islamic topic

islamic topic

Share

*السلام عليكم ورحمة الله وبركاته*


(আস্সালামু আলাইকুম রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু ) আসি সবাই মিলে একটি করে হাদিস শিখি ও অপর জন কে শিখাই ��

25/12/2025

⭕ *প্রত্যেক মুসলিমদের জন্য নবী মোহাম্মদ ( ﷺ) এর ১২টি বিশেষ উপদেশ।* ❤️‍🩹 ------------------ ---------------

১. যদি পরিপূর্ণ ঈমানওয়ালা হতে চাও তবে উত্তম চরিত্র অর্জন করো।
২. যদি সবচেয়ে বড় আলেম হতে চাও তবে তাকওয়া অর্জন করো।
৩. যদি সবচেয়ে বেশি সম্মান পেতে চাও তবে মানুষের নিকট হাত পাতা বন্ধ করে দাও।
৪. যদি আল্লাহর নিকট বিশেষ সম্মান পেতে চাও তবে অধিক পরিমাণে আল্লাহর যিকির করো।
৫. যদি রিজিকের প্রশস্ততা চাও তবে সর্বদা ওজুর সাথে থাকার চেষ্টা করো।
৬. যদি সমস্ত দোয়া কবুল হওয়ার আশা কর তবে অবশ্যই হারাম থেকে বেঁচে থাকো।
৭. যদি কেয়ামতের দিন আল্লাহর দরবারে গুনাহমুক্ত উঠতে চাও তবে স্ত্রী সহবাসের পর দ্রুত পবিত্র হয়ে নাও।
৮. যদি কেয়ামতের দিন আল্লাহর নূর নিয়ে উঠতে চাও তবে মানুষের উপর জুলুম করা ছেড়ে দাও।
৯. যদি আল্লাহর প্রিয় বান্দা হতে চাও তবে আল্লাহর ফরজ বিষয়াদির প্রতি যত্নবান হও।
১০. যদি জাহান্নামের আগুন নেভাতে চাও তবে দুনিয়ায় বিপদাপদে সবর করো।
১১. যদি আল্লাহ তায়ালার রাগ থেকে বাঁচতে চাও তবে গোপনে প্রকাশ্যে দান সদকা করো,
১২.আত্মীয়তা রক্ষা করে চলো এবং মানুষের উপর রাগ করা ছেড়ে দাও। "

হে আল্লাহ আমাদের সকল কে রাসূল ﷺ সোনালী উপদেশ গুলো মেনে চলার তৌফিক দান করুন *
✨ আমীন।* "🤲
*•••==•◐◉✦❀✺❀✦◉◑•==•••*

06/11/2025

🔴 প্রশ্ন : *মজা করে মিথ্যা বললে গুনাহ হয় কি?*
🟥 উত্তর: জ্বী অবশ্যই।

⭕ রাসুল (সাঃ) বলেছেন,

*"যে বক্তি হাসির ছলেও মিথ্যা বলে না আমি তার জন্য জান্নাতের মধ্যে একটি প্রাসাদ বানানোর দায়িত্ব নিলাম"* (আবু দাউদ - ৪৮০০)

"যে মানুষকে হাসানোর জন্য মিথ্যা বলে তার ধ্বংস হোক, তার ধ্বংস হোক, তার ধ্বংস হোক " (তিরমিজি - ২৩১৫)

🔹 উপরোক্ত রাসূল (সাঃ) এর উক্তি থেকে স্পষ্ট ভাবে বুঝা যায় যে আমরা মজার ছলে যেইটা বলি সেইটার সাথে বাস্তবে মিল না থাকলে সেইটা মিথ্যা বলেই গন্য হবে।

🔹 সুতরাং মজা করার জন্য এই সব ছোট ছোট মিথ্যা কথা পরিহার করুন। হয়তো এই সামান্য মিথ্যার জন্য আমাদের কিয়ামতের দিন কঠিন হিসাব দিতে হতে পারে।

🔹 মাথায় রাখবেন একটা মিথ্যা জাহান্নামে যাওয়ার জন্য যথেষ্ট হতে পারে। হোক না সেটা মজা! মিথ্যা তো মিথ্যাই।

