Dr. Masudur Rahman

Dr. Masudur Rahman

Share

সুস্থ্য দেশ গড়ার দায়িত্ব আমাদের সকলে?

03/07/2018

বর্ষাকালের রোগঃ রোটা ভাইরাস ডায়েরিয়া
বর্ষাকালে খুবই কমন একটা রোগ হলো রোটা ভাইরাস ডায়েরিয়া। এটি একটি ভাইরাসঘটিত রোগ যা রোটা ভাইরাসের আক্রমনে হয়। এই ভাইরাসের আক্রমনে মানুষের অন্ত্রে প্রদাহ সৃষ্টি হয়। চলুন তাহলে এই রোগটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানি।
লক্ষণঃ
১. বমি।
২. পানির মত তরল ঘন ঘন পাতলা পায়খানা।
৩. জ্বর।
চিকিৎসাঃ
এই ডায়েরিয়ার প্রধান চিকিৎসা হলো নিয়মিত খাবার স্যালাইন। প্রতিবার পাতলা পায়খানার পর তৎক্ষণাৎ এক প্যাকেট খাবার স্যালাইন আধা লিটার পানিতে মিশিয়ে খেয়ে ফেলতে হবে। সাধারণত এই ডায়েরিয়ায় আর কোন চিকিৎসার প্রয়োজন পড়ে না। সাধারণত এটি সারতে ৩-১০ দিন সময় লাগে। তবে, কথায় বলে, এই ডায়েরিয়া সারতে চিকিৎসা করলে ৭ দিন আর, না করলে এক সপ্তাহ সময় লাগে। আসলেই তাই। এখানে এন্টিবায়োটিকের ভূমিকা প্রায় নেই বললেই চলে। ভূমিকা নেই তেমন কোন ঔষধেরও। একমাত্র চিকিৎসা প্রতিবার পাতলা পায়খানার পর খাবার স্যালাইন খাওয়া। এতেই চলবে।
সতর্কতাঃ
যদি কোন কারনে পানিশূন্যতা দেখা দেয় তাহলে অবশ্যই অতি দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন।
প্রতিকারঃ
সম্প্রতি এই রোগের ভ্যাকসিন আবিষ্কার হয়েছে। যা বাচ্চা জন্মের প্রথম আট মাসের মধ্যে দেয়া যায়।
এক কথায়ঃ
রোটা ভাইরাস ডায়েরিয়া, আতংক নয়।
পায়খানার পর খাবার স্যালাইনে সমাধান হয়।
-
সৌজন্যে
ডাঃ মাসউদুর রহমান

02/07/2018

আপনার বাচ্চা ঝুঁকিতে নেই তো?
জামান সাহেবের মন আজ খুব খুশি। তার বৈবাহিজ জীবনের প্রথম খুশির খবর পেলেন তিনি। আজ সকালেই এক পূত্র সন্তানের জনক হলেন তিনি। মনের খুশিতে সবাইকে ফোন দিয়ে জানিয়েছেন। যাদের যাদের বাসায় সম্ভব হয়েছে তাদের বাসায় মিষ্টিও পাঠিয়ে দিয়েছেন। আত্নীয় স্বজনরাও অনেকেই আসছেন। তার বাসায় সবার ভীড়ে একটা উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়ে গেছে। সবাই আসছেন। একটু সময়ের জন্য হলেও বাচ্চাটিকে কোলে নিচ্ছেন, গালটা একটু টিপে দেখছেন, চুমু খাচ্ছেন। যদি জামান সাহেবের মত অবস্থা আপনার ক্ষেত্রেও হয় তাহলে এখানেই থামুন।
এখন আসুন জেনে নিই বাচ্চাকে সুস্থ রাখার কিছু উপায়।
১।বাচ্চাদের কাছে যত কমসংখ্যক মানুষ আসা যাওয়া করবেন ততই মংগল। কারন, বাচ্চাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অত্যন্ত দুর্বল। তাই, যে জীবানুটা আপনার আমার শরীরে কিছুই করতে পারে না, সেই জীবানুটাও বাচ্চার শরীরে রোগ সৃষ্টিতে সক্ষম। কাজেই এটা খুবই নির্বুদ্ধিতার কাজ যে, আমার আপনার জীবানু বাচ্চার শরীরে ঢুকিয়ে দেয়া।
২।মনে রাখবেন, বাচ্চারা কিন্তু ঠান্ডা একদম সহ্য করতে পারে না। এমনকি যেটা আপনার আমার কাছে স্বাভাবিক, সেটাও বাচ্চার কাছে ঠান্ডা। তাই, বাচ্চাকে সবসময় গরম কাপড় দিয়ে জড়ায়ে রাখবেন। কাপড়ের সংখ্যা হতে হবে অন্তত দুই কিংবা তিনটা। একটু মোটা কাপড় কিংবা কাথা হলে ভালো। কাথা না থাকলে তোয়ালে ব্যবহার করতে পারেন।
৩. বাচ্চার প্রস্রাব পায়খানা সবসময় খেয়াল রাখুন। বাচ্চারা সাধারণত দিনে ১৫-২০ বার প্রস্রাব করে। তবে যদি এটা ছয়ের কম হয়ে যায় তাহলে দ্রুত শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
৪. বাচ্চা ঠিকমত শ্বাস নিচ্ছে কিনা খেয়াল রাখুন।
মনে রাখবেন, শ্বাসকষ্ট বাচ্চার জন্যে খুবই খারাপ। এতে যেকোন সময় যেকোন দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে।
৫. বাচ্চার, তাপমাত্রা খেয়াল রাখুন। তাপমাত্রা বেড়ে গেলে বা কমে গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
৬. বাচ্চার গায়ের রঙ খেয়াল রাখুন।যদি পিংক বা গোলাপী হয় তবে ঠিক আছে। কিন্তু, যদি কালো, নীল বা ফ্যাকাশে হয়ে যায়, তবে বুঝবেন বিপদ। তখনই সাথে সাথে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য বিষয়ক কথা নিয়ে আসব আগামীকাল। তার জন্য আমন্ত্রণ রইল।

