Mehedi by Nahar
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Mehedi by Nahar, Savar.
02/07/2026
অদৃশ্য জীবাণুর বাহক কাগজের টাকা: প্রতিদিন কতটা স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে আমাদের টাকা???
বিশেষ প্রতিবেদন | সাভারের খবর
২ জুলাই ২০২৬
প্রতিদিন একজন মানুষ গড়ে কয়েকবার কাগজের টাকা লেনদেন করেন। বাজার, গণপরিবহন, হাসপাতাল, ওষুধের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁ, কাঁচাবাজার কিংবা ফুটপাতের দোকান—একটি নোট দিনে অসংখ্য মানুষের হাত ঘুরে বেড়ায়। কিন্তু এই বহুল ব্যবহৃত কাগজের টাকাই যে অদৃশ্যভাবে বহন করতে পারে নানা ধরনের ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক (ফাঙ্গাস) এবং কিছু ক্ষেত্রে ভাইরাসের কণা—সেই বিষয়টি নিয়ে জনসচেতনতা এখনও খুবই সীমিত।
আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, প্রচলিত কাগজের নোটে বিভিন্ন ধরনের অণুজীবের উপস্থিতি পাওয়া যায়। পুরোনো, ছেঁড়া ও ময়লাযুক্ত নোটে জীবাণুর পরিমাণ তুলনামূলক বেশি থাকে। গবেষকদের মতে, টাকা যেহেতু দীর্ঘ সময় ধরে এক ব্যক্তি থেকে আরেক ব্যক্তির হাতে যায় এবং সাধারণত কখনো পরিষ্কার বা জীবাণুমুক্ত করা হয় না, তাই এটি সংক্রমণ ছড়ানোর একটি সম্ভাব্য বাহক (Fomite) হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
বাংলাদেশেও পরিচালিত এক গবেষণায় প্রচলিত টাকার বড় একটি অংশে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়েছে। বিশেষ করে নিম্নমূল্যের নোট, যেগুলো সবচেয়ে বেশি হাতবদল হয়, সেগুলোতে জীবাণুর উপস্থিতি তুলনামূলক বেশি ছিল।
তবে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় স্পষ্ট করেছেন—কাগজের টাকা স্পর্শ করলেই কেউ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে যাবেন, এমন বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি হয় তখনই, যখন টাকা স্পর্শ করার পর অপরিষ্কার হাত দিয়ে চোখ, নাক বা মুখ স্পর্শ করা হয় অথবা হাত না ধুয়ে খাবার গ্রহণ করা হয়। অর্থাৎ, কাগজের টাকার চেয়ে বড় ঝুঁকি হলো অপরিষ্কার হাত।
স্বাস্থ্যবিদদের মতে, মাছ-মাংস বিক্রেতা, কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ী, গণপরিবহনের কর্মী, হাসপাতালের আশপাশের দোকানদার, রাস্তার খাবার বিক্রেতা এবং যারা একই সঙ্গে টাকা ও খাদ্যদ্রব্য স্পর্শ করেন—তাদের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করলে সংক্রমণের ঝুঁকি আরও বেড়ে যেতে পারে।
বিশ্বজুড়ে এখন অনেক দেশ নগদ অর্থের পাশাপাশি ডিজিটাল লেনদেনকে উৎসাহিত করছে। তবে নগদ টাকা পুরোপুরি বাদ দেওয়া সম্ভব না হওয়ায় বিশেষজ্ঞরা ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাকেই সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ:-
🖋️ টাকা লেনদেনের পর সাবান দিয়ে অন্তত ২০ সেকেন্ড হাত ধুয়ে নিন।
🖋️ হাত ধোয়ার আগে চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন।
🖋️ খাবার পরিবেশন বা গ্রহণের সময় একই হাতে টাকা ও খাদ্য স্পর্শ করবেন না।
