PEEL
Korean Cosmetic Product. We are importing 100% original cosmetic products directly from Korea.
We sell all kinds of cosmetic products, we are directly importing Korean products.
04/12/2022
🔰 চুল পড়া সমস্যা কি এবং কেন হয়?
♻ প্রধানত চুল পড়ার কারণকে দুই ভাগে ভাগ করা হই। একটি নন স্কারিং এবং আরেকটি স্কারিং। পুরুষের ক্ষেত্রে মাথার সামনের দিকে দুই পাশ ধরে চুল পড়া শুরু হই, মাঝে মাঝে
মাথার মাঝখান থেকে চুল পড়ে তবে সেটা খুব কম। মহিলাদের ক্ষেত্রে মাথার উপরের দিক
থেকে চুল উঠা শুরু হই। চুলের উপরের অংশকে হেয়ার শেপ বলা হয়ে থাকে।
🔰 যে যে কারণে চুল বেশি পড়তে পারেঃ
✅ অ্যান্ড্রোজেনিক হরমোন শরীরে বেশি থাকলে তাদেরই চুল বেশি পরে। এই হরমোন সাধারণত নারীদের তুলনায় পুরুষের শরীরে বেশি পরিমাণে থাকে।
✅ চুলে ছত্রাকের সংক্রমণ বা খুশকি চুল পড়ার অন্যতম কারণ।
✅ চুলের স্বাস্থ্য নির্ভর করে শরীরের পুষ্টির ওপর। শরীরে পর্যাপ্ত পরিমানে আমিষ, শর্করা, চর্বি, খনিজ ও ভিটামিন অভাব থাকলে চুল পড়ে যায়।
✅ অতিরিক্ত দুশ্চিন্তায় ভুগলে বা দীর্ঘদিন মানসিক সমস্যা থাকলে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি চুল পড়তে পারে।
✅ শরীরে হরমোনের কম-বেশি হওয়ার কারণে চুল উঠে যেতে পারে।
✅ থেরাপিজনিত কারনে চুল উঠে যায়।
✅ বিভিন্ন রকম অসুখে অনেক সময় চুল উঠে যায়।
04/12/2022
🔰 অল্প বয়সেই চুল পড়ে যাচ্ছে! জানুন কারণ ও প্রতিকার:
♻ টাক পড়ে যাওয়া বেশ বিব্রতকর একটি সমস্যা। যদিও এত শারীরিক কোন ধরণের সমস্যায় পড়তে হয় না তবে ব্যাঘাত ঘটে সৌন্দর্যে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মাথার চুল পড়তে থাকলে
এবং একটা পর্যায়ে টাক পড়ে গেলে তাও মেনে নেয়া যায় কিন্তু যদি অল্প বয়সে টাক পড়তে
শুরু করে তবে তা রীতিমত ভয়ঙ্কর!
🔰 কিন্তু কেন চুল পড়ে যাচ্ছে?
✅ বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, অল্প বয়সে চুল উঠে যাওয়া এবং টাক পড়ার একটা বড় কারণ হতে
পারে অতিরিক্ত স্ট্রেস।
✅ চুলের সঠিক যত্ন না নেওয়ার কারণেও তা উঠে যেতে পারে।
✅ অতিরিক্ত ব্লিচিং, ডাই করার কারণেও চুল উঠে যেতে পারে।
✅ কম বয়সে চুল উঠে যাওয়ার অন্যতম কারণ অস্বাস্থ্যকর ডায়েট।
✅ টক্সিন এবং অতিরিক্ত দূষণ চুলের গোড়া দুর্বল করে দেয়। এর ফলে চুল আঁচড়াতে গেলেই
তা উঠে যেতে থাকে।
✅ হরমোনের পরিবর্তন, থাইরয়েড এবং বিভিন্ন রোগের কারণেও চুল উঠতে পারে।
🔰 অকালে চুল পড়া যেভাবে প্রতিরোধ করা যায়-
✅ সঠিক ডায়েট মেনে খাবার খেতে হবে।
✅ নিয়মিত চুল পরিষ্কার করতে হবে। সপ্তাহে অন্তত ২ থেকে ৩ বার ভালো করে চুল ধুতে
হবে।
✅ চুল পড়া প্রতিরোধে খাবার মেন্যুতে আয়রন, জিঙ্ক এবং ভিটামিন ডি পূর্ণ খাবার রাখতে
হবে।
✅ নিজেকে যথাসম্ভব চিন্তামুক্ত রাখার চেষ্টা করতে হবে।
✅ এছাড়া বন্ধ করতে হবে ধূমপান।
04/12/2022
🔰 মাথার চুল ফেলে দিলে কি চুল ঘন হয়ে গজায়?