27/06/2016

ঈদে ভ্রমণে স্বাস্থ্য সতর্কতা
আসছে পবিত্র ঈদ। আর এই ঈদের ছুটিতে ছুটিতে পরিবার-পরিজন নিয়ে শহর ছেড়ে নাড়ির টানে গ্রামের বাড়ি বা অন্য কোথাও ভ্রমনে যাওয়া আনন্দের ব্যাপার। তবে সেই সাথে থাকতে হবে বাড়তি সতর্কতায়। অল্পদিনের এ ভ্রমণে দৈনন্দিন খাওয়া-দাওয়া, ঘুম আর বিশ্রামের স্বাভাবিক রুটিনে কিছুটা পরিবর্তন হয়। শরীরের ওপর কিছুটা হলেও এর প্রভাব পড়ে। যাত্রাপথ, গাড়ি, গ্রামের বাড়ি ইত্যাদি নতুন পরিবেশে খাপ খাইয়ে নিতে সবারই কিছু সমস্যা হতে পারে। সুতরাং কোথাও যাত্রা করা থেকে শুরু করে সেখানে থাকা এবং সেখান থেকে ফিরে আসা পর্যন্ত থাকতে হবে সতর্ক।
‘মোশান সিকনেস’ সারাতে হবে
বাস, ট্রেন, নৌকা, লঞ্চ, স্টিমার যে কোনো বাহনে চড়ার পর অনেকেরই বমি হতে পারে। এ সমস্যার নাম ‘মোশান সিকনেস’। মোশান সিকনেস পুরোপুরি প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। তবে কিছু টিপস মেনে চললে উপকার পাওয়া যাবে। যেমন গাড়ির ভেতরে তাকিয়ে না থেকে গাড়ির বাইরে তাকিয়ে থাকলে বমি বমি ভাব কম হবে। চলন্ত গাড়িতে বই-পত্রিকা পড়তে থাকলেও অনেক সময় বমির উদ্রেক হয়। এমন হলে গাড়িতে বই-পত্রিকা না পড়ে বাইরের দিকে তাকিয়ে থাকলে বমি বমি ভাব কমে যেতে পারে। জানালার পাশে সিট নিয়ে জানালা একটু খুলে রাখলেও ভালো ফল পাওয়া যাবে। হালকা নাশতা করলে মন্দ নয়। কিছু ওষুধ আছে যেগুলো বমি হওয়া প্রতিরোধ করতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শে তা সেবন করতে হবে গাড়িতে ওঠার আগে। আদা কিংবা চুইংগাম চিবানোতেও উপকার পাওয়া যাবে।
প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং অন্যান্য সামগ্রী সঙ্গে রাখুন
চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন মতো ওষুধ চলতে থাকলে সেসব ওষুধ নিতে হবে। এ ছাড়া আরও কিছু প্রয়োজনীয় ওষুধ সঙ্গে নিয়ে গ্রামের বাড়ির দিকে রওনা দেয়া ভালো। কারণ গ্রামে প্রয়োজনের সময় প্রয়োজনীয় ওষুধ নাও পাওয়া যেতে পারে। খাবার স্যালাইন, অ্যান্টাসিড, রেনিটিডিন, প্যারাসিটামল, বমির ওষুধ, অ্যান্টিহিস্টামিন, স্যাভলন, অ্যান্টিবায়োটিক মলম, ব্যান্ডেজ ইত্যাদি সঙ্গে নিতে হবে। হাত ধোয়ার সাবান কিংবা হ্যান্ড স্যানিটাইজারও নিতে হবে। মশার কয়েলও নিতে পারেন। পথে পান করার জন্য পর্যাপ্ত পানি নিন।
পথে পানাহারে সাবধান
রাস্তার পাশের দোকানের খাবার বা অপরিচিত লোকের কাছ থেকে কোনো খাবার না খাওয়াই ভালো। বাসা থেকে পানি নিয়ে বের হওয়া উচিত। বাইরের পানি নিরাপদ নাও হতে পারে। এরূপ খাবার বা পানীয় থেকে ডায়রিয়া বা আমাশয় হয়ে উৎসবের আনন্দই মাটি হয়ে যেতে পারে।
গ্রামের বাড়িতে বাড়তি সতর্কতা
খাওয়ার আগে অবশ্যই সাবান দিয়ে ভালো করে হাত ধুয়ে নিতে হবে। ঘন ঘন খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। এতে পেট খারাপ হতে পারে। পুকুর বা জলাশয়ের পানিতে বাচ্চারা যেন একা একা না নামে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। রোদ থেকে রক্ষা পেতে ছাতা বা ক্যাপ ব্যবহার করতে হবে। রাতে ঘুমানোর সময় মশার কামড় থেকে রক্ষা পেতে মশারি বা মশার কয়েল ব্যবহার করতে হবে।

26/06/2016

জেনে নিন ঈদের দিনে কিভাবে নিজেকে আরো একটু স্পেশাল করা যায়...


