Health tips.

Health tips.

Share

Welcome everyone to my Health tips page

23/10/2025

কোন ভিটামিন কোন জায়গায় ম্যাজিক হিসেবে কাজ করে

ZINC — পুরুষের সি-মেনের গোল্ড ফুয়েল
টেস্টোস্টেরন বাড়ায়
স্পার্মের মান ভালো রাখে
সময় আগে বী-র্যপাত কমায়
রাতে ১ টা করে খেতে পারেন ৩ মাস।

Vitamin A — ত্বকের রক্ষাকবচ
Acne কমায়
ত্বক উজ্জ্বল রাখে
Night vision ভালো করে
গাজর,লাল শাক খেতে পারেন ।

Vitamin E — চুলের বডিগার্ড
Hair fall কমায়
Scalp circulation বাড়ায়
চুলে প্রাকৃতিক glow আনে
এটা ২০০ এমজি ৪০০ এমজি পাওয়া যায়
বয়স কম হলে ২০০mg night খেতে পারেন
olive oil তেলের সাথে মিশিয়ে চুল দাড়িতে লাগালে চুল পড়া বন্ধ হবে
সাথে বায়োটিন ৫০০০ যোগ করুন।

Vitamin D — হাড়ের হিরো
Calcium absorb করতে সাহায্য করে
হাড় ও দাঁত মজবুত রাখে
Mood boost করে

Iron + B12 — Energy engine
রক্ত বাড়ায়
ক্লান্তি দূর করে
ব্রেইন ফোকাস বাড়ায়

Magnesium + Selenium — Bedroom Booster
Muscle relax করে
Libido বাড়ায়
Anxiety কমায়

Smart Tip:
ত্বক, চুল আর যৌ-নস্বাস্থ্য একসাথে ভালো রাখতে চাইলে
রোজ ১টা multivitamin
রোদে ১৫ মিনিট
পরিমিত খাবার
আর পূর্ণ ঘুম

02/09/2025

একবার এক মেডিকেলের ছাত্র ছাত্রীদের প্রাক্টিক্যাল ক্লাস চলতেছে। প্রাক্টিক্যালের জন্য একটি ম**রা কুকুর নিয়ে আসা হলো। প্রফেসর সাহেব হঠাৎ করে সেই কুকুরের পিছন দিয়ে নিজের আঙুল ঢুকিয়ে দিলেন। তারপর আঙুল নিজের মুখে দিলেন৷

এরপর সব ছাত্র-ছাত্রীদের এই কাজ করতে বললেন৷ স্যারের ভয়ে সবাই তাদের আঙুল ঐ মৃত কুকুরের পিছন দিকে ঢুকিয়ে দিয়ে, যার যার মুখে দিলো।

এরপর স্যার বললেন, "বুঝছো”!
মেডিকেলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন হল মনোযোগ। তোমরা যদি মনোযোগ দিতা তাহলে বুঝতা যে আমি আমার মিডল ফিঙ্গার ঢুকাইছি আর তর্জনী আঙুল আমার মুখে দিছি!! এখন থেকে মনোযোগ দাও৷ ছাত্র-ছাত্রীরা সব বেহুশ আর এরই নাম মনোযোগ৷

তাই কারো পেছনে আংগুল না দিয়ে মনোযোগ দিয়ে নিজের কাজ করেন, সাফল্য অনিবার্য 🙂

28/08/2025

I got over 100 reactions on one of my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉

27/08/2025

চূড়ান্ত মেডিকেল...
Fun Post.

26/08/2025

আমার কাছে মুগ্ধতা হলো
মানুষের ব্যবহার, কথার ধরন, ব্যক্তিত্ব এবং দায়িত্বশীলতা, কারন চেহারার মুগ্ধতার চেয়ে ব্যবহারের মুগ্ধতা বেশি দীর্ঘস্থায়ী।❤️‍🩹

24/08/2025

রোগী ২৫ বছর ফিমেল, মুখে severe acne, তাকে isotretinoin দিব, যেহেতু প্রেগন্যান্সিতে বা প্রেগন্যান্ট হতে চায় এমন কারো জন্য এই মেডিসিন contraindicated, তাই রোগীকে জিজ্ঞেস করলাম-

আপনি কি বিবাহিত?

