JITZ
I’m not going to fail, a valuable lesson has been learned even in defeat, and it’s developing me.
Forever and always — my favorite person, my happiest place 💍✨
Happy Anniversary to us ❤️
🌙 ঈদ মোবারক
"তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম"
আল্লাহ্ সুবাহানাতালা আপনাদের এবং আমাদের নেক আমলগুলো কবুল করুন।
আমীন।
🍁🍁 'আপনি কি জানেন কোন ঘটনা দেখে আল্লাহ তা"আলা হেসেছিলেন??'..
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বলল, আমি খুব ক্ষুধার্ত।
তখন তিনি তাঁর সহধর্মিণীদের নিকট পাঠালেন; কিন্তু তাঁরা জানালেন, আমাদের নিকট পানি ছাড়া কিছুই নেই। এরপর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন,
কে আছ যে এই ব্যক্তিকে মেহমান হিসেবে নিয়ে নিজের সাথে খাওয়াতে পার? তখন এক আনসারী সাহাবী [আবূ ত্বলহা (রাঃ)] বললেন, আমি।
এ বলে তিনি মেহমানকে নিয়ে গেলেন এবং স্ত্রীকে বললেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মেহমানকে সম্মান কর। স্ত্রী বললেন, বাচ্চাদের খাবার ছাড়া আমাদের ঘরে অন্য কিছুই নেই।
আনসারী বললেন, তুমি আহার প্রস্তুত কর এবং বাতি জ্বালাও এবং বাচ্চারা খাবার চাইলে তাদেরকে ঘুম পাড়িয়ে দাও।
সে বাতি জ্বালাল, বাচ্চাদেরকে ঘুম পাড়াল এবং সামান্য খাবার যা তৈরি ছিল তা উপস্থিত করল।
বাতি ঠিক করার বাহানা করে স্ত্রী উঠে গিয়ে বাতিটি নিভিয়ে দিলেন। তারপর তারা স্বামী-স্ত্রী দু’জনই অন্ধকারের মধ্যে আহার করার মত শব্দ করতে লাগলেন এবং মেহমানকে বুঝাতে লাগলেন যে, তারাও সঙ্গে খাচ্ছেন।
তাঁরা উভয়েই সারা রাত অভুক্ত অবস্থায় কাটালেন। ভোরে যখন তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গেলেন, তখন তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আল্লাহ্ তোমাদের গত রাতের কান্ড দেখে হেসে দিয়েছেন অথবা বলেছেন খুশী হয়েছেন এবং এ আয়াত নাযিল করেছেন।
‘‘তারা অভাবগ্রস্ত সত্ত্বেও নিজেদের উপর অন্যদেরকে অগ্রগণ্য করে থাকে। আর যাদেরকে অন্তরের কৃপণতা হতে মুক্ত রাখা হয়েছে, তারাই সফলতাপ্রাপ্ত।’’
(আল-হাশর ৯)
(বুখারী হা/৩৭৯৮,৪৮৮৯,মুসলিম: ২০৫৪)
---
[সংগৃহীত পোস্ট]
কোনো ব্যক্তি যখন "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নাই বাক্যটি পড়তে থাকে, তখন বাক্যটি আকাশসমূহ ছেঁদ করে আল্লাহর সামনে গিয়ে পৌঁছায়।
আল্লাহ তা'য়ালা তখন বাক্যটিকে বলেন স্থির হও। তখন বাক্যটি বলে আমি কিভাবে স্থির হবো? আমাকে যে উচ্চারণ করেছে তাকে এখনো মাফ করা হয় নি। তখন আল্লাহ তা'য়ালা বলেন- আমি তোমাকে এমন লোকের জিহবা দিয়ে উচ্চারণ করিয়েছি। উচ্চারণের আগেই যাকে মাফ করে দিয়েছি। সুবহানাল্লাহ! 🖤
~(হাদীসে কুদসী, বুখারী)🌸
সবাইকে ক্ষমা করবেন কিন্তু দু ধরনের মানুষকে কখনো সুযোগ দিবেন না।
এক. যারা ডাবল ফেইস, বিভিন্ন জায়গায় কথা লাগিয়ে বেড়ায় আর নিজেকে ভালো রাখার জন্য প্রচুর পলিটিক্স করতে থাকে।
দুই. যারা দরকার পড়লেই আপনার সাথে মিষ্টি কথা বলে যুক্ত হয়ে স্বার্থ সারে তারপর দরকার শেষে আপনাকে উস্টা মেরে আবার আগের রুপ ধারন করে।
