Health Tips
Health Tips আপনাকের সকলকে স্বাগতম আমাদের নিয়মিত পোষ্ট পেতে পেজটি ফলো করে রাখুন।
করোনার লক্ষণ
সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণগুলি হল:
জ্বর
ঠাণ্ডা লাগা
গলা ব্যথা
কম সাধারণ লক্ষণগুলি হল:
পেশী ব্যথা এবং ভারী হাত বা পা
তীব্র ক্লান্তি বা ক্লান্তি
নাক দিয়ে পানি পড়া বা বন্ধ হয়ে যাওয়া, অথবা হাঁচি
মাথাব্যথা
চোখ ব্যথা
মাথা ঘোরা
নতুন এবং ক্রমাগত কাশি
বুকে শক্ত হয়ে যাওয়া বা বুকে ব্যথা
শ্বাসকষ্ট
কঠোর কণ্ঠস্বর
অসাড়তা বা ঝিঁঝিঁ পোকা
ক্ষুধা হ্রাস, বমি বমি ভাব, বমি, পেটে ব্যথা বা ডায়রিয়া
স্বাদ বা গন্ধের অনুভূতি হ্রাস বা পরিবর্তন
ঘুমতে অসুবিধা
নিম্নলিখিত লক্ষণগুলি সহ ব্যক্তিদের তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সহায়তা নেওয়া উচিত:
নিম্নলিখিত লক্ষণগুলি সহ ব্যক্তিদের তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সহায়তা নেওয়া উচিত:
বিশেষ করে বিশ্রামের সময় শ্বাস নিতে অসুবিধা, অথবা বাক্যে কথা বলতে অক্ষম
বিভ্রান্তি
তন্দ্রা বা চেতনা হ্রাস
বুকে ক্রমাগত ব্যথা বা চাপ
ত্বক ঠান্ডা বা আঠালো হওয়া, অথবা ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া বা নীলাভ রঙ ধারণ
বাক্য বা নড়াচড়া হ্রাস
আমার সবচেয়ে নতুন সেরা ফ্যানদের অনেক ধন্যবাদ! Ghush Milton
21/12/2024
"ভারনিক্স" নামক শব্দটির সঙ্গে আমরা কতটা পরিচিত!!?
বাচ্চা জন্ম নেওয়ার পরে প্রায় সকল বাচ্চার শরীরে যে সাদা ময়লার মত পদার্থ দেখা যায় সেটাকে "ভারনিক্স "বলে। "ভারনিক্স " নামের পদার্থটি প্রায় সকল বাচ্চার শরীরেই দেখা যায়। কোন কোন বাচ্চা শরীরে এত ভারনিক্স নিয়ে জন্মগ্রহণ করে আবার কোন কোন বাচ্চা একেবারে পরিষ্কার থাকে।
এই ভারনিক্স টা সম্পর্কে অনেকে অবগত নয়, বাচ্চাকে মুছে যখন অভিভাবকদের কাছে দেওয়া হয় তখন শরীরে ভারনিক্স থাকলে তারা ভাবেন বাচ্চাকে ক্লিয়ারলি ক্লিন করা হয়নি বা নিজেরাই মুছতে বসে যান।
সৃষ্টির সবকিছুর পিছনেই গভীর রহস্য লুকায়িত আছে, তাঁর অসীম জ্ঞান বুঝার ক্ষমতা আমাদের কারোরি নেই!