রোগী একটু বিস্মিত হয়ে বলল- না।

তারপর আমাকে জিজ্ঞেস করলো- আপনি কি বিবাহিত?

আমি- মানে?

রোগী- মানে, আপনি জিজ্ঞেস করলেন তাই,,,,,!

-Dr.irfan ullah sakib

MD (Dermatology & Venereology)

24/08/2025

Operation successful 😁

23/08/2025

Wow 😦 amazing anatomy book 🤩📖

22/08/2025

Open heart surgery ❤️

29/06/2025

🚨 এক্স-রে, সিটি এবং এমআরআই এর মধ্যে পার্থক্য কি জানেন?!

🔹 এক্স-রে:
📸 দ্রুত এবং সাধারণ ছবি
💵 সবচেয়ে সস্তা এবং সবচেয়ে বিখ্যাত চেক
🦴 ফ্র্যাকচার, নিউমোনিয়া এবং কিছু টিউমার শনাক্ত করার জন্য চমৎকার
⚠️ একটি হালকা বিকিরণ অনুপাত রয়েছে
নিয়মিত চেক আপের জন্য উপযুক্ত ✅

🔹 সিটি-স্ক্যান:
🧠 সাধারণ বিমের চেয়ে আরো সঠিক এবং ব্যাপক
📷 এটা ৩৬০° কোণ থেকে শরীরের ছবি তোলে এবং একটি ৩ডি ছবি দেয়
🩻 অঙ্গ, টিস্যু এবং হাড়ের সমস্যা শনাক্ত করতে ব্যবহার করা হয়
⚠️বিক্রিকরণের শতাংশ এক্স-রে থেকে বেশি
জটিল বা জরুরী পরিস্থিতিতে প্রায়ই অনুরোধ করা হয়

🔹 এমআরআই (এমআরআই):
🔍 সর্বোচ্চ নির্ভুলতা, বিশেষ করে মস্তিষ্ক, মেরুদণ্ড এবং পেশীতে
💫কখনো বিকিরণ নয় (চুম্বক এবং রেডিও ঢেউয়ের সাথে কাজ করে)
এটা সময় নেয়, এবং সামান্য খরচ হয় ⌛
🧠 স্নায়ু এবং নরম টিস্যু জন্য আদর্শ
🚫 যাদের শরীরে ধাতব যন্ত্র লাগানো আছে তাদের জন্য হারাম (যেমন পেসমেকার)

🔸 ঠিক আছে এবং পিইটি-স্ক্যান?
💉একটি সাধারণ তেজস্ক্রিয় পদার্থের সাথে ইনজেক্ট করা হয়েছে
🔥 ক্যান্সার সনাক্ত এবং ছড়াতে ব্যবহৃত
📊 কোষের কার্যকলাপ পরিমাপ করে এবং শরীর কতটা চিকিৎসায় সাড়া দেয়
কেমোথেরাপি বা বিকিরণ এর কার্যকারিতা মূল্যায়ন করার জন্য খুব দরকারী

🎯 দ্রুত সারসংক্ষেপ:

এক্স-রে = দ্রুত এবং প্রাকৃতিক

সিটি = আরো সঠিক, পূর্ণ, কিন্তু আরো বিকিরণ আছে

এমআরআই = কোন বিকিরণ এবং সর্বোচ্চ টিস্যু নির্ভুলতা নেই

পিইটি = ক্যান্সার এবং কোষের কার্যকলাপ বিশ্লেষণ

📌 আলোচনার জন্য একটি প্রশ্ন:
আপনি কি কখনো কোন ধরণের বিকিরণ আক্রান্ত হয়েছেন? আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন! অথবা আপনার কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে করুন!

