JoyfulWellness
"Be Healthy, Wealthy and Happy."
26/05/2025
(১) আমার এক ব্যাচমেট ছিলো, তার মা তাকে ছোটবেলা থেকে উঠতে বসতে সাইলেন্ট ট্রিটমেন্ট দিতো। পান থেকে চুন খসলে সেই মা তার সন্তানের সাথে কথা বলা বন্ধ করে দিতেন। মা কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছেন, এরচেয়ে বড় শাস্তি একটা সন্তানের জন্য আর কিছু হতে পারে না।
ছোটবেলায় আমার সেই ব্যাচমেট এইটার কারণে পাগল পাগল হয়ে যেতো। স্কুলে যেয়ে দেখতাম, মা কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছে, এজন্য উদভ্রান্তের মত করে হা হুতাশ করতো। ছেলেটার দূর্বলতার সুযোগ এমনভাবে মা নিচ্ছেন, এটা দেখে আমার বেশ খারাপ লাগতো।
একটা লম্বা সময় যাওয়ার পরে আমার সেই ব্যাচমেট হুট করে আবিষ্কার করলো, কিছু হলেই তার মা যে তার সাথে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছে, বিষয়টা তার কাছে বেশ ভালোই লাগছে। নীরবতা এঞ্জয় করতে করতে সে রিল্যাক্স মুডে তার দৈনন্দিন কাজকর্ম করতো। তার দূর্বলতা এক্সপ্লয়েট করার চেষ্টায় রত তার মা কে সে ঘৃণা করে নিজে থেকেই কথাবার্তা বন্ধ করে দিলো।
আমার সেই ব্যাচমেট এখন তার মায়ের সাথে কথা বলে না দীর্ঘদিন। জিজ্ঞেস করায় বলেছিলো, তার মায়ের থাকা না থাকায় তার আর কিছু যায় আসে না।
(২) এক ছোটবোন ছিলো, বাচ্চা একটা ছেলেকে টিউশানি করাতো। বাচ্চাটাকে পড়াতে পড়াতে আমার ছোটবোন মায়ায় পড়ে গেলো, আপন ভাইয়ের মত আদর করতো। মাঝেমধ্যেই চকলেট, খেলনা এসব নিয়ে যেতো। বাচ্চাও আমার ছোটবোনকে ছাড়া কিছু বুঝতো না। বিষয়টা খেয়াল করলো সেই বাচ্চার মা। তিনি বিষয়টাকে এক্সপ্লয়েট করা শুরু করলেন।
শুরুতে টাকাপয়সা দিতেন ভালোই, ফ্যামিলি ছিলো ধনী। এরপরে আন্টি তার সংসারের বিভিন্ন অসুবিধার অজুহাত দেখিয়ে টাকাপয়সা কমানো শুরু করলেন। যখন দেখলেন, বাচ্চাটার প্রতি মায়া থাকায় আমার ছোটবোন কম টাকায়ও পড়াচ্ছে, আন্টি টাকাপয়সা দিনকে দিন আরও কমিয়ে একেবারে বেয়ার মিনিমামে নিয়ে এলেন। এরপরে শুরু করলেন টাকা দেয়া নিয়ে টালবাহানা করা। অবস্থা এমন দাঁড়ালো, টিউশান করে যাতায়াত খরচই উঠছে না।
আমার ছোটবোন হুট করে বুঝতে পারলো, যেই ফ্যামিলি ট্যুরে যায় ইন্দোনেশিয়ায়, তাদের সংসারের খরচ নাই, এইটা তো লজিকে মিলে না। বাচ্চাটার প্রতি তার মায়ার ব্যপারটা যে সেই মহিলা এক্সপ্লয়েট করেছে, এটা সে বুঝামাত্র টিউশানি ছেড়ে দিলো।
সেই মহিলা আজও আমার ছোটবোনকে ফোন দেয় এসে টিউশানিটা আবার করানোর জন্য। এই দফায় টাকা দেয়া হবে শুরুর চেয়েও অনেক বেশী। আমার ছোটবোন আর কোনোদিন ওই বাসামুখো হয় নি।
(৩) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার এক বন্ধু ছিলো, প্রেমিকার জন্য তার ভালোবাসা ছিলো হিমালয়সম। মেয়েটার রাগ ভাঙানোর জন্য সে একবার অরিজিনাল সুইস চকলেট কিনেছিলো নিজের খাবারের টাকা দিয়ে। সেই চকলেট কিনার পরে নিজে দুইদিন না খেয়ে ছিলো।
সেই মেয়ে একবার তাকে ফোন দিয়ে জানালো, তাকে বিয়ের জন্য দেখতে এসেছে ব্যবসায়ীর ছেলে। সেই ছেলের অন্তরাত্মা পর্যন্ত নড়ে গেলো। সে মেয়েকে সারারাত পাগলের মত ফোন দিয়ে গেলো। হাত পা ধরে অনুরোধ করলো, মেয়েটা যেন বিয়ে ভেঙে দেয়। মেয়েটা বিয়ে ভেঙে দিলো ঠিকই, কিন্তু এই ঘটনায় মেয়েটা পেলো তীব্র মজা।
এরপর থেকেই নাকি মেয়েকে দেখতে দুইদিন পরপর এডমিন ক্যাডার, পুলিশ ক্যাডার, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, পাইলট, মেরিনার সবাই আসে। মেয়েটা এসব বলতো, আমার বন্ধুটা কাঁদতো, মেয়েটা মজা নিতো।
ওয়ান ফাইন মর্নিং, আমার বন্ধু মেয়েটার এরকম এক ফোনের জবাবে নিস্পৃহ গলায় বললো, "তোমার অবশ্যই বিয়ে করে ফেলা উচিৎ। আমার জন্য এত ভালো ভালো প্রস্তাব পায়ে ঠেলা উচিৎ হচ্ছে না। বিয়ে করে সুখী হও তুমি।"
আমার সেই বন্ধু পাশ করে চাকরি নিয়ে অন্য মেয়েকে বিয়ে করে এখন সুখের সংসার করছে। তার সাবেক প্রেমিকার বিয়ে হয়নি আজও।
ঘটনা এরকম প্রচুর আছে, আমি শুধু তিনটা বললাম।
ভালোবাসা জিনিসটা আসলে যত্ন করার বিষয়। আদর দিয়ে, এফোর্ট দিয়ে আগলে রেখে লালন করে বড় করার বিষয়। ওটাকে এক্সপ্লয়েট করতে নাই, সুযোগ বুঝে ফায়দা তুলতে নাই। সেই দূর্বলতাকে পুঁজি করে ফায়দা তুলতে গেলে একসময় বিষয়টা হবে, সোনার ডিম পাড়া হাঁসের গল্পের মত, আম ছালা সবই যাবে। কাজটা কখনো করবেন না।
কারণ, যার ভালোবাসাকে আপনি দূর্বলতা ভেবে সুযোগ নিচ্ছেন, সে একদিন আপনার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে পাথরের মত শক্ত এবং পাহাড়ের মত অটল হয়ে যাবে। আপনি তার সামনে তড়পাতে তড়পাতে মারা গেলেও সে ফিরে তাকাবে না। আপনার থাকা না থাকায় তার কিছুই যাবে আসবে না।
নিজেকে প্রশ্ন করেন, বিষয়টা কি ওর্থ ইট?
