Power Hits Powder 2.0

Power Hits Powder 2.0

Share

সম্পুর্ন ন্যাচারাল ও অর্গানিক প্রোডাক্ট দিয়ে স্বাস্থ্য সেবায় নিয়োজিত

29/11/2024

ডায়াবেটিস ও হাই প্রেশার থাকলেও কাজ করবে,
স্ত্রীর কাছে মাথা উচু রাখতে চাইলে অর্ডার করে ফেলুন।
বিফলে মূল্য ফিরত আমরা কথায় না কাজে বিশ্বাসী ওপেন চ্যালেঞ্জ আপনার সমস্যা যতই জটিল ও কঠিন হোক না কেন নির্মূল হবে ইনশাআল্লাহ।
সরাসরি অর্ডার করতেঃ 01711 734 004

Photos from Power Hits Powder 2.0's post 29/11/2024

⭐️সন্মানিত কাষ্টমার রিভিউ⭐️
আলহামদুলিল্লাহ প্রতিদিনই এমন শত শত রিভিউ আমরা ইনবক্সে পেয়ে থাকি। যা আসলেই আমাদের অনুপ্রাণিত করে সাথে সাথে আমরা আপনাদের উপকারে আসতে পেরে আমরাও খুবই আনন্দিত।

আমাদের পাওয়ার হিটস পাউডারটি সম্পুর্ন প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরী এবং কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। জীবনে তারুণ্য ফিরে পেতে চাইলে আজই অর্ডার করুন ভেষজ পাওয়ারের পাওয়ার হিটস পাউডার।

২০ থেকে ৭৮ বছর পর্যন্ত কাজ করে।
চ্যালেঞ্জ করে বলছি কাজ না হলে টাকা ফেরত।
ডায়াবেটিস ও হাই প্রেশার থাকলেও খেতে পারবেন।
সরাসরি অর্ডার করতে কল করুনঃ 01711-734004

29/11/2024

পার্টনারের কাছে ১৮ বয়সের যুবক হতে চাইলে এই প্রোডাক্ট আপনার জন্য।
✅২০ থেকে ৭৮ বছর বয়স পর্যন্ত কাজ করে।
✅ডায়াবেটিস থাকলেও খেতে পারবেন।
✅BCSIR থেকে অনুমোদিত।
✅এখন পর্যন্ত ৩০ হাজারের বেশী মানুষ উপকার পেয়েছে
সরাসরি অর্ডার করতে কল করুনঃ 01711 734 004
এটাই আমাদের একমাত্র অফিসিয়াল নাম্বার, এই নাম্বার ব্যাতিত অন্য কোন নাম্বার নাই।

04/03/2024

বিশ্বাস রাখতে পারেন, এর চেয়ে ভালো প্রডাক্ট আমার জানা মতে নেই। এডভান্স করতে হবে না। পন্য হাতে পেয়ে দেখে তারপর ডেলিভারি ম্যান কে টাকা দিবেন। আমি নিজে ব্যবহার করে তারপর বিক্রি শুরু করেছি, তাই আস্থা রাখুন ১০০%
কল করেও অর্ডার করতে পারেন 01711-734004

