Homoeo Medicine Centre
❤️হোমিওপ্যাথিতে রোগের নয়-রোগীর চিকিৎসা করে।
❤️
❤️ রোগীকে চিকিৎসা কর পূর্ণাঙ্গভাবে আংশিক ভাবে নয়।
❤️২৮/০৪/২৬, মঙ্গলবার। ❤️
❤️নিয়মিত রোগী দেখা চলছে ❤️
❤️হোমিও মেডিসিন সেন্টার ❤️ গোবিন্দপুর, জিরনগাছাচৌমুহনী, কালীগঞ্জ কুশুলিয়া সড়ক, কালিগঞ্জ সাতক্ষীরা।
❤️দীর্ঘ চার বছর পর নিয়মিত রোগী দেখা চলছে। বাসায়ও রোগী দেখা হয়।
❤️ডাক্তার এস এম নজরুলইসলাম, বিএ,ডি,এইচ,এম,এস,(বি,এইচ,বি,-ঢাকা।
( ৪০ বছরের অভিজ্ঞ )
❤️ক্লাসিক ও রিয়েল হোমিও প্যাতিক পদ্ধতিতে দুরারোগ্য রোগীদের যত্ন সহকারে চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়।
❤️দরিদ্র রোগীদের যাবতীয় সুযোগ সুবিধা প্রদান করা হয়। ফোন করে আসুন
❤️০১৭১৮ ৩০৪৩৪২ ❤️
মানুষের চিকিৎসা সেবায়
একটি বিশ্বস্ত
হোমিও প্রতিষ্ঠান।
❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️
ডাক যোগে রোগী লিপি বা রোগের বিবরণ সংগ্রহ করে ঔষধ পাঠানোর মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়।
❤️
যোগাযোগ:
মোবাইল
❤️০১৭১৮ ৩০৪৩৪২ ❤️
❤️❤️❤️❤️❤️
18/05/2025
হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা সম্পর্কে আপনার ধারণা কী? অনেকে বলেন ওটা নাকি চিকিৎসা বিজ্ঞানের মধ্যে ধরা যায় না। পক্ষে বা বিপক্ষে একটু বিশদে বলবেন কি?
হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক ডা. স্যামুয়েল হ্যানিম্যান এ্যালোপ্যাথি চিকিৎসাশাস্ত্রে লেখাপড়া করে ডাক্তার হন এবং এ্যালোপ্যাথি চিকিৎসা পদ্ধতি অনুযায়ী রোগীদের সেবা প্রদান করতেন। চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি তিনি গবেষণা ও চিকিত্সার বইয়ের অনুবাদ করেছেন। গবেষণার এক পর্যায়ে তিনি এ্যালোপ্যাথিতে ক্ষতিকর সাইড এ্যাফেক্টের বিষয় দেখতে পান। এতে তিনি এলোপ্যাথিক চিকিৎসা পদ্ধতি পরিত্যাগ করেন। সাইড এ্যাফেক্টের কারণ নির্ণয়ের গবেষণার মাধ্যমে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার সূত্র আবিষ্কার হয়। পেরুভিয়ান কফি বা সিঙ্কোনা গাছের বাকল নিয়ে গবেষণা করতে করতে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা উদ্ভব হয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে ১৭৯০ সালে মানবদেহে পরীক্ষামূলক পদ্ধতির প্রয়োগ শুরু হয়।
সুস্থ মানুষের ওপর ওষুধ প্রয়োগের ফলাফল হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার মূলনীতি। এতে বলা হয় যে, কোন লোকের ওপর একটি ওষুধ বেশি মাত্রায় প্রয়োগ করলে যেসব প্রতিক্রিয়া ঘটায়, কম মাত্রার ওই ওষুধ প্রয়োগে সেগুলি দূরীভূত হয়। অর্থাৎ শক্তিকৃত ঔষধটি এই হোমিও ফর্মুলায় প্রয়োগ করলে রোগ সেরে যাচ্ছে কিন্তু কিভাবে মানব শরীরে কাজ করছে সেটা গবেষনার জন্য আজও কোন ফাণ্ড নেই তাই গবেষণাও নেই। যেহেতু ফর্মুলা আছে এবং রোগও সেরে যাচ্ছে তাই ঔষধ কিভাবে কাজ করছে - এই বিষয়টি নিয়ে হোমিওপ্যাথির লোকজনও মাথা ঘামান না। হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় অত্যন্ত অল্পমাত্রার ওষুধ ব্যবহূত হয় এবং বহু বছর অসংখ্য রোগী গার ওপর এগুলির প্রয়োগ বন্তুত ব্যবহার ও নিরাময়ের মধ্যে এক ধরনের কার্যকারণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করেছে, আর এটিই পৃথিবীর বিভিন্ন অংশে হোমিওপ্যাথির প্রসার ঘটিয়েছে। আর রোগ না সারলে বিগত প্রায় ২০০ বছর যাবৎ এই চিকিৎসা পদ্ধতি এমনি টিকে আছে - এমনটি কোন মূর্খও মনে করবে না।
