Yellow Salon
MORE THAN A BARBER SHOP. WE'RE THE ULTIMATE RELAXED GROOMING EXPERIENCE FOR MEN™. At Malipara road
17/05/2022
25/12/2021
শুভ বড়দিন উপলক্ষে ইয়োলো সেলুন এ চলছে ২০% ডিসকাউন্ট
16/11/2021
পুরুষের ত্বকের যত্নঃ
পরিষ্কার, টোনিং এবং ময়েশ্চারাইজার আবশ্যক: নারীদের মতো পুরুষের ত্বকের যত্নেও এই তিনটি ধাপ অনুসরণ করা আবশ্যক। পুরুষের ত্বক দূষণ, গাড়ির ও সিগারেটের ধোঁয়া এবং প্রতিনিয়ত অন্যান্য দূষণের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নারীদের তুলনায় পুরুষের ত্বক তৈলাক্ত ও পুরু হওয়ায় সব ধরনের ত্বকের সঙ্গে মানানসই এমন ভালো পরিষ্কারক দিয়ে পরিষ্কার করা উচিত।
ত্বক পরিষ্কার রাখতে ও মৃতকোষ দূর করতে ‘ক্লিঞ্জিং’ আবশ্যক। ত্বক পরিষ্কার রাখতে মৃদু ক্লিঞ্জার ব্যবহার করুন। এটা ত্বক শুষ্ক হওয়া থেকে রক্ষা করে। ঘুমাতে যাওয়ার আগে ত্বক পরিষ্কারের ক্ষেত্রে পুরুষেরা বেশ আলসেমি করে যা তাদের ত্বকের ক্ষতি করে।
ত্বক পরিষ্কার রাখলে হোয়াইট বা ব্ল্যাক হেডস এবং ব্রণ থেকে রক্ষা করে। টোনিং করতে গোলাপজল ব্যবহার করতে পারেন।
ময়েশ্চারাইজার ত্বক ফাটা, শুষ্ক ও মলিনতা থেকে রক্ষা করে। খসখসে ত্বক খুবই বিরক্তিকর। এই সমস্যা দূর করতে পারেন ঘন ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করে। ঘন ময়েশ্চারাইজার মানেই তৈলাক্ত নয়, অনেক ময়েশ্চারাইজার আছে যা হালকা এবং ত্বক দীর্ঘক্ষণ সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে।
সানস্ক্রিন ব্যবহার করা: সানস্ক্রিন ব্যবহারের বিষয়টা অধিকাংশ পুরুষই এড়িয়ে যায়। রোদপোড়াভাব থেকে ত্বককে বাঁচাতে ও কালচে হয়ে যাওয়া ঠেকাতে কমপক্ষে এসপিএফ ৩০ সমৃদ্ধ সানস্ক্রিন ব্যবহার করা প্রয়োজন। রোদের পোড়াভাব থেকে বাঁচতে বের হওয়ার কমপক্ষে ১৫ মিনিট আগে মুখের পাশাপাশি হাতেও সানস্ক্রিন লাগান। এতে তা ভালোভাবে শোষিত হবে ও কাজ করবে।
এক্সফলিয়েট করা: ত্বকের মৃতকোষ এবং ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ দূর করতে এক্সফলিয়েট করা উচিত। ত্বক স্ক্রাবিং করা না হলে লোমকূপে ময়লার সৃষ্টি হয় এবং নানা রকমের সমস্যা দেখা যায়। তাই পুরুষের ত্বকের যত্নে নিয়মিত এক্সফলিয়েট করা উচিত। ত্বক থেকে মৃতকোষ দূর হলে তা স্বাস্থ্যকর ও উজ্জ্বল লাগে দেখতে।
সপ্তাহে একবার মিহিদানার ফেইস-স্ক্রাব ব্যবহার করুন। এটা ত্বকের মলিনভাব দূর করতে ও মসৃণভাব আনতে সাহায্য করে। এক্সফলিয়াট করার আরেকটি সুবিধা হল এটা ত্বকের লোমের ফলিকল মসৃণ রাখে। তাই কোনো রকম জ্বলাপোড়া ছাড়াই সেইভ করা যায়। সাধারণ ও মিশ্র ত্বকের ময়লা দূর করতে ক্রিম ভিত্তিক স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন।
বলিরেখা এড়াতে: চোখের চারপাশের ত্বকে ঘাম ও তেল উৎপাদন না হওয়াতে শুষ্ক হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে যা বলিরেখা ও ভাঁজের সৃষ্টি করে। এই সমস্যা এড়াতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে চোখের নিচে উন্নত ‘আইক্রিম’ ব্যবহার করুন। বাজারে পুরুষের জন্য নানান আইক্রিম থেকে নিজের পছন্দসই ক্রিম বেছে নিন।
