Shofi vai
I love you. so so much.. I can,t stop.. Thingking about.. You. you.re.. Always..on.. My. Maynd....? I Love pritey
09/04/2023
10/05/2022
এলাকায় সাধারন এক মসজিদ ছিল। সিলিং ফ্যানগুলোও সাধারন। মসজিদে তেমন দামি কিছু নেই, তাই চুরি যাওয়ার ভয়ও নেই। বলতে গেলে সারাদিনই মসজিদ ওপেন থাকতো। মুসল্লিরা যখন তখন এসে নামাজ, কোরআন পরতে পারতেন। গরীব মানুষেরা একটু গা এলিয়ে বিশ্রাম নিতে পারতেন।
তারপর শুরু হলো মসজিদের উন্নয়ন কর্মসূচী। গরমে মানুষের কষ্ট হয় তাই এসি কেনা প্রয়োজন। মিম্বর থেকে হুজুরের আবু-বকর (রা), ওমর (রা) এর দানের ইমোশনাল কাহিনী দিয়ে টাকা কালেকশন।
মাশাল্লাহ পুরো মসজিদ এখন দামি টাইলস, এমনকি বাইরের ওয়াল পর্যন্ত কারুকার্যে ভরা। দামি দামি কার্পেট। তারপর আবার ২ পাশে সারি সারি চেয়ার তো আছেই, আগে মসজিদে ২-৩ জন দায়িত্ব নিলেই হয়ে যেতো, আর এখন মসজিদ কমিটিও অনেক বড়.!
প্রায় মসজিদে এলাকার টপ ঘুষখোর, চোর, সুদখোর, অত্যাচারী, ক্ষমতাধর প্রকৃতির লোকেরাই সেই কমিটির সদস্য, আবার সভাপতিও।
মসজিদের ভ্যালু এখন অনেক। চুরি যাওয়ার ভয় তো আছেই। অতএব সারাক্ষণ মসজিদ খোলা রাখা যাবে না।তাই এখন প্রায় অনেক মসজিদই নামাজ ব্যতীত অন্যান্য সময় তালাবদ্ধ থাকে, মসজিদে টাইম মেনে মুসল্লিদের আসা যাওয়া করতে হবে। গরীবেরা এখন ভয়ে ভয়ে মসজিদে ঢুকে টাইলস কার্পেট অপরিচ্ছন্ন হয়ে যায় কিনা। তাদের পরিচিত আল্লাহর ঘর এখন পুরোটাই অচেনা।আগের দিনে মানুষ এ দায়িত্ব নিতে ভয়ে কাঁপত কোন ভুল হয়ে যাচ্ছে কিনা। এখন মসজিদে চেয়ারম্যানের সংখ্যা বেড়ে গেছে। সারা পথ হেঁটে এসে চেয়ারে বসে নামাজ পড়ে এ ব্যাপারে ইমাম, খতিবদের কোনো ফতোয়া নাই। সুদখোর, চোর,ঘুষখোরদের বিরুদ্ধে কোনো ফতোয়া নাই। আস্তে আস্তে কেয়ামতের দিকে এগোচ্ছি আমরা। নামাজিরা নামাজ শেষ করার আগে মসজিদ তালাবদ্ধ করার জন্য ইমাম মুয়াজ্জিন দাড়িয়ে থাকে দরজার গোড়ায়।ওদের ও সময় নাই নিজের দায়িত্ব পালনে। ভবিষ্যতে আরো কতকিছু দেখার অপেক্ষায় আছি আমরা।
- কাহিনিটা সব এলাকার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
আল্লাহ সবাইকে হেদায়েত দান করুক?
নিজের পথ নিজেই তৈরী করতে হয়,
আর সেটা যতই কঠিন হোক না কেন...??
03/05/2022
13/04/2022
আমাদের ড্রাইভারদের কোনো পরিবার পরিজন নেই তাই আমাদের মাত্র ১৫/১৬ হাজার টাকায় ই সারা মাস চলে যায়😅
আমাদের কোনো হাতখরচ নেই তাই মাস শেষে বাড়ি টাকা পাঠানোর পর পুরো মাস পাঁচ ছয় হাজার টাকাতেই কভার করতে হয়।
আমাদের পায়খানা প্রস্রাবের কোনো প্রয়োজন নেই তাই মালিকেরা রেস্টুরেন্টে বা মার্কেটে গিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা কাটালেও আমাদের দাঁড়িয়ে থাকতে হয় গাড়ির বনাটের সাথে পেছন ঠেকিয়ে। যদি গাড়ি চিলে বা কাকে নিয়ে যায়?
