Ahsan Tv LTD.

Ahsan Tv LTD.

Share

আসসালামু আলাইকুম

22/06/2026

||ইয়াজিদ কাফের : একটি পর্যালোচনা||

ইসলামের ইতিহাসে বেদনাদায়ক, লজ্জাজনক ও কলঙ্কময় অধ্যায়গুলোর অন্যতম হলো কুখ্যাত মালঊন ইয়াজিদের তিন বছরের শাসনামল। যার প্রতিটি বছরই রঞ্জিত হয়েছে রক্ত, জুলুম, নির্যাতন ও পবিত্রতার অবমাননার মাধ্যমে। আজও যখন একজন মুমিন সেই ঘটনাগুলো স্মরণ করে, তখন তার হৃদয় বেদনা, ক্ষোভ ও শোকে ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে।

তার শাসনের প্রথম বছর শুরু হয়েছিল কারবালার প্রান্তরে উম্মতের শ্রেষ্ঠ সন্তান, রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর নয়নের মণি, জান্নাতি যুবকদের নেতা, আমাদের নেতা ইমাম হুসাইন ইবনু আলী (রা.) এবং তাঁর সঙ্গী-সাথীদের শাহাদাতের মাধ্যমে। শুধু তাই নয়, উম্মতের এই মহান নেতাকে শহীদ করার পর তাঁর পবিত্র শির মোবারকের সঙ্গে বেয়াদবি করা হয়েছে, কু-ফ-রি কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে আনন্দ-উল্লাস প্রকাশ করা হয়েছে। এসব বর্ণনা যদিও আহাদ সূত্রে বর্ণিত, তথাপি এগুলো মুতাওয়াতির পর্যায়ে পৌঁছেছে। যা ইতিহাসের পাতায় সুপ্রতিষ্ঠিত হয়ে আছে। এর পাশাপাশি আহলে বাইতের সম্মানিত নারী ও নিষ্পাপ শিশুদের বন্দী করা হয়েছে। এ দৃশ্য মুসলিম ইতিহাসের অন্যতম হৃদয়বিদারক ও অশ্রুসিক্ত অধ্যায়।

তার শাসনের দ্বিতীয় বছর অতিবাহিত হয়েছে বাইতুল্লাহিল হারাম তথা পবিত্র কা'বা শরিফের ওপর আক্রমণের মাধ্যমে। যে ঘরের মর্যাদা রক্ষায় যুগে যুগে আরবের কা-ফের-মুশরিকরাও এক ধরনের ভয় ও শ্রদ্ধা পোষণ করত, সেই পবিত্র ঘরও ইয়াজিদি বাহিনীর আক্রমণ থেকে রক্ষা পায়নি। এই আক্রমণের ফলে পবিত্র কা'বার গিলাফ পুড়ে গিয়েছিল, এর দেয়ালসমূহ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল এবং ঐতিহাসিক বর্ণনামতে, কা'বার ছাদে সংরক্ষিত ইবরাহিম আলাইহিস সালাম-এর জান্নাতি দুম্বার অবশিষ্টাংশও আগুনে পুড়ে গিয়েছিল। মুসলিম উম্মাহর জন্য এটি ছিল এক অকল্পনীয় ও বেদনাবহ ঘটনা।

আর এই পাপিষ্ঠের শাসনব্যবস্থার সমাপ্ত হয়েছিল ওয়াকিয়াতুল হাররাহ-এর মতো ভয়াবহ, নেক্কারজনক ও লজ্জাকর ঘটনার মাধ্যমে। ঐতিহাসিক বর্ণনায় এসেছে, এ ঘটনায় শুধু কুরাইশ, মুহাজির ও আনসারদের মধ্য থেকেই প্রায় ৭০০ জনকে হত্যা করা হয়েছিল। আর সাধারণ মানুষ, অচেনা লোক ও দাস-দাসীসহ নিহতের সংখ্যা প্রায় ১০ হাজারে পৌঁছেছিল। শুধু তাই নয়, আরও লজ্জাজনক বিষয় হলো- এক বর্ণনায় এসেছে যে ১ হাজার এবং অন্য বর্ণনায় ১০ হাজার নারী স্বামী ছাড়া সন্তান প্রসব করেছিল। এ ঘটনাগুলো এমনই মর্মান্তিক যে তা স্মরণ করলেও হৃদয় শিউরে ওঠে।