♻ সবাই বলে ছোটবেলায় বেশি বেশি ন্যাড়া হলে চুল তত বেশি ঘন হয়ে ওঠে। এটি আসলে
পৌরাণিক বা সমাজে প্রচলিত লোক কাহিনি। এর বৈজ্ঞানিক কোনো প্রমাণ মিলে না। যদিও
পুরোনো এই ধারণা এখনো টিকে আছে। কুমুদিনী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক
প্রভাষক ডা. সাবিকুন নাহার বলেন, অনেকে ভাবেন, চুল কামিয়ে ফেললে বা মাথা ন্যাড়া
করে ফেললে চুল পড়া কমে যায় বা চুল ঘন ভাবে গজায়। এ ধারণা সঠিক নয়। তবে চুল
পড়া রোধে মাথায় ব্যবহারের জন্য চিকিৎসক যদি কোনো ওষুধ দেন, সেটি ভালোভাবে
লাগানোর জন্য চুল কামানো যেতে পারে।
♻ চুল ফেলে দিলে নতুন চুল আগের চেয়ে ঘন হয়? কী বলছে বিজ্ঞান?
যুক্তরাষ্ট্রের পাবমেড সেন্ট্রালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় এই বিষয়ে বলা হয়েছে। চলুন
জেনে নেই কী বলছেন বিজ্ঞানীরা।
✅ বিজ্ঞানীরা বলছেন, ন্যাড়া হওয়ার পরে যে চুল গজায় তা দেখতে ঘন বলে মনে হয়। বিশেষ
করে চুল যখন একেবারে ছোট থাকে। তখন মাথায় হাত দিলে মনে হয় চুলের ঘনত্ব অনেক
বেড়ে গিয়েছে। কিন্তু বিষয়টি অত সহজ নয়। পুরানো চুল বৃদ্ধি পেলে সূর্যের আলোর
সংস্পর্শে আসতে আসতে হালকা হয়ে যায়। আবার রং পাল্টে যায়। কিন্তু মাথার নিচে
চুলগুলো যখন বড় হতে থাকে তখন দেখতে বেশ কালো লাগে। চুলের আগা এবং গোড়াও
মোটা থাকে। দেখে মনে হয় কত চুল।
✅ চুল বড় হতে থাকলে বোঝা যায় আগের মতোই আছে। এর কারণ তখন চুলের ঘনত্ব কমে
যায়। কারণ মাথার ত্বকের তলায় গোড়াগুলো শুকিয়ে যায়। মৃত গোড়াগুলো থেকে নতুন
করে চুল গজায় না।
✅ চুল ফেলে দেওয়ার সময় অনেকেই ভাবেন, ত্বকের তলায় না গজানো কিছু গোড়া রয়ে
গিয়েছে। ভালো করে মাথা কামিয়ে ফেললে সেই গোড়া থেকে চুল বের হবে। কিন্তু আসলে
হয় না। কারণ, এমন কোনো কিছু সেখানে নেই। বিশেষজ্ঞরা বলেন, চুল ন্যাড়া করার অর্থ
হচ্ছে মাথার ওপরে চুলের যতটুকু অংশ আছে শুধু সেটুকুই ফেলে দিচ্ছেন। এর ফলে
আপনার হেয়ার ফলিকলের স্বাস্থ্যোন্নতি হওয়া সম্ভব নয়। চুলের স্বাস্থ্যে জিন বা বংশগতির
ধারার ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। তাই বাচ্চাকে যত বারই ন্যাড়া করুন না কেন পরিবারের অন্য
সবার মতোই চুলের ধারা পাবে।
✅ তবে ন্যাড়া হওয়ার একটি সুবিধা আছে। অনেকের চুল পড়ার সমস্যা আছে। তাদের চুল বড়
হলে বেশি পড়তে থাকে। ন্যাড়া হলে আবার যখন নতুন চুল গজায়। তখন চুল সহজে পড়ে
যায় না।
✅ আবার চুল ফেলে দিলে অসুবিধাও আছে। মাথার ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। রোদ লাগলে
ত্বকের সমস্যাও হতে পারে।
03/12/2022
🔰 অল্প বয়সে চুল পড়ার কারণ:
✅ বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, অল্প বয়সেই চুল উঠে টাক পড়ে যাওয়ার
বড় একটা কারণ হল স্ট্রেস।
✅ চুলের সঠিক যত্ন না নেওয়ার কারণেও চুল উঠে যেতে পারে।
✅ চুলে অতিরিক্ত পরিমাণে ব্লিচিং, ডাই করার ফলেও চুল উঠে যায়।
✅ কম বয়সে চুল উঠে যাওয়ার অন্যতম কারণ হল অস্বাস্থ্যকর ডায়েট।
03/12/2022
🔰 কী কারণে এত চুল পড়ছে?
