Protege Diagnostic
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Protege Diagnostic, Health/Beauty, LALA Road HAILAKANDI, Hailakandi.
27/04/2026
একটি ছোট্ট অভ্যাস, যা আপনার প্রতিদিনের জীবনযাত্রার অংশ হতে পারে, আপনার স্বাস্থ্যে আসতে পারে বিশাল পরিবর্তন! বাথরুমের পরিচ্ছন্নতার প্রতি সঠিক মনোযোগ দিয়ে আপনি অনেক বড় সমস্যার ঝুঁকি কমাতে পারেন।
তবে, এখানে একটি বিশেষ দিকের দিকে মনোযোগ দেওয়া জরুরি—সঠিকভাবে মোছার নিয়ম। আপনি জানেন কি? সঠিকভাবে মোছার প্রক্রিয়া থেকে শুরু করলে, আপনি আপনার স্বাস্থ্যকে অনেক বেশি নিরাপদ রাখতে পারেন। বিশেষ করে, সর্বদা সামনে থেকে পেছনে মোছার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এই অভ্যাসটি শুধু আপনাকে পরিষ্কার রাখবে না, বরং জীবাণু ছড়ানোর ঝুঁকিও কমিয়ে দেবে।
যদি আপনি পেছন থেকে সামনের দিকে মোছেন, তাহলে মলদ্বার থেকে জীবাণু মূত্রনালীর দিকে চলে যেতে পারে, যা মূত্রনালীর সংক্রমণ (UTI) হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ। এমনটা হলে, আপনার মূত্রাশয়ে সংক্রমণ হতে পারে, যার ফলে অনেক কষ্টকর স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। কিন্তু, মোছার দিক পরিবর্তন করে আপনি এই ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে পারবেন এবং আপনার মূত্রাশয়কে সুস্থ রাখতে পারবেন।
এই ছোট্ট পরিবর্তন আপনাকে অনেক বড় উপকার দিতে পারে, এবং আপনি যদি এই নিয়মটি মানেন, তাহলে আপনার শরীরকে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করা সহজ হয়ে যাবে। নিয়মিত এবং সচেতন থাকলে আপনি অনেক বড় স্বাস্থ্য সমস্যার থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে পারবেন।
তাহলে আর দেরি কেন? এই প্রয়োজনীয় তথ্যটি আপনার প্রিয়জনদের সঙ্গে শেয়ার করুন। আমাদের সামান্য একটুখানি সচেতনতা, সুস্থ থাকার পথে বড় পদক্ষেপ নিতে সাহায্য করতে পারে।
জীবনে একবার হলে ও এই টেস্টগুলি করাবেন।
Video: Priyanka Barai
Original Video link: https://www.facebook.com/share/r/1Gub5J7wXv/
31/03/2026
🏥 PROTEGE HEALTH CARE
(Multispecialty Diagnostic Centre)
আপনার সুস্থতাই আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার 💙
👨⚕️ Dr. ABDUL AZIZ
MBBS (Medicine)
✔️ Ex Resident Doctor – AIIMS, New Delhi
✔️ Ex Resident Doctor – Dr. RML Hospital, New Delhi (AMC)
📍 Lala Road, Near S. K. Roy Civil Hospital
Hailakandi, Assam – 788155
📞 03844 359924 / 7086947249 / 9395490676
📧 [email protected]
✨ এখনই যোগাযোগ করুন এবং অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন
m
24/01/2026
🇮🇳 Happy Republic Day 🇮🇳
এই ২৬ জানুয়ারি উপলক্ষে
PROTEGE HEALTH CARE
(Multispecialty Diagnostic Centre)
আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছে বিশেষ Republic Day Offer 🎉
✅ সকল Health Check-Up Package-এ Up to 30% পর্যন্ত ছাড়
✅ আধুনিক ডায়াগনস্টিক সুবিধা
✅ অভিজ্ঞ ডাক্তারদের তত্ত্বাবধানে পরীক্ষা
📅 অফারটি শুধুমাত্র ২৬ জানুয়ারির জন্য প্রযোজ্য
📍 ঠিকানা:
Lala Road, Near S.K. Roy Civil Hospital,
Hailakandi, PIN-788155, Assam
📞 যোগাযোগ করুন:
📱 03844-359924 / 7086947249 / 9395490676
📧 Gmail:
[email protected]
👉 আজই যোগাযোগ করুন এবং সুস্থ থাকুন 🇮🇳💚
21/01/2026
হার্টের ভিতর পানি জমা হলেঃ পেরিকার্ডিয়াল ইফিউশনঃ
অতিরিক্ত পকনি জমে গেলে সেটা বের করতে হয়। আর হার্টের ভিতর থেকে পানি বের করা বলতে সাধারণত হৃদপিণ্ডের চারপাশের থলি (পেরিকার্ডিয়াম)-এ জমা অতিরিক্ত তরল (pericardial effusion) নিষ্কাশনের প্রক্রিয়াকে বোঝায়, যা পেরিকার্ডিওসেন্টেসিস (pericardiocentesis) নামে পরিচিত। এটি জরুরি অবস্থায় হৃদয়ের চাপ কমাতে ব্যবহৃত হয় এবং ইকোকার্ডিওগ্রামের সাহায্যে করা হয়।
কারণসমূহঃ
পেরিকার্ডিয়াল ইফিউশনের কারণগুলির মধ্যে সংক্রমণ, ক্যান্সার, হার্ট সার্জারি, রেডিয়েশন থেরাপি বা অটোইমিউন রোগ অন্তর্ভুক্ত। এটি হৃদয়কে চেপে ধরে ট্যাম্পোনেড সৃষ্টি করতে পারে, যা জীবনঘাতী।
লক্ষন সমূহঃ
১। শ্বাসকষ্ট
২। বুকে ব্যথা
৩। বুক ধড়ফড়
৪। অল্প অল্প হাত পা মুখ ফোলা
৫। শারীরিক দুর্বলতা
প্রক্রিয়ার ধাপসমূহঃ
•প্রথমে ইকোকার্ডিওগ্রাম করে তরলের অবস্থান নির্ধারণ করা হয় এবং স্থানীয় অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়া হয়।
•ছোট সুই বুকের নির্দিষ্ট স্থান (যেমন সাবকস্টাল বা অ্যাপিকাল) থেকে প্রবেশ করিয়ে তরল নিষ্কাশন করা হয়, পরে ক্যাথেটার রাখা যায়।
•প্রক্রিয়া ৩০-৬০ মিনিট সময় নেয় এবং তরল পরীক্ষা করে কারণ নির্ণয় করা হয়।
ঝুঁকি ও যত্নঃ
ঝুঁকির মধ্যে রক্তপাত, সংক্রমণ বা হৃদয় ছিদ্র অন্তর্ভুক্ত, তবে আল্ট্রাসাউন্ড গাইডেড হলে নিরাপদ। চিকিত্সার পর বিশ্রাম এবং ফলো-আপ দরকার; আমরা কার্ডিওলজিস্ট রা হার্টের পানি বের করে থাকি।
. FARUQUE #
20/01/2026
👩⚕️ মা ও শিশুর যত্নে বিশ্বস্ত নাম 👶💖
Dr. Samima Aktara Laskar
BAMS (Ayur)
General Physician (Obs & Gyne)
🎓 Rajiv Gandhi University of Health Sciences, Karnataka (Bengaluru)
🤰 গর্ভাবস্থা সংক্রান্ত সকল সমস্যা ও নিয়মিত চেকআপের জন্য
🌸 অভিজ্ঞ ও যত্নশীল চিকিৎসা সেবা
🕒 প্রতিদিন রোগী দেখা হয়:
দুপুর ৩টা থেকে
📞 অগ্রিম Booking করার জন্য যোগাযোগ করুন:
☎️ 03844359924 / 7086947249 / 9395490676
✨ সুস্থ মা, সুস্থ সন্তান — আমাদের অঙ্গীকার ✨
19/01/2026
❗ অনেক সময় কাঁধের পেছনে / স্ক্যাপুলায় ব্যথা
যেটাকে আমরা ভাবি শুধু পেশির সমস্যা—
👉 আসল কারণ কিন্তু হতে পারে
ঘাড়ের ডিস্ক স্নায়ুতে চাপ দেওয়া (Cervical Disc Nerve Compression)
🤔 কেন ঘাড়ের সমস্যা থেকে স্ক্যাপুলায় ব্যথা হয়?