একেকটা রোজা পার হচ্ছে আর ঈদ-উল-ফিতর একটু একটু করে এগিয়ে আসছে। কোথাও ঢিলেঢালাভাবে আবার কোথাও বা জোরেশোরে, চলছে ঈদের প্রস্তুতি। নিজেকে তৈরি করার প্রস্তুতিও চলুক পুরো সময় জুড়েই। ঈদের দিনটায় প্রাণোচ্ছল থাকতে হলে আগে থেকে নিজের খেয়াল তো রাখতেই হবে। কী করবেন, কেমন হবে নিজের যত্নআত্তি করার পর্ব, দেখে নিন এইখানে।
চুল কাটিয়ে নিন বেশ আগেভাগেই। জানেন নিশ্চয়, নতুন হেয়ারকাট চুলে মানিয়ে যেতে কিছুটা সময় নেয়। তাই বিউটি এক্সপার্টদের পরামর্শ মেনে অন্তত এক সপ্তাহ আগে চুল কাটানো উচিত। যদি দিন পনেরো আগেই বিউটি স্যালুন ঘুরে চুলের বন্দোবস্ত করতে পারেন সেটা আরো ভালো।
ঈদের দুই তিনদিন আগে চুল কাটানোর চিন্তা করাটা বোকামি। কেননা এই অল্প সময়ের মাঝে নতুন একটা হেয়ারকাট আপনার চুলে আর চেহারায় খাপ খেয়ে যাবে, সেটা নাও হতে পারে। তখন বড্ড বেমানান দেখাবে। কাজেই চুলের দিকে নজর দিন আরো আগে। সম্ভব হয় যদি, ঈদের কিছুদিন আগে একবার পার্লার থেকে কোন হেয়ার ট্রিটমেন্ট করিয়ে আসতে পারেন। স্পা করানো যায়, তাতে চুল অনেক প্রাণবন্ত লাগবে।
কমবেশি সকলেরই যেটা হয়, মুখের ত্বকচর্চায় মনোযোগ সবটা দিয়ে বাকি শরীরের খবর আর থাকে না। নিত্যদিন তো যেমন তেমন চলে যায়, কিন্তু বিশেষ দিনটায় গিয়ে হঠাৎ কপালে ভাঁজ পড়ে। হাতের নিষ্প্রাণ ভাব, পায়ের চামড়ার কালচে ছোপ, শুষ্কতা সবকিছু মিলিয়ে ত্বক কেমন মিইয়ে থাকে। কেবল মুখের ঝলমলেভাব তখন আপনাকে সন্তুষ্ট করবে না। এজন্য পুরো শরীরের যত্নে মনোযোগী হন আগেভাগেই। আর কিছু না হোক, অন্তত ত্বকে রোজকার আর্দ্রতার চাহিদাটুকুর যোগান দিন পছন্দের লোশন বা তেল দিয়ে। রুক্ষতা বেশি হলে বডি অয়েল ব্যবহার করাই ভালো। কম সময়ে রুক্ষতা দূর করে ত্বকে পুষ্টির জোগান দিতে তেলের জুড়ি নেই। খাঁটি নারকেল তেল ঘরে থাকলে সেটাও প্রতিদিন গোসলের আগে বা পরে লাগিয়ে নিতে পারেন সারা শরীরে। মুখের জন্য ব্যবহার করা ফেসপ্যাকটাই খানিক বাড়তি নিয়ে হাতে-পায়ে, গলায় আর ঘাড়ে অল্প করে লাগিয়ে ফেলুন মুখে লাগানোর পরে। গোসলের আগে এটা করা ভালো, কেননা গোসলে গিয়ে সব ধুয়ে ফেলা যাবে।
সময় নেই, ভীষণ ব্যস্ততা দিনজুড়ে, নিজের যত্ন করার সুযোগ বের করা মুশকিল, এমন কতো কথাই এখন মনে আসবে অনেকের। এটা সত্যি, সারাটা দিন ঘরে-বাইরে খাটুনি দিলে আর রূপচর্চা করার বিলাসিতা দেখানো হয় না। কিন্তু বাড়তি সময় না নিয়ে অন্য কাজের মাঝেই যদি নিজের জন্য ভাবা যায়, তবে? ইফতারের ভাজা খাবার তৈরিতে যদি বেসন গুলিয়ে থাকেন, তার খানিকটা তখনই মুখে লাগিয়ে নিন। হাতের কাজ সারতে সারতে ওটা মুখে শুকিয়ে যাবে, তারপর ধুয়ে নিলেই হলো। বা ফল কাটার সময় শুরুতেই ছোট এক টুকরো নিয়ে মুখে লাগিয়ে নিলেন, বাকি কাজ শেষ হবার পর মুখ ধুয়ে নেয়া হলো। কোনদিন যদি কয়েক মিনিট অবসর সময় বের করা যায়, সালাদের জন্য রাখা শসা সামান্য কুচিয়ে নিয়ে চোখের পাতায় দিয়ে বিশ্রামে যান। তাতেই যথেষ্ট পরিচর্যা করা হবে নিজের। ব্যস্ত রমণীর জীবনে এইটুকুই বা কম কী?
পার্লারে যাবার স্বভাব না থাকলে তো দরকার নেই, ঘরেই নিজের মতন নিজের যত্ন নেবেন। আর পার্লার যাওয়া হলে ঈদের অন্তত দুইদিন আগেই সেখানকার সব কাজ মিটিয়ে ফেলুন। উৎসবের আগের দিনটা ফেসিয়ালের জন্য রাখা যায় ঠিক কিন্তু পার্লারগুলোতে শেষ সময়ের ভীড় ঠেলে কতোটুকই বা শান্তিতে সেবা নিতে পারবেন! তাই ভেবেচিন্তে সব কাজ সেরে রাখুন দুটো দিন আগে। ঈদের আগের দিনে না হয় একটুখানি নির্ভার অবসর দিন নিজেকে।