ঠোঁটের যত্ন: ঠোঁটের দিকেও মনযোগী হওয়া জরুরি। ঠোঁট রোদে পোড়ে এবং শুষ্ক হয়ে যায়। ফলে দেখতে বাজে লাগে। এই সমস্যা কমাতে উন্নত লিপবাম ব্যবহার করুন। এটা ঠোঁট মসৃণ ও নমনীয় করতে সাহায্য করে। তাছাড়া আয়নায় ভালোভাবে লক্ষ্য করলে দেখবেন ঠোঁটেও বলিরেখা পড়ে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঠোঁট শুষ্ক হয়ে আসে। যেহেতু পুরুষরা মেইকআপ করে না তাই কোনো কিছু ব্যবহার করে এটা লুকানো সম্ভব না। এ কারণে পুরুষদের দিনের বেলা এসপিএফ সমৃদ্ধ লিপবাম এবং রাতে আর্দ্র ও ময়েশ্চারাইজার সমৃদ্ধ লিপবাম ব্যবহার করা উচিত।
04/09/2021
"ইয়োলো সেলুন"
আসছে এক নতুন চমক
বিস্তারিত জানতে চোখ রাখুন আমাদের ফেসবুক পেজ এ অথবা কল করুন 01776688855 নম্বরে
15/07/2021
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমাদের পার্লার আজ থেকে খোলা থাকবে
"Yellow Salon"
Yellow Salon, Bonpara, Natore. 01776688855
05/06/2021
ভ্যাপসা গরমের কারণে শুধু যে মেয়েরাই ত্বকের সমস্যা ভুগেন তা নয়। সমস্যায় পড়ে ছেলেরাও। বাইরে রোদে ঘোরাঘুরি, খেলাধুলা বা কাজ কর্মের কারণে ধুলোবালিতে যাওয়া এবং ঠিক মতো ত্বকের যত্ন না নেয়ার ফলে ত্বকের ওপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে ছেলেদেরও।
কিছুদিন আগেও ত্বকের চর্চা ছিল কেবলমাত্র মেয়েদের দখলে। সময় বদলের সঙ্গে সঙ্গে বদলে গেছে ত্বক চর্চার চিরচেনা সেই রীতি। এখন মেয়েদের পাশাপাশি ছেলেরা ত্বক সচেতন হয়ে উঠেছে। এই গরমে ঘাম ও ধূলোবালি জমে ছেলেদের ত্বকে ব্রণ, ব্লাকহেডস, হোয়াইটহেডসের মতো নানা রকমের সমস্যা হতে পারে।
জেনে নেয়া যাক, গরমে ছেলেদের ত্বক সচেতনতার উপর কিছু টিপস:
১। প্রতিদিন ত্বক স্ক্রাব করা উচিৎ। রোদে বাইরে বেরুলে ত্বকের উপরিভাগে কালো ছোপ দাগ পরে এবং জমে থাকা ধুলোবালি ত্বকে ব্রণের সমস্যা সৃষ্টি করে। তাই এমন স্ক্রাব ব্যবহার করা উচিৎ যা প্রতিদিন ব্যবহার করা যায়। বাইরে থেকে ফিরেই ত্বক দ্রুত স্ক্রাব করে ফেলুন।
২। ভ্যাঁপসা গরমে ত্বকের উপরিভাগ বেশিরভাগ সময় তৈলাক্ত দেখায়। এই সমস্যা থেকে বাঁচতে টমেটো পিষে মুখে ঘষে ১৫ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের তৈলাক্ততা দূর হয়ে যাবে।
৩। বাসা থেকে বের হওয়ার আগে অবশ্যই ত্বকে সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে। ত্বক অতিরিক্ত ঘেমে গেলে মুছে ফেলবেন। সেজন্য সাথে টিস্যু বা নরম কাপড় রাখুন।
৪। ডিহাইড্রেশনে পড়লে ত্বকের অনেক ক্ষতি হয়। ত্বকের রুক্ষতা ও শুষ্কতা বেড়ে যায়। তাই ত্বককে হাইড্রেট রাখতে বেশি করে পানি পান করতে হবে।
৫। সপ্তাহে দুইদিন পাকা পেঁপে ও শশা পেস্ট করে ত্বকে লাগিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট রেখে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
৬। ত্বকের সতেজতা ধরে রাখতে সপ্তাহে একদিন লেবুর রসের সঙ্গে ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে মাস্ক তৈরি করে ত্বকে লাগিয়ে ৮ থেকে ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে তিনদিন বেসনের সঙ্গে দুধ মিশিয়ে ত্বকের নিচ থেকে উপর দিকে ম্যাসাজ করুন। এতে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে।
৭। সপ্তাহে একদিন মুখে মধু ব্যাবহার করা যেতে পারে। ৩/৪ চামুচ মধু নিয়ে মুখে ভালোভবে মেখে নিন। এবার ১০ থেকে ১৫ মিনিট রেখে দিয়ে কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। এতে ত্বকের খসখসে ভাব দূর হয় এবং ত্বক কোমল হয়।