05/02/2024

পাতলা পায়খানা বন্ধ করার ঘরোয়া উপায়
নিম্নে কিছু ঘরোয়া উপায় রয়েছে যেগুলি ব্যবহার করে আপনি পাতলা পায়খানা থেকে রেহাই পাওয়া যাবে। বহু মানুষের মধ্যে পাতলা পায়খানা বন্ধ করা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এই প্রবন্ধে, আমরা পাতলা পায়খানা থেকে রেহাই পাওয়ার ঘরোয়া উপায় সম্পর্কে আলোচনা করব ।
সরিষা বীজ
সরিষা বীজে কিছু এন্টিব্যাক্টেরিয়াল উপাদান রয়েছে যা পাতলা পায়খানা বন্ধ করার জন্য খুব উপকারি ঘরোয়া উপায়।
এক চামচ জলে ১/৪ চা চামচ সরষের বীজ মেশান এবং সেটিকে ১ ঘণ্টা রেখে দিন।
এবার এই জল পান করুন যেমন আপনি নিয়মিত জল পান করুন।
পাতলা পায়খানা থেকে মুক্তি পেতে দিনে দুই থেকে তিনবার করে এই প্রতিকারটি ব্যবহার করুন।
লেবুর জল
লেবুর রসে রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান যা সহজে পেট পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। এটি বহু দশক ধরে পাতলা পায়খানা বন্ধ করতে ব্যবহার করা হয়।
একটি পূর্ণ লেবু থেকে রস নিষ্কাশন করুন, এতে ১ চা-চামচ লবণ ও এক চামচ চিনিযোগ করুন । ভাল করে মেশান ।
এখন প্রতি ঘন্টায় এই সরবৎ পান করুন যতক্ষণ না আপনার পাতলা পায়খানার সমস্যা বন্ধ হচ্ছে।
আপনার পেট পরিষ্কার করার জন্য তিন দিন ধরে এই প্রতিকার ব্যবহার করুন ভাল ফল পাবেন ।
নিয়মিত রুটিনে ফেরার আগে চেষ্টা করুন স্যুপ বা তরল জাতীয় খাবার খেতে।
ডালিম
ডালিম এমন একটি ফল যা কার্যকরভাবে আপনার পাতলা পায়খানার সমস্যাকে কমিয়ে দিতে পারে।
পাতলা পায়খানার সময় ডালিমের বীজ খাওয়া উচিৎ এতে আপনার কষ্ট সাহায্য করবে। দিনে দুটি করে ফল খাওয়ার চেষ্টা করুন কারণ এটা পাতলা পায়খানা থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য একটি ভাল ঘরোয়া উপায়।
আপনি একটি মিক্সারে ডালিম বীজ ব্লেন্ড করে তার জুস বের করে নিতে পারেন । কার্যকর ফলাফল পাওয়ার জন্য দিনে অন্তত তিনবার করে এক গ্লাস এই রস পান করুন ।
ডালিম পাতা দিয়ে ফুটিয়ে ভিজিয়ে রাখা জলও খেতে পারেন।
মেথি বা মেথি বীজ
মেথির মধ্যে এন্টিব্যাক্টেরিয়াল এবং এন্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য রয়েছে এবং পাতলা পায়খানার সাথে লড়াই করার জন্য একটি চমৎকার ঘরোয়া প্রতিকার।
এক থেকে দুই চা চামচ শুকনো মেথি বীজকে গুঁড়ো করে নিন। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক গ্লাস জলে এই গুঁড়ো মিশিয়ে পান করুন। এতে আপনি পাতলা পায়খানার সমস্যা থেকে রেহাই পেতে পারেন।
মধু
মধু একটি প্রাকৃতিক ঔষধ যা স্বাস্থ্যের অনেক সমস্যা নিরাময় করতে পারে এবং পাতলা পায়খানা বন্ধ করার জন্য এটি অত্যন্ত কার্যকরী ঘরোয়া প্রতিকার ।
এক চা চামচ ফ্রেশ ও খাঁটি মধু নিন । জৈব মধু হলে আরও ভাল হবে ।
এক গ্লাস উষ্ণ জলে 1/2 এক চা চামচ দারুচিনি গুঁড়ো ও খাঁটি মধু ভাল করে মেশান।
সকালে খালি পেটে এই জল পান করুন । পাতলা পায়খানার সমস্যাকে নির্মূল করতে দিনে দুবার করে এই প্রতিকার ব্যবহার করুন।
ঘোল
ঘোল ভারতে একটি স্বাস্থ্য পানীয় বলে মনে করা হয় এবং পাচনতন্ত্র শীতল এবং সুস্থ করতে খুবই কার্যকরী। ঘোলে থাকা ব্যাকটেরিয়া এবং অ্যাসিড রোগ প্রতিরোধ করে এবং আপনার পাচনতন্ত্র সুস্থ রাখে।
এক চা চামচ নুন ও এক চিমটে বা কালো গোলমরিচের গুঁড়ো বা জিরা গুঁড়ো বা হলুদ গুঁড়ো যোগ করে ভাল করে মেশান ।
পাতলা পায়খানার সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে দিনে অন্তত দুই থেকে তিনবার এই ঘোল পান করুন ।
সাবু
সাবু পেটের ব্যথা কমাতে এবং হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
সাবু দানাকে তিন ঘণ্টা পর্যন্ত পর্যাপ্ত জলে ডুবিয়ে রাখুন ।
সাবু যেহেতু অনেক জল গ্রাস করে তাই নিশ্চিত করতে হবে যে তা যথেষ্ট পরিমাণে জলে ভিজিয়ে রাখা হয়েছে কিনা ।