এসব ঘটনার প্রেক্ষাপটে আহলুস সুন্নাহর ইমামদের একটি বড় অংশ ইয়াজিদের তাকফির করেছেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন-
আবু আল-ওয়াফা ইবনু আকীল (মৃ. ৫১৩ হি.), মুহাম্মাদ ইবনু মুফলিহ (মৃ. ৭৬৩ হি.), আবদুল্লাহ আল-ইয়াফি'ঈ (মৃ. ৭৬৮ হি.), সা'দুদ্দীন তাফতাযানী (মৃ. ৭৯২ হি.), জয়নুদ্দীন আল-ইরাকী (মৃ. ৮০৬ হি.), আব্দুর রউফ আল-মানাভী (মৃ. ১০৩১ হি.), মাহমুদ আল-আলূসী (মৃ. ১২৭০ হি.), মুহাম্মাদ ইবনু আহমদ আস-সাফ্ফারিনী (মৃ. ১১৮৮ হি.), এবং ছদরুল ওয়ারী আল-মিসবাহী (রহ.) প্রমুখ।

আবার আহলুস সুন্নাহর ইমামদের আরেকটি বড় অংশ ইয়াজিদের ওপর লা'নত করেছেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন-
প্রসিদ্ধ তাবিঈ ও কুফার বিখ্যাত ফকীহ আমির ইবনু শারাহীল আশ-শা'বী (মৃ. ১০৩ হি.), ইমাম আহমদ ইবনু হাম্বল (মৃ. ২৪১ হি.), খাল্লাল (মৃ. ৩১১ হি.), তাঁর শিষ্য আব্দুল আযীয, কাযী আবু ইয়ালা (মৃ. ৪৫৮ হি.), কিয়া আল-হাররাসী (মৃ. ৫০৪ হি.), আবুল হাসান ইবনু আবি ইয়ালা (মৃ. ৫২৬ হি.), ইবনুল জাওযী (মৃ. ৫৯৭ হি.), সিবত ইবনুল জাওযী (মৃ. ৬৫৪ হি.), জালালুদ্দীন আস-সুয়ূতী (মৃ. ৯১১ হি.), এবং মাহমুদ শুকরী আল-আলূসী (মৃ. ১৩৪২ হি.) প্রমুখ।

তবে একটি বিষয়ে সকলেই একমত যে, ইয়াজিদ ছিল ফাসিক, ফাজির, স্বৈরাচারী, জালিম ও সীমালঙ্ঘনকারী শাসক; তার প্রশংসা করা যাবে না। এমনকি তার প্রতি ভালোবাসা ও পক্ষপাতিত্বের কারণে মানুষের ঈমান চলে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।

এ কারণেই আমরাও তাকে কা-ফে-র মনে করে থাকি।

17/06/2026

হিজরি সন এর সূচনা ও ঐতিহাসিক পটভূমি।

02/06/2026

প্রকৃতির কাছে নিজেকে খুঁজে পাই।

22/05/2026

🐄🐐 মরুর দেশের এরাবিয়ান দুম্বা, দেশি-বিদেশি বিভিন্ন জাতের ছাগল, ভেড়া, মহিষ ও উন্নত জাতের গরু এখন নারায়ণগঞ্জের আরকে ফার্মে! 🌿
✨ কোরবানির জন্য পছন্দের পশু বাছাই করুন নিশ্চিন্তে।
🐪 মরুর দেশের এরাবিয়ান দুম্বা
🐐 দেশি-বিদেশি বিভিন্ন জাতের ছাগল ও ভেড়া
🐃 শক্তিশালী মহিষ
🐄 উন্নত জাতের বিভিন্ন গরু
📍 এখনই চলে আসুন নারায়ণগঞ্জের আরকে ফার্মে — পছন্দ করুন আপনার কোরবানির উপযুক্ত পশু।
💯 মানসম্মত ও সুস্থ পশুর বিশ্বস্ত ঠিকানা।
“পছন্দ হোক সেরা, কোরবানি হোক সুন্দর” 🌙✨
ছোট করে চাইলে এটাও দিতে পারেন:
🐄 মরুর দেশের এরাবিয়ান দুম্বা থেকে শুরু করে দেশি-বিদেশি ছাগল, ভেড়া, মহিষ ও বিভিন্ন জাতের গরু — সবই এখন নারায়ণগঞ্জের আরকে ফার্মে! ✅