28/02/2025

ডায়াবেটিকদের রমাদান

যাদের ডায়াবেটিস আছে অথবা বাসায় কারও ডায়াবেটিস আছে তাদের জন্য একেবারে সহজ ভাষায় এই নোটটি তৈরি করেছি। আপনার বাসার ডায়াবেটিসের রোগীদের এই লেখাটি পড়তে দিতে রিকমেন্ড করছি। মেডিকেল স্টুডেন্টদের জন্যেও বেশ উপকারে আসবে। মহান দয়াময়ের অনন্য নিয়ামাত এই রমাদানে আপনাদের প্রতি এটি আমার সামান্য নিবেদন। আল্লাহ যেন আমার এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টাকে কবুল করে নেন।

১. ডায়াবেটিসের রোগীরা কি রোজা রাখতে পারবে? কোন কোন ক্ষেত্রে পারবে না?

২. রোজা রাখলে কী কী উপকার হবে?

৩. কী কী ঝুঁকি থেকে যায়? কী করণীয় তখন?

৪. রোজা থাকা অবস্থায় রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা মাপা যাবে কি?

৫. কোন অবস্থায় রোজা অবশ্যই ভেঙে ফেলতে হবে?

৬. রোজাতে খাবার-দাবার কেমন হবে?

৭. রোজাতে শরীরচর্চা করতে হবে কীভাবে?

৮. ওষুধ/ইনসুলিন কীভাবে, কখন, কতোটুকু নিতে হবে?

মুসলিমদের জন্যে ইবাদাতের এক ভরা মৌসুম রমাদান। কে না শরীক হতে চায় এই মহিমান্বিত মাসের রহমাতে-বারাকাহতে-মাগফিরাতে-নাজাতে! তবে কিছুটা বিপাকে পড়ে যান ডায়াবেটিসের রোগীরা। অনেকগুলো প্রশ্ন আর সংশয় তাদের মনে উঁকি দিতে থাকে।

এবার চলুন এক এক করে আমরা প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজার চেষ্টা করি।

১. সারা বিশ্ব জুড়ে ৫০ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ রোজা রাখেন। প্রচুর লিটারেচারে এসেছে যে, অধিকাংশ ডায়াবেটিক রোগীরাই রোজা রাখতে পারেন। তবে এটা নির্দিষ্ট ব্যক্তির শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে তার রোজা রাখতে পারা বা না পারা। সেজন্যে প্রয়োজন রোজা শুরু হবার বেশ কিছুদিন আগেই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে যাচাই-বাছাই (Pre-Ramadan Assessment) করিয়ে নেয়া যে তিনি রোজা রাখতে সক্ষম কিনা, রোজাতে কী কী নিয়মকানুন মেনে চলবেন, ওষুধ/ইনসুলিন কীভাবে নেবেন ইত্যাদি। রোগীর বিগত দিনগুলোতে ডায়াবেটিসের অবস্থা, জটিলতা, অন্যান্য রোগ, রক্তে চর্বির পরিমাণ, রক্তচাপ ইত্যাদি সবকিছু বিবেচনা করে চিকিৎসক সিদ্ধান্ত দিয়ে থাকেন রোগীটি রোজা রাখতে পারবে কি পারবে না।

তবে খুব সাধারণভাবে বলতে গেলে যেসব ডায়াবেটিস রোগীরা ডায়াবেটিস অনেক কমে গেলেও বুঝতে পারেন না, যাদের ডায়াবেটিস একেবারেই নিয়ন্ত্রণে থাকে না, সম্প্রতি ডায়াবেটিক কিটোএসিডোসিস হয়েছে--তাদেরকে রোজা না রাখতে বলা হয়। তাছাড়া যেসব ডায়াবেটিক রোগীদের কোনো অর্গান ফেইলিওর (যেমন : হার্ট ফেইলিওর, কিডনি ফেইলিওর, লিভার ফেইলিওর) আছে তাদেরও রোজা না রাখাই শ্রেয়। এছাড়াও যাদের মারাত্নক চোখের রেটিনায় সমস্যা, স্নায়ুতে সমস্যা, বড় ধরনের রক্তনালীতে সমস্যা, তীব্র পেপটিক আলসার, মারাত্নক ধরনের ফুসফুসে যক্ষ্ণা, মারাত্নক ইনফেকশান, মারাত্নক হাঁপানি, বারবার পাথর হওয়া, যেসব ক্যান্সার রোগীদের শারীরিক অবস্থা বেশ খারাপ, সম্প্রতি হার্ট এটাক/স্ট্রোক হয়েছে, লিভারে সমস্যা রয়েছে, অতি দুর্বল স্বাস্থ্যের বৃদ্ধ, পূর্ববর্তী গর্ভকালীন সময়ে ডায়াবেটিসের ইতিহাস, অনিয়ন্ত্রিত মৃগীরোগ এবং মারাত্নক মানসিক সমস্যা যাদের রয়েছে--তাদেরও রোজা রাখতে নিরুৎসাহিত করা হয়। গর্ভবতী এবং শিশুকে যারা বুকের দুধ পান করান তাদেরও রোজা রাখতে নিরুৎসাহিত করা হয়।