আপনি পেট ব্যথা থেকে ত্রাণ পেতে সাবু ভিজানো জল পান করতে পারেন এবং এটি পাতলা পায়খানা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করবে ।
ভাল প্রভাব দেখার জন্য দিনে বেশ কয়েকবার এই জল পান করতে হবে ।
একটি স্বাস্থ্যকর পানীয় প্রস্তুত করুন
আপনার মনে যদি এখনও প্রশ্ন থাকে যে আপনি কিভাবে পাতলা পায়খানার সমস্যাকে আটকাবেন তাহলে হলুদ গুঁড়ো, কারি পাতা এবং লবণ দিয়ে একটি পানীয় তৈরি করুন। দইয়ের মধ্যে এন্টিব্যাক্টেরিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে এবং হলুদের মধ্যে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা রয়েছে।কারি পাতাটিও খুব স্বাস্থ্যকর একটি উপাদান যা ভারতীয় খাবারে অনেক বেশি ব্যবহার হয় ।
দুই টেবিল চামচ দই, 1/4 চা চামচ হলুদ গুঁড়ো, এক চিমটে হিং, কারি পাতা এবং নুন দিয়ে ফুটন্ত জলে সেদ্ধ করে নিন।
জলটিকে খুব ভাল করে ফোঁটাবেন। ফোঁটানো হয়ে গেলে নামিয়ে নিয়ে ঠাণ্ডা করে নিন।
আলগা মোশন সমস্যা সম্পূর্ণভাবে নিরাময় করার জন্য তিন দিন পরপর দুবার এই পানীয়টি পান করুন ।
তরল পান করুন
যখন আপনি পাতলা পায়খানার সমস্যায় ভোগেন তখন আপনার শরীর থেকে প্রচুর জল বেরিয়ে যায় এবং শরীর জলশূন্য হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই বেশি পরিমাণে জল খাওয়া উচিৎ যাতে শরীর ডিহাইড্রেট না হয়ে যায়।
পাতলা পায়খানার সমস্যাকে আটকাতে ৮ থেকে ১২ গ্লাস জল পান করুন।
আস্বাস্থ্যকর স্যুপ বা ফলের রসও পান করতে পারেন।
জলের মধ্যে ইলেক্ট্রোলাইট পাউডার মিশিয়ে পান করতে পারেন এতে আপনি পেটের ব্যথা থেকেও আরাম পাবেন।
ডাবের জলও খেতে পারেন যা শরীরকে হাইড্রেট রাখতে সাহায্য করে।
পুদিনা ও মধু
পাতলা পায়খানা বা ডায়রিয়ার চিকিৎসার জন্য প্রাচীন কাল থেকে পুদিনা পাতার ব্যবহার করা হয়। কারণ পুদিনা পাতায় অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান রয়েছে যা দ্রুত হজমে সাহায্য করে। যেহেতু এটি হজমে সাহায্য কএ তাই প্রতিদিন খাবার খাওয়ার পড়ে ১-২টি পুদিনা পাতা চিবিয়া খাওয়া উচিৎ। এটি আপনাকে পাতলা পায়খানা থেকে রেহাই পেতেও সাহায্য করবে।
তাজা পুদিনা পাতাকে বেটে পুদিনা রস নিঃসৃত করে নিন।
পুদিনা পাতার রসের সাথে এক চা চামচ মধু এবং এক চা চামচ লেবুর রস যোগ করুন । এগুলো ভাল করে মিশিয়ে এই মিশ্রণটি খান ।
আলগা গতি থেকে মুক্তি এই মিশ্রণটি প্রতিদিন দুই থেকে তিন বার খান।
বেল পাতার পাউডার
বেল পাতা এবং বেল ফল যা কাঠ আপেল নামেও পরিচিত। যেটি পাকস্থলীর সমস্যাকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং পাতলা পায়খানার সমস্যাকেও নির্মূল করে।
২৫ গ্রাম শুকনো বেল পাতা ও ফলের গুঁড়ো নিয়ে তাতে ২ চামচ মধু মিশিয়ে নিন ।
এই মিশ্রণটি দিনে তিন থেকে চারবার করে খান এবং প্রতিদিন এটি পুনরাবৃত্তি করুন যতক্ষণ না আপনি মনে করছেন যে আপনি পাতলা পায়খানার সমস্যা থেকে রেহাই পেয়েছেন।
লাউয়ের রস
লাউয়ের রস একটি চমৎকার ঘরোয়া প্রতিকার পাতলা পায়খানা থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য। লাউয়ের রসের মধ্যে জলের পরিমাণ বেশি আছে যেটা শরীরকে ড্রীহাইড্রেট হওয়া থেকে রক্ষা করে। একটি তাজা লাউ নিন তারপর তার খোসা ছাড়িয়ে টুকরো টুকরো করে কেটে নিন।
এবার এই টুকরোগুলি ব্লেন্ডারে দিয়ে ভাল করে বেটে নিন ।
পেস্টটা থেকে রস নিঃসৃত করে পান করুন। শরীরকে জলশূন্য হওয়া থেকে রক্ষা করতে এই রসটি দিনে দুবার করে পান করুন।
শুকনো আদার পাউডার
আদা এন্টিফাঙ্গাল এবং এন্টিব্যাক্টেরিয়াল উপাদান রয়েছে যা হজমে উন্নতি করা ছাড়াও পেট ব্যথা কমাতে করতে সাহায্য করে । এবং এটি পাতলা পায়খানা কমাতেও সাহায্য করে।
এক কাপ ঘোলে আধা চামচ শুকনো আদার গুঁড়ো মেশান ।
এটি ভাল করে মিশিয়ে দিনে তিন থেকে চারবার এই ঘোল পান করুন ।
২ দিনের মধ্যে, আপনি ডায়রিয়ার সমস্যা থেকে রেহাই পাবেন।