14/05/2026

🌿🕊️ শেষ বিদায় — একদিন আমরাও এই পথের যাত্রী 🕊️🌿
মানুষের জীবনের সবচেয়ে নিশ্চিত সত্য হলো মৃত্যু।
আজ যে মানুষটি দুনিয়ার ব্যস্ততায় হাসছে, কথা বলছে, স্বপ্ন দেখছে—একদিন তাকেও এই নীরব কবরে শুয়ে পড়তে হবে। এই মাটির ঘরই হবে তার শেষ ঠিকানা।
আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে বলেনঃ
“প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে।”
— সূরা আলে ইমরান : ১৮৫
আরো ইরশাদ হয়েছে—
“তোমরা যেখানেই থাকো না কেন, মৃত্যু তোমাদেরকে পাকড়াও করবেই।”
— সূরা আন-নিসা : ৭৮
এই কবর আমাদের মনে করিয়ে দেয়—
দুনিয়ার অহংকার, সম্পদ, সৌন্দর্য, ক্ষমতা সব একদিন মাটির নিচে মিলিয়ে যাবে। সঙ্গে যাবে না কোনো বন্ধু, কোনো পরিচয়, কোনো অর্থ-সম্পদ। সঙ্গে যাবে শুধু আমল।
প্রিয় নবী ﷺ বলেছেনঃ
“কবর হলো আখিরাতের প্রথম ঘাঁটি।”
— তিরমিজি
আরেক হাদিসে রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেনঃ
“বুদ্ধিমান সেই ব্যক্তি, যে মৃত্যুর জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করে।”
— তিরমিজি
আজ আমরা অন্যের জানাজায় দাঁড়াই, কাল হয়তো মানুষ আমাদের জানাজায় দাঁড়াবে।
আজ আমরা অন্যের কবর দেখি, কাল হয়তো এই মাটিই আমাদের আপন করে নেবে।
তাই আসুন—
নামাজকে জীবনের অংশ করি,
হারাম থেকে দূরে থাকি,
মানুষের হক আদায় করি,
এবং আল্লাহর কাছে তাওবা করে ফিরে আসি।
🤲
হে আল্লাহ! আমাদের কবরকে জান্নাতের বাগান বানিয়ে দিন, জাহান্নামের গর্ত বানাবেন না। আমীন।

13/05/2026

মোহেব্বুল্লাহ বাবুনগরীকে নিয়ে একি বললেন ডক্টর মুফতি এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী হুজুর।

12/05/2026

শীতল করা মনমুগ্ধকর কেয়াম শরীফ ডক্টর মুফতি এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী হুজুরের কন্ঠে।

27/04/2026

ঝড় বৃষ্টির তান্ডব এবং কি বর্জ্যপাত।

11/04/2026

🌟 স্কুল-কলেজের শিক্ষা কেমন হওয়া উচিত
স্কুল-কলেজের শিক্ষা হতে হবে জ্ঞান, নৈতিকতা ও দক্ষতার সমন্বয়।
শিক্ষা এমন হতে হবে যাতে একজন শিক্ষার্থী—
সঠিকভাবে চিন্তা করতে শেখে
নৈতিক মূল্যবোধ অর্জন করে
বাস্তব জীবনের সমস্যার সমাধান করতে পারে
আত্মনির্ভরশীল ও দায়িত্বশীল নাগরিক হয়ে উঠতে পারে
শিক্ষা শুধু বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; এটি হতে হবে বাস্তবমুখী ও জীবনঘনিষ্ঠ।
📘 শিক্ষাদান পদ্ধতি কেমন হওয়া উচিত
১. ছাত্রকেন্দ্রিক শিক্ষা
শিক্ষক শুধু বক্তা নয়, বরং পথপ্রদর্শক।
শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে—প্রশ্ন করা, আলোচনা করা, মতামত দেওয়া।
২. ব্যবহারিক ও বাস্তবমুখী শিক্ষা
শুধু তত্ত্ব নয়, বাস্তব কাজের মাধ্যমে শেখানো দরকার।
যেমন—প্রজেক্ট, ল্যাব কাজ, গ্রুপ ওয়ার্ক ইত্যাদি।
৩. প্রযুক্তির ব্যবহার
বর্তমান যুগে ডিজিটাল শিক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
স্মার্ট ক্লাস, অনলাইন লার্নিং, ভিডিও লেকচার ইত্যাদি শিক্ষাকে সহজ ও আকর্ষণীয় করে তোলে।
৪. নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষা
শিক্ষার সাথে নৈতিকতা যুক্ত না থাকলে তা অসম্পূর্ণ।
সত্যবাদিতা, সততা, সহানুভূতি—এসব গুণ গড়ে তুলতে হবে।
৫. সৃজনশীলতা ও দক্ষতা উন্নয়ন
শিক্ষার্থীদের শুধু মুখস্থ নয়, বরং চিন্তা করে নতুন কিছু তৈরি করতে উৎসাহ দিতে হবে।
যেমন—লেখালেখি, বিজ্ঞান প্রকল্প, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম।
🎯 শিক্ষার মূল লক্ষ্য
একজন ভালো মানুষ তৈরি করা
সমাজ ও দেশের উন্নয়নে অবদান রাখা
আত্মবিশ্বাসী ও দক্ষ প্রজন্ম গড়ে তোলা
✨ উপসংহার
স্কুল-কলেজের শিক্ষা হতে হবে এমন, যা একজন শিক্ষার্থীকে শুধু পরীক্ষার জন্য নয়, বরং জীবনের জন্য প্রস্তুত করে।
সঠিক শিক্ষাদান পদ্ধতি ও মূল্যবোধের সমন্বয়ে গড়ে উঠবে একটি সুন্দর, সচেতন ও উন্নত সমাজ।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Narayanganj?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address


Narayanganj
1400