১৮২৫ সালে আমেরিকায় হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা শুরু হয় এবং নিরুৎসাহ করা এবং এলোপ্যাথিক ঔষধ কোম্পানির নিয়োগ করা লোকজনের অপপ্রচার সত্ত্বেও আজ পর্যন্ত তা চালু আছে এবং দিন দিন আরো বেশি জনপ্রিয় হচ্ছে। উন্নয়নশীল দেশে এটি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য অন্যতম প্রধান বিকল্প চিকিৎসা। ভারত উপমহাদেশে হোমিওপ্যাথি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং বিশ শতকে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশেও বহুকাল থেকেই এই চিকিৎসা চলছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে উদ্ভিজ্জ বা সাধারণ রাসায়নিক পদার্থ থেকে কনসেনট্রেট (concentrate) হিসেবে এই ওষুধ তৈরি করা হয় এবং চিকিৎসকরা গাইড বুকের নির্দেশ অনুযায়ী সেগুলি প্রয়োজন মতো লঘুকৃত করেন। আনুষ্ঠানিক শিক্ষাদানের জন্য হোমিওপ্যাথি কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং হোমিওপ্যাথির উচ্চতর বিষয় ইউনিভার্সিটিতে পড়ানো হয়। হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা সম্পর্কে বিবিসির রিপোর্ট দেখুন...
জেনে রাখা ভালো, একটা নির্দিষ্ট ট্রিটমেন্ট সিস্টেম সকল রোগের চিকিৎসা দিতে পারে না। আর তাই আবিষ্কৃত হয়েছে আরো বহু চিকিৎসা পদ্ধতি। তাই সবগুলি থেকেই আপনি সময়ে সময়ে উপকার পেতে পারেন। জেনে রাখা ভালো, আমাদের সমাজে যে এলোপ্যাথিক সিস্টেম প্রচলিত রয়েছে সেই এলোপ্যাথিক সিস্টেমে ৫০% ক্রনিক রোগেরই কোন স্থায়ী চিকিৎসা নেই। এই সিস্টেম আপনার মৃত্যুর দিন পর্যন্ত আপনাকে ঔষধ খাওয়াবে এবং ব্যবসা করে যাবে। তাছাড়া বহু রোগ রয়েছে যেগুলির কোন এলোপ্যাথিক ঔষধই নাই, কাটা ছেড়া করে ঠিক করা হয়ে থাকে। অথচ এই রোগগুলি অন্য একটি ট্রিটমেন্ট সিস্টেম ঠিকই সারিয়ে তুলছে।নানা প্রকার রোগ জটিলতা, ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, দুরারোগ্য রোগ আরোগ্যে ব্যর্থতা ইত্যাদি নানা কারণে হোমিওপ্যাথিসহ আরো অনেক চিকিৎসা পদ্ধতির আবিষ্কার হয়েছে। চিকিৎসা পদ্ধতিগুলির মধ্যে শুধু মাত্র হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পদ্ধতিই সার্জারী বহির্ভুত প্রায় ৯০% রোগের চিকিৎসা দিতে পারে যা একক ভাবে অন্য কোন চিকিৎসা পদ্ধতি দিতে পারে না। তবে বহু রোগের তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দিতে এলোপ্যাথিক সিস্টেম কার্যকর। কিন্তু ক্রনিক রোগের চিকিৎসা দিতে হোমিওপ্যাথি কার্যকর।
"The highest ideal of cure is the rapid, gentle, and permanent restoration of health."
