FOOD for Fit

FOOD for Fit

Share

It is a page on food, nutrition and agriculture. It makes videos through its own reporter and gives various information.
- FOOD for Fit

https://www.youtube.com/channel/UCj-ykahyJGWzgJtgdsWA1dA

16/05/2026

চিপস ও চানাচুরের মতো প্যাকেটজাত খাবারে অতিরিক্ত বা মাত্রাতিরিক্ত লবণ থাকে, যা "লুকানো লবণ" (hidden salt) হিসেবে কাজ করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) মতে, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৫ গ্রাম লবণ খাওয়া উচিত। কিন্তু এসব খাবারে সোডিয়ামের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে, যা উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ ও স্ট্রোকের মতো মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায়।

চিপস ও চানাচুরে উচ্চ লবণের প্রভাব ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি লুকানো সোডিয়াম: চিপস, চানাচুর, বিস্কুট এবং ইনস্ট্যান্ট নুডলসের মতো মুখরোচক খাবারে স্বাদ বাড়াতে ও সংরক্ষণের জন্য অতিরিক্ত লবণ ব্যবহার করা হয়।

স্বাস্থ্যঝুঁকি: অতিরিক্ত লবণ গ্রহণের ফলে শরীরে সোডিয়ামের মাত্রা বেড়ে যায়, যা রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে পরবর্তীতে হৃদরোগ, স্ট্রোক এবং কিডনি রোগের মতো অসংক্রামক রোগ হওয়ার ঝুঁকি অনেকগুণ বেড়ে যায়।

মৃত্যুর হার: স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, প্যাকেটজাত খাবারে অতিরিক্ত লবণের কারণে বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ২৪ হাজার মানুষ নানা রোগে প্রাণ হারায়।কীভাবে বুঝবেন এবং সতর্ক হবেন?উপাদান যাচাই: যেকোনো প্যাকেটজাত চিপস বা চানাচুর কেনার আগে প্যাকেটের গায়ে লেখা পুষ্টিমান বা Nutrition Facts ভালোভাবে পড়ে নিন। এতে সোডিয়ামের পরিমাণ (Sodium content) দেখে নেওয়া সম্ভব।
সচেতনতা বৃদ্ধি: প্রক্রিয়াজাত খাবারের বদলে তাজা ফলমূল ও ঘরে তৈরি স্বাস্থ্যকর নাস্তা খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

বিশেষজ্ঞের পরামর্শ: অতিরিক্ত লবণ ও সোডিয়ামযুক্ত খাবার শিশুদের অভ্যাস থেকে দূরে রাখা উচিত এবং দৈনন্দিন খাবারে লবণের পরিমাণ সীমিত করতে হবে।

13/05/2026

Vitamin b 12 vitamin

13/05/2026

খাবারে জিঙ্ক।। FOOD for Fit

12/05/2026

হেপাটাইটিস হলো লিভারের প্রদাহ বা সংক্রমণ, যা সাধারণত ভাইরাসজনিত কারণে হয়ে থাকে। এটি লিভারের কোষ ধ্বংস করতে পারে এবং গুরুতর ক্ষেত্রে লিভার সিরোসিস বা ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। প্রধানত পাঁচ প্রকারের (A, B, C, D, E) মধ্যে বি ও সি সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ।

লক্ষণগুলোর মধ্যে জন্ডিস, ক্লান্তি, পেট ব্যথা ও বমি ভাব উল্লেখযোগ্য।হেপাটাইটিস সম্পর্কে মূল তথ্য:প্রকারভেদ: হেপাটাইটিস এ, বি, সি, ডি এবং ই। এর মধ্যে হেপাটাইটিস এ ও ই সাধারণত দূষিত খাবার/পানির মাধ্যমে ছড়ায় এবং হেপাটাইটিস বি, সি, ডি রক্তের মাধ্যমে বা শারীরিক সম্পর্কের মাধ্যমে ছড়ায়।লক্ষণ: ক্লান্ত লাগা, ক্ষুধা কমে যাওয়া, ওজন কমে যাওয়া, চোখ ও ত্বক হলুদ হয়ে যাওয়া (জন্ডিস), গাঢ় হলুদ প্রস্রাব, এবং পেটে ব্যথা।
বি ও সি-এর ঝুঁকি: হেপাটাইটিস বি ও সি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে এবং অনেক বছর ধরে লিভারের ক্ষতি করে, যার ফলে সিরোসিস বা লিভার ক্যানসার হতে পারে।
প্রতিরোধ: হেপাটাইটিস এ ও বি-এর জন্য কার্যকরী ভ্যাকসিন বা টিকা রয়েছে। বিশুদ্ধ পানি পান, সুষম খাবার এবং আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত/তরল থেকে দূরে থাকা প্রয়োজন।
চিকিৎসা: ভাইরাল ধরনের ওপর ভিত্তি করে অ্যান্টিভাইরাল ঔষধ এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তন (যেমন- মদপান বর্জন) এর মূল চিকিৎসা।
পরামর্শ: সন্দেহজনক লক্ষণ দেখলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং রক্ত পরীক্ষা করান।