01/11/2025

*প্রত্যেক মুসলিমদের জন্য নবী মোহাম্মদ ( ﷺ) এর ১২টি বিশেষ উপদেশ।* 🔰 ------------------ ---------------
১. যদি পরিপূর্ণ ঈমানওয়ালা হতে চাও তবে উত্তম চরিত্র অর্জন করো।
২. যদি সবচেয়ে বড় আলেম হতে চাও তবে তাকওয়া অর্জন করো।
৩. যদি সবচেয়ে বেশি সম্মান পেতে চাও তবে মানুষের নিকট হাত পাতা বন্ধ করে দাও।
৪. যদি আল্লাহর নিকট বিশেষ সম্মান পেতে চাও তবে অধিক পরিমাণে আল্লাহর যিকির করো।
৫. যদি রিজিকের প্রশস্ততা চাও তবে সর্বদা ওজুর সাথে থাকার চেষ্টা করো।
৬. যদি সমস্ত দোয়া কবুল হওয়ার আশা কর তবে অবশ্যই হারাম থেকে বেঁচে থাকো।
৭. যদি কেয়ামতের দিন আল্লাহর দরবারে গুনাহমুক্ত উঠতে চাও তবে স্ত্রী সহবাসের পর দ্রুত পবিত্র হয়ে নাও।
৮. যদি কেয়ামতের দিন আল্লাহর নূর নিয়ে উঠতে চাও তবে মানুষের উপর জুলুম করা ছেড়ে দাও।
৯. যদি আল্লাহর প্রিয় বান্দা হতে চাও তবে আল্লাহর ফরজ বিষয়াদির প্রতি যত্নবান হও।
১০. যদি জাহান্নামের আগুন নেভাতে চাও তবে দুনিয়ায় বিপদাপদে সবর করো।
১১. যদি আল্লাহ তায়ালার রাগ থেকে বাঁচতে চাও তবে গোপনে প্রকাশ্যে দান সদকা করো,
১২.আত্মীয়তা রক্ষা করে চলো এবং মানুষের উপর রাগ করা ছেড়ে দাও। "

হে আল্লাহ আমাদের সকল কে রাসূল ﷺ সোনালী উপদেশ গুলো মেনে চলার তৌফিক দান করুন *
✨ আমীন।* "🤲
*•••==•◐◉✦❀✺❀✦◉◑•==•••*

05/03/2025

*السلام عليكم ورحمة الله وبركاته*

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ২৩/ সাওম বা রোজা (كتاب الصوم)
*-❇️হাদিস নম্বরঃ ১৭৭৩❇️-*

*"🔰১১৮৪. সাওমের ফযীলত 🔰"*

১৭৭৩। ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামা (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ *"সিয়াম ঢাল স্বরূপ।"* সুতরাং অশ্লীলতা করবে না এবং মুর্খের মত কাজ করবে না। যদি কেউ তাঁর সাথে ঝগড়া করতে চায়, তাঁকে গালি দেয়, তবে সে যেন দুই বার বলে, আমি সাওম (রোযা/রোজা/সিয়াম/ছিয়াম) পালন করছি। ঐ সত্তার শপথ, যার হাতে আমার প্রাণ, *"অবশ্যই সাওম (রোযা/রোজা/সিয়াম/ছিয়াম) পালনকারীর মুখের গন্ধ আল্লাহর নিকট মিসকের গন্ধের চাইতেও উৎকৃষ্ট"* সে আমার জন্য আহার, পান ও কামাচার পরিত্যাগ করে। সিয়াম আমারই জন্য। তাই এর পুরষ্কার আমি নিজেই দান করব। আর প্রত্যেক নেক কাজের বিনিময় দশ গুন।

*-[হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)]*

*♻️ শেয়ার করুন প্রিয়জনদের মাঝে ইনশাআল্লাহ্ ☝️*

25/02/2025

♦ সাবধান! সাবধান!! সাবধান!!!