26/06/2016

রমজানে সুস্থ্যতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন ও উত্তরঃ

পেপটিক আলসারের রোগী কি রোজা রাখতে পারবেন: হ্যাঁ, পারবেন। এ সময়ে খাবার-দাবারে নিয়মানুবর্তিতার সৃষ্টি হয় বলে রোজায় স্বাস্থ্যগত কোনো সমস্যা দেখা দেয় না। তবে সেহ্রি ও ইফতারিতে তাদেরকে বাছাই করা খাবার খেতে হবে। তৈলাক্ত খাবার পরিহার করে সহজপাচ্য খাবার খেলে অ্যাসিড নিঃসরণের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং স্বাস্থ্যগত কোনো অসুবিধা হবে না।
রোজা রাখলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এ কথা কি ঠিক: কিছুটা ঠিক বটে বিশেষ করে যারা রোজার বাইরে অসংযত জীবনযাপন করছেন। রোজায় এক ধরনের শৃঙ্খলাবোধ কাজ করে। সময়মতো আহার গ্রহণ, বিশ্রাম, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং ধূমপান ও মদ্যপান বর্জন প্রভৃতি বিষয় প্রকারান্তরে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর সহায়ক উপাদান হিসেবে ভূমিকা রাখে। ডায়াবেটিসের রোগী কি রোজা রাখতে পারবেন: এ ক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে রোজা রাখতে হবে। যারা ইনসুলিন নিচ্ছেন, রোজা তাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞান অনুযায়ী এদের রোজা না রাখাই ভালো। সে ক্ষেত্রে রোজা রাখার আগে চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করে আপনার চিকিৎসাপত্র, খাবার ও ব্যায়ামের ব্যাপারটা ঠিক করে নেবেন।
রোজা রাখলে হƒদরোগীদের কি কোনো অসুবিধা হবে: সাধারণত অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। তাছাড়া এ সময়ে খাদ্য নিয়ন্ত্রণে রাখার একটা সুযোগ সৃষ্টি হয় বলে তাদের রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রাও ঠিক থাকে।
রোজায় পানিশূন্যতায় আক্রান্ত হওয়ার কি সম্ভাবনা থাকে: হ্যাঁ, থাকে। যদি আপনি সেহেরি ও ইফতারে পর্যাপ্ত পানি না পান করেন। সেহেরি ও ইফতারে পর্যাপ্ত পানির সাথে শাক-সবজি ও ফলমূল খাবেন। তাহলে পানিশূন্যতার পাশাপাশি কোষ্ঠ্যকাঠিন্য থেকেও রেহাই পাওয়া যাবে।
যারা ঔষধ খাচ্ছেন, রোজার সময়ে তারা কী করবেন: রোজার সময়ে ঔষধ কোনো সমস্যা নয়। চিকিৎসককে বলে ঔষধের মাত্রা ঠিক করে নিলেই হলো। চিকিৎসকের পরামর্শ মতো ঔষধের মাত্রা ঠিক করে নিলে রোজা রাখতে কোনো অসুবিধার সৃষ্টি হবে না।
দিনের শেষে মাথা ব্যথা করলে ইফতারের সাথে সাথেই কি ব্যথানাশক ঔষধ খাওয়া যাবে:
বিভিন্ন হাসপাতালে দেখা গেছে, রোজার সময় ইফতারের পরপরই বেশির ভাগ রোগী ভর্তি হন পেটে তীব্র ব্যথা নিয়ে। অনেকের অন্ত্র ফুটো হয়ে যায় এবং জরুরী অপারেশনের প্রয়োজন হয়। ব্যথানাশক ঔষধ খাবার কারণে পেটে তীব্র ব্যথা এবং অন্ত্র ফুটো হয়ে যাওয়া সমস্যার সৃষ্টি হয়। মূলত মাথাব্যথা করলে ইফতারের সাথে সাথেই ব্যথানাশক ঔষধ যেমন এসপিরিন বা ডাইক্লোফেনাক সোডিয়াম খাওয়া উচিত নয়। কিছু খেয়ে তারপর এসব ঔষধ খেতে হবে। যাদের পেপটিক আলসারের ইতিহাস আছে, তারা অ্যান্টাসিড ও রেনিটিডিন খেয়ে এসব ঔষধ খাবেন। নতুবা মাথাব্যথা সারাতে গিয়ে আপনাকে পড়তে হবে বড় সমস্যার মুখে।
রোজার সময় সারা দিন ঘুমানো কি স্বাস্থ্যসম্মত: মোটেই না। এভাবে ঘুমালে শরীরের কোষগুলো অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়বে। ফলে দারুণ ক্লান্তি অনুভব করবেন। বরং ইফতারের পরে বিশ্রাম নেয়াই স্বাস্থ্যসম্মত। একজন সুস্থ মানুষের জন্য দৈনিক ৫-৭ ঘণ্টা ঘুমই যথেষ্ট।