12/05/2026

সতর্কতা

11/05/2026
11/05/2026

Vitamin b 12

11/05/2026

হার্টের যত্ন নিন:

আপনার কি মাঝে মাঝে বুকের ভিতর চাপ চাপ লাগে?
হাঁটলে আগের মতো শক্তি পান না?
সিঁড়ি উঠলে হাঁপিয়ে যান?
রাতে হঠাৎ বুক ধড়ফড় করে?
তারপর নিজেকেই বুঝ দেন,
“… গ্যাস…”
“বয়স বাড়তেছে…”
“এত টেনশন করলে এমন হবেই…”

৫৮ বছরের একজন মানুষ
একদম সাধারণ জীবন।
সকাল হলে কাজে যেতেন, মানুষের সাথে হাসতেন, বাজার করতেন, পরিবার নিয়ে চিন্তা করতেন।
বড় কোনো অসুখ ছিল না।
কমপক্ষে উনি তাই ভাবতেন।
তারপর একদিন সকালে বুকের ভিতর ভারী লাগা শুরু হলো।
তীব্র ব্যথা না।
শুধু মনে হচ্ছিল বুকের উপর কেউ পাথর চাপা দিয়ে রেখেছে।
তিনি ভাবলেন একটু পর ঠিক হয়ে যাবে।
হার্টের রক্তনালী আস্তে আস্তে সরু হয়ে যাচ্ছিল বছরের পর বছর ধরে।
আমরা যেভাবে ঘরের পাইপের ভিতরে ময়লা জমে পানি চলার রাস্তা ছোট হয়ে যায়,
ঠিক সেভাবেই রক্ত চলার পথ ছোট হয়ে যায়।

অল্প কাজেই ক্লান্ত লাগা
বুকের মাঝখানে চাপ লাগা
হাঁটলে দম ফুরিয়ে যাওয়া
আগের মতো শক্তি না পাওয়া
হঠাৎ ঘাম হওয়া
বাম হাত বা চোয়ালে অস্বস্তি
এগুলাকে অবহেলা করবেন না

আমরা বিশ্বাস করতে চাই, “আমার কিছু হবে না।”
কিন্তু হার্ট অ্যাটাক সময় দেয়না...

প্লিজ অবহেলা করবেন না।

কি করলে হার্ট ভালো থাকবে?
বরং প্রতিদিনের ছোট ছোট কিছু অভ্যাসই হার্টকে ধীরে ধীরে বাঁচায়… আবার ধ্বংসও করে।

হার্ট সুস্থ রাখতে যা করবেন:
১. প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটুন
জিম করতে হবে না।
নিয়মিত হাঁটাটাই অনেক বড় ওষুধ।
২. ধূমপান বাদ দিন
একটা সিগারেটও হার্টের রক্তনালীর ক্ষতি করে।
“মাঝে মাঝে খাই” বলেও অনেক মানুষ ICU তে যায়।
৩. তেল-চর্বি কমান
প্রতিদিন গরু-খাসি, ফাস্টফুড, ভাজাপোড়া…
এগুলো ধীরে ধীরে রক্তনালী বন্ধ করে।

৪. ঘুম ঠিক করুন
রাত জেগে থাকা, অল্প ঘুম, অতিরিক্ত স্ট্রেস…
এসব হার্টের উপর ভয়ংকর চাপ ফেলে।

৫. সুগার, প্রেসার, কোলেস্টেরল চেক করুন
অনেক মানুষের এগুলো থাকে কিন্তু টেরই পায় না।
আর ভিতরে ভিতরে হার্ট নষ্ট হতে থাকে।

৬. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন
পেটের মেদ শুধু সৌন্দর্যের সমস্যা না।
এটা হার্টেরও শত্রু।

৭. রাগ, টেনশন, অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা কমান
সব চিন্তা একা মাথায় রাখবেন না।

যদি মাঝে মাঝে বুক চাপ লাগে, হাঁটলে হাঁপান, বাম হাতে অস্বস্তি হয়, অকারণে ঘাম হয়…
একটা ECG, Echo বা ডাক্তার দেখানো আপনার জীবন বাঁচিয়ে দিতে পারে।
হার্ট ভালো রাখার জন্য শুধু ওষুধ না,
জীবনযাপনও বদলাতে হবে।

06/05/2026

প্লাস্টিক পাত্রে খাবার

06/05/2026

যে খাবারে শক্তি বাড়ে

05/05/2026

Colon cancer

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address


Dhaka