২. ডায়াবেটিস রোগীদেরও রোজা রাখলে বেশ কিছু উপকার হয়ে থাকে। যেমন :

- রোজা শরীরের বিপাকীয় (Metabolic) কাজের উন্নতি ঘটায়।

- শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাতে সাহায্য করে।

- উচ্চ রক্তচাপের নিয়ন্ত্রণ ভালো হয়।

- শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করে।

- রোগ প্রতিরোধ-ক্ষমতা শক্তিশালী করে।

- সর্বোপরি রোজাতে নিয়মানুবর্তিতার এক অনন্য চর্চা হয়। আর আমরা সবাই জানি নিয়মানুবর্তিতা ডায়াবেটিসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা।

৩. ডায়াবেটিস রোগীদের রোজা রাখলে যেসব ঝুঁকি থাকে :

- রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ অতিরিক্ত কমে যাওয়া (হাইপোগ্লাইসেমিয়া)।

- রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়া (হাইপারগ্লাইসেমিয়া)।

- পানিশূন্যতা।

- ওজনের তারতম্য ঘটা।

রোজাতে ডায়াবেটিক রোগীর যে সমস্যাটি নিয়ে সবচেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন থাকেন চিকিৎসকরা--তা হচ্ছে 'হাইপোগ্লাইসেমিয়া' (Hypoglycemia)। সহজ ভাষায় বলতে গেলে রক্তে গ্লুকোজ/সুগারের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কমে যাওয়া। হাইপোগ্লাইসেমিয়া এতো মারাত্নক হতে পারে যে রোগী কোমায় চলে যেতে পারে, মস্তিষ্কের মারাত্নক ক্ষতি হতে পারে। তাই প্রতিজন ডায়াবেটিস রোগীর এবং তার পরিবার-পরিজনের হাইপোগ্লাইসেমিয়া হলে কী কী লক্ষণ প্রকাশ পায় এবং করণীয় কী তা জানা অবশ্যই প্রয়োজন।

সচরাচর যে লক্ষণগুলো প্রকাশ পায় :

- অতিরিক্ত ঘাম
- হাত-পা কাঁপা
- বুক ধড়ফড় করা
- বেশি ক্ষুধা লাগা
- উদ্বিগ্নতা
- ঝিমাতে থাকা
- কথা জড়িয়ে যাওয়া
- মনোযোগ প্রদানে বিঘ্ন ঘটা
- অল্পতে রেগে যাওয়া
- বমি বমি ভাব
- মাথা ব্যথা/ মাথা ঘোরা ইত্যাদি।

রোগীর হাইপোগ্লাইসেমিয়া হলে সাথে সাথে রোজা ভেঙে ফেলতে হবে। তা যদি ইফতারের ১০ মিনিট আগেও হয়। এক গ্লাস পানিতে ৪-৬ চামচ চিনি মিশিয়ে খেয়ে নিতে হবে অথবা অন্য কোনো শর্করাযুক্ত খাবার।

