Moon apuu
Moon | Medical student | Curious mind | Future healer
11/01/2026
বিচ্ছেদ একটা ছোট শব্দ, অথচ ভেতরে জমে থাকা দীর্ঘশ্বাসের ওজন অসীম!
তাহসান আর রোজা দম্পতির আলাদা হওয়ার খবরটা শুনে চমকে ওঠার মতো কিছু নেই, তবু বুকের ভেতর কোথাও একটা হাহাকার ঠিকই জেগে ওঠে! কারণ বিয়ের সময় যে মানুষগুলোকে নিয়ে কত উচ্ছ্বাস, কত লেখালেখি, কত স্বপ্নের গল্প—সেই গল্পগুলোর আয়ু যে এত ছোট হবে, তা কেউ ভাবতে চায় না।
আমি নিজেও ভাইরাল টপিক নিয়ে লিখতে চাই না। কিন্তু এই বিচ্ছেদটা যেন শুধু দু’জন মানুষের আলাদা হয়ে যাওয়ার খবর নয়, এটা আমাদের সময়ের সম্পর্কগুলোর এক নির্মম প্রতিচ্ছবি।
ভালোবাসা, বিশ্বাস আর ভরসা—এই তিনটি শব্দ আজকাল যেন কাগজের ফুল। দেখতে সুন্দর, কিন্তু একটু ঝাঁকুনিতেই ঝরে পড়ে। যেখানে ‘একসাথে থাকবো ’ কথাটার মানে দাঁড়িয়ে গেছে, “ যতদিন ভালো লাগে। ”
আজকাল মানুষ খুব সহজেই নিজের পথ আলাদা করে নেয়। হয়তো আত্মসম্মান, হয়তো স্বস্তি, হয়তো ক্লান্তি—কারণ যাই হোক না কেন, বিচ্ছেদ এখন আর বিস্ময় নয়, বরং স্বাভাবিক এক পরিণতি হয়ে উঠছে।
এই দম্পতির ক্ষেত্রে একটা দিক সত্যিই ভাবায়—তাদের কোনো সন্তান নেই। হয়তো এটাই তাদের কপাল ভালো। কারণ বিচ্ছেদে সবচেয়ে বেশি ক্ষতবিক্ষত হয় সেই শিশুগুলো, যারা কিছুই বোঝে না, অথচ সবকিছুর বোঝা বইতে হয় তাদের ছোট বুকেই।
যাদের সন্তান থাকা অবস্থায় বিচ্ছেদ হয়, তারা কি কখনো ভাবে, ভাঙা সংসারের শব্দে একটি শিশুর শৈশব কতটা চুপচাপ ভেঙে যায়?
ভালোবাসা আসলে শুধু অনুভূতি নয়, এটা দায়িত্ব।
বিশ্বাস শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, এটা ধৈর্য। আর ভরসা—এটা প্রতিদিন নতুন করে বাঁচিয়ে রাখার একটা প্রচেষ্টা। এই জায়গাগুলো যখন ঠুনকো হয়ে যায়, তখন সম্পর্ক যত সাজানোই হোক, ভেতর থেকে ধসে পড়ে!
সব প্রেম চিরকাল জ্বলে থাকে না, সব আলো টিকে থাকে না। কিছু সম্পর্ক নক্ষত্রের মতোই। একসময় আলো দেয়, পথ দেখায়, তারপর নিঃশব্দে নিভে যায়! বিচ্ছেদ মানেই দোষারোপ নয়। কখনো কখনো আলাদা হওয়াই হয়তো দু’জন মানুষের জন্য সবচেয়ে সৎ সিদ্ধান্ত। তবুও মনটা কেমন জানি ভারী হয়ে যায়! কারণ প্রতিটা ভাঙনের সাথে আমাদের বিশ্বাসটাও একটু একটু করে ভেঙে পড়ে। আর আমরা আবারও শিখে যাই, “ ভালোবাসা সহজ, কিন্তু ধরে রাখা ভীষণ কঠিন—ভীষণ কঠিন! "
লেখায়:- মোঃ ফাহাদ মিয়া🌼
10/01/2026
শুধু তাহসান-রোজা বিচ্ছেদ? মেডিক্যালেও অহরহ ডাক্তার কাপলের বিচ্ছেদ হচ্ছে রোজ,রোজ ভাঙছে সম্পর্ক।
বিচ্ছেদ হবে না কেনো?