♻ দিন দিন মাথার চুল পাতলা হয়ে যাচ্ছে, ঝরে যাচ্ছে, টাক পড়ে যাচ্ছে—এমন কথা
অনেকের মুখেই শোনা যায়। চুল পড়া, চুল উঠে যাওয়া বা চুল পাতলা হয়ে যাওয়া নিয়ে
চিন্তার অন্ত নেই। ছেলেমেয়ে সবাই এর শিকার। চুল কেরাটিন নামের একরকম প্রোটিন
দিয়ে তৈরি হয়। চুলে ৯৭ ভাগ প্রোটিন ও ৩ ভাগ পানি রয়েছে।
চুলের যেটুকু আমরা দেখি সেটি মৃত কোষ। কারণ এতে অনুভূতিশীল কোনো কোষ নেই।
চুল প্রতি মাসে আধা ইঞ্চি করে বড় হয়। স্বাভাবিকভাবে একটি চুল দুই থেকে চার বছর পর্যন্ত
বড় হতে থাকে। এরপর বৃদ্ধি কমে যায়। গ্রীষ্মকালে চুল দ্রুত বড় হয় কিন্তু শীতকালে কম
বড় হয়। একটি চুলের গড় আয়ু দুই-আট বছর।
সুতরাং চুল কিছু না কিছু প্রতিদিন স্বাভাবিকভাবেই ঝরে যায়। শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল
কলেজ ও হাসপাতালের চর্ম ও যৌন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক রাশেদ মো. খান বলেন,
সাধারণত খুশকি, অ্যান্ড্রোজেনিক হরমোন, দুশ্চিন্তা ও চুলে
বিভিন্ন ধরনের প্রসাধনী ব্যবহার করার জন্য চুল পড়ে থাকে।
🔰 কীভাবে বুঝবেন চুল পড়ছে?
একজন সুস্থ মানুষের মাথায় গড়ে এক থেকে দেড় লাখ চুল থাকে। প্রতিদিন ১০০ থেকে
১৫০টা পর্যন্ত চুল পড়া স্বাভাবিক। কিন্তু এর চেয়ে বেশি পড়লে তা অবশ্যই উদ্বেগের
কারণ।
বালিশ, তোয়ালে বা চিরুনিতে লেগে থাকা চুল গুনতে চেষ্টা করুন। অন্তত পরপর তিন
দিন। অথবা অল্প এক গোছা চুল হাতে নিয়ে হালকা টান দিন। যদি গোছার চার ভাগের
এক ভাগ চুলই উঠে আসে, তবে তা চিন্তার বিষয়।
03/12/2022
🔰 চুল পড়ার কারণ:
♻ প্রতিদিন ৬০ থেকে ১০০টি চুল পড়া স্বাভাবিক। কিন্তু এর বেশি পড়তে শুরু করলেই শুরু হয়
টেনশন। চুল পড়ার সমস্যা বিভিন্ন কারণে হতে পারে। বংশগত , শারীরিক সমস্যা কিংবা
আমাদের কিছু ভুলের কারণে পড়তে পারে চুল।
🔰 যে ভুলে চুল পড়ে:
✅ সময়ের অভাবে নিয়মিত চুল আঁচড়ানোর কথা ভুলে যায় অনেকে। প্রতিদিন অন্তত পাঁচ-
দশ মিনিট চুল ভালোভাবে আঁচড়ানো দরকার। এতে চুলের গোড়ায় রক্ত চলাচল বাড়ে।
চুলের স্বাস্থ্যও ঠিক থাকে।
✅ যাদের চুল লম্বা তারা ঘুমানোর আগে চুল বেঁধে না ঘুমালে আগা ফেটে ভাঙতে শুরু করে।
✅ নিয়মিত পরিষ্কার না করা ও অতিরিক্ত খুশকির কারণেও চুল পড়ে।
✅ জন্ডিস, টাইফয়েড, জ্বর বা অন্যান্য তীব্র জ্বরের পরও অনেকের চুল পড়ে। করোনা থেকে
সেরে ওঠার পরও দেখা গেছে অনেকের চুল পড়ে যাচ্ছে।
✅ চুলের সৌন্দর্য বাড়াতে গিয়ে অতিরিক্ত ব্লিচিং ও ডাই চুলের ক্ষতি করে।
✅ অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, ধূমপান ও ওজন কমানোর জন্য অতিরিক্ত ডায়েটও চুল পড়ার
বড় কারণ।
✅ অতিরিক্ত কাজের চাপেও চুল পড়ে।
✅ থাইরয়েডিজমের ফলেও চুল পড়তে পারে। শরীরে হরমোনের পরিমাণ কমবেশি হলে চুল
উঠবে।
✅ আমরা অনেকেই ভেজা চুল আঁচড়াই। চুল যখন ভেজা থাকে তখন চুলের গোড়া নরম