🖋️ সম্ভব হলে মোবাইল ব্যাংকিং বা অন্যান্য ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবহার করুন।
🖋️ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখা উচিত।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের ভাষায়:-
"কাগজের টাকা শত্রু নয়, তবে অসচেতনতা অবশ্যই শত্রু।" তাই আতঙ্ক নয়, প্রয়োজন বৈজ্ঞানিক তথ্যভিত্তিক সচেতনতা এবং ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অভ্যাস।
━━━━━━━━━━━━━━━
সাভারের খবর © ২০২৬
সাভার ও আশুলিয়ার প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ, ব্রেকিং আপডেট এবং জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট খবর সবার আগে পেতে Follow দিয়ে যুক্ত থাকুন "সাভারের খবর" পরিবারের সঙ্গে।
#সাভারের_খবর #বিশেষ_প্রতিবেদন #স্বাস্থ্যসচেতনতা #কাগজের_টাকা #ব্যাকটেরিয়া #ভাইরাস #জনস্বাস্থ্য #হ্যান্ডহাইজিন #পরিচ্ছন্নতা #গবেষণা #বাংলাদেশ #স্বাস্থ্য_সুরক্ষা #টাকা #টাকাইসব #ঢাকাপ্রেসক্লাব #সাভারপ্রেসক্লাব
26/03/2026
ঈদে নানার বাসার থেকে নিখোঁজ
সাভার আক্রাইন নৌবাহিনীর প্রজেক্ট এরিয়া থেকে সুবাহ নামের ৭-৮ বছর বয়সী কন্যা সন্তানটি হারিয়ে গিয়েছে।
আপনার একটি শেয়ার হয়তো শিশুটি কে পাওয়া যেতে পারে।
যোগাযোগ : পিতা সিরাজুল ইসলাম 01674854527
06/03/2025
বেঁচে থাকাটাই আসলে আশ্চর্য !
সকালে ঘুম থেকে উঠে কোলগেট পেস্ট নিলাম-তার মধ্যে ক্যান্সারের উপাদান!
তারপর নাস্তায় পরোটা খাইলাম- তার মধ্যে অ্যামোনিয়ার তৈরি সল্টু মিশানো!
তারপর কলা খাইলাম - কার্বাইড দিয়ে পাকানো!
তারপর কফি নিলাম - এতে তেঁতুলের বিচির গুড়া মিশানো!
তারপর বাজারে গেলাম টাটকা শাক সবজি কিনলাম-
কপার সালফেট ছিটায়ে সতেজ করা, হাইব্রিড সার দিয়ে ফলানো!
মসলা আর হলুদের গুড়া নিলাম - লেড এবং ক্রোমাইট ক্যামিকেল মিশানো!
গরমের দিন বাসায় এসে তরমুজ খাইলাম - পটাশিয়াম পারম্যাংগানেট দিয়ে লাল করা!
আম এবং লিচু বাচ্চাকে দিলাম খেতে - কার্বাইড দিয়ে পাকানো এবং ফরমালিন দিয়ে সংরক্ষিত!
দুপুরে ভাত খাবো - ইউরিয়া দিয়ে সাদা করা!
মুরগী নিলাম প্লেটে- ক্রমাগত এন্টিবায়োটিক দিয়ে বড় করা!
সয়াবিন তেলে রান্না সব - ভিতরে অর্ধেক পাম অয়েল মেশানো!
খাওয়ার পর মিষ্টি জিলাপি নিলাম - পোড়া মবিল দিয়ে মচমচে করা!
রোজা থাকলে সন্ধ্যায় রুহ আফযা নিলাম - ক্যামিকেল আর রং ছাড়া কোন পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়নি পরীক্ষায়!
খেজুর খাইলাম - বছরের পর বছর স্টোরেজে ফরমালিন দিয়ে রেখেছিলো!
সরিষার তেল দিয়ে মুড়ি মাখানো খাইলাম- মুড়ি ইউরিয়া দিয়ে ফুলানো আর সাদা করা এবং সরিষার তেলে ঝাঁঝালো ক্যামিকাল মিশানো!
রাতে আবার একই বিষ ডবল খাইলাম!
ঘুমানোর আগেও বাদ যাবেনা। গরম দুধ আর হরলিক্স খাইলাম- গাভীর পিটুইটারি গ্রন্থিতে ইঞ্জেকশন দেওয়ার পর অতিরিক্ত দুধ দোওয়ানো হয়, এরপর ইউরিয়া মেরে সাদা করা হয়।আর হরলিক্সে পরীক্ষা করে ক্যামিকাল ছাড়া কোন পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়নি!