©
24/05/2025
গ্যাস লাইটিং একটা মানসিক পারিবারিক টর্চারের নাম ।
এই গ্যাস লাইটিং শব্দটা একটা ফিল্মের নাম গ্যাস লাইট থেকে এসেছে । এই ছবিটায় একজন স্বামী কিংবা স্ত্রীর সম্পর্কের ব্যাপারে দেখানো হইছে ।স্বামী তার নিত্য শোবার ঘরের গ্যাসের লাইট কমিয়ে বাড়িয়ে তার স্ত্রীকে বিশ্বাস করানোর ট্রাই করতো ঘরের আলো সব ঠিক আছে ।অবশেষে তার স্ত্রী বিনা অসুখে পাগলা গারদে গিয়ে ভর্তি হয় ।
যাই হোক মূল কথায় আসি , গ্যাস লাইটিং সম্পর্কে যে কোন একজন গ্যাস লাইট করে থাকে । সে তার অপর পার্টনারকে ভিকটিম বানিয়ে তাকে বিশ্বাস করানো চেষ্টা করে সে যা চিন্তা করেছে , কিংবা বিশ্বাস করে তার চিন্তা চেতনা পুরোটাই ভুল ।ভিকটিমের প্রতিটা বিহেবিয়ারের সে ভুল ধরে । পরবর্তীতে ভিকটিম ভেবেই নেয় সে ভুল । অন্যকে হেয় প্রতিপন্ন করার নামই গ্যাস লাইটিং । আরেকজনের আত্ন বিশ্বাসকে ভেঙ্গে দিয়ে তাকে তার অস্হিত্ব সম্পর্কে সন্ধিহান করে তোলে। এটা মূলত একজন পার্টনার তার অপর পার্টনারের উপর কতৃর্ত্ব করতেই এই মানসিক গেইম খেলে থাকে।যাতে করে ভিকটিম তার হাতের মুঠোয় থাকে।
গ্যাস লাইটিং এর আরেক অর্থ ভিকটিমের সবচেয়ে বড় দূর্বলতার সুযোগ নিয়ে তার স্বার্থ হাসিলের জন্য তাকে ব্যবহার করার আরেক নাম ।ভিকটিমকে বাস্তবতা ও দূর্বলতার কথা মনে করিয়ে দিয়ে সে সুযোগ নিয়ে নিজের মতবাদকে সে প্রতিষ্ঠিত করে ।ভিকটিমকে অপরাধবোধ ভুগাতে এই খেলাটা শুরু করে
।
গ্যাস লাইটিং সে করতে পারে যে ব্যাক্তি ভিকটিমের খুব আপন কেউ হয় ।উদারহন স্বরূপ বলা যেতে পারে পার্টনার , বন্ধু , অফিসের কোন ঘনিষ্ঠ কলিগ , বস ,বাবা , মা।ভিকটিম যাকে সবচেয়ে আস্হায় জায়গায় রাখে , একমাত্র সে এটা করে থাকে।
মূলত ভিকটিমের সাথে এটা করার জন্য কখনো সে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে মজা করে কথা বলে। আত্নীয় স্বজনের সামনে ছোট করে কিন্তু সরাসরি অপমান করে না। সামান্য বিষয় নিয়ে কথা বলা বন্ধ করে দেয় ।তাকে মানষিক যন্ত্রনা দিয়ে বিশ্বাস করায় ভিকটিম ভুল ছিলো।যারা এই গ্যাস লাইটিং এর স্বীকার হন তারা প্রথমে বুঝতে পারে না । দীর্ঘদিন নিজের আত্মবিশ্বাস খোয়াতে খোয়াতে এক সময় ভিকটিম নিজেও বিশ্বাস করা শুরু করে গ্যাস লাইটিং যে করছে সে সত্য এবং তার নিজের অনেক ভুল আছে ।
অবশেষে এই গ্যাস লাইটিং এ স্বীকার ব্যাক্তি কেবল মানষিক অসুস্হতাই ভোগে না , তারা নিজের প্রতি আস্হা হারায় আর নিজেকে গুটিয়ে নেয় ।কোন কাজ মনযোগ দিয়ে করতে পারে না।শরীরে ও মনে অসুখ দানা বাঁধে । নিজেকে নিজে প্রশ্নবিদ্ধ করতে থাকে ।
সে বিশ্বাস করে নেয় সে যা করছে সবটাই ভুল ।ভিকটিম এক সময় পরনির্ভরশীল হয়ে পরে।মানষিক অত্যাচারের ভয়ে ভিকটিম অনেক পারিবারিক অত্যাচার চেপে যান । সহ্য করে নেন । লোকদের কাছে সত্যটা লুকানোর চেষ্টা করেন । এবং নিজেদের মূল্যহীন ভাবা শুরু করেন ।অবশেষে নিজে পুরোপুরি একা হয়ে যায় ।
প্রতিকারঃ চাইলেই অনেক সম্পর্ক থেকে আমরা বের হতে পারিনা।আমরা যা করতে পারি -
১/ নিজেকে একা করা যাবে না।
২/ যে এই গ্যাস লাইটিং করে তাকে ইগ্নোর করা শিখতে হবে ।
৩/বন্ধু বান্ধব আত্নীয় স্বজনদের সাথে ভালো সম্পর্ক রাখুন ।
৪/ মনের কথা কাউকে খোলে বলুন ।
৫/ ডাইরীতে ঘটনা গুলো লিখে এক্সামিন করেন ।
৬/ সন্তানদের জন্য অনেকেই সম্পর্ক ধরে রাখতে বাধ্য হন । তারা একজন মানষিক ডাঃ সাহায্য নিতে পারেন ।ঘনিষ্ট কারো সাথে সুপরামর্শ নিয়ে চলেন ।
৭/ আপনার ভালো গুন গুলোকে বারে বারে নিজেকে মনে করিয়ে দেন ।আপনি নিজেকে বলেন আপনি কখনোই ভুল না।
৮/ সুক্ষ্ন ভাবে এই গ্যাস লাইটিং করা মানুষ গুলোকে এড়িয়ে চলুন ।তাদের মতবাদকে পাত্তা দেওয়ার দরকার নেই ।