সদ্যজাত শিশুর শরীরে ভারনিক্স নামের এক ধরণের তেল জাতীয় পদার্থ থাকে যা মায়ের গর্ভে থাকাকালীন তরল পদার্থ থেকে শিশুর ত্বককে রক্ষা করে। এটি অ্যান্টিবডির মত শিশুর রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
জন্মের পর পরই শিশুকে পরিষ্কার বা মোছার সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন ভারনিক্স ওঠে না যায়। (WHO) এর মতে শিশুর শরীরে ভারনিক্স কমপক্ষে ৬ ঘন্টা রাখা এবং সবচেয়ে ভালো হয় ২৪ ঘন্টা রাখলে।
28/09/2024
★সকল মেয়েদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, সচেতন হোন, সুস্থ থাকুন।
🙂 Be positive, think positive 😘
#মেয়েদের_যোনি_নিয়ে_একটি_গুরুত্বপূর্ণ_তথ্যঃ ❤
টাটা ক্যান্সার হাসপাতালের মেডিকেল অনুশীলন থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জরায়ু ক্যান্সার বেড়ে যাওয়ার কারন সমর্পক এ তারা গবেষনা করে দেখেছে যে,যেসব নারীরা সঠিক পন্থা অবলম্বন করে না তাদের যোনি তে ক্যান্সার সৃষ্টি হচ্ছে। যাহাতে একাধিক জীবন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে নিমেষের ভিতরে।
❌দয়া করে আপনার যোনি সাবান দিয়ে ধোবেন না।শুধুমাত্র পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন, সাবানের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট রাসায়নিক আছে, সাধারণত এটা খুবই বিপজ্জনক এবং এটা থেকেই ক্যান্সারের সৃষ্টি হয়ে থাকে।
📢একটি সমিক্ষাতে হুয়িস্পার, স্টেফ্রি,
সোফি,সেনোরার মতো প্যাডগুলিকে ব্যবহার করার কারণে ৫৫৬ জন জরায়ু ক্যান্সার এ মেয়ে মারা গিয়েছে।
❌একটি প্যাডকে আপনি সারাদিন ব্যবহার করবেন না,আপনি সেটিকে ৫ঘন্টা ব্যবহার করুন।হুয়িস্পারের মত প্যাড গুলিতে আল্ট্রা ন্যাপকিন ব্যবহার করা হয়, যা তরল ন্যাপকিনে রূপান্তরিত করে,এটি ব্লাডার ও জরায়ুতে ক্যান্সার সৃষ্টি করে । সুতরাং অনুগ্রহ করে কটন তৈরি প্যাড ব্যবহার করার চেষ্টা করুন এবং যদি আপনি আল্ট্রা প্যাড ব্যবহার করেন, তবে অনুগ্রহ করে ৫ ঘন্টার মধ্যে এটি পরিবর্তন করুন। । সময় যদি দীর্ঘায়িত হয় রক্ত সবুজ হয়ে যায় এবং ছত্রাক গঠন জরায়ু ও শরীরের ভিতরে প্রবেশ করে।
#লক্ষণ সমূহ:
১.যোনি থেকে সাদাস্রাবের মতো তরল বের হওয়া।
২.যোনিরস বের হওয়া বন্ধ হওয়া।
#সতর্কতাঃ
1⃣ কালো প্যান্টি পরবেন না।
2⃣ ভেজা প্যান্টি পরবেন না।
3⃣ যোনিতে কোন ক্যামিকেল ব্যবহার করবেন না।
4⃣ ফরেন অবজেক্ট ঢুকাবেন না।
#স্তন ক্যান্সার কিভাবে বন্ধ করবেন?
1⃣প্রতিদিন আপনার ব্রা ধুয়ে নিন ।
2⃣গ্রীষ্মে কালো ব্রা এড়িয়ে চলুন।
3⃣ঘুমানোর সময় ব্রা পরবেন না ।
4⃣খুব ঘন ঘন ব্রা পরবেন না ।
5⃣আপনি যখন সূর্যের নিচে থাকবেন তখন সবসময় আপনার ওড়না দিয়ে আপনার বুক পুরোপুরি ঢেকে রাখুন ।
6⃣একটি ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করুন, যেটি এন্টি antiperspirant নয় ।
সব মহিলাদের কাছে এটা পৌছান যাতে করে তারা এটি নিজে নিজেই যত্ন নিতে পারে।