৮। এলোভেরার জেলোতে প্রচুর পরিমানে আন্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা ফাটা ত্বক সারিয়ে তুলতে অনেক উপকারী। সপ্তাহে ১ থেকে ২ দিন এলোভেরা জেলো মুখে মেখে কিছুক্ষন অপেক্ষা করে মুখ ধুয়ে নিন। এটি ত্বকের মৃত কোষগুলো বের করে ত্বককে আরো উজ্জ্বল করে তোলে।
02/06/2021
চুল পেকে যাচ্ছে, মাথার প্রিয় চুলগুলো পড়তে শুরু করেছে সব মিলে কপালে চুলের জন্য চিন্তার ভাঁজ? আসলেই যখন সামনের দিকে চুল কমে নিজেকে টাক-টাক মনে হতে থাকে, তখন মন খারাপ আর দুশ্চিন্তা দুটোই আমাদের পেয়ে বসে। চুল পাকা, পড়া ও টাক সমস্যা থেকে পরিত্রাণে কিছু ঘরোয়া সমাধান।
চেষ্টা করে দেখতে পারেন কোনটি আপনার জন্য ভালো কাজ দেয়:
নারকেল দুধ এবং তেল:
আমাদের চুল ও মাথার স্ক্যাল্প ভালো রাখতে এবং চুল পড়া বন্ধ করতে সবচেয়ে বেশি কাজ করে নারকেলের দুধ। নিয়মিত নারকেলের দুধ ব্যবহারে চুল পড়া থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
নারকেল কুরিয়ে নিয়ে সামান্য পানি দিয়ে ব্লেন্ড করে ছেকে দুধ বের করে নিতে হবে।
এবার ২০ মিলি নারকেল তেল, ১০ মিলি আমলকি তেল এবং দুই টেবিল চামচ লেবুর রস মিলিয়ে নিন।
কিছুক্ষণের জন্য রেখে নিন। এই তেল সপ্তাহে দুই দিন ভালো ভাবে মেখে ১ঘণ্টা রেখে শ্যাম্পু করুন।
এতে যেমন চুল পড়া কমে যাবে তেমনি খুশকির যন্ত্রণা থেকেও রেহাই দেবে।
আমলা তেল, নারকেল তেল, বাদাম তেল বা এমনকি জলপাই তেল দশ মিনিটের মাসাজ আপনার চুল মজবুত করবে।
আর তেল মাসাজের ফলে আমরা মাথাব্যথা ও মানসিক চাপ থেকেও পরিত্রাণ পেতে পারি।
মেথি ও তেল:
মেথি কয়েক মিনিট ভেজে গুঁড়ো করে নারকেল তেলের মধ্যে দিন। সপ্তাহে তিন থেকে চারদিন এই তেল মাথায় নিয়মিত দিয়ে ভালো করে মাসাজ করুন। আপনার চুল পড়া প্রতিরোধ করে অসময়ে চুল পাকা রোধে সাহায্য করবে এই তেল।
মেহেদি:
চুল পড়া বন্ধে, রং করা, চুলের স্বাস্থ্য রক্ষায় এবং চুলের উজ্জ্বলতা বাড়াতে বহু আগে থেকেই আমরা মেদেহি ব্যবহার করে আসছি।
সরিষা তেলে মেহেদির পাতা মিলিয়ে বেল্ড করে নিন। এই তেল সপ্তাহে দুইবার ব্যবহারে কাঙ্ক্ষিত ফল পাবেন।
মধু ও অলিভ ওয়েল:
সমপরিমাণ মধু এবং অলিভ ওয়েল নিয়ে খুব ভাল করে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ সপ্তাহে দুইবার পুরো মাথায় মেখে ১৫ মিনিট রেখে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে নিন। ৩ থেকে ৪ মাস এটা ব্যবহার করুন।
পেঁয়াজ:
পেঁয়াজ মাঝ থেকে কেটে প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় মাথার যে অংশে চুল নেই সেখানে ঘষে ঘষে রসটুকু লাগিয়ে নিন। তারপর মধু মাখুন।
আমলকি:
শুকনো আমলকি টুকরো করে কেটে নারকেল তেলে দিয়ে জ্বালিয়ে ঠাণ্ডা হলে একটি বোতলে রেখে দিন। এই তেল নিয়মিত ব্যবহারে চুল পড়া যেমন কমবে, তেমনি চুলের বৃদ্ধিও দ্রুত হবে।
পেয়ারার পাতা:
পানির মধ্যে কয়েকটি পেয়ারা পাতার দিয়ে জ্বালিয়ে পানি গাঢ় রং করে নিন। সপ্তাহে দুই
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
2nd Floor, L. R. Market, Bonpara Bazar, Natore
Rajshahi
6430
Opening Hours
| Monday | 08:30 - 22:00 |
| Tuesday | 08:30 - 22:00 |
| Wednesday | 08:30 - 22:00 |
| Thursday | 08:30 - 22:00 |
| Friday | 08:30 - 22:00 |
| Saturday | 08:30 - 22:00 |
| Sunday | 08:30 - 22:00 |