23/06/2015

রোজায় কোন খাবার খাবেন::

★★রোজার মধ্যে কোন ধরনের খাবার
পরিতাজ্য
ষ খুব বেশি তেলে ভাজা খাবার
যেমন পাকুড়া, সামুচা, চিকেন উইংগ,
পেঁয়াজু, বেগুনি।
ষ বেশি সুগার বা মিষ্টি জাতীয়
খাবার যেমনÑ পুডিং, পায়েশ, ক্ষীর,
আইসক্রিম, সব ধরনের মিষ্টি।
ষ বেশি চর্বিযুক্ত খাবার যেমন-
মাংস, পরোটা, তৈলাক্ত তরকারি।

★★রোজার মধ্যে যেসব খাবার খাওয়া
উচিত
ষ হোল গ্রেইন শস্য যেমনÑ মটর, টক
দই, টক দইয়ের মধ্যে সিদ্ধ আলু,
রায়তা, বেকড সমুচা।
ষ দুধজাত মিষ্টি এবং পুডিং যেমন
রসমালাই, বরফি।
ষ চাপাতি বা সাধারণ রুটি তেল
ছাড়া পরোটার সঙ্গে বেকড বা
গ্রিল্ড মুরগির মাংস।
ষ অল্প তেলযুক্ত মাছ, মাংস, সবজি।
রোজার মধ্যে বেশি করে যে
খাবারগুলো খাওয়া যাবে
ষ পানি ও তাজা ফল-মূলের রস
ষ আঁশযুক্ত ফলমূল সবজি।
ষ খেজুর
ষ ভাত-রুটি পরিমাণমতো সবজি ও
মাছ, মাংস (লাল মাংস ছাড়া)। অল্প
তেলে এবং মশলা দিয়ে পাক করা।
ষ গ্রিল্ড এবং বেকড মাছ, মাংস হলে
বেশি ভালো হয়।
ষ টক জাতীয় ফলমূল, দই, রায়তা,
বোরহানি
ষ বাসায় বানানো পেস্ট্রি, ক্ষীর,
পুডিং

23/06/2015

বর্ষাকালীন স্বাস্থ্য সচেতনতা :