এটি শেয়ার করতে লজ্জা করবেন না, সে ছেলে হোক কিংবা মেয়ে।
আমি প্রচারণা শুরু করলাম আপনিও শুরু করুন আপনার মা,বোন,স্ত্রীর কিংবা নিজের জন্য।
ধন্যবাদ সবাইকে।
#তথ্যঃ টাটা ক্যান্সার হাসপাতাল এর গবেষনা টিম।
#সংগৃহীত
জরায়ু ক্যান্সার প্রতিরোধে কিছু পদক্ষেপ নেওয়া যায়, যেমন:
🌑টিকাদান: মানব প্যাপিলোমাভাইরাস (HPV) এর বিরুদ্ধে টিকা নেওয়া। এই ভাইরাস জরায়ু ক্যান্সারের প্রধান কারণ।
🌑নিয়মিত স্ক্রিনিং:প্যাপ স্মিয়ার টেস্ট এবং HPV টেস্ট করার মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়ে জরায়ু ক্যান্সার শনাক্ত করা যায়।
🌑নিরাপদ যৌন সম্পর্ক:কনডম ব্যবহার করে এবং যৌন অংশীদার সংখ্যা কমিয়ে ঝুঁকি হ্রাস করা।
🌑ধূমপান ত্যাগ:ধূমপান জরায়ু ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।
🌑স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন:পুষ্টিকর খাবার খাওয়া, নিয়মিত ব্যায়াম করা এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা।
🌑দ্রুত চিকিৎসা:যেকোনো অস্বাভাবিক লক্ষণ যেমন অস্বাভাবিক রক্তপাত বা ব্যথা হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া।
এছাড়া নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো জরুরি, কারণ প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যান্সার শনাক্ত করা গেলে চিকিৎসা সহজ হয়।
11/07/2024
লেবুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং ফাইবার থাকে, এবং এতে অনেক উদ্ভিদ যৌগ, খনিজ এবং অপরিহার্য তেল রয়েছে। এই হলুদ ফলগুলির অনেক সম্ভাব্য স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। লেবু খাওয়া আপনার হৃদরোগ, ক্যান্সার এবং কিডনির পাথরের ঝুঁকি কমাতে পারে।
পুষ্টিগুণের তথ্য
লেবুতে খুব কম পরিমাণে চর্বি এবং প্রোটিন থাকে। এগুলি প্রধানত কার্বোহাইড্রেট (১০%) এবং পানি (৮৮–৮৯%) নিয়ে গঠিত।
একটি মাঝারি আকারের লেবু মাত্র প্রায় ২০ ক্যালরি সরবরাহ করে।
১/২ কাপ (১০০ গ্রাম) কাঁচা, খোসা ছাড়ানো লেবুর মধ্যে পুষ্টি উপাদানগুলি হল (১):
ক্যালরি: ২৯
পানি: ৮৯%
প্রোটিন: ১.১ গ্রাম
কার্বোহাইড্রেট: ৯.৩ গ্রাম
চিনি: ২.৫ গ্রাম
ফাইবার: ২.৮ গ্রাম
চর্বি: ০.৩ গ্রাম
“আজ ৭ এপ্রিল, বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য “My health, my right” ভাবানুবাদ “স্বাস্থ্য অধিকার নিশ্চিতে: কাজ করি একসাথে”।- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়”।
অনিয়মিত_পিরিয়ড কেন হয়?
জেনে নিন বিস্তারিত বলা হলো:-