থাকে। ওই অবস্থায় আঁচড়ালেও চুল পড়বে।
✅ অতিরিক্ত ভিটামিন এ গ্রহণও এর জন্য দায়ী।
✅ রক্তশূন্যতা, পুষ্টিহীনতার কারণেও চুল পড়ে।
✅ নারীদের ক্ষেত্রে মেনোপজের পর অ্যান্ড্রোজেনিক হরমোন বেড়ে গিয়েও চুল পড়া শুরু
হয়। পুরুষদের মাথায় টাক পড়ার কারণও হরমোনের আধিক্য।
✅ স্কাল্পে ছত্রাকের সংক্রমণে চুল পড়ে।
✅ বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন, প্রোটিন, আয়রনের অভাব।
03/12/2022
🔰 ব্রণ কেন হয়?
♻ ব্রণ (acne) নিয়ে সমস্যায় কমবেশি সবাইকেই পড়তে হয়। বিশেষ করে বয়ঃসন্ধিকালে কিশোরী-কিশোরীদের এই সমস্যা দেখা যায়। সাধারণত ব্রণ সাধারণত মুখমণ্ডলে দেখা দেয়। তবে অনেক সময় মাথা, পিঠ ও ঘাড় ও বুকেও ব্রণ উঠতে পারে।
✅ ব্রণ ওঠার বয়স:
ছেলে ও মেয়ে উভয়ের ক্ষেত্রেই ১৪ থেকে ১৯ বছর বয়সে ব্রণ উঠে থাকে। ২০ বছরের পর ব্রণ কমে যেতে শুরু করে। তবে ব্রণ থেকে ঠিক কবে বা কত বছরে মুক্তি পাওয়া যায় এরকম সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই।
✅ ব্রণ ওঠার কারণ:
✔ কিশোর-কিশোরীদের ক্ষেত্রে বয়ঃসন্ধিকালে অ্যান্ড্রোজেন হরমোনের আধিক্য।
✔ মাসিক বা গর্ভাবস্থায় হরমোনের মাত্রার পরিবর্তন।
✔ প্রসাধনীর ব্যবহার।
✔ জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি, স্টেরয়েড, খিঁচুনি বা মানসিক রোগ, ইত্যাদি ঔষধের প্রভাব।
✔ অত্যধিক গরম।
✔ বেশি ঘর্মাক্ত হওয়া।
✔ তেলতেলে চুল ও মাথার খুশকি।
✔ মানসিক চাপ।
✔ পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া।
✔ কেরোসিন বা কয়লার প্রভাব।
✔ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাব।
✔ নারীদের মাসিক ঋতুস্রাবের সঙ্গেও ব্রণের সম্পর্ক রয়েছে।
✅ ব্রণের ধরণ:
ব্রণ বিভিন্ন ধরণের রয়েছে। যেমন- ছোটো ছোটো গোল ফুসকুড়ি, লালচে ছোটো ছোটো গোটা, আবার পুঁজপূর্ণ বড় বড় চাকাও হতে পারে।
ব্রণ টিপলে ভাতের দানার মতো বের হয়ে আসে। এমনও ব্রণ আছে যেগুলো খুব যন্ত্রণাদায়ক। এতে ত্বকে ছিদ্রও দেখা দিতে পারে। কারো কারো মুখমণ্ডলে ব্রণের তীব্রতা বেশি থাকলে তা এবড়োথেবড়ো দেখায়।
30/11/2022
🔰 ব্রণ দূর হবে সহজে:
♻ আমাদের দেশেই শুধু নয়, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কিশোর-কিশোরীদের ব্রণের সমস্যা দেখা যায়। ব্রণ মূলত বয়ঃসন্ধিকালীন একটি সমস্যা। তবে বিভিন্ন বয়সে নারী ও পুরুষদের ব্রণের সমস্যা দেখা যেতে পারে। ব্রণের সমস্যায় চিন্তিত হওয়ার তেমন কোনো কারণ নেই। তবে বেশি হয়ে গেলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হতে হবে।
🔰 ব্রণ হওয়ার কারণ
ব্রণ হওয়ার অনেকগুলো কারণের কথা বলে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। এর মধ্যে প্রধান হলো হরমোন ক্ষরণের তারতম্য বা অভাব, জীবাণুর সংক্রমণ, ত্বকের অযত্ন, অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, তৈলাক্ত ও অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, ঘুম না হওয়া, অতিরিক্ত ঘাম হওয়া ইত্যাদি। পরিষ্কার–পরিচ্ছন্ন ও সুনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন ব্রণ থেকে মুক্ত থাকার প্রধান শর্ত।