৯/যদি সম্পর্ক ত্যাগ করা সম্ভব না হয় , আপনার দুনিয়া ও আপনার মানষিক শান্তির জন্য যারা প্রযোজ্য তাদেরকে ধরে রাখুন ।
তবে এই গ্যাস লাইটিং যারা করে তারা এক ধরনের হীন মনের মানুষ । জোর জবরদস্তি করে নয় বরং মানষিক ভাবে আরেকজনকে কন্ট্রোল করার জন্য তারা অনেক দূর পর্যন্ত এগিয়ে যায় ।এদের কে আমরা ভয়ংকর ক্রিমিনাল বল্লেও ভুল হবে ।
স্পিরুলিনা (সামুদ্রিক শৈবাল) কেন খাবেন !!
পুরোটা পড়ার অনুরোধ রইলো 👇
স্পিরুলিনা এর উপকারিতা 👇
👉স্পিরুলিনায় রয়েছে প্রচুর পরিমানে -
প্রোটিন, ভিটামিন, আয়রন, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ভিটামিন A, B, C, E, K, ফাইকোসাইয়ানিন, ক্লোরোফিল, ম্যাগনেসিয়াম, ডায়েট্রি ফাইবার, ওমেগা ৩ - ৬, ফলিক এসিড, বেটা কেরোটিন, জিংক, ফসফরাস, সেলেনিয়াম, ক্রুমিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, বোরন, সোডিয়াম,মলিবডেনাম, বায়োটিন এবং একাধিক খণিজ পদার্থ।
👉স্পিরুলিনা একটি শক্তিবর্ধক সম্পূরক খাদ্য। প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেলস এবং খনিজ উপাদানে সমৃদ্ধ ।
👉 প্রাকৃতিক সুপার ফুড - "স্পিরুলিনা" (সামুদ্রিক শৈবাল) শরীর এর সকল পূষ্টি চাহিদা পুরন করতে সক্ষম।
🍵 স্পিরুলিনা এককোষী পরিবারের নীল-সবুজ শৈবাল। এটি পানিতে জন্মায়। সামুদ্রিক শৈবাল নামেই এর বেশি পরিচিতি ।
❤️ নিয়মিত স্পিরুলিনা গ্রহন করলে - পুষ্টিহীনতা, রক্তশূন্যতা, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হেপাটাইটিস বি, এজমা, যৌন শক্তি বৃদ্ধি, ক্লোরেস্টরেল নিয়ন্ত্রন এবং ক্লান্তি দূর হবে।
➡️ রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে খুব দ্রুত কার্যকর।
➡️ দ্রুত এনার্জি বুস্ট করে।
➡️ হজম শক্তি বাড়ায়।
➡️ উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
➡️ হার্ট এবং ফুসফুস ভাল রাখে, হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়:
💬এতে উচ্চমাত্রায় গামা লিনোলেয়িক অ্যাসিড
রয়েছে যা দেহের ক্ষতিকারক এলডিএলের মাত্রা
কমিয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
➡️ শ্বাসকস্ট, এজমা, নিউমোনিয়া প্রতিরোধ করে।
➡️ চুল এবং স্কিন এর যত্নে অতুলনীয়
➡️ হাড় এবং মাংসপেশি গঠনে বিশেষ ভাবে কার্যকরী।
➡️ শরীর এর মেদ-চর্বি কমাতে খুবই ভাল কাজ করে।
➡️ যৌনশক্তি বৃদ্ধি ও দীর্ঘস্থায়ী করে।
➡️ রুপচর্চা য় স্পিরুলিনা অতুলনীয়।
➡️ ডায়াবেটিস এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রনে অধিক কার্যকর।
💬এটি রক্তে Glucose মাত্রা কমিয়ে ডায়াবেটিস
নিয়ন্ত্রণে আনতে সহায়তা করে,এতে প্রচুর ফাইবার রয়েছে,যা রক্তে Glucose এর মাত্রা সহজে বাড়তে দেয় না
➡️ কিডনি এর সুরক্ষায় স্পিরুলিনা অতুলনীয় : 💬 স্পিরুলিনাতে উচ্চ ঘনত্ব সম্পন্ন ক্লোরোফিল থাকে যা প্রাকৃতিক detoxifiers, এটি কিডনি থেকে ভারি পদার্থ, ক্ষতিকারক রশ্মি এবং দূষণকারী পদার্থ সরিয়ে কিডনিকে সুরক্ষা দেয়।
➡️ এলার্জি, মাইগ্রেন, সর্দিকাশি, হাপানি এর মত সমস্যা গুলো নিরাময়ে বিশেষভাবে কার্যকরী ।
➡️ ডিপ্রেসন সমস্য নিরাময়ে অনেক কার্যকারী।
➡️ চোখের দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধিতে অতুলনীয়।
➡️ দাতের সার্বিক উন্নয়নে কার্যকর
পন্যটি পেতে যোগাযোগ করুন ইনবক্সে
13/03/2024
05/03/2024
"আসন্ন পবিত্র মাহে রমজানে মাশরুম সমৃদ্ধ অপূর্ব স্বাদের স্বাস্থ্যসম্মত "ডিএক্সএন লেমনজি"-ই হোক আপনার প্রতিদিনের ইফতারিতে। কেমিক্যালমুক্ত, ন্যাচারাল শরবত। প্রোডাক্টটি পেতে বিশ্বের যে কোন দেশ থেকে এখনই প্রোডাক্টের জন্য ইনবক্সে যোগাযোগ করুন