– (ডাঃ স্যামুয়েল হ্যানিম্যান)
"চিকিৎসার সর্বোচ্চ আদর্শ হলো দ্রুত, কোমল ও স্থায়ীভাবে সুস্থতা ফিরিয়ে আনা।"
❤️হোমিওপ্যাথিতে রোগের নয়-রোগীর চিকিৎসা করে।
❤️
❤️ রোগীকে চিকিৎসা কর পূর্ণাঙ্গভাবে আংশিক ভাবে নয়।
03/12/2024
মোহাম্মদ (সাঃ) আয়েশা (রাঃ) কে ৬ বছর বয়সে বিবাহ করে এবং
৯ বছর বয়সে মা আয়েশা (রাঃ) সাথে সংসার জীবন শুরু করে..
সে সময়ে নারীদের এমন বয়সেই বিবাহ হতো,, সে কালে নারীরা এরকম বয়সেই প্রাপ্তবয়স্কা হতো,,
চলেন আমরা,, হিন্দু ধর্মের কিছু ইতিহাস জেনে আসি... হিন্দু ভাই / বোনেরা যাদের কে উপাসনা করে/ দেবতা মানে,, তাদের ইতিহাস...
রামচন্দ্র যখন সীতাকে বিয়ে করে,,তখন সীতার বয়স ছিল ৬ বছর,, রেফারেন্স ( স্কন্দ পুরাণ, ৩.২.৩০.৮-৯) ও বাল্মিকীর রামায়ণ, অরন্য খন্ড ( ৩.৪৭.৩ -১০),, তারা জয় শ্রী রাম বলে যাদের উপাসনা করে,, তাদের ঈশ্বর ৬ বছরের সীতা কে বিয়ে করে শিশু কামী হলো না..!!! আর মোহাম্মদ সাঃ ৬ বছরে বিয়ে করে ৯ বছর বয়সে সংসার করাই,, মোহাম্মদ সাঃ শিশুকামী হয়ে গেলো..!!!
তার পর আসেন,,
শ্রী কৃষ্ণ যখন রুক্মিণী কে বিয়ে করে,, তখন তার বয়স ছিল ৮ বছর,, রেফারেন্স ( স্কন্দ পুরাণ ৫.৩.১৪২.৮-৭৯)
শ্রী কৃষ্ণ যখন রুক্মিণীর সাথে যৌনক্রিয়া শুরু করে,তখন
সে পরিপূর্ণ ভাবে বেড়ে উঠিনি এবং যৌনতা সম্পর্কে তার কোনো জ্ঞান ছিল না, ফলে শ্রী কৃষ্ণ যৌনক্রিয়া করাই রুক্মিণী জ্ঞান হারিয়ে ফেলে,, রেফারেন্স ( ব্রাহ্ম, বৈবর্ত পুরাণ কৃষ্ণ জন্ম খন্ড ১১২,১-১০) ,, তাদের ঈশ্বর ৮ বছরের রুক্মিণী কে বিয়ে করে শিশুকামী হলো না,, মোহাম্মদ সাঃ শিশুকামী হয়েগেলো.!!
শিব যখন পার্বতী কে বিয়ে করে, তখন তার বয়স ছিল ৮ বছর
রেফারেন্স ( শিব পুরাণ, রন্দ্র সংহিতা পার্বতী খন্ড ৩.১১,১-২)
তাদের ঈশ্বর শিশুকামী হলো না,, মোহাম্মদ সাঃ শিশুকামী হয়েগেলো..!!!
এইতো কয়েক বছর আগের ঘটনা,,
রবিন্দ্রনাথ ১০ বছর বয়সের ম্রিনালি দেবী কে বিয়ে করে এবং
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ৫ বছরের এক মেয়েকে বিবাহ করে,,
যাকে সাহিত্য সম্রাট বলে থাকি,,তারা শিশু কামী হলো না,,মোহাম্মদ সাঃ শিশুকামী হয়ে গেল..!!