বর্ষাকালে আবহাওয়ায় গরম ও ঠান্ডার
মিশ্র প্রভাব থাকে। আবার প্রচুর
বৃষ্টিপাতে নদী-নালা থাকে কানায়
কানায় পূর্ণ। যার ফলে বাতাসে
আর্দ্রতা বেশি থাকে। সংক্রামক
ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস খুব সহজেই
রোগ ছড়াতে পারে। তাই এই সমস্যা
এড়াতে আমাদের বাড়তি সচেতনতা
প্রয়োজন ।
বর্ষাকালে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়
ডায়রিয়া, ডেঙ্গু জ্বর, ম্যালেরিয়া,
টাইফয়েড, দুই ধরনের হেপাটাইটিস
(হেপাটাইটিস `এ` এবং হেপাটাইটিস
`ই`), সর্দি কাশিসহ নানা রোগ।
ডায়রিয়া : ডায়রিয়ার প্রধান কারণ
হল দূষিত পানি পান। বর্ষায় জলের
সঙ্গে জীবাণু মিশে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে
ফলে ডায়রিয়ার প্রকোপ বেশি দেখা
যায়। এতে শরীরে পানিশূন্যতার
মাধ্যমে কিডনি বিকল হয়ে মানুষের
মৃত্যুও ঘটাতে পারে। তাই শিশুকে
খাওয়ার স্যালাইন, ভাতের মাড়,
চিঁড়ার পানি, শরবত ইত্যাদি তরল
খাদ্য বারবার খাইয়ে পানির অভাব
পূরণ করতে হবে। শিশুদের বুকের দুধ
বন্ধ করা যাবে না।
কলেরা : কলেরা রোগ হয় রোটা
ভাইরাসের সংক্রমণে। এতে রোগীর
দেহে লবণ ও পানির ঘাটতি দেখা
দেয় ফলশ্রুতিতে রোগী দুর্বল হয়ে
পড়ে। অনেকাংশে দ্রুত চিকিৎসা না
করা হলে রোগীর জীবনহানি পর্যন্ত
ঘটতে পারে।
টাইফয়েড: বর্ষাকালে টাইফয়েড
জ্বরের প্রকোপ বেশি দেখা যায়।
সালমোনেলা টাইফি নামের এক ধরনের
জীবাণু পানি ও খাবারকে দূষিত করে।
এই দূষিত পানি অথবা খাবার খেয়ে
মানুষ টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়।
টাইফয়েডের বাহক এবং আক্রান্ত
রোগীর মলমূত্র এ রোগের উৎস।
সংক্রমিত খাদ্য,পানি ও মাছি এ রোগ
ছড়ায়। এ রোগে জ্বর, কাশি, মাথা
ব্যথা, কোষ্ঠকাঠিন্য,বমি, ডায়রিয়া,
পেট ফুলে যাওয়া, প্লীহাস্ফীতিসহ
নানা জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।
ডেঙ্গু জ্বর: জীবানু বাহী এডিস মশার
কামড়ে এ জ্বর হয়। সাত বা ততোধিক
দিন স্থায়ী উচ্চ জ্বর এ রোগের একটা
বৈশিষ্ট্য। ডেঙ্গু জ্বর তিন প্রকারের
হতে পারে। যেমন- ডেঙ্গু জ্বর
(সাধারন), ডেঙ্গু হেমোরেজিক জ্বর
(রক্তক্ষরন সহ) এবং ডেঙ্গু
সকসিন্ড্রোম।
সাধারনত বর্ষার সময়ে ( জুলাই থেকে
সেপ্টেম্বর) এ জ্বর হতে পারে।
সংক্রমনকারী মশার কামড়ের পরে ৪ –
৬ দিনের মধ্যে এ জ্বর হয়।
এ জ্বরের কোন নির্দিষ্ট চিকিৎসা
নেই, আবার এই সংক্রমন প্রতিরোধের
জন্য কোন ভ্যাকসিনও নেই।
প্রতিরোধের একমাত্র উপায় মশার
কামড় থেকে নিজেকে রক্ষা করা।
তাই ফুলের টব, নারকেলের খোসাসহ
অন্য যে কোন পাত্রে পানি যাতে জমে
না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে
পারলেই ডেঙ্গু মশা বংশবৃদ্ধি করতে
পারবে না। অন্যদিকে মশার কামড়
থেকে রক্ষার জন্য মশারী ব্যবহার
করতে হবে।
ম্যালেরিয়া: এনোফিলিস জাতীয় স্ত্রী
মশা দ্বারা এ রোগ ছড়ায়। সাধারনত
পাহাড়ী অঞ্চলে এ রোগের প্রাদুর্ভাব
বেশি। বর্ষার শুরু এবং শেষে
ম্যালেরিয়ার বিস্তার বেশি হয়ে
থাকে। সর্দিকাশি, গলা ব্যথা,কান
পাকা, প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া ইত্যাদি
এই রোগের লক্ষন। দ্রুত রোগ নির্ণয়
এবং তাৎক্ষণিক চিকিৎসা
ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণের অন্যতম
পন্থা হিসেবে স্বীকৃত।
হেপাটাইটিস: হেপাটাইটিস একটি
যকৃতের রোগ। এর আবার বেশ কিছু
প্রকারভেদ আছে। এগুলোর মধ্যে
হেপাটাইটিস-এ এবং হেপাটাইটিস-ই
পানিবাহিত ভাইরাস বলে
বর্ষাকালেই বেশি হয়।
ছত্রাক সংক্রমণ: ঘাম বা পানিতে
বেশিক্ষণ ভেজা থাকলে পায়ের আঙুলের
ফাঁকে, কুঁচকিতে, মাথায় ও চুলে ছত্রাক
সংক্রমিত হয়। ছত্রাক সংক্রমণে
ছত্রাকনাশক ক্রিম এবং চুলে বিশেষ
শ্যাম্পু ব্যবহার করা যেতে পারে।
কৃমি সংক্রমন : বর্ষাকালেই কৃমির
বেশি প্রাদুর্ভাব হয়। এ সময় পানি
আর কাঁদামাটিতে মিশে থাকে এই
জীবাণু। তাই অন্য যে কোনো ঋতুর
তুলনায় বর্ষায় খুব সহজেই কৃমির
সংক্রমন ঘটে।
শিশুদের এ সব রোগ থেকে মুক্তি পেতে
করণীয়: বর্ষাকালে সাধারণত শিশুরাই
বেশি অসুখ-বিসুখের শিকার হয়। কারণ
বড়দের তুলনায় তাদের রোগ প্রতিরোধ
ক্ষমতা কম। তাই প্রয়োজন বাড়তি
সতর্কতা।
বর্ষাকালে সাধারনত শিশুরা
পানিবাহিত রোগে বেশি আক্রান্ত হয়।
তবে যেটা শিশুদের বেশি দেখা দেয়
তা হলো সর্দি, কাশি, ঠান্ডাজনিত
কারণে শ্বাসকষ্ট এবং তার সঙ্গে
জ্বর।
আর তাই এ সময় শিশুকে অবশ্যই
ফোটানো ও বিশুদ্ধ পানি পান করাতে
হবে। সামান্য সর্দি-কাশি ও জ্বরকে
অবহেলা করা ঠিক হবে না, কারণ এর
থেকে নিউমোনিয়া হয়ে শিশুর জীবন
বিপন্ন হতে পারে। সর্দি-কাশি হলে
শিশুকে লেবুর রস, তুলসী পাতার রস, ও
আদা খাওয়ানো যেতে পারে।
শিশুকে মেঝেতে শোয়ানো যাবে না।
বাড়ির আশেপাশের মশার আবাসস্থল
ধ্বংস করতে হবে।
এই বর্ষাকালে গ্রামবাংলায় বন্যার
প্রাদুর্ভাব হয়। তাই কোন অবস্থাতেই
শিশুকে পানিতে নামতে দেয়া যাবে
না।
যথাসময়ে টিকা (রোটা ভাইরাসের
টিকা) দেওয়া। সঠিক নিয়মে শিশুকে
হাত ধোয়ানো এবং নখ কেটে দেওয়া।
সর্বোপরি শিশুর পুষ্টিকর খাবারের
দিকে নজর দিতে হবে, এতে শিশুর রোগ
প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে।
অন্যদিকে বর্ষায় বড়দের রোগবালাই ও
সচেতনতার বিষয়ে তিনি বলেন, এ
সময়কার স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়া
জীবাণুদের জন্য অনূকুল পরিবেশ সৃষ্টি
করে তোলে, যা বড়দেরও সহজেই অসুস্থ
করে ফেলে। তাই বড়দেরও উপরোক্ত
বিষয়গুলো মেনে চলা প্রয়োজন।
বর্ষার দিনে রেইন কোট বা ছাতা
ব্যবহার করতে হবে। বৃষ্টিতে ভিজলে
বাসায় ফিরে ভালোভাবে গোসল করতে
হবে। শরীর ও চুল শুকিয়ে পরিচ্ছন্ন
কাপড় পরা জরুরী। সব সময় খাওয়ার
আগে ভালভাবে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে
নিতে হবে। সব কাজে বিশুদ্ধ পানি
ব্যাবহার করা শ্রেয়। রান্না করার
আগে শাক-সবজি ভাল ভাবে ধুয়ে নিতে
হবে। পঁচা বাসি খাবার খাওয়া যাবে
না।
মোটকথা রোগ নিয়ে দুশ্চিন্তা না করে
সচেতন হতে হবে। তবে রোগে আক্রান্ত
হয়ে গেলে অবশ্যই যত দ্রুত সম্ভব
চিকিৎসকের পরামর্শ্ নেওয়া এবং
মেনে চলা অতি জরুরী।