✅ ব্রণ মূলত ত্বকে হয়। ফলে ত্বক পরিষ্কার রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। খেয়াল রাখতে হবে, এই শুষ্ক আবহাওয়ার দিনে ত্বকে যেন ধুলাবালু না জমে থাকে। ত্বকে ধুলোবালু জমার ফলে ত্বকের রোমকূপ বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে দেখা দিতে পারে ব্রণ।
✅ গরমের দিনে শরীর থেকে পানি বেরিয়ে যায় বিভিন্নভাবে। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো ঘাম। গরমে বাইরে গেলেই ঘাম হবে। ঘামে শরীরের পানি কমে যায়। শরীরে পানি কমে যাওয়া ব্রণ হওয়ার অন্যতম কারণ।
✅ ঘুমের সমস্যা, অর্থাৎ সঠিক পরিমাণে ঘুম না হওয়া অনেক রোগের কারণ। ব্রণও হতে পারে সঠিক ঘুম না হওয়ার কারণে। ঘুমানোর সময় শরীর তার নিজের কাজগুলো করতে থাকে, যা আমাদের সুস্থ থাকার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
নিয়মিত না ঘুমালে শরীরের নিজের কাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সাধারণত ঘুমের সময়ে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় হরমোন নিঃসরণ বা তৈরির মতো জটিল বিষয়গুলো ঘটতে থাকে শরীরে। না ঘুমালে, কম বা অনিয়মিত ঘুমালে ব্রণ প্রতিরোধকারী হরমোন তৈরিতে বাধা আসতে পারে। ফলে ব্রণ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হবে।
✅ বয়ঃসন্ধিকালে ছেলে–মেয়ে উভয়ের ব্রণ হয়ে থাকে। এর বড় কারণ, বয়ঃসন্ধিকালে কিশোর-কিশোরীরা বিভিন্ন ধরনের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার ভেতর দিয়ে যেতে থাকে। নতুন নতুন অভিজ্ঞতা তাদের সামনে আসতে থাকে। ফলে তাদের মধ্যে অবসাদ তৈরি হয়, দুশ্চিন্তা বেশি হয়, ঘুম ঠিকমতো হয় না, নিজে নিজে শরীরের যত্ন নেওয়ার অভিজ্ঞতা থাকে না, খাবারদাবার বিষয়ে সঠিক ধারণা থাকে না। ফলে শরীরে হরমোনের প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয় অথবা হরমোনের অভাব দেখা দেয়। এ সবকিছুই আসলে ব্রণ হওয়ার জন্য দায়ী।
✅ তেল-মসলাযুক্ত অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া ব্রণ হওয়ার অন্যতম কারণ। বিভিন্ন ধরনের ফার্স্ট ফুড, ডিপফ্রাই করা খাবার, কোমল পানীয় যত বেশি খাওয়া হবে, ব্রণ হওয়ার প্রবণতা তত বেশি বাড়তে থাকবে। এসব খাবার ঠিকমতো হজম হয় না। খাবার হজম না হলে পেট পরিষ্কার থাকে না। পেট পরিষ্কার না থাকা বা নিয়মিত মলত্যাগ না করা শুধু ব্রণ নয়, আরও অনেক রোগের কারণ।
✅ বাড়ির বাইরে গেলে যখনই সুযোগ পাওয়া যাবে, তখনই পানি দিয়ে ত্বকের উপরিভাগ ধুয়ে নিতে হবে। এতে ত্বক যেমন পরিষ্কার ও তরতাজা থাকবে, তেমনি কমবে জীবাণুর সংক্রমণ এবং ব্রণ হওয়ার প্রবণতা। যাদের ত্বক তৈলাক্ত, তাদের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে মেনে চলতে হবে। কারণ, তৈলাক্ত ত্বকে ময়লা জমে খুব দ্রুত।