03/03/2024
টুথপেষ্ট এর বিজ্ঞাপনে এ দেখবেন নিম, চারকোল সহজ ভাষায় ছাই, লবণ অনেক কিছু আছে এসব নিয়ে প্রচুর কথা বলছে।
টুথপেষ্ট এর সুঘ্রাণে চাকরি বাকরি জীবনসংগী সহ কত কি পেয়ে যাচ্ছে।
কিন্তু আসল কথার কথা আপনার দাত, দাতের পরিবেশ এসব ভালো আছে কিনা তার বর্ননা খুব সামান্য।
এতে যে মারাত্মক রাসায়নিক উপাদান ফ্লুরাইড তাকে ক্রিস্টাল এর মতো আকর্ষণীয় করে দেখিয়ে চটকদার বিজ্ঞাপন বানিয়ে তার দাম দ্বিগুণ তিনগুন বাড়িয়ে বিক্রি করা হয়।
হার্টের রোগীর দের তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দেয়ার একটা পদ্ধতি হলো জিহ্ববার নিচে মেডিসিন দিয়ে দেয়া, যা মাত্র ৬ সেকেন্ডে হার্টে পৌঁছে যায়।
তাহলে ভাবুন প্রতিদিন সকালে একদম বাসি মুখে শরীরের সবচেয়ে একটিভ মুহুর্তে আপনি আপনার হার্টকে কি পাঠাচ্ছেন?
ফ্লুরাইড!! এই ফ্লুরাইড এর ডিস্কলেইমার এ লেখা আছে বাচ্চাদের পেটে গেলে দ্রুত চিকিৎসক এর শরনাপন্ন হতে হবে।আর বাচ্চাদের টুথপেষ্ট এর তো ফ্লেবার ই এমন দেয়া যে সে চুরি করেও খাবে।
তাহলে বুঝতে পারছেন কি পরিমাণ ক্ষতি আপনি নিজের ও বাচ্চার প্রতিদিন করে যাচ্ছেন , শুধুমাত্র কিছু টিভি বিজ্ঞাপন এর কারণে।
অবশ্যই একজন কাস্টমার এর পক্ষে এত সময় নেই যে সে কোনটা ক্ষতিকর ,আর কোনটা ক্ষতিকর না তা নিয়ে গবেষণা করার। এতদিন সচেতন হতে পারেন নি বলে এখন পারবেন না তা নয়।
বেস্ট অপশন হলো, নিমের ডাল দিয়ে পাচ বেলা মিসওয়াক করা, বা দুই বেলা।
আরেকটি অপশন কয়লা দিয়ে দুই বেলা দাত মাজা।
কিন্তু সমস্যা হলো, আমাদের অনেকেরই অভ্যাস এ পরিনত হয়েছে টুথপেষ্ট দিয়ে মাজা। তাই তাদের জন্য গ্যানোজি টুথপেষ্ট। এটা সম্পুর্ণ অরগ্যানিক , ক্ষতিকর ফ্লুরাইড মুক্ত , গ্যানো মাশরুম এর এক্সট্রাক্ট দিয়ে তৈরি। বরং আপনার দাত, দাতের পরিবেশ অর্থাৎ জিহ্ববা, তালু,মুখের সুস্থতা এবং হার্টে ও যদি পৌঁছে যায় সেখানও সুস্থতার জন্য কাজ করবে।
তু বাচ্চার স্বাস্থ্য রক্ষা কাছে সবচেয়ে দামী। ছোট থেকেই তাকে গ্যানো মাশরুম এর টুথপেষ্ট দিয়ে অভ্যাস করালে দাত জনিত কোন টেনশন ইন শা আল্লাহ কখনোই করতে হবে না।
এছাড়াও আছে বহুমুখী ব্যবহার। যা পিন পোষ্টে দেয়া আছে।
পেপে পাতা কুঁচি কুঁচি করে কেটে ১ দিন ভিজিয়ে রাখুন। গাছে স্প্রে করলে পাউডারি মিলিডিউ রোগ দমন হয়।
28/02/2024
রবীন্দ্রনাথের ‘আমার ছেলেবেলা’ বইয়ের শুরুতেই আছে রেড়ির তেলের কথা। জসীম উদদীনের ‘আসমানী’ কবিতায় আছে ভেন্না পাতার ছাউনি দেওয়া ঘর। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর ‘শ্রীকান্ত’ উপন্যাসে রেড়ির তেলের সেজ এর বর্ণনা দিয়েছেন। ভেন্না/রেড়ি/ভেরেণ্ডা/এরণ্ড হলো পরিবেশবান্ধব ঔষধি উদ্ভিদ। এটা ভ্যান্না/কচা/বেড়া গাছ নামেও পরিচিত। ইংরেজিতে এই গাছকে Vanna tree/castor bean/castor oil plant বলা হয়। ভেন্না নরম প্রকৃতির গাছ। ফল পাকার পর ফেটে বীজ পড়ে যায়, বীজ কালো চকচকে। সাধারণত বর্ষাকালে ভেন্নার চারা গজায়। হেমন্ত ও শীতে ভেন্নার ফুল-ফল হয়। সবুজ ফলের গায়ে নরম কাঁটা থাকে। ভেরেণ্ডা ৫০ বছর পর্যন্ত ফল দেয়।
ভেন্না সাদা, লাল ও কালো এই তিন প্রজাতির হয়ে থাকে। ভেন্না গাছের পাতা ভাঙলে এক ধরনের আঠা বের হয়। এই আঠা এ্যান্টিসেপটিকের কাজ করে। রেড়ির তেল তেল ভাতের সাথে মাখিয়ে খেলে মুখের রুচি বাড়ে। এই তেল আগে ভোজ্যতেল হিসেবে ব্যবহার করতো দরিদ্র মানুষরা। ভেন্নাগাছ গ্রামবাংলায় আপনাআপনি হয়ে থাকত। কলুরা গোছায় গোছায় কেটে নিত। এই কলুরা সরিষার তেলের সাথে তুলনামূলক কম দামের এই ভেন্নার তেল মিশিয়ে দিতেন। এজন্য তেল কিনতে গেলে লোকে জিজ্ঞেস করত, "ভেন্নার তেল মেশাননি তো?"