মানুষের কাছে এখন ভালোবাসার কদর নাই, সময়ের কদর নাই, ইমোশনের কদর নাই।
কদর শুধু আছে রাগের, ইগোর, স্বার্থের, বাহ্যিক সৌন্দর্যের, মোহের!
মানুষ ধরে রাখার চেয়ে ছাড়তে বেশি পছন্দ করে। নিজের বদলাবার আগে অন্যের বদলাবার এক্সপেকটেশন রাখে, রাগ আর জেদে প্রতিযোগিতা পছন্দ করে! নিজেদের সম্পর্ক সুন্দর করার চেয়ে আরো বেটার একটা খুঁজে নেওয়া বেটার মনে হয় তাদের!
অথচ একটু দেখা করে বসে দুদন্ড কথা বলে ঝামেলা মিটিয়ে ফেলেই কত সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা যায়...
02/01/2026
মেডিকেল স্টুডেন্ট লাইফ মানে শুধু বই আর পরীক্ষা না—
এটা না ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখা,
চাপের ভেতর দিয়ে শক্ত হওয়া,
আর বারবার ভেঙে পড়ে আবার উঠে দাঁড়ানো।
সবাই দেখে সাদা এপ্রোন,
কিন্তু এর পেছনের অশ্রু, ক্লান্তি আর নীরব লড়াইটা খুব কম মানুষই বোঝে।
তবুও… একদিন “ডাক্তার” ডাকটাই সব কষ্টের দাম মিটিয়ে দেবে। 🩺🤍
ভ্যারিয়েন্ট–২ (শর্ট ও স্ট্রং)
মেডিকেল স্টুডেন্ট হওয়া মানে—
কম ঘুম, বেশি স্বপ্ন,
অনেক কষ্ট, কিন্তু হার না মানা।
কারণ শেষ লাইনে আছে একটা শব্দ—
Doctor. 🩺
31/12/2025
মহান আল্লাহ তায়ালার কত সুন্দর সিস্টেম একদিন মিজানুর রহমান আজহারী সাহেব একটা ওয়াজে বলেছিল
যে একটা বন্ধু একটা বন্ধুকে ইসলাম নিয়ে কিছু বুঝাইতে গিয়ে একটা উদাহরণ দিয়ে বলে তুমি কি দশ লক্ষ মানুষকে এক মিনিটের মধ্যে একটা শৃঙ্খলার মধ্যে সিরিয়ালে দাঁড় করাইতে পারবা কোন হট্টগোল ছাড়া?
উত্তর ছিল না।
কিভাবে সম্ভব এটা কখনোই সম্ভব না?
ইসলামের সৌন্দর্য তো এখানেই
আর কোন ধর্মে এরকম দেখি নাই আজাহারী সাহেবের কথাটা যেন আর চোখের সামনে প্রমাণিত হয়ে গেল। খুবই অল্প সময়ের মধ্যে লক্ষ লক্ষ মানুষ কি সুন্দর ভাবে জামাতে দাঁড়িয়ে গেছে ।
এটাই মুসলমানদের সার্থকতা
আর কোন ধর্মে আমি কখনো এমনটা দেখিনি।
আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ।
যদিও মক্কা মদিনায় গেলে এগুলো দেখার সুযোগ অনেক আগেই হত জানিনা আল্লাহ কবে মনের ইচ্ছাটা পূরণ করবে।
30/12/2025
'চলো,এবার অনন্তকাল ধরে বিশ্রাম নেই!!💔
কি ভাগ্য হয়তো মনে মনে তিনি এটাই চেয়েছিলেন
যে তার ছেলেকে বাংলাদেশে দেখার পর যেন আল্লাহ তাকে নিয়ে যায়!