৪. শারীয়াহগত দিক থেকে রোজা রেখে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা পরীক্ষা করতে কোনো বাধা নেই। ডায়াবেটিস রোগীদের রোজা থাকা অবস্থায় নিয়মিত রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ পরীক্ষা করা প্রয়োজন। বিশেষ করে সেহরির ঘণ্টা দুয়েক পর এবং ইফতারের ঘণ্টাখানেক আগে গ্লুকোজের মাত্রা দেখা উচিত। এছাড়া অন্যান্য সময়েও পরীক্ষা করা যেতে পারে।

৫. যেকোনো সময় রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা ৩.৯ মিলিমোল/লিটারের নিচে নেমে গেলে রোজা ভেঙে ফেলতে হবে। মনে রাখার সুবিধার্থে "৪" বলা হয়। রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা ১৬.৬ মিলিমোল/লিটারের বেশি বেড়ে গেলেও রোজা ত্যাগ করতে হবে।

৬. ক্যালোরি এবং খাবারের গঠনগত দিক থেকে রমাদানের আগে যেমন স্বাস্থ্যকর ও ভারসাম্যপূর্ণ খাবার খেতেন, রমাদানেও তেমনটাই চলবে। সেহরির সময় অপেক্ষাকৃত জটিল শর্করা যেগুলো হজম ও শোষণ ধীরে ধীরে হয় তেমন খাবার খেতে হবে। সেহরির সময় ভাত, রুটি, নান, সবজি, ডাল, মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ফল ইত্যাদি খাওয়া যেতে পারে।

ইফতারের ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে :

- অনেক বেশি পরিমাণ শর্করা ও চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়া যাবে না।

- মিষ্টিজাতীয় খাবার কম খেতে হবে।

- মিষ্টি পানীয় পরিহার করতে হবে। মিষ্টি শরবতের বদলে আল্লাহর দেওয়া 'প্রাকৃতিক শরবত' ডাবের পানি খাওয়া যেতে পারে।

- ইফতার থেকে সেহরির মধ্যবর্তী সময়ে প্রচুর পানি খেতে হবে।

আরেকটি বিষয় খুবই গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হবে। সেহরি যতোটা সম্ভব দেরিতে খেতে হবে আর ইফতার যতোটা সম্ভব তাড়াতাড়ি করতে হবে। আমাদের ধর্মীয় বিধানও তা-ই শিক্ষা দেয়। হাইপোগ্লাইসেমিয়া প্রতিরোধে এটি একটি খুবই কার্যকরী উপায়।

৭. রোজাতে প্রাত্যহিক জীবনের স্বাভাবিক কাজগুলো করতে কোনো বাধা নেই। তবে অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম হাইপোগ্লাইসেমিয়া করতে পারে। তাই দিনের বেলায় অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম না করাই ভালো। ইফতার এবং সেহরির মধ্যবর্তী সময়ে ঘণ্টাখানেকের জন্যে শরীরচর্চা করা যেতে পারে। তারাবীহ, তাহাজ্জুদ ইত্যাদি অতিরিক্ত নামাজও শরীরচর্চা হিসেবে বিবেচনায় রাখা উচিত।

৮. সবশেষে আসা যাক ওষুধ/ইনসুলিন কীভাবে নিতে হবে। প্রত্যেকটা রোগীকে চিকিৎসকই ঠিক করে দেবেন এটা। তবে খুব সাধারণভাবে সচরচার ব্যবহার হওয়া কিছু ওষুধ নিয়ে একটু আলোচনা করা যাক।

যারা নিয়মিত Sulfonylureas (Glipizide, Gliclazide, Glimeperide --ওষুধের প্যাকেটের গায়ে ছোট্ট করে ওষুধের এই জেনেরিক নেইম লেখা থাকে) প্রতিদিন সকালে খেতেন, তারা একই ডোজে ইফতারের সময় সেটা খাবেন। আর যারা এ ওষুধটি দুবেলা খেতেন, সকালে ও রাতে--তারা সকালের ডোজের পুরোটা ইফতারের সময় খাবেন। তবে রাতের ডোজের কেবল 'অর্ধেকটা' সেহরির সময় খাবেন।