02/02/2024

পাইলস দূর করার ঘরোয়া উপায়

পাইলসের সমস্যায় অনেকেই ভুগে থাকেন। এই সমস্যা একবার দেখা দিলে পুরোপুরি দূর করা মুশকিল। তাই পাইলসের সমস্যায় শুরুতেই সচেতন হওয়া জরুরি। নয়তো পরবর্তীতে তা আরও বড় আকার ধারণ করতে পারে। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ঘরোয়া উপায় বেছে নিতে পারেন। কিছু নিয়ম মেনে চললে আর খাবারের ক্ষেত্রে সতর্ক হলেই পাইলসের সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। চলুন জেনে নেওয়া যাক পাইলস দূর করার কিছু ঘরোয়া উপায়-

নারিকেল তেল ব্যবহার
পাইলসে আক্রান্ত হলে ব্যথা তো থাকেই, এমনকী থাকতে পারে চুলকানিও। এটি আরও কষ্টদায়ক হয়ে দাঁড়ায়। তবে হাতের কাছে থাকা নারিকেল তেল ব্যবহার করেই এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। মূলত নারিকেল তেল ন্যাচারাল ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে। তাই আক্রান্ত স্থানে এই তেল ব্যবহার করলে উপকার পাবেন। এতে দ্রুত ব্যথা, জ্বালা, যন্ত্রণার প্রকোপ কমবে।

অ্যালোভেরা
অ্যালোভেরা একটি উপকারী ভেষজ। শরীরের বিভিন্ন সমস্যা দূর করতে কাজ করে এই ভেষজ। পাইলসের সমস্যা দূর করার কাজেও অ্যালোভেরা ভীষণ উপকারী, এমনটাই বলছে মেডিক্যাল নিউজ টুডে। অ্যালোভেরার রয়েছে অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য। তাই আক্রান্ত স্থানে অ্যালোভেরা জেল লাগালে পাইলসের সমস্যা দ্রুত কমে আসবে। এমনকী ক্ষতও দ্রুত শুকাবে।

আইস প্যাক ব্যবহার
পাইলসের সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা মলত্যাগের পরে আরও বেশি ব্যথায় ভোগেন। এমনকী সেসময় তাদের জন্য ঠিকভাবে বসে থাকাটাও কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। এক্ষেত্রে যত দ্রুত সম্ভব মলদ্বারে আইস প্যাক দিলে উপকার পাওয়া যায়। এতে দ্রুতই ব্যথা কমে আসবে। কারণ ব্যথার জায়গায় বরফ সেক দিলে সেখানে রক্ত চলাচল কমে আসে। যে কারণে ব্যথার অনুভূতি কম হয়।

পানি পান
মল শক্ত হলে পাইলসের সমস্যা আরও বৃদ্ধি পায়। বিশেষজ্ঞরা তাই পাইলসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের পর্যাপ্ত পানি পান করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। দিনে ৩ থেকে ৪ লিটার পানি পান করলে এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনা যায় অনেকটাই। তবে শুধু পানি নয়, এর পাশাপাশি ডাল, স্যুপ, ডাবের পানির মতো পানীয়ও খেতে পারেন।

ফাইবার যুক্ত খাবার
পাইলসের সমস্যা থেকে বাঁচতে হলে খাবারের ক্ষেত্রে আনতে হবে বড়সড় পরিবর্তন। এক্ষেত্রে খাবারের তালিকায় রাখতে হবে ফল, শাক, সবজির মতো ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার। এতে মল নরম হবে। যে কারণে পরোক্ষভাবে পাইলসের সমস্যা কমে আসবে।

02/02/2024

বাতের ব্যথার ঘরোয়া সমাধান

বাতের ব্যথা নিয়েই যাদের নিত্য বসবাস, তাদের জন্য লেখাটি খুব কাজের হতে পারে। যারা দীর্ঘদিন বাতের ব্যথায় ভুগছেন–তারা অনেকেই বাতের ব্যথার উপশমের নানা উপায় খোঁজেন। এসব উপশমের উপায়গুলো অনেক সময় অপচিকিৎসা বা ভুল চিকিৎসাও হয়ে থাকে।

বাতের ব্যথা উপশমে মূলত কাজে আসে বাতের ওষুধ এবং আমাদের জীবনযাত্রার কিছু বাজে অভ্যাস পরিবর্তন। এই রোগের সরাসরি কোনো চিকিৎসা নেই। তাই শুধুমাত্র ব্যথার ওষুধের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে বরং মনোযোগ দিতে হবে আমাদের লাইফস্টাইলে। বাতের ব্যথা নিয়ন্ত্রণে রাখার কিছু ঘরোয়া সমাধান নিয়ে এবার আলোচনা করা যাক।

১। ব্যায়াম:

হালকা ব্যায়াম আপনার শরীরের জয়েন্টগুলোর উন্নতি করতে পারে। এছাড়াও ব্যায়ামের মাধ্যমে পেশি শক্তিশালী হয়। ফলে শরীরের ওজন পেশিগুলো বহন করে আপনার গিরার ওপর থেকে কিছু চাপ কমাতে পারে।

২। পর্যাপ্ত বিশ্রাম:

বাতের ব্যথা শুরু হলে আপনার স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি বিশ্রামের প্রয়োজন হতে পারে। পর্যাপ্ত ঘুম আপনার ব্যথার পাশাপাশি ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করবে।

৩। ঠান্ডা কিংবা গরম ছ্যাঁক দেওয়া:

আইস প্যাক দিয়ে ঠান্ডা চাপ দিলে প্রদাহ এবং ব্যথা কমতে সাহায্য করতে পারে। ব্যথার কারণে পেশিতে যদি খিঁচুনি হয় তবে ঠান্ডা চাপ দেওয়া কার্যকর। অন্যদিকে হালকা গরম পানিতে গোসল বা ব্যথাস্থানে গরম ছ্যাঁক দিলে ব্যথার সাময়িক উপশম পাওয়া যায়। গরম ছেঁক দেওয়া–হাত পায়ের গিরাগুলো শক্ত হয়ে যাওয়া কমাতেও সাহায্য করতে পারে।