চাইলে কিন্তু হতে পারতো তারেক জিয়া দেশে না থাকাকালীন আল্লাহ তাআলা তাকে নিয়ে যেতে পারতেন!!
ভাবতে অবাক লাগে ছেলে আসলো ২৫ ডিসেম্বর মা মারা গেল ৩০ শে ডিসেম্বর!
28/12/2025
📌 আত্ম *হত্যা পোস্ট*মর্টেম
থার্ড ইয়ার থেকে মেডিকেল স্টুডেন্টদের ফরেনসিক ক্লাস শুরু হয়।
ক্লাসের একটা পার্ট হচ্ছে পোস্ট মর্টেমে উপস্থিত থাকা; কীভাবে করা হয় দেখা ও শেখা ।
আমরা একদম প্রথম যে দুইটা কেস পেয়েছিলাম-
দুইটাই মেয়ে,অল্প বয়সী।
দুইটাই সুইসাইডাল কেইস।
একজন গলায় ফাঁস,আরেকজন বিষ খেয়ে মরা।
প্রথমেই ডেড বডির শরীর থেকে কাপড় সব খুলে ফেলা
হয়। ডাক্তার , স্টুডেন্ট ,পুলিশ এবং ডোম ( যারা কমনলি লাশ কাটে,
হ্যান্ডেলকরে ) সবাই উপস্থিত থাকে সেখানে। এরপর গলা
থেকে নাভির নিচ পর্যন্ত ছুরি দিয়ে চামড়া
কাটা হয়। এরপর গরুর যেভাবে চামড়া ছাড়ায় সেভাবে চামড়া ছাড়ায়।
তারপর বুকের পাঁজর যেভাবে যেভাবে কাটে সেটাকে ঠিক
কাটা বলা যায় না; ভাঙে বললেই ভালো! গরুর হাড় যেভাবে কশাইরা
কাটে অনেকটা সেরকম।
কন্ঠনালী অনেকটা টেনে হিঁচড়ে বের করে জিহ্বা সহ।
এরপর হার্ট, লিভার, পাকস্থলি কেটে প্রিজার্ভ করা হয় ।
বেশি খারাপ লাগে যখন মগজ বের করে। আমাদের দেশে
'ইলেক্ট্রিক স' নাই, মাথার খুলি কাটার জন্য। ওরা যেটা করে-
কাঠমিস্ত্রির দোকানে হাতুড়ি বাটাল হয়ত দেখে থাকবেন, ওই হাতুড়ি
বাটাল দিয়ে বাড়ি দিয়ে দিয়ে খুলি ফাটায়; (মেডিকেল ক্যাম্পাস) খুলি ভাঙার শব্দটা খুব অদ্ভুত!
তার আগে মাথার মাথার চামড়া সহ চুল মোটামুটি বলা যায় হ্যাঁচকা টানে
খুলে ফেলা হয়। তখন মানুষটাকে আর মানুষ মনে হয় না ।
এক্সামিন শেষে ব্রেইনটাকে পেটের ভেতর পুরে দিয়ে
সেলাই করে দেয়।
সত্যি বলতে কোরবানির সময় গরু ছাগল জবাই থেকে মাংস কাটা
সবই দেখেছি, করেছি।
আমার কাছে মনে হয়েছে গরু ছাগলও অনেক যত্ন নিয়ে
কাটে মানুষ! কারণ ওটার চামড়া দামী, মাংস দামী। চামড়াটা যেন অক্ষত
থাকে, চামড়া যেন থেতলে না যায়; এমন অনেক কিছু
মেইনটেইন করা লাগে। শুধু পোস্ট মর্টেমের সময়
যেভাবে ডেড বডির সাথে বিহেভ করা হয়, সেটা দেখে প্রত্যেক ডাক্তার আর মেডিকেল স্টুডেন্ট মনে মনে এই
দোয়া করতে কখনও ভুলে না- খোদা , আমাকে এমন মৃত্যু দিও না যে আমার মৃতদেহের পোস্ট মর্টেম করার প্রয়োজন
পড়ে ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