আমাদের কখনোই টাইম মতো ক্ষুধা লাগেনা তাই সকালের খাবার বিকেলে, বিকেলেরটা রাতে খেলেও আমাদের শরীরের কোনো ক্ষতিই হয়না।
আমাদের শরীরে কিডনি বলতে কিচ্ছু নেই তাই ঘন্টার পর ঘন্টা প্রস্রাব আটকে রেখে গাড়ি পাহারা দিতে থাকি সময় মতো প্রস্রাবটাও করতে পারা যায় না।
আমরা যারা ড্রাইভার আছি অবসরে আমাদের একমাত্র সঙ্গী ফোনটাও টিপতে পারিনা।
মালিকের চোখে পড়লে শুনতে হয় আমরা গাড়ির খেয়াল না রেখে খালি ফোন ই টিপি।
স্যারদের ফোনের সিমে টাকা কাটলেও আমাদের ফোনে টাকা কাটেনা তাই আমাদের সামান্য ফোন বিল বাবদ ও কিছু টাকা বাড়িয়ে দেয়া যায় না।
আমরা তাদের সকল সমস্যার সমাধান হিসেবে ডাকের আগে হাজির হলেও আমাদের নিজস্ব কোনো সমস্যা থাকতে পারেনা, তাই প্রয়োজন অনুযায়ী ছুটি চাইলে শুনতে হয় কত কী😅
আসলে আমরা তো সামান্য ড্রাইভার, আমাদের তো আর কোনো ব্যক্তিগত জীবন নেই, আমাদের আবার কিসের ছুটি আর কিসের বন্ধুবান্ধব আর কিসের কী?
সারা মাস হুকুমের গোলামী করবো আর মাস শেষে বিরাট অংকের বেতন ১৪/১৫ হাজার টাকা নিয়ে যাবো ব্যাস এইতো আমাদের জীবন।
স্যারদের ছেলেমেয়েদের হাতখরচ মাসে বিশ হাজার টাকায় হয় না কিন্তু আমাদের ১৫ হাজার টাকায় পুরো মাস নিজের চলতে হয়, পরিবারের মুখেও অন্য তুলতে হয়।
কারণ আমরা তো ড্রাইভার, মানুষ তো আর না তাইনা! আমাদের আবার কিসের এত চাহিদা আর কিসের এত টাকার প্রয়োজনে? যা দেয় তাতেই তো অনেক!
ভালো থাকুক সব ড্রাইভার- ভাই গুলো😅
13/04/2022
একবার রাতের বাসে করে চিটাগাং থেকে ঢাকা যাচ্ছি। বাসটা এমনিতেই ছাড়তে অনেক লেইট করেছিল। তারপরেও মাত্র কিছুদূর যেতে না যেতেই দেখলাম ড্রাইভারের ফোনে একটা ফোন আসার পর তিনি রাস্তার এক পাশে বাস থামিয়ে সেখান থেকে নেমে গিয়ে কথা বলতে বলতে একটা সিগারেট জ্বালালেন।
প্রায় পনেরো মিনিট ধরে অপেক্ষা করার পরেও যখন তার আসার নাম নেই তখন দুু-একজন যাত্রী বাস থেকে নেমে গিয়ে দেখেন তিনি একা একা দাড়িয়ে সিগারেট খাচ্ছেন।
বাসের যাত্রীরা সবাই চিৎকার চ্যাঁচামেচি করছিলেন,"নবাব সিরাজউদদৌলা সিগারেট খেতে নেমেছেন। খান*কির পোলা মনে হয় রাস্তার মাঝখান থেকে প্যাসেঞ্জার উঠানোর জন্য দাড়িয়েছে,দেখেছেন না একটা ফোন এসেছিল সেটা নির্ঘাত প্যাসেঞ্জারের ফোন। কেউ আবার আরেকটু গভীরে গিয়ে বলছিলেন, নিশ্চয়ই ডাকাত দলের সাথে এর সম্পর্ক আছে, পুলিশে ফোন লাগাও"।
বাসের যাত্রীরা যখন প্রায় উত্তেজিত হয়ে বাস থেকে নেমে তাকে আক্রমণ করতে যাবে এমন সময় মানুষটা নিজ থেকে এসেই ড্রাইভিং সীটে বসে বললেন,"কিছুক্ষণ আগে আমার মেয়েটা মারা গেছে"।
যাত্রীরা নিশ্চুপ হয়ে দেখলেন,এই মৃত্যু শোক নিয়েই তিনি বাকি ২৫০ কিলোমিটার পথ গাড়ি চালিয়ে গেলেন।
হুট করেই রিয়েক্ট করে বসবেন না,দূরবীনের লেন্সটা একটু উল্টো দিকে তাক করলেই দেখবেন যে জিনিসগুলো আপাতত দৃষ্টিতে বড় মনে হচ্ছে সেসব ছোট হয়ে ধরা দেবে।
04/04/2022
বয়স যখন ৪০ পার হয় তখন উচ্চ শিক্ষিত আর নিম্ন শিক্ষিত সবাই সমান
বয়স যখন ৫০ পার হয় তখন কালো ফর্সা সবই সমান,কার চেহারা সুন্দর,দেখতে কে স্মার্ট এটা নিয়ে আর কেউ ভাবেনা...