৪। সহায়ক যন্ত্রপাতি ব্যবহার:

স্প্লিন্ট এবং ব্রেসের মতো কিছু ডিভাইস আপনার জয়েন্টগুলোকে বিশ্রামে রাখতে পারে। ফলে এগুলোর সাহায্যে বাতের ব্যথাও কমতে পারে। তবে এগুলো একটানা পরে থাকলে “ফ্রোজেন জয়েন্ট” হতে পারে, তাই এগুলো ব্যবহারের মাঝে বিরতি নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

ব্যথা অবস্থায় হাঁটাচলা বা কাজ করার জন্য প্রয়োজনে হাতের লাঠি বা ক্র্যাচ ব্যবহার করতে পারেন। এতে ব্যথার স্থানে চাপ কম পড়বে।

আমাদের জীবনযাত্রার কিছু অভ্যাস পালটালেই বাতের ব্যথা অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। এছাড়াও প্রয়োজনে বাতের ব্যথার জন্য ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

02/02/2024

সর্দিতে নাক বন্ধ হলে ঘরোয়া চিকিৎসা কী?

শীতে অনেকেরই অসাবধানতাবশত ঠান্ডা লেগে যায়। এর বহিঃপ্রকাশ ঘটে সর্দি-কাশি আর নাক বন্ধের মাধ্যমে। বিশেষ করে যাঁদের অ্যালার্জিজনিত সমস্যা আছে। কারণ, এ সময় পরিবেশে ধুলাবালু বেশি ও বাতাস শুষ্ক থাকে। এ ছাড়া যাঁদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাঁদের অল্পতেই ঠান্ডা লেগে নাক বন্ধ হয়ে যায়।

নাক বন্ধ হলে দ্রুত পরিত্রাণের জন্য অনেকে নোজল ড্রপ বা ওষুধের সাহায্য নেন। তবে এসব ওষুধের অতিরিক্ত ব্যবহার স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। অতিরিক্ত ব্যবহারে একটা সময় এসব ওষুধ কোনো কাজে আসে না। সে ক্ষেত্রে ঘরোয়া কিছু সমাধান চেষ্টা করা যেতে পারে।

কেন হয়
নাসাপথের ঝিল্লিগুলোর প্রদাহ বা অস্বস্তির ফলে নাকে যে গুমোটভাব তৈরি হয়, তাকে নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া বলা হয়। নাকের রক্তবাহগুলো ফুলে গেলেও নাক বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সাধারণ ঠান্ডা লাগা, অ্যালার্জি অথবা সাইনাসের সংক্রমণের সঙ্গে নাক বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিষয়টি সম্পর্কিত।

ঘরোয়া চিকিৎসা
একটি পাত্রে গরম পানি নিয়ে এর মধ্যে একটি মাইক্রোফাইবার তোয়ালে বা রুমাল ডুবিয়ে ভালো করে চিপে নিতে হবে। এবার এ রুমাল নাকে-মুখে দিয়ে রাখুন ৫ থেকে ১০ মিনিট। এ প্রক্রিয়া ৩-৪ বার করুন। তাহলে নাক বন্ধভাব অনেকটা কেটে যাবে ও স্বস্তি পাবেন।

গরম পানিতে এক চা-চামচ আপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে পান করুন। এই পানীয় দিনে দুইবার পান করবেন। ভিনেগারে থাকা অ্যাসিটিক অ্যাসিড এবং পটাশিয়াম বন্ধ নাক খুলতে, বুকের কফ অপসারণ এবং ভাইরাস দূর করতে সাহায্য করে।

একটি পাত্রে গরম পানি নিয়ে এর মধ্যে কিছু পুদিনাপাতা দিন। এবার পাত্রটি কিছুক্ষণ ঢেকে রাখুন। তারপর কম আঁচে ৫ থেকে ১০ মিনিট সেদ্ধ পানিটা গরম করে নিন। এই পানীয় দিনে দুইবার চায়ের মতো করে পান করুন। পুদিনার পানীয় বুকের প্রদাহ কমায় ও বন্ধ থাকা নাক খুলতে সাহায্য করে।

এক লিটার পানি ভালো করে ফুটিয়ে এর মধ্যে কয়েক ফোঁটা ইউক্যালিপটাস তেল দিন। এবার তোয়ালে দিয়ে মুখ ঢেকে ভাপ নিন। এটা করলে কয়েক মিনিটের মধ্যে নাকের বন্ধভাব খুলে যাবে। সঙ্গে মাথাব্যথা থাকলেও কিছুটা উপশম হবে।

এক গ্লাস পানিতে আধা চা-চামচ লবণ দিন। এবার নাক দিয়ে এ পানি টেনে ভেতরে নিন। চাইলে দিনে দুই থেকে তিনবার এটা করতে পারেন। ড্রপের সাহায্যে নাকেও দিতে পারেন। তবে এ ক্ষেত্রে দুই থেকে তিন ফোঁটার বেশি নয়।

নাকের মিউকাস পরিষ্কার করতে গ্রিন টিও উপকারী। এতে নাক পরিষ্কার হওয়ার পাশাপাশি শরীর থেকে টক্সিনও দূর হয়ে যায়।