১২-১৩ বছর বয়স থেকে ৪৫-৫০ বছর অবধি একজন নারীর প্রজননকাল। অর্থাৎ সন্তান ধারনের জন্য তাঁর শরীরে এই সময়ে প্রতি মাসে ডিম্বাণু তৈরি হয়। শুক্রাণুর সংস্পর্শে সেই ডিম্বাণু নিষিক্ত না হলে সেটা মাসিক রক্তস্রাবের মাধ্যমে নারীর শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। এই মাসিক চক্র বা পিরিয়ড সাইকেল হিসাব করা হয় এক চক্রের শুরুর দিন থেকে পরবর্তি চক্রের প্রথম দিন পর্যন্ত। কিন্তু নানা কারণে এই নিয়মে ছন্দপতন ঘটতে পারে বা অনেক সময় মাসের পর মাস পুরোপুরি মাসিক বন্ধ থাকতে পারে। রেগুলার পিরিয়ড সাইকেল এর গড় সময় ২৮ দিন ধরা হয়। নারীর শরীর ভেদে, আবহাওয়া কিংবা মাসের ভিত্তিতেও এটি পরিবর্তন হতে পারে। তবে সাধারণত ২৪-৩৮ দিনের সাইকেল হলেও তাকে রেগুলার পিরিয়ড হিসেবে ধরা হয়। এর কম বা বেশি হলে বা সাইকেল বার বার পরিবর্তন হলে তাকে ইরেগ্যুলার পিরিয়ড বলা হয়। নারী শরীরে অনিয়মিত বা ইরেগ্যুলার পিরিয়ড একটি প্রচলিত সমস্যা। আসুন জেনে নেই অনিয়মিত পিরিয়ড কেন হয় তাঁর কিছু কারণ।
অনিয়মিত পিরিয়ড হওয়ার কারণসমূহ
১) বয়ঃসন্ধিকাল
বয়ঃসন্ধিকাল অনিয়মিত পিরিয়ড হওয়ার কারণ -
বয়ঃসন্ধির শুরুতে সাধারণত ১২-২০ বছর বয়সে অনেকের শরীরে ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্ট্রেরন হরমোনের অভাব থাকে তবে পিরিয়ড অনিয়মিত হতে পারে। এছারাও জন্মগত ত্রুটির কারণেও পিরিয়ড অনিয়মিত হতে পারে।
২) জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল
জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল অনিয়মিত পিরিয়ড হওয়ার কারণ -
বিবাহিত নারীরা হঠাৎ জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল বন্ধ করে দিলে বা বার বার ওষুধ পরিবর্তন করলে পিরিয়ড অনিয়মিত হতে পারে।
৩) পিসিওএস বা পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম
পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম অনিয়মিত পিরিয়ড হওয়ার কারণ:👉
এটি একটি পরিচিত হরমোনের সমস্যা যা শতকরা ৮-১০ জন নারীরই আছে। এর ফলে প্রতি মাসে ওভারি থেকে ডিম্বাণু নির্গমন হয় না। এই ডিম্বাণুগুলো ওভারিতে সিস্ট তৈরি করে ওভারির চারপাশে জমা হয় এবং শরীরে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। হরমোনের ভারসাম্যহীনতার কারণে মাসিক সময় মত হয় না। কখনো কখনো বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
৪) মানসিক চাপ বা স্ট্রেস
মস্তিস্কে রয়েছে হাইপোথ্যালামাস নামের একটি বিশেষ অংশ, যেখান থেকে প্রতিনিয়ত নিঃসরিত হয় নানা ধরনের হরমোন। এর মধ্যে কিছু হরমোন রয়েছে, যা নারীদেহে মাসিকের জন্য প্রভাবকের কাজ করে। কিন্তু অতিরিক্ত মানসিক চাপে ভুগলে অনেক সময় হাইপোথ্যালামাস ঠিকমতো কাজ করে না। যার ফলে মাসিক শুরু হতে দেরি হয়।
৫) ওজন কম বা বেশি: ওজন অতিরিক্ত তারতম্য হলে পিরিয়ডের উপর প্রভাব পড়ে। অতিমাত্রায় স্থুল নারীদের ওভারির চারপাশে ফ্যাট জমে ওভুলেশন-এ সমস্যা হয়। যার ফলে পিরিয়ড নিয়মিত হয় না। একি সাথে আবার অতিমাত্রায় ক্ষীণ স্বাস্থ্যও পিরিয়ড অনিয়মিত করতে পারে।
৬) থাইরয়েড-এর সমস্যা
থাইরয়েড গ্ল্যান্ড যা আমাদের গলার নিচে অবস্থিত। এটি শরীরে মেটাবলিজম নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি দেহের অভ্যন্তরীণ কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে। থাইরয়েড গ্রন্থির যে কোন সমস্যার কারণে আপনার মাসিক অনিয়মিত হতে পারে।
