজি, টিএসপি ৮০ কেজি, ও এমওপি ৭০ কেজি সার প্রয়োগ করতে হবে।

ঘাস কাটার পদ্ধতি
বীজ থেকে চারা হবার পর থেকে ৩৫-৪০ দিন পর প্রথমবার ঘাস সংগ্রহ করা যায়, মাটির ৫-৬ ইঞ্চি উপর থেকে ঘাস কাটতে হয়।তিন সপ্তাহ পরপর পুনরায় ঘাস কাটা যায়। প্রথম কাটিং-এ ফলন একটু কম হলেও দ্বিতীয় কাটিং থেকে পরবর্তী ২/৩ বছর পর্যন্ত ফলন বাড়তে থাকে। এরপর আস্তে আস্তে কমতে থাকে। পরে পুনরায় বীজ অথবা কাটিং বা মোথা লাগাতে হবে। প্রত্যেকবার ঘাস কাঁটার পর একর প্রতি ৬০-৭০ কেজি ইউরিয়া, ৪০-৫০ কেজি টিএসপি, ৪০-৫০ কেজি এমওপি এবং ২-৩ টন গোবর/ কম্পোস্ট সার মাটিতে মিশিয়ে দিতে হবে।

পশুকে খাওয়ানোর নিয়ম
জমি থেকে ঘাস কাটার পর ঘাস যাতে শুকিয়ে না যায় সেদিকে বিশেষ লক্ষ্য রাখতে হবে। আস্ত ঘাস গবাদিকে খেতে দিলে অপচয় বেশি হয়। তাই মেশিন, দা অথবা কাঁচি দ্বারা ২-৩ ইঞ্চি লম্বা করে কেটে খাওয়ানো ভাল। এই কাটা ঘাস খড়ের সাথে মিশিয়ে খাওয়ানো যেতে পারে। এ ছাড়া দুই থেকে তিন ইঞ্চি করে কেটে খড়ের সঙ্গে মিশিয়েও খাওয়ানো যায়। নেপিয়ার ঘাসে শতকরা ৭-১২ ভাগ প্রোটিন আছে।সুদান ঘাস শুকিয়ে সংরক্ষণ করা সুবিধাজনক নয়। তবে কাঁচা ঘাস সাইলেজ করে শুষ্ক মৌসুমে সংরক্ষণ করা যায়।

সুদান ঘাস উচ্চ ফলনশীল ঘাস। এই ঘাস চাষের মাধ্যেমে গবাদিপশুর কাঁচা ঘাসের চাহিদা মিটানো সম্ভবপর। কাঁচা ঘাস/সাইলেজের ব্যবহার যথাযথভাবে করতে পারলে দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে যা দ্বারা ক্রমান্বয়ে দেশের দুধের চাহিদা মিটানো সম্ভব। সম্প্রতি আমাদের দেশে দুধের দাম যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে করে দুধ উৎপাদন বাড়লে কৃষকের যেমন আর্থিক স্বচ্ছলতা বৃদ্ধি পাবে তেমনি দেশের আর্থিক অবস্থারও উন্নতি ঘটবে।

লেখকঃ কৃষিবিদ সালাউদ্দিন কাজী

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Dhaka
1205