• ঘাড়ের হাড় (C5–C7) থেকে বের হওয়া স্নায়ু
👉 স্ক্যাপুলা, কাঁধ, বাহু ও হাত পর্যন্ত যায়
• যখন
👉 ঘাড়ের ডিস্ক ফুলে যায় / সরে যায় / ক্ষয় হয়
👉 তখন সেই স্নায়ু চাপে পড়ে বা বিরক্ত হয়
• মস্তিষ্ক তখন
👉 ব্যথার জায়গা ভুলভাবে অনুভব করে
➡️ ফলে
ঘাড়ে সমস্যা থাকলেও
ব্যথা লাগে গভীরভাবে স্ক্যাপুলায়
জ্বালা, চাপ বা শক লাগার মতো অনুভূতি হয়
🔍 সাধারণ যে লক্ষণগুলো দেখা যায়
🔹 এক পাশের স্ক্যাপুলায় গভীর ব্যথা
🔹 টান, জ্বালা বা ইলেকট্রিক শকের মতো ব্যথা
🔹 ঘাড় নড়ালে স্ক্যাপুলার ব্যথা বেড়ে যায়
🔹 বাহুতে ব্যথা ছড়িয়ে পড়া
🔹 হাতে ঝিনঝিনি, আঙুল অবশ, শক্তি কমে যাওয়া
🔹 শুধু স্ক্যাপুলা ম্যাসাজ করলে ভালো না হওয়া
বা উল্টো ব্যথা বেড়ে যাওয়া
✅ সঠিকভাবে যত্ন নিতে হলে
✔ শুধু স্ক্যাপুলা নয়
👉 ঘাড়ের সমস্যাটাই ঠিক করতে হবে
✔ মোবাইল / কম্পিউটার ব্যবহারে
👉 ঘাড় বেশি ঝুঁকিয়ে রাখা কমাতে হবে
✔ ঘাড়, উপর পিঠ ও কোর মাংসপেশি
👉 ধীরে ধীরে শক্ত ও সক্রিয় করতে হবে
✔ স্নায়ু ও পেশি
👉 শুধু ম্যাসাজ নয়
সঠিক স্ট্রেচ ও নার্ভ গ্লাইড দরকার
❝ স্ক্যাপুলায় ব্যথা
কিন্তু সমস্যা সবসময় স্ক্যাপুলায় নয়
অনেক সময় সেটার উৎস থাকে “ঘাড়ে” ❞
19/01/2026
পেটের ব্যথাটা কি মাঝেমধ্যে আসে, আবার নিজে নিজেই চলে যায়?
কখনো বাম দিকের তলপেটে চাপা ব্যথা থাকে, গ্যাস ভেবে এড়িয়ে যান?
জ্বর হলে ভাবেন, “পেট খারাপের কারণেই হবে”?
এই কথাগুলো যদি আপনার নিজের জীবনের মতো মনে হয়, তাহলে একটু থামুন।
কারণ সব পেটের ব্যথা IBS না।
অনেক সময় এর পেছনে থাকে এমন একটি সমস্যা, যেটা বছরের পর বছর নীরবে থাকে—
আর একদিন হঠাৎ করেই ভয়ংকর রূপ নেয়।
🔹 Diverticulosis কী?
আন্ত্রিক দেয়ালে ছোট ছোট থলি তৈরি হয়।
অধিকাংশ মানুষ জানেই না এগুলো আছে।
না ব্যথা, না কোনো উপসর্গ।
🔹 Diverticulitis কী?
এই থলির ভেতরে যখন ময়লা বা জীবাণু আটকে যায়,
তখন শুরু হয় প্রদাহ ও সংক্রমণ।
এখান থেকেই প্রকৃত সমস্যার শুরু।
যারা diverticulitis এ ভোগেন, তারা সাধারণত বলেন—
• বাম দিকের তলপেটে একটানা ব্যথা
• জ্বর বা শরীর কাঁপা
• পেট ফাঁপা, কোষ্ঠকাঠিন্য, কখনো ডায়রিয়া
• খেতে ইচ্ছে না করা
• বমিভাব
• সময়ের সাথে ব্যথা বাড়তে থাকা
ভেতরে কী হচ্ছে?
দীর্ঘদিনের কোষ্ঠকাঠিন্য ও অন্ত্রের ভেতরের অতিরিক্ত চাপ
আন্ত্রিক দেয়ালকে দুর্বল করে দেয়।
সেখানেই তৈরি হয় এই ছোট থলি।
একদিন সেই থলির ভেতরে ময়লা আটকে গিয়ে শুরু হয় ইনফেকশন।
⚠️ অবহেলা করলে কী হতে পারে?