এত ভেজাল খেয়ে দু একটা ঔষধ না খেলে তো শরীর টিকবেনা। ৭০ ভাগ ঔষধ কোম্পানি দেশে মান সম্মত ঔষধ তৈরি করেনা।
এইসব খাওয়ার পর ভাবতেছি, কেমনে বেঁচে আছি!..মানুষের ঈমান তো নাই নাই, দুর্নীতির ভিতরেও এরা দুর্নীতি করে। আসলে আমরা কেউই বেঁচে নাই।
ভালো লাগলে শেয়ার করবেন পোস্ট টা।
09/08/2024
ওনাদের স্থায়ী ভাবে ট্রাফিকের দায়িত্ব দেয়া হোক , তাহলে ওনাদের একটি সুন্দর কর্মসংস্থান হবে।
স্হায়ী কোনো পেশায় কাজ করার সুযোগ পেলে তারা আর হাততালি দিয়ে টাকা নিবে না।
ট্রাফিক সিগনাল ৮ই আগস্ট ২০২৪
10/06/2024
বাঙালি মেক্সিমাম পুরুষদের স্ত্রীকে আলাদা হাত খরচ দেয়ার অভ্যাস নেই।কারণ অনেক ছেলেই তার বাবাকে দেখেনি মাকে আলাদা খরচ দিতে,বাবাকে দেখেনি মায়ের জন্য পছন্দের কিছু কিনে নিয়ে আসতে(ব্যতিক্রম আছে তবে হাতেগোনা)।অনেক স্বামীরা স্ত্রীকে বলে তোমার প্রয়োজন হলে আমাকে বলবে।অথচ বেশীরভাগ মেয়েই লজ্জা ও সংকোচে স্বামীকে অনেক কিছুই বলে না।অনেক মেয়েরা নিজের প্রয়োজন নিজের বাবা ও ভাইয়ের কাছেই বলেনা।সেখানে বিয়ের পর হাজবেন্ডকে কিভাবে বলবে??
তাছাড়া স্ত্রীর ইচ্ছে হতে পারে দান সাদকা করতে,প্রিয়জনদের ছোটখাটো গিফট দিতে,পছন্দের বই কিনতে।ভাবে মেয়ে বাসায় আছে টাকা লাগবে না,অথচ একটা মেয়ের কি আসলেই কিছুর প্রয়োজন হয় না??
ছেলে বাড়িতে থাকলেও হাত খরচ পাবে,মেয়ে মানুষের কিসের খরচ??মেয়েরা বাড়িতে থাকে তাই তাদের টাকার প্রয়োজন নেই এটা একটা অযৌক্তিক কথা।প্রয়োজনে ভিক্ষুককেও টাকা দেয়ার টাকাও অনেক মেয়েদের থাকেনা।
কয়জন বাবা,ভাই,স্বামী তার মেয়ে,বোনকে,স্ত্রীকে হাতখরচের টাকা দিচ্ছে??হাত খরচ দেয়ার কথা অনেক পুরুষদের মাথায় ই থাকেনা।বাসায় খাচ্ছে পরছে আবার টাকা লাগবে কেন??
পরিবার থেকেই আগলে রাখুন নারীদের।আপনি নিজের মেয়ের জন্য সব করবেন,স্ত্রীর জন্য কিছুই না।এটা কখনোই ইসলাম বলেনা।.