23/06/2015

একেবারে ফিট থাকতে গেলে কিছু
নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হবে। সুস্থ
শরীর তার সঙ্গে শান্তিময় জীবন লাভ
করতে কে না চায়। কিন্তু বিশৃঙ্খলার
আড়ালে জীবনটাই এলোমেলো হয়ে
যায়। থাকে না শান্তি, থাকে না
স্ব্বস্তি। সুস্থ থাকার কিছু সূত্র আছে।
সেগুলো কী তা জেনে নিই।
—প্রতিদিন খুব সকালে ঘুম থেকে ওঠে
দুই অথবা তিন কি.মি.
হাঁটুন। এরপর গোসল করে প্রার্থনা
করুন।
এতে মন এবং প্রাণ সতেজ থাকবে।
—সব সময় সোজা হয়ে বসুন।
—যখনই খাবার খাবেন তখন ভালো
করে
চিবিয়ে খাবার গ্রহণ করুন। এতে
পাচন
ক্রিয়া ঠিক থাকবে।
—মোটা হওয়ার প্রধান কারণ হলো
তৈলাক্ত এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার
খাওয়া। তাই এ ধরনের খাবার খুব কম
খান।
—সম্ভব হলে সপ্তাহে একদিন উপোস
করে
শরীরে খাবারের সমতা বজায় রাখুন।
—গাড়ি থাকলেও খুব বেশি গাড়ি
চালাবেন না। বেশিরভাগ সময় হেঁটেই
কাজ সারুন। এতে পায়ের মাংসপেশীর
ব্যায়াম হবে। আপনি দীর্ঘদিন সুস্থ
থাকতে পারবেন।
—বেশি পরিমাণে সবুজ শাক-সবজি আর
ফলমূল খান।
—ঘরের সব কাজ নিজে করারই চেষ্টা
করুন।
—ব্যস্ত থাকাটা শরীর ও মন—দুয়ের
পক্ষে
ভালো। তাই কাজে যতটা সম্ভব ব্যস্ত
থাকুন।
—আপনার রুচি ও ব্যক্তিত্ব অনুয়ায়ী
পোশাক পরিধান করুন।
—শরীরের নিয়মিত যত্ন নিন।
শরীরের
সৌন্দর্য বজায় রাখুন।
—গরমের দিন রাতে শোয়ার আগে
গোসল করুন, এতে ঘুম ভালো হবে।
—রাতে শোয়ার আগে ঢিলেঢালা
পোশাক পরুন। শরীরের প্রত্যেকটা
অঙ্গ-
প্রত্যঙ্গ রোম ছিদ্রের মধ্য দিয়ে
শ্বসন
প্রক্রিয়া চালায়। সে কারণে শোয়ার
আগে ঢিলেঢালা পোশাক পরে
ঘুমানো উচিত।
—চুলের প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখুন।
কারণ চুল হলো সৌন্দর্যের অঙ্গ। সম্ভব
হলে সপ্তাহে একদিন হার্বাল শ্যাম্প
দিয়ে মাথা ধৌত করুন।
—প্রতিদিন অন্তত ১০ মিনিট ধ্যান
করুন।
এতে মানসিক শান্তি পাবেন। তার
ওপর মনের জোরও বাড়বে।
—ক্রোধ থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে
চলুন।
—কথার উপরে সংযম রাখুন। আপনার
কথায়
কেউ যেন মানসিক দুঃখ না পায়।
সেটা মাথায় রেখে কথা বলুন।
—রাতে শোয়ার সময় মনে কোনো
চিন্তা রাখবেন না। সুস্ব্বাস্থ্য বজায়
রাখার জন্য গভীর ঘুম অত্যন্ত জরুরি।