যারা Metformin (Oramet, Comet, Metfo, Met, Informet ইত্যাদি নামে পাওয়া যায়) দিনে ১ বেলা খেতেন সেটি ইফতারের পর খাবেন। যারা দিনে দুবেলা ওষুধটি খেতেন তারা একটি ইফতারের পর এবং একটি সেহরির পর খাবেন। আর যারা ৩ বেলা ৫০০ মিলিগ্রামের একটি করে ট্যাবলেট খেতেন, তারা ইফতারে একসাথে দুটো ট্যাবলেট অর্থাৎ মোট ১০০০ মিলিগ্রাম খাবেন। আর সেহরিতে ৫০০ মিলিগ্রামের ১টি ট্যাবলেট খাবেন।

যারা Linagliptin (যেমন : Lijenta/Linatab/Linita) জাতীয় ওষুধ খেতেন তাদের ডোজের পরিবর্তন হবে না। একই ওষুধটি একই ডোজে ইফতারে/সেহরিতে খাবেন।

যারা Empagliflozin (যেমন : Empa/Empatab/Jardiance) জাতীয় ওষুধ খান তারা একই ওষুধ একই ডোজে ইফতারে খাবেন৷ তবে এই ওষুধ যারা খান তারা অবশ্যই বেশি বেশি পানি পান করবেন।

যারা দুবেলা ইনসুলিন নিয়ে থাকেন, সকালের ডোজটা সমপরিমাণ ইফতারের আগে নেবেন। আর রাতের ডোজের 'অর্ধেক' পরিমাণ সেহরির সময় নেবেন। ধরা যাক, কেউ সকালে ৩০ ইউনিট এবং
রাতে ২০ ইউনিট ইনসুলিন পেতেন। রমাদানে তিনি ইফতারের আগে সকালের ডোজের পুরোটা অর্থাৎ ৩০ ইউনিট ইনসুলিনই নেবেন। আর সেহরির সময় রাতের ডোজের অর্ধেক (২০/২=১০) অর্থাৎ ১০ ইউনিট ইনসুলিন পাবেন।

আপনি ডায়াবেটিক হোন কিংবা নন-ডায়াবেটিক, সুস্থ অবস্থায় সুষ্ঠুভাবে যেন সবগুলো রোজা রাখতে পারেন সে দু'আই করি। তবে মারাত্নক শারীরিক অসুবিধার কারণে চিকিৎসকের পরামর্শে যদি একান্তই রোজা রাখতে না পারেন, তাহলে দয়া করে মন খারাপ করবেন না। আপনার নিয়্যাত তো নিষ্কলুষ ছিল, আর আল্লাহ তো অন্তরের খবরও জানেন। পরবর্তী সময়ে সে রোজাগুলো কাজা আদায় করা যাবে। এই রমাদানটি হোক এ যাবতাকালের আমাদের জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ রমাদান। আমীন।

Ma'ruf Raihan Khan
39th BCS
Heart diseases and Hypertension Specialist
🧰Mugda Medical College Hospital, Dhaka

26/02/2025

দশটি ভয়ঙ্কর সত্যি ঘটনা

১. রোগী প্রেগন্যান্ট। প্রি-একলাম্পশিয়া। ব্লাড প্রেশার অত্যধিক বেশি। তাকে উচ্চ রক্তচাপের জন্য একজন প্রসূতি রোগ চিকিৎসক প্রেসক্রাইব করেছেন Tab. Nidipine SR (20 mg)। দোকানদার দিয়েছে Tab. Nintoin SR (100 mg), যা একটি অ্যান্টিবায়োটিক। ছবিতে সংযুক্ত। এই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ রোগীর ব্লাড প্রেশার কতোটুকু কমলো?

২. Tab. Metfo (500 mg) প্রেসক্রাইব করা হয়েছিল। দোকানদার Tab. Metro (500 mg) দিয়ে বলে ডাক্তার ভুল করে চলবে লিখেছে। ৫ দিনের বেশি খেয়েন না। আর একবেলা না, এটা তিনবেলা খেতে হয়। নতুন ডাক্তার তো বোঝেনি। প্রথমটি ডায়াবেটিসের ওষুধ। শেষেরটি এন্টিপ্রটোজোয়াল। বাংলাদেশে ডায়রিয়া/আমাশয় হলে সবাই এটির ওপর হামলে পড়ে (ফ্লাজিল)। ডায়াবেটিস কতোটুকু কমলো?