বন্ধ নাক খুলতে ভালো কাজ করে গোলমরিচ। হাতের তালুতে অল্প একটু গোলমরিচগুঁড়া নিয়ে সামান্য শর্ষের তেল দিন। আঙুলে লাগিয়ে নাকের কাছে ধরুন। হাঁচি হবে। সেই সঙ্গে নাক, মাথার জমাটভাবও কেটে যাবে।

এক কাপ টমেটোর রস, এক টেবিল চামচ রসুনকুচি, এক টেবিল চামচ লেবুর রস, ঝাল সস ও এক চিমটি লবণ মিশিয়ে নিন। এ চা দিনে দুইবার খান। ঠান্ডা, কাশি ও নাক বন্ধভাব দ্রুতই কেটে যাবে।

02/02/2024

শরীরে এমন অনেক সমস্যা আছে যা রোগ হিসাবে গন্য করা হয় না কিন্তু সেই সমস্যা গুলি রোগের থেকেও বেশি চিন্তিত করে তোলে। এখন যদি ত্বক সম্পর্কিত সমস্যার কথা বলা হয়, তাহলে ত্বকের এলার্জির কথা শুনতে সাধারণ মনে হলে্, কখনও কখনও এটি এমন সমস্যার সৃষ্টি করে যে মানুষের জ্বর পর্যন্ত হয়ে যায়।

ত্বক আপনার সৌন্দর্যর একটি আয়না। নিজেকে আকর্ষণীয় দেখার জন্য আপনি যেটা চেষ্টা করেন তা আপনার শরীরে কোথাও জমা হয়। প্রায় প্রত্যেকটি মানুষের চামড়ার এলার্জি রয়েছে কিন্তু অধিকাংশ মানুষ এটি প্রতিরোধ করার জন্য কোনো প্রতিকার গ্রহণ করেন না। সর্বাধিক বিষয় হল যে অনেকেই জানেন না যে সঠিক চিকিত্সার অভাবের কারণে, তাদের ত্বক খুব খারাপ হতে পারে এবং ক্ষতির শিকার হতে পারে। সুতরাং চর্ম এলার্জি, উপসর্গ এবং তাদের প্রতিরোধ করার উপায়গুলি সম্পর্কে জানা যাক।

কিভাবে এলার্জির প্রতিক্রিয়া হয়-

বহু মানুষ ত্বক এলার্জি দ্বারা আক্রন্ত হয়, যার জন্য তাদের চুলকানির বদলে দাদ, ছোল, ফুসকুড়ি ইত্যাদি হয় এবং এগুলিকে সেভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয় না, কিন্তু এর পরিনাম গভীর হতে পারে। যদি ঠিক সময় এগুলির ওপর গুরুত্ব না দেওয়া হয় তাহলে নানান ত্বকের রোগ দেখা দিতে পারে। এগুলি ছাড়াও বহুবার প্লাস্টিকের ব্যাগের কোন দ্রব্য, পারফিউম, চশমা, সাবান ইত্যাদি থেকে এলার্জি হতে পারে। এলার্জি এই ধরনের কনটেক্ত ডার্মাইটিস বলা হয়। সুতরাং জানা যাক এর লক্ষণ, কারণ এবং এগুলি নির্মূল করার ঘরোয়া উপায়।

এলার্জি হওয়ার কিছু নির্দিষ্ট কারণ

আবহাওয়ার পরিবর্তনের ফলে নাকে এলার্জি হতে পারে
বায়ু দূষণ
চামড়া ওপর ট্যাটুরপ্রভাব
শরীরের অনুপযুক্ত খাবার খাওয়া
পরিচ্ছন্নতা
সৌন্দর্যতার চুলের রং ব্যবহার করা
কোন ড্রাগ বা ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
শুষ্ক ত্বকের কারণে ত্বক এলার্জি
পোকামাকড় কামড়ালে
এলার্জির লক্ষণ

ত্বক রঙ পরিবর্তন হওয়া, যেমন লাল দাগ হওয়া
চুলকানি হওয়া
ব্রণর মত ফুসকুড়ি হওয়া
পতন বা ফাটল।
জ্বালা জ্বালা করা
ব্রণে পরিণত হত্তয়া
এলার্জি এড়ানোর জন্য কিছু নিয়মাবলী

বাড়ির বাইরে বেরোনোর সময় মুখ এবং শরীরের অন্যান্য অংশ কাপড় ঢেকে দিন। সানস্ক্রীন ব্যবহার করুন।
মুখে জল দিয়ে মুখ ধুন এতে মুখের ধুলো, নোংরা পরিষ্কার হয়ে যাবে।
অ্যালো ভেরা জেল বা অ্যালো থেকে তৈরি ক্রিম ব্যবহার করুন।
কাজের পর সন্ধ্যায় স্নান করুন এতে আপনার শরীরে ধুলো-নোংরা ইত্যাদি দূর হয়ে যাবে এবং এতে এলার্জি হবে না।
শুধুমাত্র ফিল্টার জল ব্যবহার করুন।
এলার্জি প্রতিকার করার জন্য কয়েকটি ঘরোয়া উপায়-