• পুঁজ জমে অ্যাবসেস
• অন্ত্র ফেটে যাওয়া
• সেপসিস
• জরুরি অপারেশন পর্যন্ত লাগতে পারে
⚠️ কারা বেশি ঝুঁকিতে?
• বয়স ৪০ এর বেশি
• আঁশযুক্ত খাবার কম খান
• দীর্ঘদিন কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগেন
• ওজন বেশি
• শারীরিক পরিশ্রম কম
সবচেয়ে জরুরি কথা—
জ্বরসহ নির্দিষ্ট জায়গার পেট ব্যথা কখনোই “গ্যাস” ভেবে এড়িয়ে যাবেন না।
সব পেট ব্যথা IBS না।
এই লেখাটা শেয়ার করুন।
কারও হয়তো নিজের ব্যথাটার সঙ্গে এই কথাগুলো মিলছে।
আপনার শেয়ারটাই হয়তো তাকে সময়মতো ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাবে।
#পেটব্যথাকে_হালকাভাবে_নেবেননা
#সবব্যথাIBSনা
#স্বাস্থ্যসচেতনতা
#জীবনবাঁচাতে_শেয়ার
18/01/2026
🟣 ব্রেন টিউমারের সতর্ক সংকেত – যেসব লক্ষণ কখনোই অবহেলা করা উচিত নয়
ব্রেন টিউমার হলো মস্তিষ্কের ভেতরে কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি। টিউমার বিনাইন (ক্যান্সার নয়) বা ম্যালিগন্যান্ট (ক্যান্সার) হতে পারে, তবে দুটোই বিপজ্জনক হতে পারে কারণ এগুলো খুলির ভেতরের চাপ বাড়ায় এবং স্বাভাবিক মস্তিষ্কের কার্যকারিতা ব্যাহত করে।
লক্ষণগুলো সাধারণত ধীরে ধীরে দেখা দেয় এবং টিউমারের অবস্থান, আকার ও বৃদ্ধির গতির ওপর নির্ভর করে।
🟣 মাথাব্যথা–সম্পর্কিত সতর্ক লক্ষণ (খুবই সাধারণ)
→ নতুন ধরনের মাথাব্যথা বা আগের তুলনায় ক্রমশ বেড়ে যাওয়া মাথাব্যথা
→ সাধারণ টেনশন বা মাইগ্রেনের মাথাব্যথার থেকে আলাদা অনুভূত হয়
→ কয়েক সপ্তাহ বা মাস ধরে ধীরে ধীরে তীব্রতা বাড়ে
→ সকালের মাথাব্যথা
→ ঘুম থেকে উঠার পর বেশি হয় (খুলির ভেতরের চাপ বেড়ে যাওয়ার কারণে)
→ দিন বাড়ার সাথে সাথে কিছুটা কমতে পারে
→ বমির সাথে মাথাব্যথা
→ বমি বমি ভাব ছাড়াই বমি হতে পারে
→ এটি বাড়তি ইন্ট্রাক্রেনিয়াল প্রেসারের লক্ষণ
🟣 বমি ও বমি ভাব
→ অকারণ বমি
→ বিশেষ করে সকালে
→ খাবারে বিষক্রিয়া বা পেটের অসুখ ছাড়াই
→ বমি নিয়ন্ত্রণকারী মস্তিষ্ক কেন্দ্রের ওপর চাপের কারণে হয়
🟣 খিঁচুনি (অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্ক সংকেত)
→ প্রাপ্তবয়স্ক বয়সে হঠাৎ প্রথমবার খিঁচুনি
→ হঠাৎ শরীর কাঁপা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, বা ফাঁকা দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা
→ প্রাপ্তবয়স্ক বয়সে একবার খিঁচুনি হলেও জরুরি পরীক্ষা প্রয়োজন
→ আগে খিঁচুনি থাকলে তার ধরন পরিবর্তন হওয়া
→ খিঁচুনির সংখ্যা বা তীব্রতা বেড়ে যাওয়া
🟣 দৃষ্টিশক্তির পরিবর্তন
→ ঝাপসা দেখা বা ডাবল দেখা
→ দৃষ্টিপথে চাপ পড়ার কারণে
→ পাশের দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া
→ এক পাশের জিনিসে বারবার ধাক্কা লাগা
→ আলো ঝলকানি বা অস্বাভাবিক দৃশ্য দেখা
→ নতুন ও স্থায়ী হলে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে
🟣 দুর্বলতা বা অনুভূতি কমে যাওয়া