৩. হাইপারথাইরয়েডিজমের জন্য রোগীকে Tab. Metirox (5 mg) প্রেসক্রাইব করা হয়েছিল। ফার্মেসির বড়ো ডাক্তার সাহেব এর বদলে Tab. Metorax (10 mg) দিয়ে দিয়েছেন। এটি একটি ভীষণ ভয়ঙ্কর ওষুধ। ভয়ঙ্কর বললাম এই অর্থে, এটির মারাত্মক এডভার্স ইফেক্ট হতে পারে এদিক-সেদিক হলে। অবধারিতভাবে উক্ত রোগী মেথোট্রেক্স্যাট টক্সিসিটি নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

৪. এক পেশেন্টকে দেওয়া হয়েছে Cap. Nintoin SR (100 mg)। তিনি ৭ দিন পর এসে বললেন, স্যার তলপেটে ব্যথা, প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া কিছুই তো কমে না। কী ওষুধ দিলেন। তাকে ওষুধের পাতা দেখাতে বলা হলো। ওষুধ চেক করে দেখা গেলো Tab. Nitrin SR (2.6 mg) খাচ্ছে ৭ দিন ধরে। প্রথমটি এন্টিবায়োটিক। দ্বিতীয়টি হার্টের রোগের গুরুত্বপূর্ণ একটি ওষুধ। তবে এস্টাবলিশড হার্ট ডিজিজের রোগীদের ক্ষেত্রেও এটি প্রেসক্রাইব করতে আমরা অনেক সতর্ক থাকি। অনেক 'যদি কিন্তু' মিলিয়ে তারপর সিদ্ধান্ত নিতে হয় এই রোগীকে আমরা নাইট্রেটস দেব কি দেব না। দিলে রোগীর উপকার হবার সম্ভাবনা বেশি না-কি ক্ষতির ঝুঁকি বেশি।

৫. পেশেন্টকে প্রেসক্রাইব করা হয়েছে Cap. Nintoin SR (100mg )। ফার্মেসির দারুণ বিজ্ঞ ব্যক্তি দিয়ে দিয়েছেন Nobesit XR (500mg)। প্রথমটি এন্টিবায়োটিক, দ্বিতীয়টি ডায়াবেটিসের ওষুধ।

৬. এক রোগীকে দেওয়া হয়েছে Desolon (Contraceptive pills)। রোগী খেয়েছে Deslor ( ঠান্ডা/চুলকানির ওষুধ)। ফলাফল বলার অপেক্ষা রাখে না!

৭. পেশেন্টকে প্রেসক্রাইব করা হয়েছে Tab. Bislol (5 mg)। এটি উচ্চ রক্তচাপ/হার্টের রোগের ওষুধ। দোকানওয়ালা দিয়েছে Tab. Biofol (5 mg), এটি ফলিনিক এসিড। পেশেন্ট শিক্ষিত। তার সন্দেহ হয়েছে। বিসলল আর বায়োফল তো এক না। তিনি দোকানদারের দিকে সন্দেহের তীর ছুঁড়ে দিলেন। দোকানদার জানালেন, দুটো ওষুধ একই। একটা খেলেই হবে। পেশেন্ট এসে আবার জিজ্ঞেস করেছে দুটো একই ওষুধ কি-না।

৮. পালমোনারি হাইপারটেনশনের জন্য একজন বয়স্ক ব্যক্তিকে সিলডেনাফিল প্রেসক্রাইব করা হয়েছে। এটি অন্য একটি ইন্ডিকেশানে বহুল ব্যবহৃত। প্রেসক্রিপশন দেখে দোকানওয়ালা হায়হায় করে উঠলো। এমন বয়স্ক ব্যক্তিকে কেউ এসব ওষুধ দেয় না-কি? ডাক্তারের কোনো সামাজিক বিবেক-বিবেচনা নেই?
দোকানির উস্কানিতে চাচার ভাতিজারা এসে ডাক্তারকে পেটানোর ঘটনা ঘটেছে একবার।