এখন সচেতনতার অভাবে ভেন্নার তেলের ব্যবহার কমে গেছে। বিনা খরচে পতিত জমিতে ভেন্না গাছ চাষ করা সম্ভব। বাড়ির আনাচেকানাচে, পথের ধারে, বনেবাদাড়ে এমনিতেই জন্মায় ভেন্নাগাছ। আগে গৃহস্থ বাড়ির আশপাশে ভেন্না বোনা হতো। রেড়ির তেল ঘন হওয়াতে অনেকক্ষণ জ্বলে। তাই ভেন্নার তেল দিয়ে বাতি জ্বালানো হতো।
ভেন্নার ডাল দাঁতন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর পাতা দেখতে অনেকটা পেঁপে বা পান পাতার মতো। কাটা জোড়া লাগাতে, চুলপড়া রোধে, মুখের রুচি বাড়াতে, বাত ব্যথায়, ক্ষত সারাতে, মাড়ির যে কোন সমস্যায় ভেন্না গাছ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। ভেড়েন্ডার ব্যাপক আবাদ হয় ভারত, মেক্সিকো ও ব্রাজিলে। ভেন্না বীজ থেকে ভোজ্য তেল তৈরি হয়। ভেন্নার বীজের তেল মানব শরীরের জন্য খুবই উপকারী যা ক্যাস্টর ওয়েল নামে বাজারে পাওয়া যায়। ভেরেণ্ডার তেল ডিজেলের বিকল্প (বায়োডিজেল) হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বিশ্ব জুড়ে। বার্নিশ, উন্নতমানের সাবান, কলকারখানার যন্ত্রপাতি পিচ্ছিলকরণ এবং কৃত্রিম চামড়া তৈরিতে ভেরেন্ডার তেল বা ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহৃত হয়।
ক্যাস্টর অয়েল বা রেড়ির তেল প্রাচীন মিশরীয়রা ব্যবহার করতো। এই তেল ত্বক ও চুলের জন্য ঐতিহ্যগতভাবে ব্যবহার হয়ে আসছে। বর্তমানে কসমেটিক ইন্ডাস্ট্রিগুলো বিভিন্ন ধরণের বিউটি প্রোডাক্ট তৈরিতে ব্যবহার করছে ক্যাস্টর অয়েল। রেড়ির তেল উৎপাদনকারী কয়েকটি দেশ হল ব্রাজিল, চীন এবং ভারত। ভারত ক্যাস্টর অয়েলের অন্যতম প্রধান রপ্তানিকারক দেশ।
ভেন্নার তেল ব্যবহারের নিয়ম—
> চুলের যত্নে চুলে ক্যাস্টর অয়েল মালিশ করুন৷ এতে চুল লম্বা, ঝলমলে ও উজ্জ্বল হবে৷ নিয়মিত তেল মালিশ করলে চুল দ্রুত বাড়ে ও মজবুত হয়। নারিকেল, অলিভ, কাঠ বাদাম, আর্গন বা মরোক্কান তেলের সঙ্গে কয়েকফোঁটা ক্যাস্টর অয়েল মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। খুশকির সমস্যা থাকলে এতে কয়েক ফোঁটা টি ট্রি তেল মেশাতে পারেন। এরপর আঙ্গুলের সাহায্যে মাথার ত্বক পাঁচ থেকে ১০ মিনিট মালিশ করে নিন। এতে রক্ত সঞ্চালন বাড়বে, মাথা ঠান্ডা থাকবে।
> শ্যাম্পু করার সময় ক্যাস্টর অয়েল কন্ডিশনার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। শ্যাম্পুর পরে পরিমাণমতো তেল হাতে নিয়ে ভেজা চুলে মেখে নিন। এতে চুল মসৃণ ও আর্দ্র থাকবে।
> ক্যাস্টর অয়েল ও সরিষার তেল একসঙ্গে গরম করে চুলে ব্যবহার করুন। এক ঘণ্টা অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন।
> আর্থ্রাইটিস, সাইটিকা, পিঠে ব্যথার মতো নানা সমস্যায় উপকারী এই তেল৷ হাঁটুর ব্যথা সারাতে এই তেল বহু পরীক্ষিত। উষ্ণ জলে মিশিয়ে নিন কয়েক ফোঁটা ক্যাস্টর অয়েল৷ তাতে তোয়ালে ডুবিয়ে, চিপে তার পর সেই তোয়ালে দিয়ে জড়িয়ে রাখুন হাঁটুর যন্ত্রণাবিদ্ধ অংশে৷ আর্থ্রাইটিস বা গেঁটে বাতেও ক্যাস্টর অয়েল খুব উপকারী৷ কয়েক ফোঁটা তেল মালিশ করুন যন্ত্রণার জায়গায়৷ এর ফলে মাংসপেশির যন্ত্রণা লাঘব হবে৷
> ক্যাস্টর অয়েল বাত, গাউট, হাঁপানি এবং ব্রঙ্কিয়াল হাঁপানির উপশম হিসেবে দারুণ উপকারী। চার সপ্তাহ ধরে দিনে তিনবার ক্যাস্টর অয়েলের ক্যাপসুল গ্রহণ করলে অস্টিওআর্থারাইটিসের লক্ষণগুলির উন্নতি দেখা যায়।
> শুষ্ক ত্বকে চমৎকার ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে ক্যাস্টর অয়েল। এটি ত্বককে স্বাস্থ্যবান উজ্জ্বল করে, ত্বককে তরুণ রাখতে সাহায্য করে এবং ডারমাটাইটিস ভালো করে। সমপরিমাণ ক্যাস্টর অয়েল ও নারিকেল তেল মিশিয়ে শুষ্ক ত্বকে ব্যবহার করুন। ২০-৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। রাতে মুখ ধোয়ার পরে মুখে কয়েক ফোঁটা ক্যাস্টর অয়েল লাগিয়ে কয়েক মিনিট যাবৎ আস্তে আস্তে ম্যাসেজ করুন। পরদিন আপনি হাইড্রেটেড ও তরতাজা লুক পাবেন।
> এই প্রাকৃতিক তেলটি ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে ত্বককে পুষ্টি সরবরাহ করে। ত্বকের দাগ দূর করতে সাহায্য করে। ঘুমানোর আগে কয়েকফোটা ক্যাস্টর অয়েল মুখের ত্বকে লাগিয়ে বৃত্তাকারে ম্যাসেজ করুন। প্রত্যাশিত ফল পাওয়ার জন্য ৪-৬ মাস নিয়মিত ব্যবহার করুন।