29/05/2015

এলার্জির লক্ষণ ও প্রতিকার

আপনার ইমিউন সিস্টেম এক ধরনের পদার্থ
তৈরি করে যাকে এন্টিবডি বলে। আপনার শরীরে
যাতে অনাকাঙ্ক্ষিত জীবানু প্রবেশ করে রোগ
বিস্তার না করতে পারে এন্টিবডি সে ধরনের
প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। আপনি যখন
এলার্জিতে আক্রান্ত হন তখন আপনার শরীরে
এলার্জেন নামক এক ধরনের এন্টিবডি তৈরি হয়
যেটি আপনার ক্ষতি করে। যাতে ত্বকে
জ্বালাপোড়া হয়, সাইনাস এবং পরিপাক ক্রিয়া
অস্বাভাবিক হয়।
এলার্জির উপসর্গঃ
এলার্জির কারনে হে ফেভার হলে যে
সমস্যাগুলো হয়-
★ হাঁচি
★ নাক, কান ও মুখের উপরিভাগে চুলকানি
★ নাক দিয়ে পানি পড়ে, নাক বন্ধ হয়ে যায়
★ চোখ দিয়ে পানি পড়ে, চোখ লাল হয়ে যায়,
চোখ ফুলে যায়
খাবারের কারনে এলার্জি হলে যেই সমস্যাদি
হয়-
★ মুখে প্রদাহ হয়
★ ঠোট, জিহ্বা, মুখমণ্ডল ও গলা ফুলে যায়।
★ আমবাত
★ এনাফিলেক্সিস- এটি অনেক জটিল
প্রানঘাতি সমস্যা। এ সমস্যা হলে উদ্বিগ্নতা
বাড়ে, ব্লাড প্রেসার কমে যায়, শ্বাস প্রশ্বাসে
সমস্যা, চামড়ায় ফুসকুড়ি, মাথা ঘুরানো, পালস
এর উঠানামা, বমি বমি ভাব ও বমি হতে পারে।
এছাড়াও ওষুধের প্বার্শপ্রতিক্রিয়ায় এলার্জি
হতে পারে। কীটপতঙ্গের দংশনের কারনেও
এলার্জি হতে পারে। এক ধরনের এলার্জি আছে
যাকে একজিমা বলে। একজিমা হলে ত্বক লালচে
হয়ে যায়, চুলকানি হয় এ চামড়া উঠে যায়।
এলার্জির চিকিৎসাঃ
★ এন্টিহিস্টামিন টেবলেট, নাকের স্প্রে,
চোখের ড্রপ, স্কিন ক্রিম, ইঞ্জেকশন
ব্যাবহারে এলার্জি ভালো হয়।
★ দ্রুত সাইনাস ও বন্ধ নাসারন্ধ্র পরিস্কার
করার জন্য Decongestants টেবলেট, নাকের
স্প্রে, ড্রপ ব্যাবহার করা হয়।
★ এলার্জির জনিত চর্ম প্রদাহের জন্য
Corticosteroids পিল, নাকের ড্রপ,
ইনহেলার, চোখের ড্রপ, স্কিন ক্রিম ব্যাবহার
করা হয়।
★ এছাড়াও অন্যান্য চিকিৎসা রয়েছে। অবশ্যই
চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ গ্রহন করুন।

27/05/2015

Nutritional Disorders
অনুন্নত দেশের মানুষ খাবার অভাবে
স্বাস্থ্যহীনতায় ভুগছে,ফলে নানা রকম রোগ
ব্যধিতে আক্রান্ত হচ্ছে। (usually
infectious diseases)
আবার উন্নত দেশে খাবারের প্রাচুর্যতা থাকায়
মানুষ দিনদিন মোটা(obese,ফ্যাটি) হচ্ছে,
ফলে উচ্চ রক্ত চাপ(Hypertension) ,
ডাইবেটিকস্,ক্যানসার, stroke, Heart Attack
এর মত জটিল রোগ তৈরি হচ্ছে।
দুইটাই মৃত্যুর কারন।
যদি উন্নত ও অনুন্নত দেশগুলোর মাঝে
খাবারের সুষম বন্টন থাকত তাহলে পৃথিবীতে
রোগের পরিমান কমে যেত।।।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Narayanganj?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Narayanganj
1720