ট্রাস্ট মি, এদের মতো মহা নিকৃষ্ট আর কেউ হতে পারেনা। লাইফে ভালো থাকতে হলে এই মানুষগুলোকে জীবন থেকে সড়িয়ে দিন। অনেক শান্তিতে থাকবেন!🖤
প্রেম ভালোবাসার গল্প তো পরতে ভালো লাগে
আমাদের নবীর গল্প পরে দেখেন কেমন লাগে
একদিন রাতের বেলা
নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম আরবের গলি দিয়ে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ এক ঘর থেকে অসহায় এক কান্নার আওয়াজ শুনে নবীজি সেই ঘরে গিয়ে দেখলেন,একজন হাতে চক্কি ( হাত দিয়ে আটা তৈরির এক যন্ত্র) ঘুরাচ্ছে।
নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম তাকে জিজ্ঞেস করলেন, কি হল তোমার। কান্না করছো কেন.? প্রতি উত্তরে তিনি বললেন, আমি মক্কার সর্দার উমাইয়ার ক্রয় করা গোলাম (ইসলামের প্রাথমিক সময়) । অনেক যন্ত্রণায় আছি আমি। সারাটিদিন মাঠে তার ছাগল দুব্বা ছড়াই,আর রাতে সে আমাকে দিয়ে গম থেকে আটা তৈরি করায়।
ভালো করে খেতে ও দেয়না, ঘুমাইতে ও দেয় না।
শরীরে খুবী অসুস্থতা বোধ হচ্ছে।
এই কথা শুনে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম,সেই ব্যক্তিকে মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বললেন, তুমি কিছুক্ষণ আরাম কর। আমি ই তোমার কাজ করে দিচ্ছে, এই বলে নবীজি হাতে চক্কি নিয়ে কাজ শুরু করে দিলেন। আর বড় ক্লান্ত শরীর নিয়ে সেই গোলাম কে ঘুমানোর সুযোগ করে দিলেন।
এইভাবে প্রতি গভীর রাতে নবীজি তার ঘরে গিয়ে তাকে সাহায্য করতেন। এবং নিজে কাজ করে তাকে ঘুমানোর সুযোগ করে দিতেন।
একদিন সেই গোলাম বলে, সাবধানে থাকিয়েন, এইখানে নাকি এক মোহাম্মদ আছে। তার থেকে দুরে থাকবেন, সে নাকি অনেক বড় যাদুকর। তার কাছে যে একবার যায় সে নাকি ফেরত আসতে পারেনা। ওর ধর্ম গ্রহণ করে নেয়।
এমন কথা শুনে দয়াল নবীজি মুচকি হাসলেন..
গোলাম বলে, আপনি হাসছেন কেন.?
নবীজি বলেন, তুমি যে মোহাম্মদ এর কথা বলছো, আমি ই হলাম সে মোহাম্মদ।
এই কথা শুনে, নবীজির সুন্দর চারিত্রিক বাস্তব প্রমাণ দেখে ওই গোলাম অঝোর নয়নে কান্না করতে লাগলেন। সাথে সাথে নবীজির কাছে কালিমা পড়ে মুসলমান হয়ে যান।
(সিরাতে নববী-৬৮৩)
🌸বেশি বেশি এস্তেগফার করতে থাকুন। সকল বিপদ, মুসিবত,পেরেশানি থেকে আল্লাহ তায়ালা আপনাকে কোন দিক দিয়ে, কখন, কীভাবে বের করে দেবেন আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন না। ইনশাআল্লাহ। 🌿
🌸🌸ভরসা রাখুন নিজের রবের প্রতি, যিনি আপনাকে কষ্ট, পেরেশানি দিয়ে আপনার ঈমানের পরীক্ষা নিচ্ছেন। হতাশ হবেন না, আপনার রব সঠিক সময়ে আপনাকে সঠিক ফয়সালা দান করবেন।ইনশাআল্লাহ্। 🌿🌿
07/01/2023
নৌকা দুটিকে দেখুন!
এখান থেকে বের হতে হলে হয় কারো সাহায্য নিতে হবে অথবা বর্ষার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। সাহায্য অনিশ্চিত, বর্ষা নিশ্চিত। কারন, বর্ষণের কাজ আল্লাহ্'র এবং সাহায্যের কাজ মানুষের। অতএব, আপনার দুর্দিনে কেউ সাহায্য না করলেও আল্লাহ্'র সাহায্য ঠিকই পাবেন। সময়টা শুধু অপেক্ষার!