কর্পূর এবং নারকেল তেল -যদি আপনার ত্বকে এলার্জি থাকে এবং সেই জায়গায় যদি চুলকানি হয় তাহলে সেখানে কাপুর এবং নারকেল তেল ব্যাবহার করতে পারেন। কাপুর এবং নারকেল তেল একসঙ্গে মিশিয়ে এলার্জির জায়গায় দিন তাহলে আপনি দ্রুত আরাম পাবেন।
ফটকিরি- ফটকিরির জল দিয়ে এলার্জির হওয়া জায়গা ধুয়ে পরিষ্কার করুন । কর্পূর এবং সরিষা তেল সেই জায়গায় লাগাতে থাকুন।আমলকীর বীজ পুড়িয়ে রাখুন এবং তাতে একটু কাপুর এবং নারকেল তেল মিশিয়ে নিয়ে লাগান। এর ফলে আপনি অনেক আরাম পাবেন।
অ্যালো ভেরা - অ্যালো ভেরা হ'ল জীবাণু প্রতিরোধে সক্ষম এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল যা ত্বক জ্বালা কমানোর ক্ষেত্রে খুবই কার্যকরী। অ্যালো ভেরা গাছের পাতাকে বেটে তার রস বার করে নিন এবং সেই রস এলার্জি হওয়া জায়গায় প্রয়োগ করুন।
নিম – নিম হল বহু উপকারী বিশিষ্ট একটি ঔষধ। যা ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ দ্বারা সৃষ্ট এলার্জি নিষ্কাশন করতে ব্যবহৃত করা হয়। নিমের কিছু পাতা রাতে জলে ভিজিয়ে রাখুন এবং পরদিন সকালে সেগুলি বেটে একটি পেস্ট তৈরি করে নিন এবং চুলকানি হওয়া জায়গায় তা ব্যবহার করুন।
আদর্শ পানীয় - তাজা আদা, মৌরি এবং পুদিনা পাতা গরম জলে ফুটিয়ে নিয়ে তা পান করুন। এটি আপনি প্রতিদিন 2-3 বার পান করতে পারেন। এই ত্বকের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
আপনি এলার্জি থাকলে, এই সতর্কতা গ্রহণ করুন

ত্বকে চুলকবেন না।
আপনি নিয়মিত যেসাবানব্যবহার করেন তার ব্যবহার করে বন্ধ করুন।
শরীরে খোলা বাতাস লাগান।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, যদি আপনি জানেন যে আপনারকীসে অ্যালার্জি, তবে তা থেকে দূরে থাকুন।

01/02/2024

ডায়েট ছাড়াই কমবে ওজন!
শরীরের ওজন যখন স্বাভাবিকের চাইতে অতিরিক্ত বেড়ে যায় তখন সেটা নারী বা পুরুষ উভয়ের জন্যই বেশ অস্বস্তিকর। বর্তমানে জীবনযাপন পদ্ধতির কারণে স্থূলতা বা অতিরিক্ত ওজন বেড়ে যাওয়ার সমস্যা বেড়েই চলেছে।

শরীরের ওজন যখন স্বাভাবিকের চাইতে অতিরিক্ত বেড়ে যায় তখন সেটা নারী বা পুরুষ উভয়ের জন্যই বেশ অস্বস্তিকর। বর্তমানে জীবনযাপন পদ্ধতির কারণে স্থূলতা বা অতিরিক্ত ওজন বেড়ে যাওয়ার সমস্যা বেড়েই চলেছে।

শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমানোর কথা চিন্তা করলে প্রথমেই যে কথাটা মাথায় আসে সেটা হচ্ছে ডায়েট। অনেকেই দ্রুত ওজন কমানোর জন্যে ক্রাশ ডায়েট, ইন্টারমেটিং ফাস্টিং, কিটো ডায়েট ইত্যাদি নানারকম ডায়েট করে থাকেন না বুঝেই৷ ডায়েট করা মানে অনেকেই মনে করেন খাবার না খাওয়া বা খাবারের পরিমাণ অতিরিক্ত কমিয়ে দেওয়া।

কিন্তু পুষ্টিবিদদের মতে, ডায়েট হলো বিশেষ অবস্থায় ব্যক্তি বিশেষে নিয়ন্ত্রিত বা শারীরিক চাহিদা অনুযায়ী খাদ্য গ্রহণ। সুষম খাদ্য গ্রহণ ব্যক্তির ওজন নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। সুষম খাদ্য তৈরিতে একজন ব্যক্তির বয়স, ওজন, উচ্চতা, কাজের ধরন, লিঙ্গ ইত্যাদি বিবেচনা করে ব্যক্তির প্রয়োজনীয় দৈনিক ক্যালরি নির্ধারণ করা হয়।

একটি সঠিক খাদ্য ব্যবস্থাপনা স্বাস্থ্যকর ভাবে ওজন কমাতে সাহায্য করবে৷ যদিও খাবার ও ব্যায়াম করার মাধ্যমে আপনি শারীরিকভাবে ফিট হতে পারবেন, তবুও অনেকেই এই ক্যালরি মেপে খাওয়া বা নিজের পছন্দের খাবারগুলোকে খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়াকে কষ্টকর মনে করেন।