৭) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা
অনিয়মিত মাসিক-এর আরেকটি প্রধান কারণ হলো অসুস্থতা। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে শরীর দূর্বল হয়ে পড়ে, যার কারণে পিরিয়ড অনিয়মিত হয়ে যায়।
৮) প্রি-মেনোপজ
সাধারণত ৫০ বছর থেকে মেনোপজ বা একবারে পিরিয়ড বন্ধ হয়। অনেক সময় ৪০ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যেই মেনোপজ শুরু হয়ে যেতে পারে। একে প্রি-মেনোপজ বলে। এই প্রি-মেনোপজ-এর সময় পিরিয়ড অনিয়মিত হয়।
৯) ব্রেস্ট ফিডিং
ব্রেস্ট ফিডিং-কে বলা হয় ন্যাচারাল কন্ট্রাসেপ্টিভ বা প্রাকৃতিক জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যাবস্থা। যেসব মায়েরা বাচ্চাদের বুকের দুধ খাওয়ান তাদের পিরিয়ড সাধারণত বন্ধ থাকে বা অনিয়মিতভাবে হয়।
১০) অতিরিক্ত ভারি ব্যায়াম
অতিরিক্ত ব্যায়াম করলে পিরিয়ড ইরেগ্যুলার হতে পারে বা দেরি করে হতে পারে। যারা রেসার, হেভি ওয়েট লিফটিং করেন বা অন্যান্য কারণে নিয়মিতভাবে কঠিন পরিশ্রম করেন, তারা এই সমস্যায় ভুগতে পারেন। কারণ অতিরিক্ত এক্সারসাইজ ইস্ট্রোজেন লেভেল কমায়। যার ফলে পিরিয়ড বন্ধ হতে পারে।
নিয়মিত পিরিয়ড না হলে অনেক ধরনের সমস্যা হয়। এক মাসে হলে দেখা যায় আরেক মাসে হয় না। অনেকের ক্ষেত্রে হয়তো দুই-তিন মাস পরপর পিরিয়ড হয়। কখনো অল্প রক্তপাত হয়, কখনো বেশি। সন্তান ধারণ ক্ষমতা হ্রাস প্রায়। অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণও হতে পারে। এছাড়াও অনেক সময় মেজাজ খিটখিটে হয়ে থাকে এবং অস্বস্তি বোধ তৈরি হয়।
কখন যাবেন ডাক্তারের কাছে?
সাধারণত জীবনে কিছু ক্ষেত্রে এমনিতেই অনিয়মিত পিরিয়ড হতে পারে। তাতে ভয়ের কিছু নেই। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে অনিয়মিত পিরিয়ড হলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে, যেমন:👉
১. যদি হটাৎ করে পিরিয়ড বেশি ইরেগুলার হয়ে যায়।
২. পর পর তিন মাস পিরিয়ড না হলে।
৩. যদি পিরিয়ড ২১ দিনের সাইকেলে হয়।
৪. পিরিয়ড সাইকেল ৩৫ দিনের বেশি হলে।
৫. যদি পিরিয়ডে অতিরিক্ত ব্যাথা থাকে বা অনেক বেশি হেভি ফ্লো থাকে।
৬. পিরিয়ড এক সপ্তাহের বেশি থাকলে।
৭. যদি ৪৫ বছর বয়সের আগে পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যায় বা ৫৫ বছর বয়সের পরেও পিরিয়ড হতে থাকে।
মাঝে মাঝে পিরিয়ড একটু আধটু অনিয়মিত হলে তাতে চিন্তার কিছু নেই। তবে পিরিয়ড আমাদের সমাজে একটি ট্যাবু। অনেক মেয়েরাই পিরিয়ড নিয়ে নানান সমস্যায় গোপনে দিনের পর দিন ভুগে যায় কিন্তু কাউকে কিছু বলে না। যার ফলে অনেক সময়ই মারাত্মক বিপদ নেমে আসে। তাই খুব বেশি অনিয়মিত পিরিয়ড হলে বা পিরিয়ড নিয়ে যে কোন কিছু অস্বাভাবিক মনে হলে সাথে সাথে একজন গাইনি বিশেষজ্ঞের সাথে যোগাযোগ করুন।
এন্ডোসকপি কি এবং কেন করা হয়?