ধৈর্য্য ধারণ করুন এবং আল্লাহ্'র ওপর ভরসা রাখুন।
আল্লাহ্ তায়া’লা অবশ্যই পাশে থাকবেন, ইনশাআল্লাহ! আমীন
*কেউ তোমাকে Reject করলে বা Ignore করলে মন খারাপ করো না। মনে রেখো দামী জিনিস পাওয়ার যোগ্যতা সবার থাকে না*
*যাদের নিজের কোন যোগ্যতা থাকে না তারাই বেশী অন্যকে নিয়ে সমালোচনা করে।*
*যোগ্যতা হলো নদীর মতো। এটি যত গভীর হয় ততো কম শব্দ করে।*
*প্রজাপতির পিছনে ছুটে সময় নষ্ট করো না। ফুলের চাষ করো দেখবে প্রজাপতি তোমার পিছনে ছুটবে।*
*প্রত্যেকটা মানুষের মধ্যেই প্রতিভা আছে। তাই নিজের যোগ্যতা নিজেকে খুঁজে নিতে হয়।*
চমৎকার একটি কাহিনী- এক দিন ফাতেমা (রা:)
হযরত আলী (রা:) কে বলল,
স্বামী ঘরে কিছু সুতা কেটেছি, বাজারে বিক্রি করে
ক্ষুধার্ত দু'সন্তান হাসান ও হোসেনের জন্য কিছু আটা নিয়ে আসেন।
হযরত আলী (রা:) সুতা গুলো নিয়ে বাজারে ৬
দিরহামে বিক্রি করলেন। এমন সময় এক অসহায়
ছাহাবা হযরত আলী (রা:) কে বলল আলী, কিছু
দিরহাম কর্য হবে! আমার ঘরে বাচ্চারা না খেয়ে আছে।
একথা শুনে হযরত আলী (র:)
নিজের
ঘরের কথা চিন্তা না করে সুতা বেচা ৬
দিরহাম ঐ অসহায় ছাহাবাকে দিয়ে দিলেন।
কিছুক্ষন পর দেখল বাজারে এক ব্যক্তি একটি
উট নিয়ে হযরত আলীর নিকট এসে বলল, আলী
উট নিবে! হযরত আলী (রা:) বলল নিব, কিন্তু
দিরহাম (টাকা) নাই।লোকটি বলল নাও,
টাকা পরে দিলে চলবে। এ বলে
লোকটি চলে গেল,
কিছক্ষন পর আর একটি লোক এসে হযরত আলীকে
বলল, আলী তোমার উটটি বিক্রি করবে? নগদ ৩০০
দিরহাম দিব। হযরত আলী (র:) বললেন নাও,
নগদ ৩০০ দিরহাম দাও। হযরত আলী (র:) ৩০০
দিরহাম দিয়ে উটটি বিক্রি করে
উটের আসল
মালিককে খুজতে লাগল। কিন্তু পুরু বাজারে
উটের আসল মালিককে খুজে না পেয়ে ঘরে চলে
আসল। ঘরে এসে দেখল, নবীজি (স:) মা
ফাতেমার সাথে বসে আছেন। নবীজি (স:) মুচকি
হাসি দিয়ে বললেন, আলী! উটের ঘটনা আমি
বলব, নাকি তুমি বলবে! হযরত আলী (র:)হয়রান
হয়ে বললেন, ইয়া রসুলাল্লাহ (স:) আপনি বলুন।
নবীজি (স:) বললেন, আলী প্রথমে যে তোমাকে
উট বাকীতে দিয়ে ছিল, সে হচ্ছে হযরত
জিব্রাঈল (আ:) আর পরে ৩০০ দিরহাম দিয়ে যে
উটটি কিনে ছিল, সে হযরত ইস্রাফিল (আ:)। উট
ছিল জান্নাতের মা ফাতেমার, যা
দিয়ে জান্নাতে মা ফাতেমা (রা:) সওয়ার হবেন।
তুমি যে অসহায় ছাহাবাকে সুতা
বেচা ৬ দিরহাম কর্য দিয়েছিলে, তাহা
আল্লাহর নিকট খুব পছন্দ হয়েছে, আর তাহার বদলা আল্লাহ দুনিয়াতেই তোমাকে কিছু দিয়ে
দিয়েছেন। আমিন
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
2601 West 7th Street
Howrah
76107