* শরিরে যেকোন প্রকার তাবিজ ঝুলানো শিরক।
[মুসনাদে আহমদ: ১৭৪৫৮, সহিহ হাদিস:৪৯২]
* আল্লাহ ব্যাতিত অন্য কারো নামে কসম করা শিরক.।
[আবু দাউদ:৩২৩৬(ইফা)]
* কোন কিছুকে শুভ-অশুভ লক্ষন বা কুলক্ষণ মনে করা শিরক।
[বুখারি :৫৩৪৬, আবু দাউদ:৩৯১০]
* মাজারে ও কোন পির-ফকির কিংবা কারো নিকট সিজদা দেয়া শিরক।
[সুর জীন: ২০, মুসলিম:১০৭৭,
আবু দাউদ, মুত্তাফাকুন আলাই]
* আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো বা যেকোন পির-আওলিয়া কিংবা মাজারের নামে নামে মানত করা শিরক। তবে মানত না করাই উত্তম।
[সহিহ বুখারি: অধ্যায় : তাকদির]
*কেউ পেছন দিক থেকে ডাক দিলে কিংবা নিজে যাত্রার সময় পিছন ফিরে তাকালে যাত্রা অশুভ হয় এই ধারনা বিশ্বাস করা শিরক।
(বুখারি, আবু দাউদ:৩৯১০)
* কোন বিপদে পড়ে আল্লাহকে বাদ দিয়ে "ও মা, ও বাবা" ইত্যাদি বলে এইরকম গায়েবি ডাকা শিরক।
বিপদে পড়লে "ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন" বলতে হয়।
(সুরা বাকারাহঃ ১৫৬)
*আল্লাহর নামে সরাসরি কাউকে সম্মোধন করা শিরকে পরিনত হতে পারে যেমন আব্দুর রহমান না বলে শুধু রহমান বলা বা আব্দুল খালিক না বলে শুধু খালিক বলা, আব্দুর রশিদ না বলে শুধু রশিদ বলা, আব্দুর রাকিব না বলে শুধু রাকিব বলা ইত্যাদি।
[সুরা আরাফ:১৮০, ইসরা:১১০, হাশর]*
* 'তর ভবিষ্যত অন্ধকার', 'তর কপালে বহুত কষ্ট আছে', এইধরনের গায়েবি কথা কাউকে বলা শিরক।
[সুরা নমল:৬৫, আল জিন:২৫-২৬, আনাম:৫৯]
*হোচট খেলে কিংবা পেচা ডাকলে সামনে বিপদ আছে এই ধারনা শিরক।
(সুরা আনাম:১৭, ইউনুস:১০৭)
* রোগ ব্যাধি বা বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা পেতে শরিরে পিতলের বালা, শামুক, ঝিনুকের মালা, সুতা, কিংবা যেকোন প্রকারের বস্তু লটকানো শিরক।
[তির্মিযি, আবু দাউদ ও হাকেম]
*সকালে বেচাকেনা না করে কোন কাষ্টমারকে বাকি দিলে কিংবা সন্ধ্যার সময় কাউকে বাকি দিলে ব্যাবসায় অমংগল হয় এই ধারনা করা শিরক!।
(আবু দাউদঃ৩৯১০)
* সফলতা কিংবা মংগল লাভের জন্য এবং অমংগল থেকে রক্ষা পেতে যেকোন প্রকার আংটি ব্যাবহার করা শিরক।
[সুরা আনাম:১৭, ইউনুস :১০৭]
*যে কোন জড় বস্তুকে সম্মান দেখানো তথা তাযীম করা বা তার সামনে নিরবতা পালন করা শিরক।
যেমন: পতাকা, স্মৃতিসৌধ, শহিদ মিনার কিংবা মাজার ইত্যাদি।
[সুরা বাকারাহ:২৩৮, আহকাফ:৫, ফাতহুল বারি ৭/৪৪৮, আবু দাউদ:৪০৩৩]
* আল্লাহর ছাড়া অন্য কারো সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য কিংবা লোক দেখানো ইবাদাত করা শিরক।
[সুরা আনাম:১৬২, বাইয়িনাহঃ ৫, কাহফ:১১০,ইমরান:৬৪, ইবনে মাজাহ হা নং৫২০৪]
* আল্লাহ ব্যাতিত কোন গণক বা অন্য কেউ গায়েব জানে এই কথা বিশ্বাস করা শিরক।
[সুরা নমল:৬৫, আল জিন:২৬, আনাম:৫৯]
*পায়রা/ কবুতর উড়িয়ে শান্তি কামনা করা শিরক,
কারন শান্তিদাতা একমাত্র আল্লাহ।
(সুরা হাশরঃ ২৩)
* আল্লাহর ছাড়া কোন পির-আওলিয়া এবং কোন মাজারের নিকট দুয়া করা বা কোন কিছু চাওয়া শিরক।
[সুরা ফাতিহা:৪, আশ শোআরা:২১৩, গাফির:৬০, তির্মিযি]
*"আপনি চাইলে এবং আল্লাহ চাইলে এই কাজটি হবে" এই কথা বলা শিরক।
(নাসাঈ শরিফ)
এইরকম আরো অসংখ্য শিরক সমাজে বিদ্যামান।
আল্লাহ বলেন,
_*অনেক মানুষ আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে, কিন্তু সাথে সাথে শিরকও করে।*_
(সুরা ইউসুফঃ ১০৬)
মনে রাখবেন,,
শিরক এমন একটি গুনাহ যা করলে ঈমান এবং পূর্বের সমস্ত আমল সম্পুর্ন নষ্ট হয়ে যায়। কিয়ামতের দিন আল্লাহ সুবাহানতায়ালা যেকোন গুনাহ ইচ্ছা করলে ক্ষমা করে দিবেন কিন্তু শিরকের গুনাহ কস্মিনকালে ও ক্ষমা করবেন না।