চলেন ১০০ থেকে ২০০ বছর আগে মানুষের বিবাহের গল্প শুনে আসি,, মাত্র ১৩০ বছর আগে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বিয়ের সর্বনিম্ন বয়স ছিল
ডেনমার্ক - ১২ বছর,,রাশিয়া - ১০ বছর,, ফ্রান্স - ১০ বছর,
কানাডা - ১২ বছর, ক্যালোফোর্নিয়া - ১০ বছর,, তার মানে ১৮৮০ - ১৯২০- ২০০৭ সালে মেয়েদের বিবাহের গড় ছিল (১০,১১,১২) বছর, , এটা ২০০/১০০ বছর আগে বিয়ে ঘটনা,, আর মোহাম্মদ সাঃ তো ১৪০০ বছর আগে বিয়ে করেছিলেন,, তাহলে সে সময়ে বিয়ের গড় কেমন হবে চিন্তা করেন..!!
তার চেয়ে মজার বিষয় হলো,, আগের কালের কাফের মুশরিকরা নবীজি কে,, পাগল/ জাদুঘর / গনক বলে মিথ্যাচার করতো, কিন্তু নারীলোভী / শিশুকামী বলে গালি দিত না..কেন জানেন,, কারণ তারা ভালো ভাবেই জানতো যে মোহাম্মদ সাঃ এর ধারেকাছেও ছিলো না,, নবীজি কে কাফেরা অফার করেছিলো,, আরবে সব সুন্দরী নারী তার হাতে তুলে দিবে,,যাতে মানুষকে তিনি আল্লাহর পথে আহ্বান না করেন,,কিন্তু তাদের এরকম অফার ব্যর্থ হলো,, ভালোভাবে লক্ষ্য করে দেখেন,,তারা মোহাম্মদ সাঃ কে নানা ভাবে মিথ্যাচার করতো,,কিন্ত ৬ বছরের আয়েশা রাঃ বিয়ে করে ৯ বছর বয়সে সংসার জীবন যদি আপরাধ হতো,,!! তাহলে আগের কালের কাফের মুশরিকরা কিন্তু ছেড়ে দেওয়ার পাত্র ছিলেন না,,কিন্তু তারা এরকম বলেন নি কেন,,কারণ আগের কালে আরব দেশের ৬-৮ বছর বয়সেই বিবাহ হতো,,এবং এই বয়সই ছিল,, তাদের প্রাপ্ত বয়স,,
এইতো কয়েক বছর আগের ঘটনা,, যে সময় হিন্দু সমাজে ১১ বছর বয়সী মেয়েদের বিয়ে না দিতে পারলে,, তাদেরকে অভিশাপ মনে করতো,এবং অভিবাকের নরকে যাওয়ার হুমকির প্রথাও চালু ছিলো,, আর মোহাম্মদ সাঃ তো ১৪০০ বছর আগে বিবাহ করে ছিলেন,, তাহলে ভেবে দেখুন,, ১৩০ বছর আগের মেয়েদের যদি ৮-১০ বছর বয়সে বিবাহ হয়,,তাহলে ১৪০০ বছর আগে মেয়েদের প্রাপ্ত বয়স কত ছিলো..!!!
তুমি মহারাজ, সাধু হলে আজ,,আমি চুর বটেই..!!!
06/07/2023
ডিপ্লোমা ইন হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন এন্ড সার্জারি কোর্সের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হল।
আগ্রহী ছাত্র-ছাত্রীদেরকে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল সমূহে ভর্তির জন্য অনুরোধ করা হলো।অনুমোদিত কলেজের ঠিকানা বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ডের ওয়েবসাইট এ দেওয়া আছে।
www.homoeopathicboardbd.org
❤️সিয়াম পালন করলে আমরা মোত্তাকি হবো, কিভাবে হব? প্রত্যেকে যে যা বুঝেছেন ব্যাখ্যা করুন।❤️
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Kaliganj
Satkhira
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 19:00 |
| Tuesday | 09:00 - 19:00 |
| Wednesday | 09:00 - 19:00 |
| Thursday | 09:00 - 19:00 |
| Saturday | 09:00 - 19:00 |
| Sunday | 09:00 - 19:00 |