এন্ডোসকপি একটি অত্যাধুনিক এবং সরাসরি দেখে রোগ নির্ণয়ের পরীক্ষা যা দ্বারা গলা, খাদ্যনালী, পাকস্থলী ও ডিওডেনামের দ্বিতীয় অংশ পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ করা যায় এবং এখানে কোন ঘা বা আলসার, টিউমার বা ক্যান্সার, পলিপ, রক্তপাত, খাদ্যনালী পাকস্থলী বা ডিওডেনাম চেপে যাওয়া
অথবা লিভার সিরোসিসের প্রতিক্রিয়ায় খাদ্যনালীর নীচের অংশের রক্তনালী ফুলে যেয়ে যে ভ্যারিক্স তৈরি করে তা দেখা যায়।
এই পরীক্ষার মাধ্যমে রোগ নিরূপণ ছাড়াও উল্লেখিত অংশসমূহের অনেক রোগের সফল ও কার্যকরী চিকিৎসা প্রদান সম্ভব।
এন্ডোসকপি কেন প্রয়োজন?
(১) খাদ্য গলাধঃকরণে অসুবিধা
(খাদ্যনালীর ক্যান্সার, পলিপ, স্ট্রিকচার, রিফ্লাক্স
ইসোফ্যাজাইটিস, আলসার, অ্যাকালেশিয়া কার্ডিয়া, ডাইভার্টিকুলাম ইত্যাদি রোগ নিরূপণ)
(২) রক্তবমি হলে তার কারণ নির্ণয়সহ রক্তক্ষরণ বন্ধের তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া
(যেমন EVL, EST, APC ইত্যাদি)
(৩) পেটের উপরিভাগে ব্যথা, পেট ফেঁপে থাকা, খালি পেটে কিংবা খাওয়ার পরে বমি হওয়া
(পাকস্থলী ও ডিওডেনামের আলসার, ক্যান্সার, পাকস্থলীর বহিঃমুখ সরু হয়ে যাওয়া বা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণসহ আরও অনেক রোগের কারণ নির্ণয় করা)
(৪) খাদ্যনালী থেকে অপ্রয়োজনীয় বাহ্যিক পদার্থের অপসারণ
(যেমন মাছের কাঁটা, মাংসের হাড়, মাংসপিণ্ড, মার্বেল, পয়সা, ব্যাটারি, বোতাম, নাকফুল, কানের দুল, কৃত্রিম দাংতের অংশবিশেষ, তারকাটা, পিন, হিজাবের পিন ইত্যাদি)
(৫) H. Pylori ইনফেকশন সনাক্ত করা,
(৬) আলসার টিউমার বা ক্যান্সার থেকে বায়োপসি নেয়া,
(৭) পলিপ অপসারণ,
(৮) রক্তপাত বন্ধে অ্যাড্রেনালিন ইনজেকশন দেয়া,
(৯) সংকুচিত খাদ্যনালীর প্রসারণসহ আরও অনেক চিকিৎসা এন্ডোসকোপের মাধ্যমে করা সম্ভব।
ডাঃ এম সাঈদুল হক
সহকারী অধ্যাপক, লিভার বিভাগ,
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
চীফ কনসালট্যান্ট, ঢাকা গ্যাস্ট্রো-লিভার সেন্টার।
প্রশ্নঃ প্রচুর পরিমাণে মাথার চুল পড়তেছে , কি করা উচিত ?
চুল পড়ার প্রধান কয়েকটি কারনঃ
১. পানির কারনে
২. পুষ্টিকর খাওয়ার অভাব
৩. থাইরয়েড হরমোনের সমস্যা
৪. শরীরে আয়রন কম
৫. ভিটামিন ডি এর অভাব
৬.জেনেটিক
- যে কোনো কারনে হতে পারে।
✅কিছুদিন বাদাম, ডিম, দুধ খান। পাশাপাশি আয়রন জাতীয় খাবার খান।
✅যেহেতু খুশকি নাই,আর নরমাল শ্যাম্পু ব্যবহার করুন।
✅ একমাস ই-ক্যাপ ক্যাপসুল কেটে সপ্তাহে ২-১ দিন চুলের গোড়ায় দিন।
✅২ সপ্তাহে অবস্হা পরিবর্তন না হলে, চর্ম ডাক্তার দেখান।
মনে রাখবেন, পৃথিবীর কোন ঔষধ নেই যেটা আপনার উচ্চতা বাড়াতে সাহায্য করবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Rangpur