> সপ্তাহে ২ দিন রাতের বেলা গরম ক্যাস্টর অয়েল মাথার তালুতে ও চুলে ভালো করে ম্যাসেজ করুন। সকালে চুল ধুয়ে ফেলুন। ক্যাস্টর অয়েল মাথার তালুর pH স্তরের ভারসাম্য রক্ষা করতে সাহায্য করে। খুশকি দূর করতে সাহায্য করে, চুলের আগা ফেটে যাওয়া ও চুলের ভঙ্গুরতা রোধে সাহায্য করে।
> ক্যাস্টর অয়েল আপনার পেট সম্পূর্ণ পরিষ্কার করতে সাহায্য করে যদি রাতে ঘুমানোর আগে এক টেবিল চামচ খাওয়া হয়।
> নারকেল তেলের সঙ্গে ক্যাস্টর তেল মিশিয়ে মাথার ত্বকে লাগাতে পারেন। ক্যাস্টর তেল যতটা নেবেন, নারকেল তেল নিতে হবে তার দ্বিগুণ পরিমাণ। আধা চামচ ক্যাস্টর তেলের সঙ্গে এক চামচ নারকেল তেল মেশাতে হবে। মিশ্রণটি একটু গরম করে তুলার সাহায্যে চুলের গোড়ায় লাগিয়ে নিন। রাতে এ মিশ্রণ লাগিয়ে সকালে শ্যাম্পু করে ফেলুন।
> পা ফেটে যাওয়ার সমস্যায় গোড়ালিতে সরাসরি ক্যাস্টর তেল লাগিয়ে মোজা পরতে পারেন। শোয়ার সময় এভাবে ক্যাস্টর তেল লাগানো ভালো। সকালে কুসুম গরম পানি দিয়ে গোড়ালি পরিষ্কার করে ফেলুন।
> বাতের ব্যথায় ১-২ গ্রাম তেল সৈন্ধব লবনের সাথে মিশিয়ে আক্রান্ত স্থানে মালিশ করতে হবে।
রেড়ির তেলের উপকারীতা—
> এই তেলে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিইনফ্লামেটরি উপাদান আছে। এই তেল ভিটামিন ই, মিনারেল, প্রোটিন এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান সমৃদ্ধ।
> ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহারে প্রেগনেন্সির স্ট্রেচ মার্ক দূর হয়, ত্বকের প্রদাহ কমতে সাহায্য করে, ব্রণ কমতে সাহায্য করে, অসময়ে চুল পাকা রোধ করে ও চুলকে কন্ডিশনিং করে।
> এই তেলে আছে অলেইক ও লিনোলেইক অ্যাসিড যা দুষণ, মানসিক চাপ ও অনিয়মিত জীবনযাপনের কারণে হওয়া চুলের ক্ষতি রোধ করতে সহায়তা করে। এই তেল ব্যবহারে চুলের আগাফাটার সমস্যা অনেকটাই কমে আসে।
> চুলের অকালপক্কতা দূর করতে চাইলে নিয়মিত ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহার করুন। এটা মাথার ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। এর ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড চুলের ক্ষয় পূরণ করতে সহায়তা করে।
> ক্যাস্টর অয়েলে প্রসব-প্ররোচক বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা প্রসবকে আরও সহজ করে তোলে। গবেষণার হিসাবে, ক্যাস্টর অয়েল প্রসবকে প্ররোচিত করার জন্য একটি নিরাপদ নন-ফার্মাকোলজিকাল পদ্ধতি। গর্ভবতী মহিলাদের মধ্যে যাঁরা ক্যাস্টর অয়েল গ্রহণ করেন তাদের ২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রসবের সম্ভাবনা থাকে।
> ক্যাস্টর অয়েলের রেচক বৈশিষ্ট্যগুলি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। কোষ্ঠকাঠিন্যের চিকিৎসার জন্য ক্যাস্টর অয়েলের ব্যবহার চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শের পর বিবেচনা করা ভালো।
> ক্যাস্টর অয়েলে থাকা ফ্যাটি অ্যাসিড সদ্য মা হওয়া মহিলাদের জন্য উপকারী। যা স্তনদুগ্ধের ক্ষরণকে উদ্দীপিত করে এবং দুধের গুণমান বাড়ায়। এটি কম মাত্রায় এবং ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করার পরে গ্রহণ করা ভাল।
> ক্যাস্টর অয়েল অন্ত্র বা পেটের আলসার থেকে পরিত্রাণ দিতে সাহায্য করে এবং ক্ষত দ্রুত নিরাময় করে।
> ক্যাস্টর অয়েল সোরিয়াসিস রোগীদের জন্য সহায়ক হতে পারে। ক্যাস্টর অয়েল অ্যান্টি-ফাঙ্গাল এজেন্ট সমৃদ্ধ যা সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে।
সতর্কতা—
> সবসময় আনরিফাইনড ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহার করা উত্তম। কারণ আনরিফাইনড অয়েলে প্রাকৃতিক গুণাবলী বিদ্যমান।
> উপকারিতা পাওয়ার জন্য খাঁটি প্রাকৃতিক ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহার করতে হবে।
> রেড়ির তেল ব্যবহারের পূর্বে সামান্য তেল আপনার ত্বকে লাগিয়ে পরীক্ষা করুন কোন অ্যালার্জিক রিয়েকশন হয় কিনা। তারপর ব্যবহার করুন।
বাংলার প্রাকৃতিক সম্ভার
তথ্যসূত্র:
উইকিপিডিয়া
www.barcik.org.bd
The Daily Ittefaq
dailynayadiganta
bdnews24