বয়স যখন ৬০ পার হয় তখন উচ্চ পজিশনে চাকুরী আর নিম্ন পজিশনে চাকুরী এটা আর কোন ব্যাপার নয়।
এমনকি একজন পিয়নও অবসরে যাওয়া বসের দিকে তাকায়না...
বয়স যখন ৭০ তখন আপনার বড় ফ্ল্যাট,বড় বাসা কোন গর্বের বিষয় নয় বরং বাসা বড় হলে সেটা মেইনটেইন করাই কঠিন,
ছোট একটি রুম হলেই আপনার চলে...
বয়স যখন ৮০ তখন আপনার টাকা থাকলে যা না থাকলেও তা। আপনার টাকা খরচ করার ইচ্ছা হলে সেটা খরচ করার জায়গাও খুঁজে পাবেননা...
বয়স যখন ৯০ আপনার ঘুমানো আর জেগে থাকা একই,
আপনি জেগে ওঠার পর কি করবেন আপনি নিজেও জানেননা...
বয়স যখন ১০০ তখন আপনার বেঁচে থাকা আর বেঁচে না থাকা এতে কিছুই যায় আসে না। পৃথিবীবাসী আপনাকে নিয়ে আর ভাবেনা...
জীবনের মানে টা এতটুকুই... এর বেশি কিছুই না... এতো চাপ নিয়ে,লোভ করে,মানুষের ক্ষতি করে লাভ কি???
নিজ নিজ জায়গা থেকে জীবনটা উপভোগ করতে শিখুন,অন্যের ক্ষতি করা থেকে বিরত থাকুন। সময়টা ভালো কাজে লাগান,পৃথিবীটা আপনার জন্য সুন্দর হবে।
আর সেজন্য মস্তিষ্কের পুরাতন চিন্তা-চেতনা কে ধুয়ে পরিস্কার করুন।
04/04/2022
এক গ্রামে একজন কৃষক ছিলেন.. তিনি দুধ থেকে দই ও মাখন তৈরি করে বিক্রি করতেন। একদিন কৃষকের স্ত্রী মাখন তৈরি করে কৃষককে দিলেন বিক্রি করতে। কৃষক তা বিক্রি করার জন্য গ্রাম থেকে শহরের উদ্দেশ্যে রওনা হলেন। মাখনগুলো গোল-গোল রোল আকৃতিতে রাখা ছিল। যার প্রত্যেকটির ওজন ছিল ১ কেজি করে। শহরে পৌঁছে কৃষক প্রতিবারের ন্যায় পূর্ব নির্ধারিত দোকানে মাখনগুলো দিয়ে পরিবর্তে চা চিনি তেল ও তার সংসারের প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি নিয়ে আসতেন।
আজ কৃষক চলে যাওয়ার পরে দোকানদার মাখনের রোলগুলো একটা একটা করে ফ্রিজে রাখার সময় ভাবলেন মাখনের ওজন সঠিক আছে কিনা আজ একবার পরীক্ষা করে দেখা যাক। মাখনের রোলগুলো ওজন করতেই উনি দেখলেন মাখনের ওজন আসলে ১ কেজি নয় তা প্রতিটা আছে ৯০০ গ্রাম করে।
পরের সপ্তাহে আবার কৃষক উক্ত দোকানে মাখন বিক্রি করতে গেলেন। দোকানের সামনে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে দোকানদার কৃষকের উদ্দেশ্যে চিৎকার করে বলতে লাগলেন.. 'বেরিয়ে যাও আমার দোকান থেকে। এবার থেকে কোন বেঈমান চিটিংবাজের সাথে ব্যাবসা কর। আমার দোকানে আর কোনদিন পা রাখবে না। ৯০০ গ্রাম মাখন ১ কেজি বলে বিক্রি করা লোকটার মুখ আমি দেখতে চাইনা।”
কৃষক বিনম্রভাবে কম্পিত স্বরে দোকানদারকে বললেন- ”দাদা! দয়া করে রাগ করবেন না। আসলে আমি খুবই গরিব মানুষ.. দাড়িপাল্লার বাটখারা কেনার মতো পয়সা আমার নেই.. তাই আপনার থেকে প্রতিবার যে এক কেজি করে চিনি নিয়ে যেতাম.. সেটাই দাড়িপাল্লার একপাশে রেখে অন্য পাশে মাখনের রোল মেপে নিয়ে আসতাম।”
শিক্ষণীয় বিষয়:
👉আপনি অপরকে যেটা দেবেন.. সেটাই পরে আবার আপনার কাছে ফিরে আসবে..তা সেটা সম্মান হোক বা ঘৃণা...
26/03/2022
December...Rk9900
26/03/2022
November...4RL9977
26/03/2022
october....loi9999
26/03/2022
September...ky96969
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Feni
88566