জননীর কদর নেই।জননীর বাচ্চার কদর!!!!ইসলাম নারীর যে অধিকার দিয়েছে একজন পুরুষ হিসেবে নিজের ঘরেই সে অধিকার প্রতিষ্ঠা করেন।
নিজের ঘরের মেয়েদের কে সামান্য করে হলেও হাত খরচের অভ্যাস গড়ে তুলেন ভাইয়েরা।কারণ মেয়েদের এমন অনেক খরচ আছে যা মেয়েরা বাবা,স্বামী,ভাই থেকে চাইতে লজ্জাবোধ করে।
বাবা ও ভাই থেকে অনেক মেয়েরা টাকা চেয়ে নিতে পারে।কিন্তু স্বামীর কাছে অনেক মেয়েরাই টাকা চাইতে পারেনা।বউদের দোষ বেশী থাকে।কিছু টাকা খরচ করলেও দিন শেষে হিসাব হয় এই টাকা কোথায় খরচ হল?বউ অনেক খরুচে!!মেয়েরা যেহেতু লাজুক তাই মাসে একটা ফিক্সড এমাউন্ট বউকে দিয়ে বলুন এই টাকা তোমার ইচ্ছেমতো খরচ করো।
আপনি আপনার স্ত্রীকে তার ন্যায্য প্রয়োজনে টাকা দেওয়ার পর কখনো খোঁটা দিতে পারবেন না। এই অধিকার আপনার নেই।
বরং তার ভরণ-পোষণ সহ নিত্য প্রয়োজনাদি মেটানো আপনার নৈতিক দায়িত্ব এবং ধর্মীয় কর্তব্য। বাড়িওয়ালার ভাড়া চুকানোর সময় আমরা কখনো এমনটা ভাবি না যে, এটা তার প্রতি আমার অনুগ্রহ। দোকানীকে বিল দেয়ার সময় আমরা কখনো মনে করি না যে, তার প্রতি দয়া করছি। বরং কেউ যদি কখনো এদের সাথে অনুগ্রহ সূলভ আচরণ করে, তার কপালে চড় থাপ্পড়ও জুটতে পারে।
কখনো স্ত্রীকে বলবেন না, 'সারাদিন এতো টাকা টাকা করো কেন? টাকা দিয়ে কী করো? কামাই করো না তো, তাই বুঝো না কত কষ্টে এই টাকা কামাই।'
এমন অনেক মানুষকে চিনি, যারা ঈদ উপলক্ষে পপরিবারের জন্য আয়োজন করে শপিং করে। নানারকম ঈদসামগ্রী কিনে দেয়। অথচ স্ত্রীর সরলতার সুযোগ নিয়ে তাকে পুরোপুরি বঞ্চিত করে।সবারটা হলেও বউয়ের জন্য কিনার সময় কেনো জানি টাকার কম পরে যায়।স্বামীকে খুশী করতে বউ সেটাও মেনে নেন।আচ্ছা এমন কখনও হয়েছে যে আপনার পকেটে টাকা কম মায়ের জন্য কিনবেন নাকি বউয়ের জন্য?আপনি মায়ের জন্যই কিনে বাড়ি ফিরবেন।মা না পেয়ে বউ পেলে বউ খারাপ কিন্তু বউ এর ভাগ মা পেলে বউ অনেক ভালো।এমনও হতে পারে, আপনার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের দেয়ার মতো অনেকেই আছে। আপনার অন্য ভাইবোনেরা আছে।বাবা আছেন।কিন্তু আপনার স্ত্রী? তাকে দেয়ার মতো কে আছে আপনি ছাড়া?আপনিই তাকে তার পরিবার থেকে নিয়ে এসেছেন একমাত্র অভিভাবকের দাবি করে।এখন অভিভাবক হিসাবে কি দায়িত্ব আপনি পালন করলেন তার জবাব সৃষ্টিকর্তাকে কি দিবেন?বাবা ভাই যখন অভিভাবক ছিলেন তখন আরাম আয়েশে নানান আবদারে জীবন কাটানো মেয়েটিও আপনার কাছে এসে হাসিমুখে বলে "কিছু লাগবে না।" তার এই কথার পিছনের প্রয়োজন আপনি না বুঝলেও তার বাবা ভাই কিন্তু বুঝতেন।
একটা কোর্সের রেজিস্ট্রেশনের কাজ সামাল দিতে গিয়ে দেখলাম, বহু বোন তাদের ফ্যামিলির কাছ থেকে নূন্যতম হাত খরচটাও পান না। ইসলামি শারিয়াহর প্রতি পূর্ণাঙ্গ শ্রদ্ধা জানিয়ে যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তারা বাহিরে জব করেন না হয়তো। কিন্তু বাবা, ভাই কিংবা স্বামীর পক্ষ থেকে তাদের ন্যায্য খরচটুকুও পাওয়া হয় না।আআল্লাহর হুকুম মেনে ঘরের বাহিরে তারা উপার্জন করেন না কিন্তু তাদের মধ্যেও একটা লজ্জাবোধ থাকে যে তারা হয়তো পরিবারের পুরুষটার বোঝা।তাই তারা টাকা চাইতে লজ্জাবোধ করেন।অন্যের হক বুঝিয়ে না দিয়ে আপনি মাহফিলে মাহফিলে দৌড়াচ্ছেন? মাসের পর মাস তাবলীগে সময় দিচ্ছেন? এই ইসলাম আপনি পেলেন কোত্থেকে?
লিখাঃ- উস্তাদ আবুল হাসানাত কাসিম
Click here to claim your Sponsored Listing.
Website
Address
Savar