৯. এক চিকিৎসক গ্রামের বাড়িতে গিয়ে রোগীকে লিখেছিলেন :

Tab. Cortan (20 mg)
সঙ্গে এন্টি আলসারেন্ট (গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ নামে প্রচলিত)। সেটিও ২০ মিলিগ্রাম।

তো তার এলাকার এক বড়ো ভাই নতুন 'দোকান' দিয়েছে। প্রেসক্রিপশন দেখে ভাবলো ২০ 'পাওয়ারের' আর কী ওষুধই হবে, 'গ্যাশের' ওষুধ ছাড়া!

তারপর থেকে রোগী একসঙ্গে খেলো
Tab. Pantonix (20 mg)
Cap. Sergel (20 mg)

বাহ কী ফুটফুটে সুন্দর না! দুই 'গ্যাশটিকের ওষুধ' একসঙ্গে আর ওদিকে আসল ওষুধের খবরই নেই!

১০. নারী রোগীকে দেওয়া হয়েছিল Normens (5 mg),
ফার্মেসির প্রফেসর দিয়েছে Norium (5 mg)। ফলাফল? তা আর বলতে!

লেখাটার ঢঙটা কেমন যেন হালকা চালের হলো। লেখাটা শেষ করে ভাবলাম, যে সহজ-সরল রোগীটি ভুলভাল ওষুধ পেয়ে বড়ো ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হলো, রোগ দীর্ঘায়িত হলো, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া লাগলো, জীবন ঝুঁকির সম্মুখীন হলো তাদের কতোটা কষ্ট হয়েছে। ওষুধের নাম নিয়ে যদি সন্দেহ থাকে তাহলে ফার্মেসির দোকানদার সে ওষুধটি না দিতে পারে, যদি সে ওষুধটি তার দোকানে না থাকে সেটি সরাসরি বলতে পারে--কিন্তু তা না তারা কিছু না কিছু ওষুধ দেবেনই। নইলে বিক্রি হবে না যে! আচ্ছা ওষুধ বিক্রি আর আলু-পটল বিক্রি কি এক? একটা ওষুধ মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত ঘটাতে পারে। এটি জেনেও তারা দুচার টাকার লোভ ছাড়তে পারেন না। ফলে কোনো না কোনো একটা ওষুধ 'গছিয়ে' দেবার চেষ্টা করেন। ওষুধের দোকানদারদের কাছে বিনীত অনুরোধ, প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে কিছু টাকা লাভ করতে চাইলে, সহজ-সরল মানুষকে ঠকিয়ে ব্যবসা করতে চাইলে অন্য কোনো পেশা বেছে নিন। মানুষের জীবন-মৃত্যু নিয়ে এভাবে খেলবেন না। আপনাদের মূর্খতা, অসতর্কতা, দায়িত্বহীনতা, বর্বরতা ও দগদগে বিশ্রী লোভ নিয়ে একটি জাতির স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিয়ে এভাবে খেলবেন না।

সরকারি পর্যায় থেকে এ বিষয়ে কঠোর মনিটরিং প্রয়োজন। ইলেকট্রনিক প্রেসক্রিপশনের ব্যাপারে জোর দিতে হবে। যথাযথ প্রশিক্ষণ ছাড়া কেউ যেন ফার্মেসি দিতে না পারে সে ব্যাপারে কঠোর হতে হবে। অপচিকিৎসকদের চিকিৎসা দেওয়া বন্ধ করতে হবে। প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ বেচাকেনা বন্ধ করতে হবে। প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক দিলে তাকে বারো ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার করে জেলে পুরতে হবে। অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্সে দেশটা শেষ হয়ে গেলো।

Ma'ruf Raihan Khan
Cardiologist
39th BCS

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Gazipur?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Gazipur
DHAKA