✅ পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করতে হবে সারা দিনে, যাতে শরীরে পানির অভাব তৈরি না হয়। প্রতিদিন কমপক্ষে আট গ্লাস পানি খেতে হবে। সকাল শুরুই করতে হবে পানি পানের মধ্য দিয়ে।
✅ চিকিৎসকেরা পরামর্শ দেন প্রতিদিন ৬-৮ ঘণ্টা ঘুমানোর। কারও কারও এর বেশি সময়ও ঘুমের প্রয়োজন হতে পারে। ঘুমের এ সময় নির্ধারিত হবে বয়স ও শারীরিক কর্মকাণ্ডের ওপর ভিত্তি করে। তবে সাধারণত ৬ ঘণ্টার কম এবং ৮ ঘণ্টার বেশি না ঘুমানোই ভালো। নিয়ম করে নির্দিষ্ট সময় ঘুমাতে যেতে হবে এবং একই সময় ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করতে হবে। এতে প্রয়োজনীয় হরমোন নিঃসরণ ও তৈরি হয়ে শরীরের কাজগুলো ঠিকমতো ঘটতে থাকবে এবং ব্রণ হবে না।
✅ ফার্স্ট ফুড, ডিপফ্রাই করা খাবার, কোমল পানীয় বাদ দিয়ে স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে নিয়মিত। ফলমূল ও আঁশজাতীয় খাবার রাখতে হবে খাদ্যতালিকায়।
30/11/2022
🔰 ব্রণ থেকে মুক্তির ৬টি ঘরোয়া উপায়:
♻ সব বয়সের মানুষই ব্রণ বা ফুসকুড়ি সমস্যায় ভোগেন। অনেক চেষ্টা করেও বেশিরভাগ মানুষ এর থেকে মুক্তি খুঁজে পান না। এর ফলে ক্রমশ হতাশায় ভুগতে থাকেন। ব্রণ বা ফুঁসকড়ি সাধারণত গাল, কপাল, কাঁধ, বুক, নাক এবং গলায় হয়ে থাকে। চিকিৎসকরা জানান, হরমোনের পরিবর্তনের জন্য ব্রণ এর সমস্যা দেখা দেয়। ব্রণর সমস্যা সমাধানের জন্য অনেকেই অনেক ওষুধ ব্যবহার করে থাকেন।
কিন্তু তাতে বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। অথচ, আমাদের হাতের কাছে রয়েছে কিছু ঘরোয়া উপায়, যার মাধ্যমে কোন রকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই ব্রণ থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে।এবার জেনে নেয়া যাক সেগুলি কী কী
✅ টুথপেস্ট:
ব্রণ ও ব্রণের দাগ দূর করতে সবথেকে ভালো ঘরোয়া জিনিস হল টুথপেস্ট। সারারাত ত্বকের ক্ষতিগ্রস্থ জায়গা, যেখানে ব্রণ হয়েছে, সেখানে টুথপেস্ট লাগিয়ে রাখুন। সকালে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
✅ মধু
ত্বক পরিস্কার রাখতে মধুর গুরুত্ব অপরিসীম। ব্রণ-অ্যাকনের উপর মধু ব্যবহার করুন। একঘণ্টা পর পনি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
✅ লেবুর রস:
সমপরিমান লেবুর রস এবং গোলাপ জল মিশিয়ে ব্রণর জায়গায় ব্যবহার করুন। খুব সহজেই ব্রণর হাত থেকে মুক্তি পাবেন।
✅ রসুন-:
অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান হিসেবে রসুন ব্যবহার করা হয়। ব্রণর উপর সরাসরি রসুন বাটা ব্যবহার করুন। ১৫-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।
✅ ভিনেগার:
ভিনেগার ব্রণের সমস্যায় দারুণ কাজ করে। তুলোয় ভিনেগার লাগিয়ে ব্রণে লাগান। ৫ মিনিট লাগিয়ে ধুয়ে ফেলুন। পুরো মুখে ভিনেগার লাগাবেন না।
✅ ডিম:
ব্রণর জায়গায় ডিমের সাদা অংশ ব্যবহার করুন। এর পর সেটি শুকাদে দিন। টানা ৪ বার ব্যবহার করুন।
30/11/2022
🔰 ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে:
♻ ব্রণ নিয়ে অনেকেই দুশ্চিন্তায় ভোগেন! বিশেষ করে ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সী তরুনীদের এই
সমস্যা বেশি দেখা যায় । ব্রণ, অ্যাকনে বা পিম্পল যা ই হোক না কেন, এটি মুখের সৌন্দর্য্য
ম্লান করে দেয় ।
🔰 ব্রণের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ত্বক সবসময় পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করুন। জেনে নিন ব্রণ
থেকে চটজলদি মুক্তির কিছু ঘরোয়া উপায়:
✅ কাঁচা হলুদ ও চন্দনের গুঁড়ো ব্রণের জন্য খুবই উপকারী । এগুলো একসাথে মিশিয়ে পেস্ট
করে ত্বকে লাগান । শুধু ব্রণের দাগই দূর হবে না ত্বক ও উজ্জ্বল হবে ।
✅ পাকা টমেটো কেটে টুকরো করে যেখানে ব্রণ বা পিম্পলস আছে সেখানে কয়েক মিনিট
মাসাজ করুন । ব্রণের ব্যথা থাকলে কমে যাবে ।
✅ ডিমের সাদা অংশ ব্রণের জায়গায় লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট, উপকার পাবেন । বেশী করে
রসযুক্ত ফল ও দিনে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করুন।
✅ ব্রণের কালো দাগ দূর করতে ২ চা চামচ চীনাবাদাম বাটা ও দুধের সরের সাথে মিশিয়ে ১০-১৫
মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখুন ।
✅ ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে বাইরে থেকে এসে মুখ ভালোভাবে পরিষ্কার করুন । বরফ দিয়ে
প্রতিদিন ২ থেকে ৩ মিনিট মুখে মাসাজ করুন ।
✅ তুলসী পাতা ব্রণের জন্য খুব কার্যকরী । তুলসি পাতার রস ব্রণের জায়গায় লাগিয়ে রাখুন,
ব্রণের দাগ চলে যাবে ।
✅ রাতে ঘুমানোর আগে ভালো মানের নাইট ক্রীম মুখে লাগিয়ে ঘুমান, মুখে ব্রণ বা পিম্পলস
কিছুটা হলেও কমবে ।
30/11/2022
🔰 ব্রণ থেকে চিরতরে মুক্তির উপায়:
মানবদেহের ত্বকের গঠন বেশ বিস্ময়কর ও জটিল, যা সমস্ত শরীরকে ঢেকে রাখে। ত্বক মূলত তিনটি কাজ করে থাকে। যেমন দেহের অভ্যন্তরীণ গঠনকে রক্ষা করে। শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং কোষের অব্যবহৃত জিনিস বর্জন করে।
ব্রণ একটি সাধারণ অথচ দীর্ঘমেয়াদি ত্বকের সমস্যা। এটি বয়ঃসন্ধিক্ষণ এবং যৌবনের একটি অবাঞ্ছিত সমস্যা। এটিকে যত্নের সঙ্গে সারিয়ে না তুললে শেষ পর্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক অবস্থায় এসে দাঁড়ায়। সাধারণত ১১ থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত ব্রণ বেশি হতে দেখা যায়, তবে প্রাপ্ত বয়স্কদেরও ব্রণ হতে পারে।
ব্রণ দেখতে ছোট ছোট ফুসকুড়ি লালচে ছোট গোটা, পুঁজপূর্ণ বড় চাকার মতো হতে পারে। সাধারণত মুখে যেমন গাল, নাক, থুতনি ও কাপালে ব্রণ হয়। তবে শরীরের উপরের অংশে (ঘাড়, কাঁধে, বুকে) ও হাতের উপরের অংশেও হরহামেশাই ব্রণ হতে দেখা যায়।