→ হাত বা পায়ের এক পাশে দুর্বলতা
→ সাধারণত শরীরের এক পাশ আক্রান্ত হয়
→ ঝিনঝিন ভাব বা অবশ অনুভূতি
→ ধীরে ধীরে বাড়তে থাকলে উদ্বেগজনক
→ ভারসাম্য ও সমন্বয়হীনতা
→ সোজা হাঁটতে অসুবিধা বা বারবার পড়ে যাওয়া
🟣 কথা বলার ও ভাষাগত সমস্যা
→ জড়িয়ে কথা বলা
→ শব্দ উচ্চারণে অসুবিধা
→ সঠিক শব্দ খুঁজে না পাওয়া বা কথা বুঝতে সমস্যা
→ কথা ধীর, এলোমেলো বা বিভ্রান্তিকর হয়ে যেতে পারে
🟣 ব্যক্তিত্ব, আচরণ ও মানসিক পরিবর্তন
→ ব্যক্তিত্বের পরিবর্তন
→ অতিরিক্ত রাগ, আক্রমণাত্মক আচরণ বা উদাসীনতা
→ স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া
→ ভুলে যাওয়া, বিভ্রান্তি, মনোযোগ ধরে রাখতে সমস্যা
→ বিচারবোধ কমে যাওয়া বা অস্বাভাবিক আচরণ
→ পরিবার বা কাছের মানুষ আগে লক্ষ্য করে
🟣 শ্রবণ ও অন্যান্য অনুভূতির পরিবর্তন
→ এক কানে কম শোনা বা কানে শোঁ শোঁ শব্দ
→ বিশেষ করে একপাশে হলে
→ গন্ধ বা স্বাদের অনুভূতি বদলে যাওয়া
🟣 হরমোনজনিত ও বৃদ্ধি–সংক্রান্ত লক্ষণ (নির্দিষ্ট টিউমারে)
→ অকারণ ওজন বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়া
→ পিটুইটারি টিউমারের কারণে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হওয়া
→ অনিয়মিত মাসিক, বন্ধ্যাত্ব, স্তন থেকে দুধ নিঃসরণ
→ পিটুইটারি গ্রন্থি আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ
🟣 সাধারণ সতর্ক লক্ষণ
→ অতিরিক্ত ক্লান্তি
→ দৈনন্দিন কাজের তুলনায় অস্বাভাবিকভাবে বেশি
→ অতিরিক্ত ঘুম ঘুম ভাব বা সচেতনতা কমে যাওয়া
→ সময়ের সাথে বাড়তে পারে
🟣 কখন দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাবেন
→ নতুন বা বেড়ে যাওয়া মাথাব্যথার সাথে বমি
→ যেকোনো বয়সে প্রথমবার খিঁচুনি
→ ধীরে ধীরে বাড়তে থাকা দুর্বলতা, কথা বলতে সমস্যা বা দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া
→ হঠাৎ ব্যক্তিত্ব বা মানসিক পরিবর্তন
→ কয়েক সপ্তাহ ধরে লক্ষণগুলো খারাপের দিকে যাওয়া
▶️ মূল কথা
→ ব্রেন টিউমারের লক্ষণ সাধারণত ধীরে ধীরে বাড়ে ও স্থায়ী হয়
→ নতুন কোনো স্নায়বিক (Neurological) লক্ষণ কখনোই অবহেলা করা উচিত নয়
→ দ্রুত শনাক্ত হলে চিকিৎসার ফলাফল ভালো হয়
→ সব মাথাব্যথা টিউমার নয়—তবে দীর্ঘস্থায়ী ও সতর্ক সংকেতযুক্ত লক্ষণ অবশ্যই পরীক্ষা করা দরকার
⚠️ মেডিক্যাল ডিসক্লেইমার: এই তথ্যগুলো শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে দেওয়া। এটি চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। উপরোক্ত লক্ষণগুলোর কোনোটি দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।
18/01/2026
আজ চেম্বারের এক রোগীর কথা বলি। গল্পটা অনেকের সাথেই মিলে যাবে।
রোগীর বয়স ৩০ বছর, ঢুকেই গম্ভীর গলায় বললেন,
“ডাক্তার, আমার গলায় ৭ মাস ধরে জ্বালাপোড়া ভাব। কখনো ব্যথা, কখনো ঢোক গিলতে অস্বস্তি। ঠিক হয়, আবার ফিরে আসে।”
আমি জিজ্ঞেস করলাম,
– শুরুটা কীভাবে হয়েছিল?