আল্লাহ বলেন,,
_*নিসন্দেহে আল্লাহ ইচ্ছা করলে যেকোন গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন কিন্তু শিরকের গুনাহ কখনো ক্ষমা করবেন না*_
(সুরা নিসা :৪৮,১১৬).
_*নিশ্চয় যে ব্যাক্তি আল্লাহর সাথে অংশীদার স্থির করে আল্লাহ তার জন্য জান্নাতকে হারাম করে দেন এবং জাহান্নামকে অবধারিত করে দেন*_
(সুরা মায়িদাহ:৭২)
রাসুল্লাহ (সা) বলেছেন,,
_*“আমার সামনে জিব্রাঈল আবির্ভূত হলেন। তিনি বললেন, আপনি আপনার উম্মতদের সুসংবাদ দিন, যে ব্যাক্তি আল্লাহর সংগে কাউকে শরিক না করা অবস্থায় মারা যাবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আমি বললাম, যদিও সে যিনা করে এবং যদিও সে চুরি করে থাকে? তিনি বললেন: যদিও সে যিনা করে এবং যদিও সে চুরি করে থাকে।*_
[সহিহ বুখারি :১২৩৭,মুসলিম:৯৪]
শিরক হচ্ছে সবচেয়ে বড় ধ্বংসত্মাক বিষয়। শত পাপ করলে ও কিয়ামতের দিন তা ক্ষমার সম্ভবনা আছে কিন্তু শিরকের পাপ ক্ষমার কোন সম্ভবনা নেই এবং তা নিসন্দেহে জাহান্নামে নিয়ে যাবে।
ইয়া আল্লাহ আমাদের সকলকে শিরক থেকে বাঁচার তৌফিক দান করুন।

18/02/2025
15/02/2025

*السلام عليكم ورحمة الله وبركاته*

*"🔰ভ্যালেন্টাইন : শয়তানের উৎসব সিরিজ🔰"*

আবূ হুরাইরাহ (রা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন—

নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা বানী আদমের জন্য যি'নার একটা অংশ নির্ধারিত রেখেছেন। সে তাতে অবশ্যই জড়িত হবে। চোখের যি'না হলো দেখা, জিহ্বার যি'না হলো কথা বলা, কুপ্রবৃত্তি কামনা ও খাহেশ সৃষ্টি করা এবং যৌ'নাঙ্গ তা সত্য অথবা মিথ্যা প্রমাণ করে।

*-[সহীহ বুখারী, হাদিস নং - ৬২৪৩]*

*♻️ শেয়ার করুন প্রিয়জনদের মাঝে ইনশাআল্লাহ্ ☝️*

14/02/2025

Allah Subhanahu Wa Ta'ala says:

يٰۤاَ يُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوا اسْتَعِيْنُوْا بِا لصَّبْرِ وَا لصَّلٰوةِ ۗ اِنَّ اللّٰهَ مَعَ الصّٰبِرِيْنَ
ইয়াআইয়ুহাল্লাযীনা আ-মানুছতা‘ঈনূ বিসসাবরি ওয়াসসালা-তি; ইন্নাল্লা-হা মা‘আসসাবিরীন।

"হে মু’মিনগণ! ধৈর্য ও সলাতের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা কর, নিশ্চয় আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।"
💜🤎🤲

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Beldanga?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Beldanga, Sarulia Colony, Murshidabad
Beldanga
742189