🔰 ব্রণ কেন হয়:
✅ বয়ঃসন্ধির সময় হরমোন ক্ষরণ মাত্রার ভারসাম্যের অভাবে ত্বকের তেলগ্রন্থি থেকে তেল ক্ষরণের মাত্রা বেড়ে যায়। এতে লোমকূপ বন্ধ হয়ে প্রোপাইনো ব্যাকটেরিয়াম অ্যাকনে নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হয় এবং ব্রণের সৃষ্টি হয়।
✅ গরমে বেশি ঘামলে সেবেশাস ও তেলগ্রন্থির নালি বন্ধ হয়ে ব্রণ হতে পারে।
✅ নানারকম কসমেটিস ব্যবহার থেকেও ব্রণ হয়।
✅ মানসিক চাপ ও পর্যাপ্ত ঘুম না হলে, রাত জাগলেও, কোষ্ঠকাঠিন্যে ব্রণ হওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়।
✅ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাব ও মহিলাদের মাসিক ঋতুস্রাবের সঙ্গেও ব্রণ হওয়ার সম্পর্ক রয়েছে।
✅ গর্ভাবস্থায় হরমোনের মাত্রার পরিবর্তনের কারণেও ব্রণ হতে পারে।
✅ ঘন ময়েশ্চারাইজিং লোশন বা কড়া মেকআপ করলে।
✅ জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি, স্টেরয়েড, খিঁচুনি বা মানসিক রোগের ওষুধ খাওয়া থেকেও ব্রণ হতে পারে।
ব্রণ হলে করণীয়
✅ চিকিৎসকের পরামর্শে সাবান বা ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধোয়া।
✅ ব্রণে হাত বা নখ না লাগানো।
✅ তেল ছাড়া বা ওয়াটার বেসড মেকআপ ব্যবহার করা।
✅ মাথা খুশকিমুক্ত রাখার চেষ্টা করা।
✅ মানসিক চাপ পরিহার করা ও রাতে ঠিকমতো ঘুমানোর চেষ্টা করা।
✅ প্রচুর পানি, ফল ও সবজি খাওয়া।
🔰 কেন ব্রণের চিকিৎসা
চিকিৎসা না করালে অনেক সময় ব্রণ ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। ত্বকে গভীর প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে। ব্রণের ফলে চেহারা খারাপ দেখানোর কারণে হীনমন্য ও অন্যান্য সমস্যা হতে পারে। তাই শুরুতেই চাই সঠিক চিকিৎসা। প্রয়োজনে চিকিৎসার জন্য ডার্মাটোলজিস্টদের পরামর্শ নেয়া।
30/11/2022
🔰 ব্রণ হওয়ার কারণ:
✅ ব্রণ আমাদের সবার কাছে একটি আতঙ্কের নাম। ১২-১৩ থেকে ১৯-২০ বছর বয়সী যেসব ছেলেমেয়ে রয়েছেন, তাঁদের এই ব্রণজনিত সমস্যা আমরা প্রায়ই দেখি।
পুষ্টিবিদ নাহিদা আহমেদ বলেন, যাঁদের শরীরে হরমোনাল ইমব্যালান্স থাকে, তাঁদের সাধারণত ব্রণ হতে পারে। এ ছাড়া যাঁরা বিভিন্ন ধরনের স্টেরয়েড-জাতীয় খাবার বা ওষুধ গ্রহণ করেন, তাঁদেরও ব্রণজনিত সমস্যা দেখা দেয়। সৌন্দর্যচর্চা আমরা প্রতিনিয়ত বিউটি প্রডাক্ট ব্যবহার করে থাকি। সে ক্ষেত্রেও ত্বকে ব্রণ বা অ্যাকনিজনিত সমস্যা হতে পারে। আমরা অনেকেই হয়তো জানি না, ব্রণ হওয়ার পেছনে খাদ্যাভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সঠিক খাদ্যাভ্যাসের অভাবে বা অস্বাস্থ্যকর খাবারের কারণে আমাদের ব্রণ হতে পারে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
143. Shantibagh. Malibagh. Dhaka-1217
Ramna