তিনি বললেন,
“শুরুতে জ্বর, গলা ব্যথা, ঠান্ডা ছিল। ডাক্তার বললেন pharyngitis। কিছু ওষুধ দিলেন।”
প্রথমবার ওষুধ খাওয়ার পর ৫–৬ দিন একটু আরাম পেয়েছিলেন। কিন্তু পুরোপুরি ভালো হয়নি।
আবার গলা খুসখুস, শুকনো কাশি, সকালে বেশি অস্বস্তি।
তিনি আবার গিয়েছিলেন।
ডাক্তার বলেছে,
“আবার pharyngitis। আগের মতোই চিকিৎসা।”
এইভাবে ২–৩ বার ফলোআপ হলো। প্রতিবারই নাম একই pharyngitis। কিন্তু সমস্যা থেকেই গেল। এখন ৭ মাস পার হয়ে গেছে।
আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম,
– সারাদিন গলায় কিছু আটকে থাকার অনুভূতি হয়?
– সকালে উঠলে গলা বেশি খারাপ লাগে?
– টক ঢেঁকুর, বুক জ্বালা হয় কখনো?
তিনি একটু অবাক হয়ে বললেন,
“হ্যাঁ ডাক্তার, এগুলো সবই হয়। কিন্তু কেউ এসব জিজ্ঞেসই করেনি।”
এখানেই আসল সমস্যাটা ধরা পড়ে।
শুরুতে ভাইরাল ফ্যারিঞ্জাইটিস হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু ভাইরাস সেরে যাওয়ার পর যদি ৬–৭ মাস ধরে একই উপসর্গ থাকে, তাহলে সেটা আর simple viral pharyngitis থাকে না।
এই ধরনের রোগীদের ক্ষেত্রে অনেক সময়
– গ্যাস্ট্রিক বা এসিড রিফ্লাক্স (GERD)
– পোস্ট ন্যাজাল ড্রিপ
– এলার্জি
– ধুলাবালি, ধোঁয়া, কণ্ঠের অতিরিক্ত ব্যবহার।
এই বিষয়গুলো গলাকে বারবার জ্বালাতে থাকে।
ফলে ডাক্তার যদি শুধু গলার লালভাব দেখে “pharyngitis” বলে চিকিৎসা দেন, কিন্তু মূল কারণটা ধরতে না পারেন, রোগী মাসের পর মাস ঘুরতেই থাকে।
রোগী তখন বললেন,
“ডাক্তার, আমি ভাবতাম আমার গলায় কোনো বড় রোগ হয়ে গেছে।”
আমি তাকে বোঝালাম,
ভয় পাওয়ার কিছু নেই। কিন্তু একই নামের চিকিৎসা বারবার করলে সমাধান হয় না। কারণ এখানে গলার সংক্রমণটা প্রধান সমস্যা না, গলা শুধু ভুক্তভোগী।
এই পোস্টটা লেখার কারণ একটাই।
আপনার বা আপনার পরিচিত কারো যদি
– ভাইরাল ফ্যারিঞ্জাইটিসের পর
– ২–৩ সপ্তাহের বেশি গলার সমস্যা থাকে
– বারবার একই চিকিৎসায় কাজ না হয়
– মাসের পর মাস ধরে গলা খুসখুস, জ্বালা, ঢোক গিলতে অস্বস্তি থাকে।
তাহলে শুধু “pharyngitis” বলে বসে থাকবেন না। কারণ খুঁজে বের করাটাই আসল চিকিৎসা।
✅ চিকিৎসার প্রয়োজনে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন। "ধন্যবাদ"
🩺 স্বাস্থ্য পরামর্শদাতা,
Dr. Faruque Ahmed Laskar
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
LALA Road HAILAKANDI
Hailakandi
788155