ওজন বৃদ্ধি শুধু খাবারের জন্যই হয় তা নয়। শারীরিক অসুস্থতা, ঔষধ, হরমোন ইত্যাদি কারণেও হয়ে থাকে। তাই কী কারণে অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি পেয়েছে তা জানা খুব জরুরি। সব ধরনের খাবার খেয়ে ও জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন আনার মাধ্যমে আপনি কমাতে পারেন শরীরের বাড়তি ওজন।

আসুন জেনে নেই কীভাবে কমাবেন আপনার ওজন—

খাওয়ার আগে সকালে কার্ডিও করা

নিয়মিত সকালে ঘুম থেকে উঠার পর হালকা ব্যায়াম যেমন, জোরে জোরে হাঁটা বা দৌঁড়ানো, সাইকেল চালানো, সিঁড়ি দিয়ে উঠানামা করা ক্যালরি পোড়াতে এবং শরীরের বাড়তি ওজন কমাতে সাহায্য করে। যারা খাবার নিয়ন্ত্রণ করতে চান না, তাদের অবশ্যই ব্যায়ামের মাধ্যমে ক্যালরি বার্ণ করতে হবে। প্রতিদিন সকালে খাওয়ার আগে ছোট কার্ডিও ওয়ার্ক যেমন- হাটা, জগিং, দৌঁড়ানো ইত্যাদি করে ভালো ফলাফল পেতে পারেন। সকালে ব্যায়াম করলে ক্যালরি বেশি বার্ণ হবে। ফলে খাওয়ার পর কার্ডিও করার চাইতে খাওয়ার আগে কার্ডিও করলে আপনি ভালো ফল পাবেন।

পর্যাপ্ত ঘুম

রাত জাগা ওজন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। তাই রাত জাগার অভ্যাস থাকলে তা আজই বাদ দেন। রাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম নিশ্চিত করুন৷ প্রতি রাতে অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমালে আপনার শরীরের বিপাক ক্রিয়া বৃদ্ধি পাবে।

পানি পান

অনেকেই বলে থাকেন খাওয়ার আধা ঘণ্টা আগে পানি খেতে হবে, খাওয়ার ঠিক পূর্বে পানি খাওয়া উচিৎ না। কিন্তু এটা একদমই একটা ভ্রান্ত ধারণা। বরং আপনি যদি একটু কম খেতে চান তাহলে খাওয়া শুরু করার আগে এক গ্লাস পানি খেয়ে নিন। এতে আপনার পেট কিছুটা ভরবে এবং খাওয়ার সময় তুলনামূলকভাবে কিছুটা খাবার কম খাবেন। এছাড়াও সারাদিনে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করার অভ্যাস তৈরি করুন। পানি বিপাক ক্রিয়া বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ যৌগ হিসেবে কাজ করে।

খাদ্যতালিকায় প্রোটিনের পরিমাণ বৃদ্ধি

প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় প্রোটিন জাতীয় খাবারের পরিমাণ বৃদ্ধি করলে আপনার বিপাক ক্রিয়া বৃদ্ধি পাবে এবং এটি আপনার ওজন কমাতেও সাহায্য করবে। ডিম, বাদাম ও বীজ জাতীয় খাদ্য বিপাক বৃদ্ধি করে। তবে কখনই কার্বোহাইড্রেড বাদ দিয়ে শুধু প্রোটিন জাতীয় খাবার গ্রহণ নয়।

চিনি পরিহার

কাঙ্ক্ষিত ওজন কমানোর জন্য খাদ্যতালিকা থেকে চিনি পুরোপুরি পরিহার করা আবশ্যক। কারণ, মাত্র ১ চা-চামচ চিনিতে ১৬ শতাংশ ক্যালরি থাকে, যা আপনার ওজন কমানোর অন্তরায়। কেননা আমরা এই চিনির ক্যালরিই অতিরিক্ত গ্রহণ করে থাকি। তাই যারা চা ও দুধে অতিরিক্ত চিনি খান তারা চিনি পরিহার করুন অথবা পরিমাণ কমিয়ে দিন।

যারা অতিরিক্ত খাবার হিসেবে কোমল পানীয়, মধ্য দুপুর বা বিকালের নাস্তায় সিংগাড়া, সামুচা বা অন্যকোন ডুবো তেলে ভাজা খাবার, রাতে বা দুপুরে খাবার পর মিষ্টি খাবার খেয়ে থাকেন তারা এখনই তা বাদ দেন। এ খাবার থেকে যে ক্যালরি পাওয়া যাবে তা আমাদের ওজন কমাতে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়।

প্রতিদিন খাবারের সময় নির্দিষ্ট রাখুন

অনেকে ওজন কমাতে গিয়ে দিনের বেশির ভাগ সময় না খেয়ে থাকেন, একবারে দুপুরে খাবার গ্রহণ করেন। প্রয়োজনের তুলনায় কম খাবার গ্রহণ করলে ধীরে ধীরে বিপাক ক্রিয়া স্লো হতে থাকে। আবার দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে একবারে বেশি খাওয়া হয়ে যায়। তাই প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে খাবার গ্রহণ করবেন।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Mymensingh?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address


Mymensingh
2200