NEWS18.com
TV9Bangla
প্রিয়.কম
Grocare India
এবিপি আনন্দ
প্রথম আলো
বাংলাদেশ জার্নাল
#বিশ্ববাসী_এক_পরিবার #নিরাপদ_মাটি, #নিরাপদ_পানি, #নিরাপদ_খাদ্য
#লাল_চাল #দেশি_বীজ
#ভোক্তা_সচেতনতা #বিপণনকারী_সচেতনতা #কৃষক_সচেতনতা #চিয়াসীডন #যব #রেড়ি #রেড়ির_তেল #ক্যাস্টর_অয়েল
#ন্যচারালফার্মিং
আজকের ন্যাচারাল টিপ্স,
ভিনেগার চিনেন, ইদুর, কাঠবিড়ালি, তারাতে ন্যকরায় ভিজিয়ে গাছে বা মাচায় রেখে দিন। মিলিবাগ,এফিড,রেডমাইট, পিপরে, ফাংগাসে, ৫০ মিলি ১ লিঃ পানিতে মিসিয়ে স্প্রে করুন।
Fenugreek seeds বা মেথিতে রয়েছে অনেক উপকার। রান্নায় ব্যবহার করলে স্বাদ বাড়ে বহুগুণে। প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহৃত হয়ে আসছে মেথি। মশলা হিসেবে মেথি ব্যবহার প্রচুর। তবে হার্ব অর্থাৎ শুকনো পাতা বা স্যালাডের সবজি হিসেবেও মেথির ব্যবহার করা হয়। পাঁচফোড়নের অন্যতম উপাদান মেথি। অ্যাসিডিটির সমস্যায় অব্যর্থ মেথির বীজ।
স্বাদ একটু তিতকুটে হলেও লাইফস্টাইল ডিজিজের যম কিন্তু মেথি। সকালটা মেথি দিয়ে শুরু করতে পারলে আপনার দিনটি সতেজতায় ভরে থাকবে। কারণ সকালে খালি পেটে মেথি পানি খেলে অনেক সমস্যা দূর হতে পারে। মেথির মধ্যে ভিটামিন কে, থায়ামিন, ফোলিক অ্যাসিড, রাইবোফ্লাভিন, নিয়াসিন, ভিটামিন এ, বি ৬ থাকে। আর খনিজের মধ্যে রয়েছে কপার, পটাশিয়াম, ক্যালশিয়াম, আয়রন, সেলেনিয়াম, জিঙ্ক, ম্যাঙ্গানিজ ও ম্যাগনেশিয়াম।
ভারতের ২০১৫ সালের এক সমীক্ষার ফলাফল বলছে, নিয়মিত ১০ গ্রাম মেথি গরম পানিতে ভিজিয়ে রেখে খেলে টাইপ টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অনেকটাই কমে। ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল ফর ভিটামিন অ্যান্ড নিউট্রিশন রিসার্চে প্রকাশিত হওয়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেথি ভেজানো পানি ডায়াবেটিক রোগীদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। শরীর ঠান্ডা রাখতে মেথির জুড়ি মেলা ভার। ওজন কমাতে, শরীরের বাড়তি মেদ ঝরাতে, গাঁটের ব্যথা কম করতে এবং হজমক্ষমতা বৃদ্ধি করতে দারুণ সাহায্য করে মেথি।
মেথি খাওয়ার নিয়ম—
> একটি গ্লাসে সারা রাত মেথি ভিজিয়ে রাখুন। সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে পানিটা ছেঁকে পান করুন। তাৎক্ষনিক খাওয়ার জন্য গরম পানিতে ভিজিয়েও খেতে পারেন। তাছাড়া পানির সঙ্গে মেথি গুড়া মিশিয়েও খাওয়া যায়।
> মেথি ভিজিয়ে পিষলে পুষ্টি নষ্ট হয়ে যায়। রোদে শুকিয়ে নিয়ে খেলে মচমচে লাগবে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে মেথি চিবিয়ে বা একগ্লাস জলে মেথি মিশিয়ে খান, উপকার পাবেন হাতেনাতে।
> এক গ্লাস বিশুদ্ধ পানি নিন। এবার তাতে এক চা চামচ মেথি ভিজিয়ে রাখুন সারারাত। সকালে উঠে খালি পেটে সেই পানিটুকু পান করুন। আবার সকালে খালি পেটে শুধু মেথিও চিবিয়ে খেতে পারেন। চাইলে মেথি ভেজানো পানির সঙ্গে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন।
> রুটি, পরোটা, ঝোল তরকারি, সালাদ এবং মাছে ব্যবহার করতে পারেন মেথি বা মেথির গুঁড়ো।
> একটি শুকনো কড়ায় মেথির বীজ নেড়েচেড়ে নিন। তারপর বীজের গুঁড়ো করে করুন। এক গ্লাস গরম জলে সেই মেথি বীজের গুঁড়ো এক চা চামচ মতো মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ আপনার শরীরে ম্যাজিকের মতো কাজ করবে।
> মেথি বীজ পিষে একটি পেস্ট তৈরি করে এক চামচ মধু মিশিয়ে খান। ওজন কমতে সাহায্য করবে।
> এক চা চামচ মেথি সারারাত জলে ভিজিয়ে সকালে খেতে পারেন। ভাল ফল পেতে মেথির এই জল দিনে দু'বার খেতে পারলে ভাল।
> রান্নায় মেথি ব্যবহার করতে হলে অন্ততপক্ষে তিন থেকে চার ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। এতে সবচেয়ে ভালো ফল পাবেন।
> এক গ্লাস গরম জলে মেথি দানা ভিজিয়ে রেখে ১০ মিনিট থিতিয়ে যাওয়ার সময় দিন। এর পর লেবু আর মধু মিশিয়ে তরলটি পান করুন।
মেথি খাওয়ার উপকারিতা—
> মেথি দানা ক্যান্সারের মতো রোগের প্রকোপ কমায়। মেথি ক্যান্সারের টিস্যু বাড়তে দেয় না। নিয়মিত খেলে ফল পাওয়া যায়।
> নিয়মিত মেথি খেলে শরীর থেকে ছোপ ছোপ বিভিন্ন ধরনের কালো দাগ উঠে যায়। ত্বক সুন্দর রাখতে সহায়তা করে মেথি।
> স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুলের জন্যও মেথি ব্যবহার করতে পারেন। এতে চুল পড়া কমে ঝরঝরে হয়ে উঠবে চুল।
> ডায়াবিটিস রুখতে সাহায্য করে মেথি ভেজানো জল। কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করতেও মেথির উপকারী প্রমাণিত। মেথি ভেজানো জলের মধ্যে রয়েছে অ্যামাইনো অ্যাসিড, যা রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। আয়ুর্বেদেও মেথির উল্লেখ রয়েছে।
> কোষ্টকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে মেথি। এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা হজম ক্ষমতা বাড়ায়। সকালে খালি পেটে মেথি ভেজানো জল খেলেও কোষ্টকাঠিন্যের সমস্যা দূর হয়।
> মেথিকে মসলা ও ঔষধ দুটিই বলা চলে। স্বাদ তিতা ধরনের। এতে রয়েছে শক্তি ও তারুণ্য ধরে রাখার বিস্ময়কর ক্ষমতা। যাঁরা নিয়মিত মেথি খান তাঁদের বুড়িয়ে যাওয়ার গতিটা ধীর হয়।
> প্রতিদিন সকালে খালি পেটে মেথি চিবিয়ে খেলে বা এক গ্লাস পানিতে মেথি ভিজিয়ে রেখে সেই পানি পান করলে শরীরের রোগ-জীবাণু মরে। বিশেষত কৃমি মরে।
> মেথিতে আছে প্রাকৃতিক তন্তু, যা ওজন কমাতে বেশ কার্যকর। দিনে দুই-তিনবার মেথি চিবাতে থাকলে যাঁরা ওজন কমাতে চান তাঁরা উপকার পাবেন।
> নিয়মিত মেথি খেলে সর্দিকাশি পালাবে। লেবু ও মধুর সঙ্গে এক চা-চামচ মেথি মিশিয়ে খেলে জ্বর পালাবে। মেথি গলাব্যথা সারাতে পারে। অল্প পানিতে মেথি সেদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে গড়গড়া করলে গলার সংক্রমণ দূর হয়।
> চুল পড়া ঠেকাতে মেথি খেলে উপকার পাওয়া যায়। মেথি সেদ্ধ করে সারা রাত রেখে তার সঙ্গে নারকেল তেল মিশিয়ে নিয়মিত মাথায় মাখলে চুল পড়া কমে।
> অন্ত্রের নড়াচড়া বৃদ্ধি করে মেথি। যা শরীর থেকে ক্ষতিকর উপাদান দূর করে। মেথি পেপটিক আলসার সারিয়ে তুলতেও সাহায্য করে।
> মাতৃদুগ্ধ বাড়াতে ওষুধের বিকল্প হলো মেথি। সদ্য মা হওয়া নারীর জন্য মেথি উপকারী।
> ক্যানসার প্রতিরোধে কাজ করে মেথি, বিশেষ করে স্তন ও কোলন ক্যানসার প্রতিরোধের জন্য মেথি কার্যকর।
> মেনোপজ হলে নারীর শরীরে নানা ধরনের পরিবর্তন আসে। হরমোনের এই পরিবর্তনের কালে মেথি ভালো একটি পথ্য।
> মেথি পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে সক্ষম।
> অতিরিক্ত ওজন ও বাড়তি চর্বি নিয়ে মুশকিলে পড়লে মেথির সাহায্য নিতে পারেন। বিভিন্ন গবেষণায় প্রমাণিত যে, নিয়মিত মেথি খেলে তা ওজন কমাতে সাহায্য করে এবং অতিরিক্ত চর্বিও ঝরায়।
মেথি খাওয়ার মাত্রা ও সতর্কতা—
> নিয়মিত ১-২ চা চামচ বা ২-৫ গ্রাম মেথি খাওয়া সম্পূর্ণ নিরাপদ।
> অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় মেথি বা মেথির জল না খাওয়াই ভাল। এতে মা এবং বাচ্চার সমস্যা হতে পারে।
> হাঁপানির সমস্যা থাকলে মেথি খাওয়া ঠিক নয়। এতে শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি বৃদ্ধি পেতে পারে।
> পেটের গন্ডগোল থাকলে মেথির জল এড়িয়ে যাওয়াই ভাল। পেটের সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে মেথি।
> মেথি খেলেই চুলকায়? মেথি বা মেথির জল খেলে ত্বকে নানা ধরনের অ্যালার্জি যাঁদের হয় তাঁরা মেথির জল এড়িয়ে চলুন।
> মেথির জল রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। তবে যাঁদের রক্তে শর্করার মাত্রা এমনিতেই কম, তাঁদের বেশি মেথি না খাওয়াই ভাল।
তথ্যসূত্র:
বারডেম
টাইমস অব ইন্ডিয়া
প্রথম আলো
এবিপি আনন্দ
সময় নিউজ
আনন্দবাজার
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
কালের কণ্ঠ
ন্যাচারাল ফার্মিং এর জন্য
আজকের টিপস
২০০ গ্রাম রসুন বেটে ১লিটার পানি চা-চামচ কেরাসিন, মিসিয়ে ১২ ঘন্টা পর ৪ লিটার পানিতে মিসিয়ে স্প্রে করুন। পোকা আক্রমণ হবে না
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Sonagazi
Feni
3039
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 22:00 |
| Tuesday | 09:00 - 22:00 |
| Wednesday | 09:00 - 22:00 |
| Thursday | 09:00 - 22:00 |
| Friday | 09:00 - 22:00 |
| Saturday | 09:00 - 22:00 |
